Chapter 4 : বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ Geography 1st Paper

HSC Geography 1st Paper এর Chapter 4 : বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১৬৩

প্রশ্ন

Geography 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Jessore · 2025

বায়ুদূষণ কাকে বলে?

উত্তর

স্বাভাবিক উপাদানের বাইরে বায়ুতে যখন নানা ধরনের ধোঁয়া, - গ্যাস, ধুলা-বালি, সিসাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদানের অনুপ্রবেশ ঘটে তখন তাকে বায়ুদূষণ বলে।
জলীয়বাষ্প বায়ুমণ্ডলের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্প একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তবে এ জলীয়বাষ্পের অনুপাত বায়ুমণ্ডলে খুবই সামান্য। যা বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে অবস্থান করে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে জলীয়বাষ্পের ধারণ ক্ষমতা বাড়তে থাকে। বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ঋতুভেদে ও অঞ্চলভেদে কমবেশি হয়ে থাকে। বায়ুতে এর পরিমাণ ০.৪১% নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন গ্যাসের অণুগুলোর মতো জলীয়বাষ্পের অণুগুলো বাতাসে ভেসে বেড়ায়। ফলে জলীয়বাষ্পের প্রভাবে শিশির, কুয়াশা, মেঘ, বৃষ্টি, তুষারপাত ইত্যাদি সৃষ্টি হয়ে থাকে। পৃথিবীর পৃষ্ঠে এগুলোর যথেষ্ট প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকের 'খ' স্তরের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের 'খ' স্তরটি হলো থার্মোস্ফিয়ার। নিচে থার্মোস্ফিয়ারের বর্ণনা দেওয়া হলো: মেসোস্ফিয়ারের উপরে থার্মোস্ফিয়ার স্তরের অবস্থান। বিজ্ঞানীদের গবেষণা অনুযায়ী এ স্তরটি ভূপৃষ্ঠের ৮০ কিমি. ঊর্ধ্ব থেকে ৬৪০ কিমি. ঊর্ধ্ব পর্যন্ত বিস্তৃত। এ স্তরে সূর্যের তাপ খুব বেশি। ৮০ কিমি. উচ্চতায় উষ্ণতা ৯৩° সে. তারপর থেকে যতই উপরে যাওয়া যায় তাপ বাড়তে থাকে। ৫০০ কিমি. উচ্চতায় তাপ প্রায় ১২০০° সে. হয়। অতিরিক্ত তাপের কারণে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎযুক্ত কণা বা আয়ন ও ইলেকট্রনে পরিপূর্ণ হয় এ অঞ্চলটি। যে কারণে এ স্তরকে আয়নোস্ফিয়ার বলে। এখানে পজেটিভ ও নেগেটিভ দু ধরনের আয়নের প্রাচুর্যের কারণে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে আবারও ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। আয়নোস্ফিয়ারের এ প্রভাবের কারণে ভূপৃষ্ঠে মানুষ অতি সহজে বেতার শুনতে পায়। আয়নোস্ফিয়ার বিপজ্জনক এক্সরে রশ্মির হাত থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে। এ স্তরে বায়ুপ্রবাহ নেই। বিদ্যুৎ চমকায়। এখানে কসমিক কণা ও উল্কা দেখা যায়।
উদ্দীপকের 'ক' স্তর জীবজগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' স্তরটি হলো ট্রপোস্ফিয়ার। ট্রপোস্ফিয়ার জীবজগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নিচে এ সম্পর্কে বিশ্লেষণ করা হলো: বায়ুমণ্ডলের ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তরগলো ট্রপোস্ফিয়ার। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৮ কিলোমিটার উর্ধ্ব পর্যন্ত এর বিস্তার ধরা হয়। এ বায়ু স্তরের গভীরতা সর্বত্র সমান থাকে না। নিরক্ষীয় অঞ্চলে এর গভীরতা ১৬ কিমি. এবং মেরু অঞ্চলে গভীরতা ৮ কিমি.। এ স্তর থেকে যতই উপরের দিকে উঠা যায়, ততই উষ্ণতা কমতে থাকে। প্রতি কিলোমিটার বা ১০০০ মিটার উচ্চতায় বায়ুর তাপমাত্রা গড়ে ৬.৫° সেলসিয়াস হারে হ্রাস পায়। এই স্তরটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর, ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে আছে। মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির, কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়। উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসের গতিবেগ বাড়ে। নিচের দিকের বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে। জীবনধারণের জন্য এ স্তরটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। ট্রপোস্ফিয়ারের শেষ সীমাকে ট্রপোপজ বলে। ঝড়-বৃষ্টির প্রাদুর্ভাব ঘটে না বলে বিমান এ স্তরে বিনা বাধায় চলাফেরা করতে পারে। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি ট্রপোস্ফিয়ার জীবজগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Jessore · 2025

বায়ুদূষণ কাকে বলে?

উত্তর

স্বাভাবিক উপাদানের বাইরে বায়ুতে যখন নানা ধরনের ধোঁয়া, - গ্যাস, ধুলা-বালি, সিসাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদানের অনুপ্রবেশ ঘটে তখন তাকে বায়ুদূষণ বলে।
জলীয়বাষ্প বায়ুমণ্ডলের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্প একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তবে এ জলীয়বাষ্পের অনুপাত বায়ুমণ্ডলে খুবই সামান্য। যা বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে অবস্থান করে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে জলীয়বাষ্পের ধারণ ক্ষমতা বাড়তে থাকে। বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ঋতুভেদে ও অঞ্চলভেদে কমবেশি হয়ে থাকে। বায়ুতে এর পরিমাণ ০.৪১% নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন গ্যাসের অণুগুলোর মতো জলীয়বাষ্পের অণুগুলো বাতাসে ভেসে বেড়ায়। ফলে জলীয়বাষ্পের প্রভাবে শিশির, কুয়াশা, মেঘ, বৃষ্টি, তুষারপাত ইত্যাদি সৃষ্টি হয়ে থাকে। পৃথিবীর পৃষ্ঠে এগুলোর যথেষ্ট প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকের 'খ' স্তরের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের 'খ' স্তরটি হলো থার্মোস্ফিয়ার। নিচে থার্মোস্ফিয়ারের বর্ণনা দেওয়া হলো: মেসোস্ফিয়ারের উপরে থার্মোস্ফিয়ার স্তরের অবস্থান। বিজ্ঞানীদের গবেষণা অনুযায়ী এ স্তরটি ভূপৃষ্ঠের ৮০ কিমি. ঊর্ধ্ব থেকে ৬৪০ কিমি. ঊর্ধ্ব পর্যন্ত বিস্তৃত। এ স্তরে সূর্যের তাপ খুব বেশি। ৮০ কিমি. উচ্চতায় উষ্ণতা ৯৩° সে. তারপর থেকে যতই উপরে যাওয়া যায় তাপ বাড়তে থাকে। ৫০০ কিমি. উচ্চতায় তাপ প্রায় ১২০০° সে. হয়। অতিরিক্ত তাপের কারণে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎযুক্ত কণা বা আয়ন ও ইলেকট্রনে পরিপূর্ণ হয় এ অঞ্চলটি। যে কারণে এ স্তরকে আয়নোস্ফিয়ার বলে। এখানে পজেটিভ ও নেগেটিভ দু ধরনের আয়নের প্রাচুর্যের কারণে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে আবারও ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। আয়নোস্ফিয়ারের এ প্রভাবের কারণে ভূপৃষ্ঠে মানুষ অতি সহজে বেতার শুনতে পায়। আয়নোস্ফিয়ার বিপজ্জনক এক্সরে রশ্মির হাত থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে। এ স্তরে বায়ুপ্রবাহ নেই। বিদ্যুৎ চমকায়। এখানে কসমিক কণা ও উল্কা দেখা যায়।
উদ্দীপকের 'ক' স্তর জীবজগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' স্তরটি হলো ট্রপোস্ফিয়ার। ট্রপোস্ফিয়ার জীবজগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নিচে এ সম্পর্কে বিশ্লেষণ করা হলো: বায়ুমণ্ডলের ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তরগলো ট্রপোস্ফিয়ার। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৮ কিলোমিটার উর্ধ্ব পর্যন্ত এর বিস্তার ধরা হয়। এ বায়ু স্তরের গভীরতা সর্বত্র সমান থাকে না। নিরক্ষীয় অঞ্চলে এর গভীরতা ১৬ কিমি. এবং মেরু অঞ্চলে গভীরতা ৮ কিমি.। এ স্তর থেকে যতই উপরের দিকে উঠা যায়, ততই উষ্ণতা কমতে থাকে। প্রতি কিলোমিটার বা ১০০০ মিটার উচ্চতায় বায়ুর তাপমাত্রা গড়ে ৬.৫° সেলসিয়াস হারে হ্রাস পায়। এই স্তরটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর, ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে আছে। মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির, কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়। উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসের গতিবেগ বাড়ে। নিচের দিকের বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে। জীবনধারণের জন্য এ স্তরটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। ট্রপোস্ফিয়ারের শেষ সীমাকে ট্রপোপজ বলে। ঝড়-বৃষ্টির প্রাদুর্ভাব ঘটে না বলে বিমান এ স্তরে বিনা বাধায় চলাফেরা করতে পারে। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি ট্রপোস্ফিয়ার জীবজগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

জলবায়ু কাকে বলে?

উত্তর

আবহাওয়ার ৩০ থেকে ৪০ বছরের গড় অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
সাময়িক বায়ু কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দিনের নির্দিষ্ট সময়ে কিংবা বছরের কোনো নির্দিষ্ট ঋতুতে যে বায়ুপ্রবাহ স্থল ও জলভাগের তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে সৃষ্টি হয় এবং দিক পরিবর্তন করে তাকে সাময়িক বায়ু বলে। নিয়ত বায়ুর মতো সারাবছর ধরে একই দিকে প্রবাহিত না' হয়ে, এ বায়ু নির্দিষ্ট সময় কালের জন্য প্রবাহিত হয়। সাময়িক বায়ু নির্দিষ্ট এলাকার জলবায়ু এবং আবহাওয়ার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। মৌসুমি বায়ু, সমুদ্র বায়ু, স্থল বায়ু, পার্বত্য বায়ু এবং উপত্যকা বায়ু সাময়িক বায়ুর অন্তর্গত।
উদ্দীপকের 'ক' বায়ু স্তরটির বিবরণ দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' বায়ুর স্তরটি হলো ট্রপোস্ফিয়ার। নিচে স্তরটির বিবরণ দেওয়া হলো: বায়ুমণ্ডলের ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তরগলো ট্রপোস্ফিয়ার। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৮ কিলোমিটার উর্ধ্ব পর্যন্ত এর বিস্তার ধরা হয়। এ বায়ু স্তরের গভীরতা সর্বত্র সমান থাকে না। নিরক্ষীয় অঞ্চলে এর গভীরতা ১৬ কিমি. এবং মেরু অঞ্চলে গভীরতা ৮ কিমি.। এ স্তর থেকে যতই উপরের দিকে উঠা যায়, ততই উষ্ণতা কমতে থাকে। প্রতি কিলোমিটার বা ১০০০ মিটার উচ্চতায় বায়ুর তাপমাত্রা গড়ে ৬.৫° সেলসিয়াস হারে হ্রাস পায়। এই স্তরটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর, ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে আছে। মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির, কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়। উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসের গতিবেগ বাড়ে। নিচের দিকের বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে। জীবনধারণের জন্য এ স্তরটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। ট্রপোস্ফিয়ারের শেষ সীমাকে ট্রপোপজ বলে। ঝড়-বৃষ্টির প্রাদুর্ভাব ঘটে না বলে বিমান এ স্তরে বিনা বাধায় চলাফেরা করতে পারে।।
উদ্দীপকের 'খ' ও 'গ' এর মধ্যে কোন স্তরটি বেতার সম্প্রচারের উপযোগী? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'খ' স্তরটি হলো স্ট্রাটোস্ফিয়ার এবং 'গ' স্তরটি হলো থার্মোস্ফিয়ার। স্তরদ্বয়ের মধ্যে থার্মোস্ফিয়ার স্তরটি বেতার সম্প্রচারের উপযোগী। নিচে এ বিষয়ে বিশ্লেষণ করা হলো: ট্রপোপজের উপর হতে ঊর্ধ্বে ৬২ কিলোমিটার পর্যন্ত এ স্তরের বিস্তার, (অর্থাৎ ভূপৃষ্ঠের উর্ধ্বে ১৮ কিমি. হতে ৮০ কিমি. ঊর্ধ্ব পর্যন্ত এটি বিস্তৃত)। এ স্তরের উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপ হ্রাস পায় না, বরং বৃদ্ধি পায়। এ বায়ু স্তরের ঊর্ধ্ব সীমাকে ওজোনোস্ফিয়ার ও মেসোস্ফিয়ারে বিভক্ত করা যায়। ওজোনোস্ফিয়ার স্তরটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ঊর্ধ্বে প্রায় ২০ হতে ৫০ কিমি.-এর মধ্যে দেখা যায়। এ স্তরটি না থাকলে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির দহনে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত। ভূপৃষ্ঠের উর্ধ্বে ৫০ হতে ৮০ কিমি. পর্যন্ত স্তরটিকে মেসোস্ফিয়ার বলে। অন্যদিকে, থার্মোস্ফিয়ার বায়ুমণ্ডলের চতুর্থ স্তর। ভূপৃষ্ঠের ৮০ কিলোমিটার ঊর্ধ্ব হতে ৬৪০ কিলোমিটার ঊর্ধ্ব 'পর্যন্ত এর বিস্তার। এখানে সূর্যের তাপ খুবই বেশি। ৮০ কিমি. উচ্চতায় উষ্ণতা ৯৩০ সে. থেকে বাড়তে বাড়তে ৫০০ কিমি, উচ্চতায় তাপ প্রায় ১,২০০০ সে. হয়। অতিরিক্ত তাপে অসংখ্য বিদ্যুৎযুক্ত কণা বা আয়ন ও ইলেকট্রনে পরিপূর্ণ হয় অঞ্চলটি। তাই এ স্তরকে আয়নোস্ফিয়ারও বলা হয়। এখানে পজিটিভ ও নেগেটিভ দু'ধরনের আয়নের প্রাচুর্য ঘটে। এর ফলে বেতার তরঙ্গ আয়নোস্ফিয়ারে প্রতিফলিত হয়ে পুনরায় ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। ফলে মানুষ নির্বিঘ্নে রেডিও শুনতে পায়। এছাড়া এ স্তর থাকার ফলে বিপজ্জনক এক্সরে রশ্মির হাত থেকে পৃথিবী রক্ষা পায়। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি থার্মোস্ফিয়ার বা আয়নোস্ফিয়ার স্তরটি বেতার সম্প্রচারের উপযোগী।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

জলবায়ু কাকে বলে?

