উদ্দীপকে উল্লিখিত দূষণ হলো – বায়ু দূষণ। নিচে এর কারণ ব্যাখ্যা করা হলো-
CO₂ একটি গ্রিনহাউস গ্যাস। সকল প্রাণী শ্বসন ক্রিয়াকালে CO₂ গ্যাস বাতাসে ত্যাগ করে এবং সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ ক্রিয়াকালে CO₂ গ্রহণ করে। বনভূমি ধ্বংস ও গাছপালা নির্বিচারে কাটার ফলে জীবকুলের ত্যাগ করা সবটুকু CO₂ গ্যাস সবুজ উদ্ভিদ গ্রহণ করতে পারে না। তাই বাতাসে CO₂ গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। কলকারখানার চিমনি হতেও CO₂ গ্যাস বাতাসে যোগ হয়। ধোঁয়া হলো এক ধরনের এরোসল যা দহনকৃত নির্গত বস্তু ও বাতাসে ভাসমান কলয়ডাল কণা এবং বাষ্পীভবন বা দহনোদ্ভূত গ্যাস নিয়ে গঠিত হয়।এ গ্যাসে সিসা, তামা, জিংক, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি ভারি ধাতু ও কার্বন মনোক্সাইড (CO), সালফার ডাইঅক্সাইড (SO₂), হাইড্রোজেন সালফাইড (H₂S), হাইড্রোজেন ক্লোরাইড (HCI), নাইট্রোজেন অক্সাইডসমূহ (N₂O, NO₂, NO3, N₂O₃) ইত্যাদি থাকে। এসব গ্যাসের ঘনত্ব একটু বৃদ্ধি পেলে এরা জীবকুলের বেশ ক্ষতিসাধন করে। সাধারণত শিল্পকারখানার ধোঁয়া হতে গ্যাস বায়ুতে মিশে। বিভিন্ন জ্বালানি দহনের ফলেই SO₂ সৃষ্টি হয়। বায়ুর সাথে মিশে এই গ্যাস সালফিউরিক অ্যাসিড সৃষ্টি করে এবং অ্যাসিড বৃষ্টির মাধ্যমে জীবকুলের ক্ষতি করে।
তাই বলা যায় উপরিউক্ত কারণে বায়ু দূষণ হয়।