উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্পের উৎপাদন ও বণ্টন বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্পটি হলো লৌহ ও ইস্পাত শিল্প। উক্ত শিল্পটির বিশ্বব্যাপী উৎপাদন ও বণ্টন বিশ্লেষণ করা হলো- [চিত্র] [উৎস: জাতিসংঘ মাসিক পরিসংখ্যান বুলেটিন, ২০১৭] চীন: চীনের মাঞ্চুরিয়ান আনশান অঞ্চলে লৌহ আকরিক এবং পেনশিহুতে কোক কয়লা পাওয়া যায়। এছাড়া স্থানীয় কয়লা ও আকরিকের ওপর নির্ভর করে ইয়াংসি নদীর তীরে হ্যাষ্ণাও অঞ্চলে লৌহ ও ইস্পাত শিল্পকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। জাপান: জাপান লৌহ ও ইস্পাত শিল্প উৎপাদনে উন্নত। জাপানের উত্তর কিউশুর ইয়াওয়াটা এশিয়ার শ্রেষ্ঠ ইস্পাত শিল্পাঞ্চল। এখানকার টোকিও, ইয়োকোহামা, কাওয়াসাকি, চিবা প্রভৃতি অঞ্চলে গড়ে উঠেছে। ভারত: দক্ষিণ এশিয়ার ভারত লৌহ ও ইস্পাতে যথেষ্ট সমৃদ্ধ। এ দেশের ভিলাই, রাউরকেলা, বার্নপুর, বোকারো, দুর্গাপুর, ভদ্রাবতী, জামসেদপুর ও বার্নপুরে লৌহ ও ইস্পাত শিল্পকেন্দ্র রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টপিটার্সবার্গ, শিকাগো-গ্যারী, বার্মিংহাম, ইরি হ্রদ, ডুলুথ, মধ্য আটলান্টিক অঞ্চল, কলোরাডো, ক্যালিফোর্নিয়া, ইউটা প্রভৃতি রাজ্যে লৌহ ও ইস্পাত শিল্পকেন্দ্র গড়ে ওঠেছে। রাশিয়া: রাশিয়া ইউরাল পর্বত, মস্কো, বৈকাল হ্রদ অঞ্চলে লৌহ ও ইস্পাত শিল্পকেন্দ্র গড়ে ওঠেছে। দক্ষিণ কোরিয়া: দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচন, গোয়ংজু। বুসান, সিউল প্রভৃতি অঞ্চলে লৌহ ও ইস্পাত শিল্পকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। জার্মানি: জার্মানির বেশিরভাগ লৌহ ও ইস্পাত শিল্পকেন্দ্র রাইন অববাহিকায় বুয় অঞ্চলে অবস্থিত। এছাড়া ডর্টমুন্ড, এসেন, ডুইসবার্গ প্রভৃতি অঞ্চলেও দেখা যায়। সুতরাং বলা যায় উল্লিখিত দেশগুলোতে বেশি পরিমাণ লৌহ ও ইস্পাত শিল্প গড়ে ওঠেছে। এছাড়াও ব্রাজিল, তুর্কি, ইতালি, তাইওয়ান, ইউক্রেন যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, স্পেন, পোল্যান্ড অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা মেক্সিকো প্রভৃতি এদেশেও লৌহ ও ইস্পাত শিল্পকেন্দ্র গড়ে উঠেছে।
HSC Geography 2nd Paper Chapter 6 : শিল্প CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 2nd Paper · Chapter 6 : শিল্প · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্পের উৎপাদন ও বণ্টন বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক
সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এম.এম) কলেজ, যশোর · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
[উৎস: জাতিসংঘ মাসিক পরিসংখ্যান বুলেটিন, ২০১৭]
চীন: চীনের মাঞ্চুরিয়ান আনশান অঞ্চলে লৌহ আকরিক এবং পেনশিহুতে কোক কয়লা পাওয়া যায়। এছাড়া স্থানীয় কয়লা ও আকরিকের ওপর নির্ভর করে ইয়াংসি নদীর তীরে হ্যাষ্ণাও অঞ্চলে লৌহ ও ইস্পাত শিল্পকেন্দ্র গড়ে উঠেছে।
জাপান: জাপান লৌহ ও ইস্পাত শিল্প উৎপাদনে উন্নত। জাপানের উত্তর কিউশুর ইয়াওয়াটা এশিয়ার শ্রেষ্ঠ ইস্পাত শিল্পাঞ্চল। এখানকার টোকিও, ইয়োকোহামা, কাওয়াসাকি, চিবা প্রভৃতি অঞ্চলে গড়ে উঠেছে।
ভারত: দক্ষিণ এশিয়ার ভারত লৌহ ও ইস্পাতে যথেষ্ট সমৃদ্ধ। এ দেশের ভিলাই, রাউরকেলা, বার্নপুর, বোকারো, দুর্গাপুর, ভদ্রাবতী, জামসেদপুর ও বার্নপুরে লৌহ ও ইস্পাত শিল্পকেন্দ্র রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টপিটার্সবার্গ, শিকাগো-গ্যারী, বার্মিংহাম, ইরি হ্রদ, ডুলুথ, মধ্য আটলান্টিক অঞ্চল, কলোরাডো, ক্যালিফোর্নিয়া, ইউটা প্রভৃতি রাজ্যে লৌহ ও ইস্পাত শিল্পকেন্দ্র গড়ে ওঠেছে।
রাশিয়া: রাশিয়া ইউরাল পর্বত, মস্কো, বৈকাল হ্রদ অঞ্চলে লৌহ ও ইস্পাত শিল্পকেন্দ্র গড়ে ওঠেছে।
দক্ষিণ কোরিয়া: দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচন, গোয়ংজু। বুসান, সিউল প্রভৃতি অঞ্চলে লৌহ ও ইস্পাত শিল্পকেন্দ্র গড়ে উঠেছে।
জার্মানি: জার্মানির বেশিরভাগ লৌহ ও ইস্পাত শিল্পকেন্দ্র রাইন অববাহিকায় বুয় অঞ্চলে অবস্থিত। এছাড়া ডর্টমুন্ড, এসেন, ডুইসবার্গ প্রভৃতি অঞ্চলেও দেখা যায়।
সুতরাং বলা যায় উল্লিখিত দেশগুলোতে বেশি পরিমাণ লৌহ ও ইস্পাত শিল্প গড়ে ওঠেছে। এছাড়াও ব্রাজিল, তুর্কি, ইতালি, তাইওয়ান, ইউক্রেন যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, স্পেন, পোল্যান্ড অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা মেক্সিকো প্রভৃতি এদেশেও লৌহ ও ইস্পাত শিল্পকেন্দ্র গড়ে উঠেছে।

