উদ্দীপকের নমুনা মাটি- B হলো বেলে বুনটের মাটি। এই বেলে বুনটের মাটিকে আদর্শ তথা দোআঁশ মাটিতে রূপান্তর করা সম্ভব, নিম্নে পাঠ্যবইয়ের আলোকে মতামত বিশ্লেষণ করা হলো-
এঁটেল মাটি প্রয়োগ: এঁটেল মাটিতে এঁটেল কণা থাকে। এক্ষেত্রে বেলে মাটির উপরিস্তরে ৫ ৭ সে. মি. পুরু করে এঁটেল মাটি প্রয়োগ করে ভালোভাবে বেলে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হয়।
সবুজ সার প্রয়োগ: বেলে মাটিতে ধৈঞা বা অন্য কোনো শিমজাতীয় গাছ চাষ করে মাটিতে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। সবুজ সার প্রয়োগে বেলে মাটি দোআঁশ মাটিতে পরিণত হয়।
খামারজাত সায় প্রয়োগ: এক্ষেত্রে হেক্টর প্রতি ১০ থেকে ১৫ টন বা তার বেশি পরিমাণ খামারজাত সার প্রয়োগ করে জমিতে চাষ দিতে হয়।
কেঁচো সার প্রয়োগ: জৈব দ্রব্য/গোবর/হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা ইত্যাদিতে কেঁচো সার ব্যবহার করে যে সার করা হয় তাকে কেঁচো সার বলে। বেলে মাটিতে হেক্টর প্রতি ১০-১৫ টন কেঁচো সার ব্যবহার করা যেতে পারে।
জৈব সার প্রয়োগ: গোবর, কম্পোস্ট, হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা ইত্যাদি জৈব সার হেক্টর প্রতি ১০-১৫ টন বা তার বেশি জৈব সার ব্যবহার করা যেতে পারে।
অর্থাৎ আবুল হোসেন কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে উপরিউক্ত পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করে বেলে মাটিকে দোআঁশ মাটিতে রূপান্তর করেন। আর এই দোআঁশ মাটির জমিতে ধান ও পাট চাষে সাফল্য লাভ করেন।