কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শের আলোকে চাঁদ মিয়ার কর্মকাণ্ডের যথার্থতা মূল্যায়ন কর ।
উত্তর: উদ্দীপকে কৃষক চাঁদ মিয়ার জমির মাটি বেলে প্রকৃতির যা অধিকাংশ ফসল চাষের অনুপযোগী। তাই তিনি কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে মাটির বুনট পরিবর্তন করেন । বেলে মাটিতে ৮৫-৯৫% পর্যন্ত বালিকণা থাকে। এ মাটিতে পলি ও কর্দম কণার পরিমাণ কম। এ মাটি ঢিলা ও ঝুরঝুরে। এ মাটির রন্ধ পরিসর কম, কণাগুলো বড় বড় ও পানি ধারণ ক্ষমতা কম। মাটির ছিদ্র বেশি হওয়ার কারণে পানি তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায় এবং অধিক পরিমাণ বায়ু চলাচল করে। যার কারণে কৃষিকাজে ব্যবহারের জন্য এ মাটি উপযোগী নয়। এজন্য চাঁদ মিয়া কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে মাটির বুনট বেলে প্রকৃতি থেকে রূপান্তর করে বুনটে পরিবর্তন করেন। কারণ দো-আঁশ মাটিতে বালি, পলি ও কদমকণা প্রায় সমান অনুপাতে থাকে। এ মাটির সংযুতি উন্নত বিধায় পানিধারণ ও শোষণক্ষমতা ভালো । দোআঁশ মাটিতে ফসল উৎপাদনের অনুকূল ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক ধর্ম বিদ্যমান। অর্থাৎ শস্য উৎপাদনের জন্য দো-আঁশ মাটি অতি উত্তম বলে অধিকাংশ ফসলই এ মাটিতে চাষ করা যায় । অতএব উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শের আলোকে চাঁদ মিয়ার কর্মকাণ্ডটি যথার্থ ও খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এখন সে চাহিদামতো ফসল চাষ করার মাধ্যমে লাভবান হতে পারবেন ।
HSC কৃষিশিক্ষা ১ম পত্র Chapter 2 : ভূমি সম্পৃক্ত কৃষি প্রযুক্তি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · কৃষিশিক্ষা ১ম পত্র · Chapter 2 : ভূমি সম্পৃক্ত কৃষি প্রযুক্তি · সৃজনশীল
কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শের আলোকে চাঁদ মিয়ার কর্মকাণ্ডের যথার্থতা মূ…
উদ্দীপক
Rajshahi · 2018
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
