উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ শিল্পটি হলো "চিনি শিল্প"। নিয়ে চিনি শিল্পের বাংলাদেশে বণ্টন ব্যাখ্যা করা হলো-
১. ঢাকা বিভাগ: ১৯৩৪ সালে নরসিংদীতে দেশবন্ধু চিনিকল নামে এ বিভাগে প্রথম চিনিকল প্রতিষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিভাগে মোট চিনিকলের সংখ্যা ৫টি। কলগুলো হলো কালিয়াচাপড়া, ন্যাশনাল, দেশবন্ধু, ফরিদপুর, ঝিলবাংলা। দেশের মোট উৎপাদিত আখের ২০% এ বিভাগে উৎপাদিত হয়।
২. খুলনা বিভাগ: খুলনা বিভাগে প্রচুর আখ উৎপন্ন হয়। দেশের মোট উৎপাদিত আখের ১৬% এ বিভাগে উৎপাদিত হয়। এ অঞ্চলে মাত্র ৩টি চিনিকল গড়ে উঠেছে। এ কলগুলো জগতি, দর্শনা ও মোবারকগঞ্জে অবস্থিত।
৩. রংপুর বিভাগ: দেশের মোট চিনিকলের ৬টি এ বিভাগে অবস্থিত। এ অঞ্চলে প্রচুর আখ উৎপন্ন হয়। দেশের মোট উৎপাদিত আখের ৩২% এ বিভাগে উৎপাদিত হয়। চিনিকলসমূহ রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও গাইবান্ধা জেলায় অবস্থিত।
৪. রাজশাহী বিভাগ: রাজশাহী অঞ্চল চিনি শিল্পে উন্নত। চিনির প্রধান কাঁচামাল আখ উৎপাদনে সমৃদ্ধ হওয়ায় এ অঞ্চলে ৫টি চিনিশিল্প গড়ে উঠেছে। দেশের উৎপাদিত আখের ৩৫% এ বিভাগে উৎপাদিত হয়। এ বিভাগের ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু ও মৃত্তিকায় আখের ফলন ভালো হয় বলে দ্রুত এ শিল্পের প্রসার ঘটেছে।
সুতরাং বলা যায় যে, উক্ত শিল্পটি বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রসার ঘটেছে।