উত্তর

আবহাওয়ার ৩০ থেকে ৪০ বছরের গড় অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
সাময়িক বায়ু কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দিনের নির্দিষ্ট সময়ে কিংবা বছরের কোনো নির্দিষ্ট ঋতুতে যে বায়ুপ্রবাহ স্থল ও জলভাগের তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে সৃষ্টি হয় এবং দিক পরিবর্তন করে তাকে সাময়িক বায়ু বলে। নিয়ত বায়ুর মতো সারাবছর ধরে একই দিকে প্রবাহিত না' হয়ে, এ বায়ু নির্দিষ্ট সময় কালের জন্য প্রবাহিত হয়। সাময়িক বায়ু নির্দিষ্ট এলাকার জলবায়ু এবং আবহাওয়ার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। মৌসুমি বায়ু, সমুদ্র বায়ু, স্থল বায়ু, পার্বত্য বায়ু এবং উপত্যকা বায়ু সাময়িক বায়ুর অন্তর্গত।
উদ্দীপকের 'ক' বায়ু স্তরটির বিবরণ দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' বায়ুর স্তরটি হলো ট্রপোস্ফিয়ার। নিচে স্তরটির বিবরণ দেওয়া হলো: বায়ুমণ্ডলের ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তরগলো ট্রপোস্ফিয়ার। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৮ কিলোমিটার উর্ধ্ব পর্যন্ত এর বিস্তার ধরা হয়। এ বায়ু স্তরের গভীরতা সর্বত্র সমান থাকে না। নিরক্ষীয় অঞ্চলে এর গভীরতা ১৬ কিমি. এবং মেরু অঞ্চলে গভীরতা ৮ কিমি.। এ স্তর থেকে যতই উপরের দিকে উঠা যায়, ততই উষ্ণতা কমতে থাকে। প্রতি কিলোমিটার বা ১০০০ মিটার উচ্চতায় বায়ুর তাপমাত্রা গড়ে ৬.৫° সেলসিয়াস হারে হ্রাস পায়। এই স্তরটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর, ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে আছে। মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির, কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়। উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসের গতিবেগ বাড়ে। নিচের দিকের বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে। জীবনধারণের জন্য এ স্তরটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। ট্রপোস্ফিয়ারের শেষ সীমাকে ট্রপোপজ বলে। ঝড়-বৃষ্টির প্রাদুর্ভাব ঘটে না বলে বিমান এ স্তরে বিনা বাধায় চলাফেরা করতে পারে।।
উদ্দীপকের 'খ' ও 'গ' এর মধ্যে কোন স্তরটি বেতার সম্প্রচারের উপযোগী? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'খ' স্তরটি হলো স্ট্রাটোস্ফিয়ার এবং 'গ' স্তরটি হলো থার্মোস্ফিয়ার। স্তরদ্বয়ের মধ্যে থার্মোস্ফিয়ার স্তরটি বেতার সম্প্রচারের উপযোগী। নিচে এ বিষয়ে বিশ্লেষণ করা হলো: ট্রপোপজের উপর হতে ঊর্ধ্বে ৬২ কিলোমিটার পর্যন্ত এ স্তরের বিস্তার, (অর্থাৎ ভূপৃষ্ঠের উর্ধ্বে ১৮ কিমি. হতে ৮০ কিমি. ঊর্ধ্ব পর্যন্ত এটি বিস্তৃত)। এ স্তরের উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপ হ্রাস পায় না, বরং বৃদ্ধি পায়। এ বায়ু স্তরের ঊর্ধ্ব সীমাকে ওজোনোস্ফিয়ার ও মেসোস্ফিয়ারে বিভক্ত করা যায়। ওজোনোস্ফিয়ার স্তরটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ঊর্ধ্বে প্রায় ২০ হতে ৫০ কিমি.-এর মধ্যে দেখা যায়। এ স্তরটি না থাকলে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির দহনে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত। ভূপৃষ্ঠের উর্ধ্বে ৫০ হতে ৮০ কিমি. পর্যন্ত স্তরটিকে মেসোস্ফিয়ার বলে। অন্যদিকে, থার্মোস্ফিয়ার বায়ুমণ্ডলের চতুর্থ স্তর। ভূপৃষ্ঠের ৮০ কিলোমিটার ঊর্ধ্ব হতে ৬৪০ কিলোমিটার ঊর্ধ্ব 'পর্যন্ত এর বিস্তার। এখানে সূর্যের তাপ খুবই বেশি। ৮০ কিমি. উচ্চতায় উষ্ণতা ৯৩০ সে. থেকে বাড়তে বাড়তে ৫০০ কিমি, উচ্চতায় তাপ প্রায় ১,২০০০ সে. হয়। অতিরিক্ত তাপে অসংখ্য বিদ্যুৎযুক্ত কণা বা আয়ন ও ইলেকট্রনে পরিপূর্ণ হয় অঞ্চলটি। তাই এ স্তরকে আয়নোস্ফিয়ারও বলা হয়। এখানে পজিটিভ ও নেগেটিভ দু'ধরনের আয়নের প্রাচুর্য ঘটে। এর ফলে বেতার তরঙ্গ আয়নোস্ফিয়ারে প্রতিফলিত হয়ে পুনরায় ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। ফলে মানুষ নির্বিঘ্নে রেডিও শুনতে পায়। এছাড়া এ স্তর থাকার ফলে বিপজ্জনক এক্সরে রশ্মির হাত থেকে পৃথিবী রক্ষা পায়। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি থার্মোস্ফিয়ার বা আয়নোস্ফিয়ার স্তরটি বেতার সম্প্রচারের উপযোগী।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Jessore · 2025

বায়ুদূষণ কাকে বলে?

উত্তর

স্বাভাবিক উপাদানের বাইরে বায়ুতে যখন নানা ধরনের ধোঁয়া, - গ্যাস, ধুলা-বালি, সিসাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদানের অনুপ্রবেশ ঘটে তখন তাকে বায়ুদূষণ বলে।
জলীয়বাষ্প বায়ুমণ্ডলের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্প একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তবে এ জলীয়বাষ্পের অনুপাত বায়ুমণ্ডলে খুবই সামান্য। যা বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে অবস্থান করে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে জলীয়বাষ্পের ধারণ ক্ষমতা বাড়তে থাকে। বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ঋতুভেদে ও অঞ্চলভেদে কমবেশি হয়ে থাকে। বায়ুতে এর পরিমাণ ০.৪১% নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন গ্যাসের অণুগুলোর মতো জলীয়বাষ্পের অণুগুলো বাতাসে ভেসে বেড়ায়। ফলে জলীয়বাষ্পের প্রভাবে শিশির, কুয়াশা, মেঘ, বৃষ্টি, তুষারপাত ইত্যাদি সৃষ্টি হয়ে থাকে। পৃথিবীর পৃষ্ঠে এগুলোর যথেষ্ট প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকের 'খ' স্তরের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের 'খ' স্তরটি হলো থার্মোস্ফিয়ার। নিচে থার্মোস্ফিয়ারের বর্ণনা দেওয়া হলো: মেসোস্ফিয়ারের উপরে থার্মোস্ফিয়ার স্তরের অবস্থান। বিজ্ঞানীদের গবেষণা অনুযায়ী এ স্তরটি ভূপৃষ্ঠের ৮০ কিমি. ঊর্ধ্ব থেকে ৬৪০ কিমি. ঊর্ধ্ব পর্যন্ত বিস্তৃত। এ স্তরে সূর্যের তাপ খুব বেশি। ৮০ কিমি. উচ্চতায় উষ্ণতা ৯৩° সে. তারপর থেকে যতই উপরে যাওয়া যায় তাপ বাড়তে থাকে। ৫০০ কিমি. উচ্চতায় তাপ প্রায় ১২০০° সে. হয়। অতিরিক্ত তাপের কারণে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎযুক্ত কণা বা আয়ন ও ইলেকট্রনে পরিপূর্ণ হয় এ অঞ্চলটি। যে কারণে এ স্তরকে আয়নোস্ফিয়ার বলে। এখানে পজেটিভ ও নেগেটিভ দু ধরনের আয়নের প্রাচুর্যের কারণে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে আবারও ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। আয়নোস্ফিয়ারের এ প্রভাবের কারণে ভূপৃষ্ঠে মানুষ অতি সহজে বেতার শুনতে পায়। আয়নোস্ফিয়ার বিপজ্জনক এক্সরে রশ্মির হাত থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে। এ স্তরে বায়ুপ্রবাহ নেই। বিদ্যুৎ চমকায়। এখানে কসমিক কণা ও উল্কা দেখা যায়।
উদ্দীপকের 'ক' স্তর জীবজগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' স্তরটি হলো ট্রপোস্ফিয়ার। ট্রপোস্ফিয়ার জীবজগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নিচে এ সম্পর্কে বিশ্লেষণ করা হলো: বায়ুমণ্ডলের ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তরগলো ট্রপোস্ফিয়ার। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৮ কিলোমিটার উর্ধ্ব পর্যন্ত এর বিস্তার ধরা হয়। এ বায়ু স্তরের গভীরতা সর্বত্র সমান থাকে না। নিরক্ষীয় অঞ্চলে এর গভীরতা ১৬ কিমি. এবং মেরু অঞ্চলে গভীরতা ৮ কিমি.। এ স্তর থেকে যতই উপরের দিকে উঠা যায়, ততই উষ্ণতা কমতে থাকে। প্রতি কিলোমিটার বা ১০০০ মিটার উচ্চতায় বায়ুর তাপমাত্রা গড়ে ৬.৫° সেলসিয়াস হারে হ্রাস পায়। এই স্তরটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর, ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে আছে। মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির, কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়। উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসের গতিবেগ বাড়ে। নিচের দিকের বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে। জীবনধারণের জন্য এ স্তরটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। ট্রপোস্ফিয়ারের শেষ সীমাকে ট্রপোপজ বলে। ঝড়-বৃষ্টির প্রাদুর্ভাব ঘটে না বলে বিমান এ স্তরে বিনা বাধায় চলাফেরা করতে পারে। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি ট্রপোস্ফিয়ার জীবজগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Jessore · 2025

বায়ুদূষণ কাকে বলে?

উত্তর

স্বাভাবিক উপাদানের বাইরে বায়ুতে যখন নানা ধরনের ধোঁয়া, - গ্যাস, ধুলা-বালি, সিসাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদানের অনুপ্রবেশ ঘটে তখন তাকে বায়ুদূষণ বলে।
জলীয়বাষ্প বায়ুমণ্ডলের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্প একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তবে এ জলীয়বাষ্পের অনুপাত বায়ুমণ্ডলে খুবই সামান্য। যা বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে অবস্থান করে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে জলীয়বাষ্পের ধারণ ক্ষমতা বাড়তে থাকে। বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ঋতুভেদে ও অঞ্চলভেদে কমবেশি হয়ে থাকে। বায়ুতে এর পরিমাণ ০.৪১% নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন গ্যাসের অণুগুলোর মতো জলীয়বাষ্পের অণুগুলো বাতাসে ভেসে বেড়ায়। ফলে জলীয়বাষ্পের প্রভাবে শিশির, কুয়াশা, মেঘ, বৃষ্টি, তুষারপাত ইত্যাদি সৃষ্টি হয়ে থাকে। পৃথিবীর পৃষ্ঠে এগুলোর যথেষ্ট প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকের 'খ' স্তরের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের 'খ' স্তরটি হলো থার্মোস্ফিয়ার। নিচে থার্মোস্ফিয়ারের বর্ণনা দেওয়া হলো: মেসোস্ফিয়ারের উপরে থার্মোস্ফিয়ার স্তরের অবস্থান। বিজ্ঞানীদের গবেষণা অনুযায়ী এ স্তরটি ভূপৃষ্ঠের ৮০ কিমি. ঊর্ধ্ব থেকে ৬৪০ কিমি. ঊর্ধ্ব পর্যন্ত বিস্তৃত। এ স্তরে সূর্যের তাপ খুব বেশি। ৮০ কিমি. উচ্চতায় উষ্ণতা ৯৩° সে. তারপর থেকে যতই উপরে যাওয়া যায় তাপ বাড়তে থাকে। ৫০০ কিমি. উচ্চতায় তাপ প্রায় ১২০০° সে. হয়। অতিরিক্ত তাপের কারণে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎযুক্ত কণা বা আয়ন ও ইলেকট্রনে পরিপূর্ণ হয় এ অঞ্চলটি। যে কারণে এ স্তরকে আয়নোস্ফিয়ার বলে। এখানে পজেটিভ ও নেগেটিভ দু ধরনের আয়নের প্রাচুর্যের কারণে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে আবারও ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। আয়নোস্ফিয়ারের এ প্রভাবের কারণে ভূপৃষ্ঠে মানুষ অতি সহজে বেতার শুনতে পায়। আয়নোস্ফিয়ার বিপজ্জনক এক্সরে রশ্মির হাত থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে। এ স্তরে বায়ুপ্রবাহ নেই। বিদ্যুৎ চমকায়। এখানে কসমিক কণা ও উল্কা দেখা যায়।
উদ্দীপকের 'ক' স্তর জীবজগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' স্তরটি হলো ট্রপোস্ফিয়ার। ট্রপোস্ফিয়ার জীবজগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নিচে এ সম্পর্কে বিশ্লেষণ করা হলো: বায়ুমণ্ডলের ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তরগলো ট্রপোস্ফিয়ার। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৮ কিলোমিটার উর্ধ্ব পর্যন্ত এর বিস্তার ধরা হয়। এ বায়ু স্তরের গভীরতা সর্বত্র সমান থাকে না। নিরক্ষীয় অঞ্চলে এর গভীরতা ১৬ কিমি. এবং মেরু অঞ্চলে গভীরতা ৮ কিমি.। এ স্তর থেকে যতই উপরের দিকে উঠা যায়, ততই উষ্ণতা কমতে থাকে। প্রতি কিলোমিটার বা ১০০০ মিটার উচ্চতায় বায়ুর তাপমাত্রা গড়ে ৬.৫° সেলসিয়াস হারে হ্রাস পায়। এই স্তরটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর, ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে আছে। মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির, কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়। উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসের গতিবেগ বাড়ে। নিচের দিকের বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে। জীবনধারণের জন্য এ স্তরটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। ট্রপোস্ফিয়ারের শেষ সীমাকে ট্রপোপজ বলে। ঝড়-বৃষ্টির প্রাদুর্ভাব ঘটে না বলে বিমান এ স্তরে বিনা বাধায় চলাফেরা করতে পারে। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি ট্রপোস্ফিয়ার জীবজগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

জলবায়ু কাকে বলে?

