উদ্দীপকের শেষোক্ত শিল্প হলো লৌহ ও ইস্পাত শিল্প। জাপানে আমদানিকৃত কাঁচামালের (আকরিক লোহা) উপর নির্ভর করে লৌহ ও ইস্পাত শিল্প গড়ে উঠেছে।
জাপানে কয়লা ও আকরিক লৌহ বেশি উত্তোলিত হয় না। তথাপি লৌহপিন্ড ও ইস্পাত উৎপাদনে এ দেশ বিশ্বে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয়। ২০২২ সালে এদেশে ৭ কোটি ১০ লক্ষ মেট্রিক টন লৌহপিণ্ড এবং ৯ কোটি ৭০ লক্ষ মেট্রিক টন ইস্পাত উৎপন্ন হয়।
জাপানে পাঁচটি অঞ্চল প্রধানত লৌহ ও ইস্পাত শিল্পে উন্নত। যথা- (ক) ইয়াওয়াটা অঞ্চল, (খ) ওসাকা-কোবে অঞ্চল, (গ) টোকিও- ইয়োকোহামা অঞ্চল, (ঘ) উত্তর-পূর্ব হন্ঙ্গু-কামাইসি-অঞ্চল এবং (৬) হোক্কাইডো-মুরোরান অঞ্চল।
জাপান সব ধরনের লৌহ ও ইস্পাত দ্রব প্রস্তুত হয়। বড় বড় জাহাজ, রেল ইঞ্জিন, যন্ত্রপাতি মোটরগাড়ি, ট্রাক্টর, বাইসাইকেল, বৈদ্যুতিক পাখা, রেডিও, ট্রানজিস্টার, টেলিভিশন সেট, ক্যামেরা প্রভৃতি হতে আরম্ভ করে সূচ এবং পেরেক পর্যন্ত সবকিছুই জাপানে প্রস্তুত হয়।