উদ্দীপকে চিনি শিল্পের কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশের শিল্প গড়ে উঠার কিছু ভৌগোলিক নিয়ামক বিশ্লেষণ করা হলো-
আখ চাষের অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকায় বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে আখ উৎপাদিত হয়। উৎপাদিত এসব আখ বাংলাদেশের বিভিন্ন চিনিকলে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া কিছু পরিমাণ আখ গুড় তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এসব চিনিকলের অধিকাংশ আখ উৎপাদনকারী অঞ্চলেই অবস্থিত। আবার কাঁচামালের অভাবহেতু বাংলাদেশের দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চলে চিনি শিল্প গড়ে ওঠেনি। আখ চাষের জন্য উপযোগী উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু বাংলাদেশের যেসব অঞ্চলে দেখা যায় সেসব স্থানে আখের চাষ হয়; যেমন- কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, কিশোরগঞ্জ প্রভৃতি স্থানে আখের চাষ হয়।
আখ চাষের জন্য পলি দোআঁশ, কাদা দোআঁশ মৃত্তিকা অধিক উপযোগী। তাই বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে আখ বেশি জন্মায়। ফলে শিল্পের কাঁচামালের অভাব হয় না। উপরে উল্লিখিত ভৌগোলিক নিয়ামক সমূহ এদেশে চিনি শিল্প গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে।