উদ্দীপকে উল্লেখিত মুরগির মল সাদা চুনের মতো ও তাতে সবুজ- হলুদ মিশ্রণ। পাখা, ঘাড় ও পা পক্ষাঘাতগ্রস্ত অর্থাৎ খামারের মুরগিগুলো রাণীক্ষেত রোগে আক্রান্ত। নিচে রাণীক্ষেত রোগ সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা হলো-
মোরগ-মুরগির সংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে রাণীক্ষেত অন্যতম মারাক্তক। এ রোগ প্রথমে মধ্য ইংল্যান্ডের নিউক্যাসল নামক স্থানে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে উপমহাদেশে রাণীক্ষেত নামক স্থানে এ রোগ প্রথম শনাক্ত হওয়ার কারণে একে রাণীক্ষেত রোগ বলে। গ্রামাঞ্চলে এ রোগকে চুনা হাগা রোগ বলে। শীত ও বসন্তকালে আমাদের দেশে এ রোগ বেশি দেখা যায়। রাণীক্ষেত রোগ নিউক্যাসল ডিজিজ ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে। বার্ণীক্ষেত রোগের অন্যান্য লক্ষণগুলো হলো-
১. আক্রান্ত পাখি দল ছেড়ে ঘরের কোণে ঝিমানো অবস্থায় থাকে।
২. সুদ্ধ পাখি হঠাৎ কক শব্দে উপরে লাফ দেয়, তারপর মারা যায়।
৩. স্বাসতন্ত্রে আক্রান্তের লক্ষণ প্রকাশ পায়, ফলে শ্বাসকষ্ট হয়।
৪. মুরগির ডিম উৎপাদন কমে যায়। এমনকি বন্ধও হয়ে যায়।
৫. চোখ ফুলে ওঠে, কানের লতি ও মাথার ঝুঁটি কালচে বর্ণ হয়।
৬. ঘাড় বাঁকা হয়ে যায়, মাথা ঘুরাতে থাকে এবং খুঁড়িয়ে চলে।
৭. দুর্গন্ধযুক্ত পাতলা মল মুরগির পিছনের পালকে লেগে থাকে। একে চুনা হাগাও বলে।