উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্পটি হলো সার শিল্প।
মানচিত্রে প্রদর্শিত বাংলাদেশের সার শিল্পের বণ্টন নিচে বিভাগ অনুসারে দেখানো হলো:
১. ঢাকা বিভাগ: ঢাকা বিভাগে নরসিংদীর ঘোড়াশাল সার কারখানা, পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা, জামালপুরের সরিষাবাড়ি থানার তারাকান্দিতে যমুনা সার কারখানা অবস্থিত। এদের মধ্যে ঘোড়াশাল সার কারখানা ১৯৭০ সালে নির্মিত হলেও এর উৎপাদন শুরু হয় ১৯৭২ সাল থেকে। পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা ১৯৮১ এবং যমুনা সার কারখানা ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই তিনটি সার কারখানাতে কাঁচামাল হিসেবে তিতাস গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
২. চট্টগ্রাম বিভাগ: এই বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আশুগঞ্জ সার কারখানা, চট্টগ্রামে ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) সার কারখানা- ও চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা গড়ে উঠেছে। আশুগঞ্জ সার কারখানা ১৯৮১ সালে, টিএসপি সার কারখানা ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সার কারখানাগুলোর কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
৩. সিলেট বিভাগ: এই বিভাগের সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা, অ্যামোনিয়া সালফেট কারখানা, হবিগঞ্জ জেলার হবিগঞ্জ সার কারখানা উল্লেখযোগ্য। ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা দেশের প্রথম। এখানে কাঁচামাল হিসেবে হরিপুরের প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। অ্যামোনিয়াম সালফেট কারখানা ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানার উদ্বৃত্ত অ্যামোনিয়া কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে। হবিগঞ্জ সার কারখানা হবিগঞ্জের প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে সার উৎপাদন করে।
৪. খুলনা বিভাগ: খুলনা বিভাগে খুলনা ট্রিপল সুপার ফসফেট কারখানায় কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। এই কারখানায় টিএসপি ও নাইট্রোজেন উৎপাদন করা হয়।