উত্তর

আবহাওয়ার ৩০ থেকে ৪০ বছরের গড় অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
সাময়িক বায়ু কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দিনের নির্দিষ্ট সময়ে কিংবা বছরের কোনো নির্দিষ্ট ঋতুতে যে বায়ুপ্রবাহ স্থল ও জলভাগের তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে সৃষ্টি হয় এবং দিক পরিবর্তন করে তাকে সাময়িক বায়ু বলে। নিয়ত বায়ুর মতো সারাবছর ধরে একই দিকে প্রবাহিত না' হয়ে, এ বায়ু নির্দিষ্ট সময় কালের জন্য প্রবাহিত হয়। সাময়িক বায়ু নির্দিষ্ট এলাকার জলবায়ু এবং আবহাওয়ার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। মৌসুমি বায়ু, সমুদ্র বায়ু, স্থল বায়ু, পার্বত্য বায়ু এবং উপত্যকা বায়ু সাময়িক বায়ুর অন্তর্গত।
উদ্দীপকের 'ক' বায়ু স্তরটির বিবরণ দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' বায়ুর স্তরটি হলো ট্রপোস্ফিয়ার। নিচে স্তরটির বিবরণ দেওয়া হলো: বায়ুমণ্ডলের ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তরগলো ট্রপোস্ফিয়ার। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৮ কিলোমিটার উর্ধ্ব পর্যন্ত এর বিস্তার ধরা হয়। এ বায়ু স্তরের গভীরতা সর্বত্র সমান থাকে না। নিরক্ষীয় অঞ্চলে এর গভীরতা ১৬ কিমি. এবং মেরু অঞ্চলে গভীরতা ৮ কিমি.। এ স্তর থেকে যতই উপরের দিকে উঠা যায়, ততই উষ্ণতা কমতে থাকে। প্রতি কিলোমিটার বা ১০০০ মিটার উচ্চতায় বায়ুর তাপমাত্রা গড়ে ৬.৫° সেলসিয়াস হারে হ্রাস পায়। এই স্তরটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর, ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে আছে। মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির, কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়। উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসের গতিবেগ বাড়ে। নিচের দিকের বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে। জীবনধারণের জন্য এ স্তরটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। ট্রপোস্ফিয়ারের শেষ সীমাকে ট্রপোপজ বলে। ঝড়-বৃষ্টির প্রাদুর্ভাব ঘটে না বলে বিমান এ স্তরে বিনা বাধায় চলাফেরা করতে পারে।।
উদ্দীপকের 'খ' ও 'গ' এর মধ্যে কোন স্তরটি বেতার সম্প্রচারের উপযোগী? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'খ' স্তরটি হলো স্ট্রাটোস্ফিয়ার এবং 'গ' স্তরটি হলো থার্মোস্ফিয়ার। স্তরদ্বয়ের মধ্যে থার্মোস্ফিয়ার স্তরটি বেতার সম্প্রচারের উপযোগী। নিচে এ বিষয়ে বিশ্লেষণ করা হলো: ট্রপোপজের উপর হতে ঊর্ধ্বে ৬২ কিলোমিটার পর্যন্ত এ স্তরের বিস্তার, (অর্থাৎ ভূপৃষ্ঠের উর্ধ্বে ১৮ কিমি. হতে ৮০ কিমি. ঊর্ধ্ব পর্যন্ত এটি বিস্তৃত)। এ স্তরের উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপ হ্রাস পায় না, বরং বৃদ্ধি পায়। এ বায়ু স্তরের ঊর্ধ্ব সীমাকে ওজোনোস্ফিয়ার ও মেসোস্ফিয়ারে বিভক্ত করা যায়। ওজোনোস্ফিয়ার স্তরটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ঊর্ধ্বে প্রায় ২০ হতে ৫০ কিমি.-এর মধ্যে দেখা যায়। এ স্তরটি না থাকলে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির দহনে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত। ভূপৃষ্ঠের উর্ধ্বে ৫০ হতে ৮০ কিমি. পর্যন্ত স্তরটিকে মেসোস্ফিয়ার বলে। অন্যদিকে, থার্মোস্ফিয়ার বায়ুমণ্ডলের চতুর্থ স্তর। ভূপৃষ্ঠের ৮০ কিলোমিটার ঊর্ধ্ব হতে ৬৪০ কিলোমিটার ঊর্ধ্ব 'পর্যন্ত এর বিস্তার। এখানে সূর্যের তাপ খুবই বেশি। ৮০ কিমি. উচ্চতায় উষ্ণতা ৯৩০ সে. থেকে বাড়তে বাড়তে ৫০০ কিমি, উচ্চতায় তাপ প্রায় ১,২০০০ সে. হয়। অতিরিক্ত তাপে অসংখ্য বিদ্যুৎযুক্ত কণা বা আয়ন ও ইলেকট্রনে পরিপূর্ণ হয় অঞ্চলটি। তাই এ স্তরকে আয়নোস্ফিয়ারও বলা হয়। এখানে পজিটিভ ও নেগেটিভ দু'ধরনের আয়নের প্রাচুর্য ঘটে। এর ফলে বেতার তরঙ্গ আয়নোস্ফিয়ারে প্রতিফলিত হয়ে পুনরায় ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। ফলে মানুষ নির্বিঘ্নে রেডিও শুনতে পায়। এছাড়া এ স্তর থাকার ফলে বিপজ্জনক এক্সরে রশ্মির হাত থেকে পৃথিবী রক্ষা পায়। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি থার্মোস্ফিয়ার বা আয়নোস্ফিয়ার স্তরটি বেতার সম্প্রচারের উপযোগী।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

জলবায়ু কাকে বলে?

উত্তর

আবহাওয়ার ৩০ থেকে ৪০ বছরের গড় অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
সাময়িক বায়ু কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দিনের নির্দিষ্ট সময়ে কিংবা বছরের কোনো নির্দিষ্ট ঋতুতে যে বায়ুপ্রবাহ স্থল ও জলভাগের তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে সৃষ্টি হয় এবং দিক পরিবর্তন করে তাকে সাময়িক বায়ু বলে। নিয়ত বায়ুর মতো সারাবছর ধরে একই দিকে প্রবাহিত না' হয়ে, এ বায়ু নির্দিষ্ট সময় কালের জন্য প্রবাহিত হয়। সাময়িক বায়ু নির্দিষ্ট এলাকার জলবায়ু এবং আবহাওয়ার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। মৌসুমি বায়ু, সমুদ্র বায়ু, স্থল বায়ু, পার্বত্য বায়ু এবং উপত্যকা বায়ু সাময়িক বায়ুর অন্তর্গত।
উদ্দীপকের 'ক' বায়ু স্তরটির বিবরণ দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' বায়ুর স্তরটি হলো ট্রপোস্ফিয়ার। নিচে স্তরটির বিবরণ দেওয়া হলো: বায়ুমণ্ডলের ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তরগলো ট্রপোস্ফিয়ার। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৮ কিলোমিটার উর্ধ্ব পর্যন্ত এর বিস্তার ধরা হয়। এ বায়ু স্তরের গভীরতা সর্বত্র সমান থাকে না। নিরক্ষীয় অঞ্চলে এর গভীরতা ১৬ কিমি. এবং মেরু অঞ্চলে গভীরতা ৮ কিমি.। এ স্তর থেকে যতই উপরের দিকে উঠা যায়, ততই উষ্ণতা কমতে থাকে। প্রতি কিলোমিটার বা ১০০০ মিটার উচ্চতায় বায়ুর তাপমাত্রা গড়ে ৬.৫° সেলসিয়াস হারে হ্রাস পায়। এই স্তরটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর, ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে আছে। মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির, কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়। উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসের গতিবেগ বাড়ে। নিচের দিকের বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে। জীবনধারণের জন্য এ স্তরটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। ট্রপোস্ফিয়ারের শেষ সীমাকে ট্রপোপজ বলে। ঝড়-বৃষ্টির প্রাদুর্ভাব ঘটে না বলে বিমান এ স্তরে বিনা বাধায় চলাফেরা করতে পারে।।
উদ্দীপকের 'খ' ও 'গ' এর মধ্যে কোন স্তরটি বেতার সম্প্রচারের উপযোগী? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'খ' স্তরটি হলো স্ট্রাটোস্ফিয়ার এবং 'গ' স্তরটি হলো থার্মোস্ফিয়ার। স্তরদ্বয়ের মধ্যে থার্মোস্ফিয়ার স্তরটি বেতার সম্প্রচারের উপযোগী। নিচে এ বিষয়ে বিশ্লেষণ করা হলো: ট্রপোপজের উপর হতে ঊর্ধ্বে ৬২ কিলোমিটার পর্যন্ত এ স্তরের বিস্তার, (অর্থাৎ ভূপৃষ্ঠের উর্ধ্বে ১৮ কিমি. হতে ৮০ কিমি. ঊর্ধ্ব পর্যন্ত এটি বিস্তৃত)। এ স্তরের উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপ হ্রাস পায় না, বরং বৃদ্ধি পায়। এ বায়ু স্তরের ঊর্ধ্ব সীমাকে ওজোনোস্ফিয়ার ও মেসোস্ফিয়ারে বিভক্ত করা যায়। ওজোনোস্ফিয়ার স্তরটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ঊর্ধ্বে প্রায় ২০ হতে ৫০ কিমি.-এর মধ্যে দেখা যায়। এ স্তরটি না থাকলে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির দহনে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত। ভূপৃষ্ঠের উর্ধ্বে ৫০ হতে ৮০ কিমি. পর্যন্ত স্তরটিকে মেসোস্ফিয়ার বলে। অন্যদিকে, থার্মোস্ফিয়ার বায়ুমণ্ডলের চতুর্থ স্তর। ভূপৃষ্ঠের ৮০ কিলোমিটার ঊর্ধ্ব হতে ৬৪০ কিলোমিটার ঊর্ধ্ব 'পর্যন্ত এর বিস্তার। এখানে সূর্যের তাপ খুবই বেশি। ৮০ কিমি. উচ্চতায় উষ্ণতা ৯৩০ সে. থেকে বাড়তে বাড়তে ৫০০ কিমি, উচ্চতায় তাপ প্রায় ১,২০০০ সে. হয়। অতিরিক্ত তাপে অসংখ্য বিদ্যুৎযুক্ত কণা বা আয়ন ও ইলেকট্রনে পরিপূর্ণ হয় অঞ্চলটি। তাই এ স্তরকে আয়নোস্ফিয়ারও বলা হয়। এখানে পজিটিভ ও নেগেটিভ দু'ধরনের আয়নের প্রাচুর্য ঘটে। এর ফলে বেতার তরঙ্গ আয়নোস্ফিয়ারে প্রতিফলিত হয়ে পুনরায় ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। ফলে মানুষ নির্বিঘ্নে রেডিও শুনতে পায়। এছাড়া এ স্তর থাকার ফলে বিপজ্জনক এক্সরে রশ্মির হাত থেকে পৃথিবী রক্ষা পায়। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি থার্মোস্ফিয়ার বা আয়নোস্ফিয়ার স্তরটি বেতার সম্প্রচারের উপযোগী।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

পৃথিবী একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। উচ্চতা ও উপাদানের পার্থক্যের কারণে তা কতকগুলো স্তরে বিভক্ত। যার একটি জীবকুলের আবাসস্থল আবার অন্য একটি স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকুলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে।

Rajshahi · 2017

জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?

উত্তর

পৃথিবীর নির্দিষ্ট অঞ্চলে বিভিন্ন প্রকার জীবের বৈচিত্র্যময় জীবন ব্যবস্থাকেই জীববৈচিত্র্য বলে।
জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতা বলতে স্থানভেদে জীবের (প্রাণী ও উদ্ভিদ) প্রজাতিগত ভিন্নতাকে বুঝায়। এর কারণ মূলত দুটি; যথা-১. পরিবেশগত ও ২. বংশগত। বিভিন্ন স্থানে জলবায়ুর তারতম্যে যে পরিবেশগত ভিন্নতা তা অঞ্চলভেদে নির্দিষ্ট প্রজাতির অভিযোজন ঘটায়। যেমন- সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার। আবার বংশগতির কারণে উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রজাতিগত বৈচিত্র্যতা সৃষ্টি হয়। কিন্তু তা এ নির্দিষ্ট স্থানেই অভিযোজিত হয়। যেমন- বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতের ধান। এভাবে জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতা দেখা যায়।
উদ্দীপকে বায়বীয় আবরণের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপক অনুসারে পৃথিবী একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত যা বায়ুমন্ডল নামে পরিচিত। তাপের তারতম্য অনুসারে বায়ুমন্ডকে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়। স্তরগুলো হলো ট্রপোস্ফিয়ার, স্ট্রাটোস্ফিয়ার, থার্মোস্ফিয়ার, এক্সোস্ফিয়ার ও ম্যাগনেটোস্ফিয়ার। নিচে বায়ুমন্ডলের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হলো: question image তাপের তারতম্য অনুসারে বায়মন্ডল কতিপয় স্তরে বিভক্ত। কোনো স্তরে তাপমাত্রা বেশি আবার কোনো স্তরে আবার কম। কোন স্তরে প্রাথমিক অবস্থায় তাপমাত্রা স্থির থাকলেও উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপমাত্রার হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে থাকে। ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৮ কি.মি উপর পর্যন্ত এর বিস্তার ধরা হয়। ট্রপোপজের উপর হতে উর্ধ্বে ৬২ কি.মি. পর্যন্ত স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরের বিস্তার। এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপ হ্রাস না পেয়ে বৃদ্ধি পায়। এ বায়ুস্তরের উর্ধ্বসীমাকে ওজোনোস্ফিয়ার ও মেসোস্ফিয়ার এ বিভক্ত করা যায়। ভূপৃষ্ঠের ৮০ কি.মি. উর্ধ্ব হতে ৬৪০ কি.মি. পর্যন্ত থার্মোস্ফিয়ার স্তরের বিস্তার। এ স্তরের তাপ খুবই বেশি। বায়ুমন্ডলের এক্সোস্ফিয়ার স্তরটি ভূপৃষ্ঠের ৬৪০ কি.মি. এর উর্ধ্বে অবস্থান করে। এখানে বায়ু এত হালকা যে তার অস্তিত্ব প্রায় বুঝাই যায় না। ম্যাগনেটোস্ফিয়ার চৌম্বকীয় স্তরটি বায়ুমন্ডলের সর্বশেষ স্তর। এখানে বায়ুমন্ডলের চার্জিত কনার উপস্থিতি নিয়ন্ত্রিত হয়।
উদ্দীপকের শেষের স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের শেষের স্তর বলতে ওজোনোস্ফিয়ার স্তরটিকে বুঝানো হয়েছে। এ স্তরটি সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকূলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে। স্ট্রাটোস্ফিয়ার বায়ুস্তরের উর্ধ্বসীমাকে ওজোনোস্ফিয়ার বলা হয়। ওজোন গ্যাসের এ স্তরটি ভূপৃষ্ঠ থেকে উর্ধ্বে প্রায় ২০ হতে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে দেখা যায়। নিচে ওজোনোস্ফিয়ার স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো: ওজোন স্তরটির প্রভাবে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে থাকে। কারণ, এ স্তর না থাকলে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির দহনে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণীকূল অন্ধ হয়ে যেত। এ স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করায় এখানে তাপ ৭৬° সে. পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। তাই ওজোন স্তরের কোনো ক্ষতি হলে বা এটি ফুটো হলে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি ভূপৃষ্ঠে চলে আসবে এবং তাপমাত্রা অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধি পাবে। এতে প্রাণীজগৎ ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই এটি নিশ্চিত যে, ওজোন স্তরের ক্ষতিই তাপমাত্রা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, ওজোনস্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকূলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে গরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

পৃথিবী একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। উচ্চতা ও উপাদানের পার্থক্যের কারণে তা কতকগুলো স্তরে বিভক্ত। যার একটি জীবকুলের আবাসস্থল আবার অন্য একটি স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকুলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে।

Rajshahi · 2017

জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?

উত্তর

পৃথিবীর নির্দিষ্ট অঞ্চলে বিভিন্ন প্রকার জীবের বৈচিত্র্যময় জীবন ব্যবস্থাকেই জীববৈচিত্র্য বলে।
জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতা বলতে স্থানভেদে জীবের (প্রাণী ও উদ্ভিদ) প্রজাতিগত ভিন্নতাকে বুঝায়। এর কারণ মূলত দুটি; যথা-১. পরিবেশগত ও ২. বংশগত। বিভিন্ন স্থানে জলবায়ুর তারতম্যে যে পরিবেশগত ভিন্নতা তা অঞ্চলভেদে নির্দিষ্ট প্রজাতির অভিযোজন ঘটায়। যেমন- সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার। আবার বংশগতির কারণে উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রজাতিগত বৈচিত্র্যতা সৃষ্টি হয়। কিন্তু তা এ নির্দিষ্ট স্থানেই অভিযোজিত হয়। যেমন- বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতের ধান। এভাবে জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতা দেখা যায়।
উদ্দীপকে বায়বীয় আবরণের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপক অনুসারে পৃথিবী একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত যা বায়ুমন্ডল নামে পরিচিত। তাপের তারতম্য অনুসারে বায়ুমন্ডকে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়। স্তরগুলো হলো ট্রপোস্ফিয়ার, স্ট্রাটোস্ফিয়ার, থার্মোস্ফিয়ার, এক্সোস্ফিয়ার ও ম্যাগনেটোস্ফিয়ার। নিচে বায়ুমন্ডলের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হলো: question image তাপের তারতম্য অনুসারে বায়মন্ডল কতিপয় স্তরে বিভক্ত। কোনো স্তরে তাপমাত্রা বেশি আবার কোনো স্তরে আবার কম। কোন স্তরে প্রাথমিক অবস্থায় তাপমাত্রা স্থির থাকলেও উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপমাত্রার হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে থাকে। ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৮ কি.মি উপর পর্যন্ত এর বিস্তার ধরা হয়। ট্রপোপজের উপর হতে উর্ধ্বে ৬২ কি.মি. পর্যন্ত স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরের বিস্তার। এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপ হ্রাস না পেয়ে বৃদ্ধি পায়। এ বায়ুস্তরের উর্ধ্বসীমাকে ওজোনোস্ফিয়ার ও মেসোস্ফিয়ার এ বিভক্ত করা যায়। ভূপৃষ্ঠের ৮০ কি.মি. উর্ধ্ব হতে ৬৪০ কি.মি. পর্যন্ত থার্মোস্ফিয়ার স্তরের বিস্তার। এ স্তরের তাপ খুবই বেশি। বায়ুমন্ডলের এক্সোস্ফিয়ার স্তরটি ভূপৃষ্ঠের ৬৪০ কি.মি. এর উর্ধ্বে অবস্থান করে। এখানে বায়ু এত হালকা যে তার অস্তিত্ব প্রায় বুঝাই যায় না। ম্যাগনেটোস্ফিয়ার চৌম্বকীয় স্তরটি বায়ুমন্ডলের সর্বশেষ স্তর। এখানে বায়ুমন্ডলের চার্জিত কনার উপস্থিতি নিয়ন্ত্রিত হয়।
উদ্দীপকের শেষের স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের শেষের স্তর বলতে ওজোনোস্ফিয়ার স্তরটিকে বুঝানো হয়েছে। এ স্তরটি সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকূলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে। স্ট্রাটোস্ফিয়ার বায়ুস্তরের উর্ধ্বসীমাকে ওজোনোস্ফিয়ার বলা হয়। ওজোন গ্যাসের এ স্তরটি ভূপৃষ্ঠ থেকে উর্ধ্বে প্রায় ২০ হতে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে দেখা যায়। নিচে ওজোনোস্ফিয়ার স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো: ওজোন স্তরটির প্রভাবে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে থাকে। কারণ, এ স্তর না থাকলে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির দহনে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণীকূল অন্ধ হয়ে যেত। এ স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করায় এখানে তাপ ৭৬° সে. পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। তাই ওজোন স্তরের কোনো ক্ষতি হলে বা এটি ফুটো হলে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি ভূপৃষ্ঠে চলে আসবে এবং তাপমাত্রা অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধি পাবে। এতে প্রাণীজগৎ ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই এটি নিশ্চিত যে, ওজোন স্তরের ক্ষতিই তাপমাত্রা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, ওজোনস্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকূলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে গরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ইদানীং সময়ে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে প্রচণ্ড গাড়ির চাপে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ছে। এছাড়া টঙ্গীর শিল্পাঞ্চল ও আশুলিয়াতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ইটভাটা। এদের শিল্পবর্জ্য ও নির্গত গ্যাসীয় পদার্থ ক্রমাগত বায়ুতে মিশছে। মানুষ প্রায়শই কাপড়ে নাক, মুখ চেপে শ্বাসকষ্ট ও দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

Dhaka · 2018

দূষণ কী?

উত্তর

রাসায়নিক, ভৌতিক ও জৈবিক কারণে পরিবেশের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের যেকোনো নেতিবাচক পরিবর্তনই হলো দূষণ।
গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত। গাড়ির কালো ধোঁয়া বায়ুদূষণের অন্যতম কারণ। যে কারণে গ্রাম অঞ্চলের তুলনায় শহরের বায়ুদূষণ বেশি হয়। গাড়ির সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে ততই কালো ধোঁয়া আকাশে বেশি ছড়াবে এবং বায়ুদূষণ বৃদ্ধি পাবে। তাই বলা যায়, গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দূষণের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বায়ুদূষণের কথা বলা হয়েছে। বায়ু হলো কতিপয় গ্যাসীয় উপাদান যা সর্বদা পৃথিবীকে আবৃত করে বিরাজমান। বায়ুমণ্ডলের মধ্যে যখন দূষিত ধোঁয়া, গ্যাস, বাষ্প ইত্যাদি অনিষ্টকর উপাদানের সমাবেশ ঘটে এবং যার দরুন মানুষ, জীবজন্তু ও উদ্ভিদজগতের ক্ষতি হয়, তখন তাকে বায়ুদূষণ বলে। মানবসৃষ্ট কর্মকাণ্ডে বায়ু বেশি পরিমাণে দূষিত হয়। যেমন মোটর যানবাহন, শিল্পকারখানা, পাওয়ার প্লান্ট, ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন (CFC), আবর্জনাসমূহ; মোটর যানবাহন থেকে হাইড্রোকার্বন, নাইট্রোজেন অক্সাইড উৎপন্ন; শিল্পকারখানা থেকে উৎপন্ন বিভিন্ন বিষাক্ত গ্যাস যা বায়ুর সাথে মিশে বায়ুকে দূষিত করে। এছাড়া রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার প্রভৃতি ব্যবহারের কারণে কার্বন মনোঅক্সাইড উৎপন্ন হয় যা বায়ুকে মারাত্মকভাবে দূষিত করে। আবার আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে উত্থিত লাভা ভূপৃষ্ঠের আশেপাশের বায়ুকে দূষিত করে।
উদ্দীপকের দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে যে দূষণের কথা বলা হয়েছে তা হলো বায়ুদূষণ। বিভিন্ন কারণে সৃষ্ট বায়ুদূষণের ফলে মানবস্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। কলকারখানা ও অটোমোবাইল কারখানা হতে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে মিশে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে ফেলে এবং স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়। কলকারখানা হতে নির্গত নাইট্রোজেনের অক্সাইড চোখ ও নাকের প্রদাহ সৃষ্টি করে। এছাড়া শ্বাস- প্রশ্বাসের কষ্টসহ ফুসফুসের ক্যান্সার ও ব্রোঙ্কিয়াল অ্যাজমা সৃষ্টি করে। যানবাহনের ধোঁয়া থেকে যে পারঅক্সিএসিটাইল নাইট্রেট নির্গত হয় তা সালোকসংশ্লেষণে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাসোলিন, কেরোসিন প্রভৃতির অসম্পূর্ণ দহনের ফলে নির্গত হাইড্রোকার্বন যকৃতের ক্যান্সার সৃষ্টি করে। ইটের ভাটার চিমনি দিয়ে নির্গত কালো ধোঁয়া ও ছাইর সাথে কার্বন-ডাইঅক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড নামক ক্ষতিকারক পদার্থ থাকে। এতে বায়ু দূষিত হয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের উদ্ভিদ ও প্রাণীর মারাত্মক ক্ষতি করে। গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ায় ওজোনস্তর ক্ষয় পেয়ে অতিবেগুনি রশ্মি ভূপৃষ্ঠে পতিত হচ্ছে। ফলে চামড়ার ক্যান্সারসহ মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করছে। তাই বলা যায়, বায়ুদূষণ মানব স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ইদানীং সময়ে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে প্রচণ্ড গাড়ির চাপে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ছে। এছাড়া টঙ্গীর শিল্পাঞ্চল ও আশুলিয়াতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ইটভাটা। এদের শিল্পবর্জ্য ও নির্গত গ্যাসীয় পদার্থ ক্রমাগত বায়ুতে মিশছে। মানুষ প্রায়শই কাপড়ে নাক, মুখ চেপে শ্বাসকষ্ট ও দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

Dhaka · 2018

দূষণ কী?

উত্তর

রাসায়নিক, ভৌতিক ও জৈবিক কারণে পরিবেশের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের যেকোনো নেতিবাচক পরিবর্তনই হলো দূষণ।
গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত। গাড়ির কালো ধোঁয়া বায়ুদূষণের অন্যতম কারণ। যে কারণে গ্রাম অঞ্চলের তুলনায় শহরের বায়ুদূষণ বেশি হয়। গাড়ির সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে ততই কালো ধোঁয়া আকাশে বেশি ছড়াবে এবং বায়ুদূষণ বৃদ্ধি পাবে। তাই বলা যায়, গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দূষণের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বায়ুদূষণের কথা বলা হয়েছে। বায়ু হলো কতিপয় গ্যাসীয় উপাদান যা সর্বদা পৃথিবীকে আবৃত করে বিরাজমান। বায়ুমণ্ডলের মধ্যে যখন দূষিত ধোঁয়া, গ্যাস, বাষ্প ইত্যাদি অনিষ্টকর উপাদানের সমাবেশ ঘটে এবং যার দরুন মানুষ, জীবজন্তু ও উদ্ভিদজগতের ক্ষতি হয়, তখন তাকে বায়ুদূষণ বলে। মানবসৃষ্ট কর্মকাণ্ডে বায়ু বেশি পরিমাণে দূষিত হয়। যেমন মোটর যানবাহন, শিল্পকারখানা, পাওয়ার প্লান্ট, ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন (CFC), আবর্জনাসমূহ; মোটর যানবাহন থেকে হাইড্রোকার্বন, নাইট্রোজেন অক্সাইড উৎপন্ন; শিল্পকারখানা থেকে উৎপন্ন বিভিন্ন বিষাক্ত গ্যাস যা বায়ুর সাথে মিশে বায়ুকে দূষিত করে। এছাড়া রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার প্রভৃতি ব্যবহারের কারণে কার্বন মনোঅক্সাইড উৎপন্ন হয় যা বায়ুকে মারাত্মকভাবে দূষিত করে। আবার আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে উত্থিত লাভা ভূপৃষ্ঠের আশেপাশের বায়ুকে দূষিত করে।
উদ্দীপকের দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে যে দূষণের কথা বলা হয়েছে তা হলো বায়ুদূষণ। বিভিন্ন কারণে সৃষ্ট বায়ুদূষণের ফলে মানবস্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। কলকারখানা ও অটোমোবাইল কারখানা হতে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে মিশে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে ফেলে এবং স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়। কলকারখানা হতে নির্গত নাইট্রোজেনের অক্সাইড চোখ ও নাকের প্রদাহ সৃষ্টি করে। এছাড়া শ্বাস- প্রশ্বাসের কষ্টসহ ফুসফুসের ক্যান্সার ও ব্রোঙ্কিয়াল অ্যাজমা সৃষ্টি করে। যানবাহনের ধোঁয়া থেকে যে পারঅক্সিএসিটাইল নাইট্রেট নির্গত হয় তা সালোকসংশ্লেষণে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাসোলিন, কেরোসিন প্রভৃতির অসম্পূর্ণ দহনের ফলে নির্গত হাইড্রোকার্বন যকৃতের ক্যান্সার সৃষ্টি করে। ইটের ভাটার চিমনি দিয়ে নির্গত কালো ধোঁয়া ও ছাইর সাথে কার্বন-ডাইঅক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড নামক ক্ষতিকারক পদার্থ থাকে। এতে বায়ু দূষিত হয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের উদ্ভিদ ও প্রাণীর মারাত্মক ক্ষতি করে। গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ায় ওজোনস্তর ক্ষয় পেয়ে অতিবেগুনি রশ্মি ভূপৃষ্ঠে পতিত হচ্ছে। ফলে চামড়ার ক্যান্সারসহ মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করছে। তাই বলা যায়, বায়ুদূষণ মানব স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো