উদ্দীপকের 'ক' শিল্পটির বণ্টন আলোচনা কর।
উত্তর: উদ্দীপকের 'ক' শিল্পটি হলো সিমেন্ট শিল্প। বাংলদেশে উত্ত শিল্পটির বণ্টন আলোচনা করা হলো- বাংলাদেশের সিমেন্ট কারখানাগুলোর মধ্যে ১টি ছাতকে, ৩টি চট্টগ্রামে, ১টি নারায়ণগঞ্জে, ২টি যশোরে, ২টি বাগেরহাটের মংলা বন্দরের নিকটে, ১টি মুন্সীগঞ্জে অবস্থিত। নিম্নে এর বণ্টন আলোচনা করা হলো- ১. ছাতক সিমেন্ট কারখানা: এটি ১৯৩৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। এখানে উৎপাদন ক্ষমতা ২.৬৭লাখ মেট্রিক টন। ২. চট্টগ্রাম সিমেন্ট কারখানা: এটি ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম জেলায় প্রতিষ্ঠিত হয়। এর বার্ষিক উৎপাদন ২১৫ লাখ টন। ৩. কনফিডেন্স সিমেন্ট কারখানা: এটি চট্টগ্রাম শহরের ২২ কিলোমিটার উত্তরে সীতাকুন্ডের, ভাটিয়ারী নামক স্থানে ব্যক্তিমালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয়। এ কারখানায় বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ১.৮ লাখ মেট্রিক টন। ৪. ডায়মন্ড সিমেন্ট কারখানা: কর্ণফুলী নদীর তীরে চট্টগ্রাম বন্দরের বিপরীত দিকে ব্যক্তিমালিকানায় এ সিমেন্ট কারখান গড়ে ওঠে ১৯৯৮ সালে। এ কারখানায় বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ২.৮ লাখ মেট্রিক টন। ৫. মংলা সিমেন্ট কারখানা: এটি মংলা বন্দরের সন্নিকটে অবস্থিত। বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৪.৫ লাখ মে. টন। ৬. মেঘনা সিমেন্ট কারখানা: এটি মংলা সিমেন্ট কারখানার নিকটেই অবস্থিত। বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৩ লাখ মেট্রিক টন। ৭. মডার্ন সিমেন্ট কারখানা: মুন্সীগঞ্জ জেলায় এটি অবস্থিত। এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৩০ হাজার মেট্রিক টন। ৮. জয়পুরহাট সিমেন্ট কারখানা: এটি জয়পুরহাট জেলায় অবস্থিত। বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৬ লাখ ৬০ হাজার মে. টন। ৯. হোলসিম সিমেন্ট কারখানা: এটি নারায়ণগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২ লাখ মে. টন। সুতরাং বলা যায় যে, উল্লিখিত সিমেন্ট কারখানা ছাড়াও নিলয় সিমেন্ট কারখানা, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লি. সহ অন্যান্য ব্যক্তিগত মালিকানায় কিছু কারখানা বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
HSC Geography 2nd Paper Chapter 6 : শিল্প CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 2nd Paper · Chapter 6 : শিল্প · সৃজনশীল
উদ্দীপকের 'ক' শিল্পটির বণ্টন আলোচনা কর।
উদ্দীপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর


