উদ্দীপকের ২নং বৈশিষ্ট্যে প্রতিবর্তী ক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে।
কোনো বাহ্যিক উদ্দীপক ইন্দ্রিয়তে উদ্দীপনা সৃষ্টি করলে প্রাণী তার প্রতি স্বতঃস্ফূর্তভাবে যে প্রতিক্রিয়া করে তাকে প্রতিবর্তী ক্রিয়া বলে।
যেমন- চোখে আলো পড়লে চোখ বন্ধ হয়ে যাওয়া।
প্রতিবর্তী ক্রিয়া দুই রকম হতে পারে, সরল ও জটিল প্রতিবর্তী ক্রিয়া। যে প্রতিবর্তী ক্রিয়ায় একটি সংবেদী, একটি গতিবাহী ও একটি সংযোগীয় স্নায়ু অংশগ্রহণ করে তাকে সরল প্রতিবর্তী ক্রিয়া বলা হয়।
যেমন- হাই তোলা, হাঁচি দেয়া প্রভৃতি। অপরদিকে যে ধরনের প্রতিবর্তী ক্রিয়ায় একাধিক সংবেদী, গতিবাহী ও সংযোগীয় স্নায়ু অংশগ্রহণ করে তাকে প্রতিবর্তী ক্রিয়া বলা হয়। যেমন- চলন্ত গাড়ির হর্ন শুনে লাফ দিয়ে রাস্তা থেকে সরে দাঁড়ানো।
প্রতিবর্তী ক্রিয়ার কতগুলো বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যেমন- প্রতিবর্তী ক্রিয়া একটি সহজাত ঘটনা, এটি শিক্ষালব্ধ নয়। পাশাপাশি এটি একটি অনৈচ্ছিক আচরণ। প্রতিবর্তী ক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাণী ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে, আবার প্রতিবর্তী ক্রিয়ার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো প্রতিবর্তী ক্রিয়া খুব দ্রুত গতিতে সম্পন্ন হয়।