উদ্দীপকে উল্লেখিত এশীয় ও ভূমধ্যসাগরীয় শ্রেণির মধ্যে ভূমধ্যসাগরীয় শ্রেণিটি ডিম উৎপাদনে বিখ্যাত। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
এশীয় শ্রেণির মধ্যে ব্রাহমা, কোচিন ও আসিল অন্যতম। এরা সাধারণত আকারে বড় হয় এবং মাংসের জন্য উপযোগী। অপরদিকে ভূমধ্যসাগরীয় শ্রেণির মধ্যে লেগহর্ন, মিনকা, এনকোনা, ফাউমি ইত্যাদি অন্যতম। এদের আকার তুলনামূলক ছোট এবং ডিম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। এদের মধ্যে হোয়াইট বা সাদা লেগহর্ন মুরগির উৎপাদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। এ জাত পৃথিবীর বিখ্যাত। এরা বছরে ৩০০টির বেশি ডিম দেয়। মিনকা বছরে ১৮০-২০০টি ডিম দেয়। এনকোনা বছরে ১৫০-২০০টি ডিম দেয় এবং ফাউমি ১৬০ থেকে ১৮০টি ডিম দেয়। অপরদিকে এশীয় শ্রেণি প্রধানত মাংস উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। এশীয় শ্রেণি কিছু ডিম উৎপাদন করলেও তার সংখ্যা নিতান্ত কম। যেমন- এশীয় শ্রেণির মধ্যে ব্রাহমার বার্ষিক ডিম উৎপাদন ক্ষমতা ১৩০-১৪০টি।
উপরের আলোচনার আলোকে বলা যায়, ভূ-মধ্যসাগরীয় শ্রেণি ডিম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত।