Chapter 4 : বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ Geography 1st Paper

HSC Geography 1st Paper এর Chapter 4 : বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১৯৩

প্রশ্ন

Geography 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

পৃথিবী একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। উচ্চতা ও উপাদানের পার্থক্যের কারণে তা কতকগুলো স্তরে বিভক্ত। যার একটি জীবকুলের আবাসস্থল আবার অন্য একটি স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকুলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে।

Rajshahi · 2017

ক
জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?

উত্তর

পৃথিবীর নির্দিষ্ট অঞ্চলে বিভিন্ন প্রকার জীবের বৈচিত্র্যময় জীবন ব্যবস্থাকেই জীববৈচিত্র্য বলে।
খ
জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতা বলতে স্থানভেদে জীবের (প্রাণী ও উদ্ভিদ) প্রজাতিগত ভিন্নতাকে বুঝায়। এর কারণ মূলত দুটি; যথা-১. পরিবেশগত ও ২. বংশগত। বিভিন্ন স্থানে জলবায়ুর তারতম্যে যে পরিবেশগত ভিন্নতা তা অঞ্চলভেদে নির্দিষ্ট প্রজাতির অভিযোজন ঘটায়। যেমন- সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার। আবার বংশগতির কারণে উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রজাতিগত বৈচিত্র্যতা সৃষ্টি হয়। কিন্তু তা এ নির্দিষ্ট স্থানেই অভিযোজিত হয়। যেমন- বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতের ধান। এভাবে জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতা দেখা যায়।
গ
উদ্দীপকে বায়বীয় আবরণের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপক অনুসারে পৃথিবী একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত যা বায়ুমন্ডল নামে পরিচিত। তাপের তারতম্য অনুসারে বায়ুমন্ডকে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়। স্তরগুলো হলো ট্রপোস্ফিয়ার, স্ট্রাটোস্ফিয়ার, থার্মোস্ফিয়ার, এক্সোস্ফিয়ার ও ম্যাগনেটোস্ফিয়ার। নিচে বায়ুমন্ডলের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হলো: question image তাপের তারতম্য অনুসারে বায়মন্ডল কতিপয় স্তরে বিভক্ত। কোনো স্তরে তাপমাত্রা বেশি আবার কোনো স্তরে আবার কম। কোন স্তরে প্রাথমিক অবস্থায় তাপমাত্রা স্থির থাকলেও উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপমাত্রার হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে থাকে। ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৮ কি.মি উপর পর্যন্ত এর বিস্তার ধরা হয়। ট্রপোপজের উপর হতে উর্ধ্বে ৬২ কি.মি. পর্যন্ত স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরের বিস্তার। এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপ হ্রাস না পেয়ে বৃদ্ধি পায়। এ বায়ুস্তরের উর্ধ্বসীমাকে ওজোনোস্ফিয়ার ও মেসোস্ফিয়ার এ বিভক্ত করা যায়। ভূপৃষ্ঠের ৮০ কি.মি. উর্ধ্ব হতে ৬৪০ কি.মি. পর্যন্ত থার্মোস্ফিয়ার স্তরের বিস্তার। এ স্তরের তাপ খুবই বেশি। বায়ুমন্ডলের এক্সোস্ফিয়ার স্তরটি ভূপৃষ্ঠের ৬৪০ কি.মি. এর উর্ধ্বে অবস্থান করে। এখানে বায়ু এত হালকা যে তার অস্তিত্ব প্রায় বুঝাই যায় না। ম্যাগনেটোস্ফিয়ার চৌম্বকীয় স্তরটি বায়ুমন্ডলের সর্বশেষ স্তর। এখানে বায়ুমন্ডলের চার্জিত কনার উপস্থিতি নিয়ন্ত্রিত হয়।
ঘ
উদ্দীপকের শেষের স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের শেষের স্তর বলতে ওজোনোস্ফিয়ার স্তরটিকে বুঝানো হয়েছে। এ স্তরটি সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকূলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে। স্ট্রাটোস্ফিয়ার বায়ুস্তরের উর্ধ্বসীমাকে ওজোনোস্ফিয়ার বলা হয়। ওজোন গ্যাসের এ স্তরটি ভূপৃষ্ঠ থেকে উর্ধ্বে প্রায় ২০ হতে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে দেখা যায়। নিচে ওজোনোস্ফিয়ার স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো: ওজোন স্তরটির প্রভাবে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে থাকে। কারণ, এ স্তর না থাকলে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির দহনে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণীকূল অন্ধ হয়ে যেত। এ স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করায় এখানে তাপ ৭৬° সে. পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। তাই ওজোন স্তরের কোনো ক্ষতি হলে বা এটি ফুটো হলে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি ভূপৃষ্ঠে চলে আসবে এবং তাপমাত্রা অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধি পাবে। এতে প্রাণীজগৎ ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই এটি নিশ্চিত যে, ওজোন স্তরের ক্ষতিই তাপমাত্রা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, ওজোনস্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকূলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে গরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

পৃথিবী একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। উচ্চতা ও উপাদানের পার্থক্যের কারণে তা কতকগুলো স্তরে বিভক্ত। যার একটি জীবকুলের আবাসস্থল আবার অন্য একটি স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকুলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে।

Rajshahi · 2017

ক
জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?

উত্তর

পৃথিবীর নির্দিষ্ট অঞ্চলে বিভিন্ন প্রকার জীবের বৈচিত্র্যময় জীবন ব্যবস্থাকেই জীববৈচিত্র্য বলে।
খ
জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতা বলতে স্থানভেদে জীবের (প্রাণী ও উদ্ভিদ) প্রজাতিগত ভিন্নতাকে বুঝায়। এর কারণ মূলত দুটি; যথা-১. পরিবেশগত ও ২. বংশগত। বিভিন্ন স্থানে জলবায়ুর তারতম্যে যে পরিবেশগত ভিন্নতা তা অঞ্চলভেদে নির্দিষ্ট প্রজাতির অভিযোজন ঘটায়। যেমন- সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার। আবার বংশগতির কারণে উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রজাতিগত বৈচিত্র্যতা সৃষ্টি হয়। কিন্তু তা এ নির্দিষ্ট স্থানেই অভিযোজিত হয়। যেমন- বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতের ধান। এভাবে জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতা দেখা যায়।
গ
উদ্দীপকে বায়বীয় আবরণের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপক অনুসারে পৃথিবী একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত যা বায়ুমন্ডল নামে পরিচিত। তাপের তারতম্য অনুসারে বায়ুমন্ডকে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়। স্তরগুলো হলো ট্রপোস্ফিয়ার, স্ট্রাটোস্ফিয়ার, থার্মোস্ফিয়ার, এক্সোস্ফিয়ার ও ম্যাগনেটোস্ফিয়ার। নিচে বায়ুমন্ডলের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হলো: question image তাপের তারতম্য অনুসারে বায়মন্ডল কতিপয় স্তরে বিভক্ত। কোনো স্তরে তাপমাত্রা বেশি আবার কোনো স্তরে আবার কম। কোন স্তরে প্রাথমিক অবস্থায় তাপমাত্রা স্থির থাকলেও উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপমাত্রার হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে থাকে। ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৮ কি.মি উপর পর্যন্ত এর বিস্তার ধরা হয়। ট্রপোপজের উপর হতে উর্ধ্বে ৬২ কি.মি. পর্যন্ত স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরের বিস্তার। এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপ হ্রাস না পেয়ে বৃদ্ধি পায়। এ বায়ুস্তরের উর্ধ্বসীমাকে ওজোনোস্ফিয়ার ও মেসোস্ফিয়ার এ বিভক্ত করা যায়। ভূপৃষ্ঠের ৮০ কি.মি. উর্ধ্ব হতে ৬৪০ কি.মি. পর্যন্ত থার্মোস্ফিয়ার স্তরের বিস্তার। এ স্তরের তাপ খুবই বেশি। বায়ুমন্ডলের এক্সোস্ফিয়ার স্তরটি ভূপৃষ্ঠের ৬৪০ কি.মি. এর উর্ধ্বে অবস্থান করে। এখানে বায়ু এত হালকা যে তার অস্তিত্ব প্রায় বুঝাই যায় না। ম্যাগনেটোস্ফিয়ার চৌম্বকীয় স্তরটি বায়ুমন্ডলের সর্বশেষ স্তর। এখানে বায়ুমন্ডলের চার্জিত কনার উপস্থিতি নিয়ন্ত্রিত হয়।
ঘ
উদ্দীপকের শেষের স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের শেষের স্তর বলতে ওজোনোস্ফিয়ার স্তরটিকে বুঝানো হয়েছে। এ স্তরটি সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকূলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে। স্ট্রাটোস্ফিয়ার বায়ুস্তরের উর্ধ্বসীমাকে ওজোনোস্ফিয়ার বলা হয়। ওজোন গ্যাসের এ স্তরটি ভূপৃষ্ঠ থেকে উর্ধ্বে প্রায় ২০ হতে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে দেখা যায়। নিচে ওজোনোস্ফিয়ার স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো: ওজোন স্তরটির প্রভাবে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে থাকে। কারণ, এ স্তর না থাকলে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির দহনে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণীকূল অন্ধ হয়ে যেত। এ স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করায় এখানে তাপ ৭৬° সে. পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। তাই ওজোন স্তরের কোনো ক্ষতি হলে বা এটি ফুটো হলে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি ভূপৃষ্ঠে চলে আসবে এবং তাপমাত্রা অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধি পাবে। এতে প্রাণীজগৎ ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই এটি নিশ্চিত যে, ওজোন স্তরের ক্ষতিই তাপমাত্রা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, ওজোনস্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকূলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে গরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ইদানীং সময়ে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে প্রচণ্ড গাড়ির চাপে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ছে। এছাড়া টঙ্গীর শিল্পাঞ্চল ও আশুলিয়াতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ইটভাটা। এদের শিল্পবর্জ্য ও নির্গত গ্যাসীয় পদার্থ ক্রমাগত বায়ুতে মিশছে। মানুষ প্রায়শই কাপড়ে নাক, মুখ চেপে শ্বাসকষ্ট ও দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

Dhaka · 2018

ক
দূষণ কী?

উত্তর

রাসায়নিক, ভৌতিক ও জৈবিক কারণে পরিবেশের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের যেকোনো নেতিবাচক পরিবর্তনই হলো দূষণ।
খ
গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত। গাড়ির কালো ধোঁয়া বায়ুদূষণের অন্যতম কারণ। যে কারণে গ্রাম অঞ্চলের তুলনায় শহরের বায়ুদূষণ বেশি হয়। গাড়ির সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে ততই কালো ধোঁয়া আকাশে বেশি ছড়াবে এবং বায়ুদূষণ বৃদ্ধি পাবে। তাই বলা যায়, গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দূষণের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বায়ুদূষণের কথা বলা হয়েছে। বায়ু হলো কতিপয় গ্যাসীয় উপাদান যা সর্বদা পৃথিবীকে আবৃত করে বিরাজমান। বায়ুমণ্ডলের মধ্যে যখন দূষিত ধোঁয়া, গ্যাস, বাষ্প ইত্যাদি অনিষ্টকর উপাদানের সমাবেশ ঘটে এবং যার দরুন মানুষ, জীবজন্তু ও উদ্ভিদজগতের ক্ষতি হয়, তখন তাকে বায়ুদূষণ বলে। মানবসৃষ্ট কর্মকাণ্ডে বায়ু বেশি পরিমাণে দূষিত হয়। যেমন মোটর যানবাহন, শিল্পকারখানা, পাওয়ার প্লান্ট, ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন (CFC), আবর্জনাসমূহ; মোটর যানবাহন থেকে হাইড্রোকার্বন, নাইট্রোজেন অক্সাইড উৎপন্ন; শিল্পকারখানা থেকে উৎপন্ন বিভিন্ন বিষাক্ত গ্যাস যা বায়ুর সাথে মিশে বায়ুকে দূষিত করে। এছাড়া রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার প্রভৃতি ব্যবহারের কারণে কার্বন মনোঅক্সাইড উৎপন্ন হয় যা বায়ুকে মারাত্মকভাবে দূষিত করে। আবার আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে উত্থিত লাভা ভূপৃষ্ঠের আশেপাশের বায়ুকে দূষিত করে।
ঘ
উদ্দীপকের দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে যে দূষণের কথা বলা হয়েছে তা হলো বায়ুদূষণ। বিভিন্ন কারণে সৃষ্ট বায়ুদূষণের ফলে মানবস্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। কলকারখানা ও অটোমোবাইল কারখানা হতে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে মিশে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে ফেলে এবং স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়। কলকারখানা হতে নির্গত নাইট্রোজেনের অক্সাইড চোখ ও নাকের প্রদাহ সৃষ্টি করে। এছাড়া শ্বাস- প্রশ্বাসের কষ্টসহ ফুসফুসের ক্যান্সার ও ব্রোঙ্কিয়াল অ্যাজমা সৃষ্টি করে। যানবাহনের ধোঁয়া থেকে যে পারঅক্সিএসিটাইল নাইট্রেট নির্গত হয় তা সালোকসংশ্লেষণে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাসোলিন, কেরোসিন প্রভৃতির অসম্পূর্ণ দহনের ফলে নির্গত হাইড্রোকার্বন যকৃতের ক্যান্সার সৃষ্টি করে। ইটের ভাটার চিমনি দিয়ে নির্গত কালো ধোঁয়া ও ছাইর সাথে কার্বন-ডাইঅক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড নামক ক্ষতিকারক পদার্থ থাকে। এতে বায়ু দূষিত হয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের উদ্ভিদ ও প্রাণীর মারাত্মক ক্ষতি করে। গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ায় ওজোনস্তর ক্ষয় পেয়ে অতিবেগুনি রশ্মি ভূপৃষ্ঠে পতিত হচ্ছে। ফলে চামড়ার ক্যান্সারসহ মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করছে। তাই বলা যায়, বায়ুদূষণ মানব স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ইদানীং সময়ে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে প্রচণ্ড গাড়ির চাপে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ছে। এছাড়া টঙ্গীর শিল্পাঞ্চল ও আশুলিয়াতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ইটভাটা। এদের শিল্পবর্জ্য ও নির্গত গ্যাসীয় পদার্থ ক্রমাগত বায়ুতে মিশছে। মানুষ প্রায়শই কাপড়ে নাক, মুখ চেপে শ্বাসকষ্ট ও দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

Dhaka · 2018

ক
দূষণ কী?

উত্তর

রাসায়নিক, ভৌতিক ও জৈবিক কারণে পরিবেশের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের যেকোনো নেতিবাচক পরিবর্তনই হলো দূষণ।
খ
গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত। গাড়ির কালো ধোঁয়া বায়ুদূষণের অন্যতম কারণ। যে কারণে গ্রাম অঞ্চলের তুলনায় শহরের বায়ুদূষণ বেশি হয়। গাড়ির সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে ততই কালো ধোঁয়া আকাশে বেশি ছড়াবে এবং বায়ুদূষণ বৃদ্ধি পাবে। তাই বলা যায়, গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দূষণের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বায়ুদূষণের কথা বলা হয়েছে। বায়ু হলো কতিপয় গ্যাসীয় উপাদান যা সর্বদা পৃথিবীকে আবৃত করে বিরাজমান। বায়ুমণ্ডলের মধ্যে যখন দূষিত ধোঁয়া, গ্যাস, বাষ্প ইত্যাদি অনিষ্টকর উপাদানের সমাবেশ ঘটে এবং যার দরুন মানুষ, জীবজন্তু ও উদ্ভিদজগতের ক্ষতি হয়, তখন তাকে বায়ুদূষণ বলে। মানবসৃষ্ট কর্মকাণ্ডে বায়ু বেশি পরিমাণে দূষিত হয়। যেমন মোটর যানবাহন, শিল্পকারখানা, পাওয়ার প্লান্ট, ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন (CFC), আবর্জনাসমূহ; মোটর যানবাহন থেকে হাইড্রোকার্বন, নাইট্রোজেন অক্সাইড উৎপন্ন; শিল্পকারখানা থেকে উৎপন্ন বিভিন্ন বিষাক্ত গ্যাস যা বায়ুর সাথে মিশে বায়ুকে দূষিত করে। এছাড়া রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার প্রভৃতি ব্যবহারের কারণে কার্বন মনোঅক্সাইড উৎপন্ন হয় যা বায়ুকে মারাত্মকভাবে দূষিত করে। আবার আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে উত্থিত লাভা ভূপৃষ্ঠের আশেপাশের বায়ুকে দূষিত করে।
ঘ
উদ্দীপকের দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে যে দূষণের কথা বলা হয়েছে তা হলো বায়ুদূষণ। বিভিন্ন কারণে সৃষ্ট বায়ুদূষণের ফলে মানবস্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। কলকারখানা ও অটোমোবাইল কারখানা হতে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে মিশে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে ফেলে এবং স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়। কলকারখানা হতে নির্গত নাইট্রোজেনের অক্সাইড চোখ ও নাকের প্রদাহ সৃষ্টি করে। এছাড়া শ্বাস- প্রশ্বাসের কষ্টসহ ফুসফুসের ক্যান্সার ও ব্রোঙ্কিয়াল অ্যাজমা সৃষ্টি করে। যানবাহনের ধোঁয়া থেকে যে পারঅক্সিএসিটাইল নাইট্রেট নির্গত হয় তা সালোকসংশ্লেষণে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাসোলিন, কেরোসিন প্রভৃতির অসম্পূর্ণ দহনের ফলে নির্গত হাইড্রোকার্বন যকৃতের ক্যান্সার সৃষ্টি করে। ইটের ভাটার চিমনি দিয়ে নির্গত কালো ধোঁয়া ও ছাইর সাথে কার্বন-ডাইঅক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড নামক ক্ষতিকারক পদার্থ থাকে। এতে বায়ু দূষিত হয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের উদ্ভিদ ও প্রাণীর মারাত্মক ক্ষতি করে। গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ায় ওজোনস্তর ক্ষয় পেয়ে অতিবেগুনি রশ্মি ভূপৃষ্ঠে পতিত হচ্ছে। ফলে চামড়ার ক্যান্সারসহ মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করছে। তাই বলা যায়, বায়ুদূষণ মানব স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

লোকমান স্যার ক্লাসে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর ব্যাখ্যা করে বোঝালেন। অতঃপর বায়ুমণ্ডলের ২০-২৫ কিলোমিটারের মধ্যে বিস্তৃত একটি গ্যাসীয় স্তরের বৈশিষ্ট্য পড়ালেন। তিনি বলেন, এ স্তর না থাকলে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত।

Dhaka · 2018

ক
বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?

উত্তর

বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার ৭৮.০৮%।
খ
বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বায়ুমণ্ডলে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় সংঘটিত কার্বনচক্রের মাধ্যমে কার্বন-ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকে। উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য উৎপন্ন করে এবং প্রাণী ও উদ্ভিদ উভয়ই গ্লুকোজরূপে তা গ্রহণ করে। প্রাণী খাদ্য হিসেবে উদ্ভিদ গ্রহণ করে এবং উভয়ের দেহেই কার্বন যৌগ তথা গ্লুকোজ জারিত হয়ে কার্বন-ডাইঅক্সাইডরূপে প্রকৃতিতে ফিরে যায়। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার উদ্ভিদ CO₂ গ্রহণ এবং প্রাণী CO₂ ত্যাগ করে। এভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকে।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় আলোচিত স্তরের গঠন কাঠামো ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় আলোচিত স্তরটি হলো স্ট্রাটোস্ফিয়ার। এ স্তরটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ঊর্ধ্বে প্রায় ২০ কি.মি. থেকে ৫০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত। ট্রপোপজের ওপর যে বায়ুস্তর আছে তার নাম স্ট্রাটোস্ফিয়ার। ট্রপোস্ফিয়ারের উপর এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০ কিমি. পর্যন্ত স্ট্রাটোস্ফিয়ার বিস্তৃত। এ স্তরের মধ্যে দিয়ে যতই উপরে ওঠা যায় তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং প্রায় ৫০ কিমি. উচ্চতায় বায়ুর তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি প্রায় ১০° সে হয়। এ স্তরে বাতাস অত্যন্ত হালকা, বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই। কিন্তু সমান্তরাল গতি দেখা যায়। স্ট্রাটোস্ফিয়ারের মধ্যে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ ওজোনস্তরের (ওজোন গ্যাস) অস্তিত্ব। ওজোনের জন্য শুধু যে তাপমাত্রা বাড়ে তাই নয়, বায়ুমণ্ডলের এ অংশে ওজোন গ্যাসের স্তরটি আছে বলেই সূর্য থেকে যেসব ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি বিচ্ছুরিত হয়, সেগুলো ভূপৃষ্ঠে পৌঁছাতে পারে না। শুধু তাই নয়, বায়ুমণ্ডলের এ স্তরটি না থাকলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির দহনে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত।
ঘ
উদ্দীপকে স্তর দুইটির মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রথম আলোচিত স্তরটি হলো ট্রপোস্ফিয়ার এবং দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোস্ফিয়ার। এ দুটি স্তরের মধ্যে গভীর আন্তঃসম্পর্ক রয়েছে। বায়ুমণ্ডলের নিচের দুটি স্তর অর্থাৎ ট্রপোমণ্ডল ও স্ট্রাটোমণ্ডল সমমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ এ স্তর দুটিতে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত একই রকম থাকে। বায়ুমণ্ডলের প্রতিটি গ্যাসীয় উপাদান এ দুই স্তরে সমানভাবে বিদ্যমান থাকে। বিশেষ করে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন। এ দুটি স্তরে বিভিন্ন গ্যাসের সংমিশ্রণ ছাড়াও রয়েছে বিশুদ্ধ বাতাস, জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণা, তাপ ও চাপের বিভিন্নতার জন্য এ দুটি স্তরের উপরে, নিচে ও পাশে বায়ুপ্রবাহ দৃশ্যমান হয়। পৃথিবীর সন্ধ্যাকাশের যে গোধূলীর আলো তা এ দুই স্তরের মধ্যেই স্থির থাকে। প্রাণিকুলের বেঁচে থাকার জন্য এ দুই স্তরের গুরুত্বই সমান। আবহাওয়া ও জলবায়ুর যাবতীয় প্রক্রিয়া এ দুই স্তরের মধ্যেই সংঘটিত হয়। বায়ুমণ্ডলের উপরে স্ট্রাটোস্ফিয়ার পর্যন্ত তাপমাত্রার খুব একটা পরিবর্তন হয় না। বায়ুমণ্ডলের প্রতিটি স্তরের মধ্যে নিচের দুটি স্তর অর্থাৎ ট্রপোস্ফিয়ার ও স্ট্রাটোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্যগত ও উপাদানগত অনেক মিল রয়েছে যা জীবকুলের বেঁচে থাকার জন্য জরুরি। তাই বলা যায়, বায়ুমণ্ডলের ট্রপোস্ফিয়ার ও স্ট্রাটোস্ফিয়ারের মধ্যে গভীর আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

লোকমান স্যার ক্লাসে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর ব্যাখ্যা করে বোঝালেন। অতঃপর বায়ুমণ্ডলের ২০-২৫ কিলোমিটারের মধ্যে বিস্তৃত একটি গ্যাসীয় স্তরের বৈশিষ্ট্য পড়ালেন। তিনি বলেন, এ স্তর না থাকলে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত।

Dhaka · 2018

ক
বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?

উত্তর

বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার ৭৮.০৮%।
খ
বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বায়ুমণ্ডলে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় সংঘটিত কার্বনচক্রের মাধ্যমে কার্বন-ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকে। উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য উৎপন্ন করে এবং প্রাণী ও উদ্ভিদ উভয়ই গ্লুকোজরূপে তা গ্রহণ করে। প্রাণী খাদ্য হিসেবে উদ্ভিদ গ্রহণ করে এবং উভয়ের দেহেই কার্বন যৌগ তথা গ্লুকোজ জারিত হয়ে কার্বন-ডাইঅক্সাইডরূপে প্রকৃতিতে ফিরে যায়। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার উদ্ভিদ CO₂ গ্রহণ এবং প্রাণী CO₂ ত্যাগ করে। এভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকে।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় আলোচিত স্তরের গঠন কাঠামো ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় আলোচিত স্তরটি হলো স্ট্রাটোস্ফিয়ার। এ স্তরটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ঊর্ধ্বে প্রায় ২০ কি.মি. থেকে ৫০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত। ট্রপোপজের ওপর যে বায়ুস্তর আছে তার নাম স্ট্রাটোস্ফিয়ার। ট্রপোস্ফিয়ারের উপর এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০ কিমি. পর্যন্ত স্ট্রাটোস্ফিয়ার বিস্তৃত। এ স্তরের মধ্যে দিয়ে যতই উপরে ওঠা যায় তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং প্রায় ৫০ কিমি. উচ্চতায় বায়ুর তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি প্রায় ১০° সে হয়। এ স্তরে বাতাস অত্যন্ত হালকা, বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই। কিন্তু সমান্তরাল গতি দেখা যায়। স্ট্রাটোস্ফিয়ারের মধ্যে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ ওজোনস্তরের (ওজোন গ্যাস) অস্তিত্ব। ওজোনের জন্য শুধু যে তাপমাত্রা বাড়ে তাই নয়, বায়ুমণ্ডলের এ অংশে ওজোন গ্যাসের স্তরটি আছে বলেই সূর্য থেকে যেসব ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি বিচ্ছুরিত হয়, সেগুলো ভূপৃষ্ঠে পৌঁছাতে পারে না। শুধু তাই নয়, বায়ুমণ্ডলের এ স্তরটি না থাকলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির দহনে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত।
ঘ
উদ্দীপকে স্তর দুইটির মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রথম আলোচিত স্তরটি হলো ট্রপোস্ফিয়ার এবং দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোস্ফিয়ার। এ দুটি স্তরের মধ্যে গভীর আন্তঃসম্পর্ক রয়েছে। বায়ুমণ্ডলের নিচের দুটি স্তর অর্থাৎ ট্রপোমণ্ডল ও স্ট্রাটোমণ্ডল সমমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ এ স্তর দুটিতে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত একই রকম থাকে। বায়ুমণ্ডলের প্রতিটি গ্যাসীয় উপাদান এ দুই স্তরে সমানভাবে বিদ্যমান থাকে। বিশেষ করে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন। এ দুটি স্তরে বিভিন্ন গ্যাসের সংমিশ্রণ ছাড়াও রয়েছে বিশুদ্ধ বাতাস, জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণা, তাপ ও চাপের বিভিন্নতার জন্য এ দুটি স্তরের উপরে, নিচে ও পাশে বায়ুপ্রবাহ দৃশ্যমান হয়। পৃথিবীর সন্ধ্যাকাশের যে গোধূলীর আলো তা এ দুই স্তরের মধ্যেই স্থির থাকে। প্রাণিকুলের বেঁচে থাকার জন্য এ দুই স্তরের গুরুত্বই সমান। আবহাওয়া ও জলবায়ুর যাবতীয় প্রক্রিয়া এ দুই স্তরের মধ্যেই সংঘটিত হয়। বায়ুমণ্ডলের উপরে স্ট্রাটোস্ফিয়ার পর্যন্ত তাপমাত্রার খুব একটা পরিবর্তন হয় না। বায়ুমণ্ডলের প্রতিটি স্তরের মধ্যে নিচের দুটি স্তর অর্থাৎ ট্রপোস্ফিয়ার ও স্ট্রাটোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্যগত ও উপাদানগত অনেক মিল রয়েছে যা জীবকুলের বেঁচে থাকার জন্য জরুরি। তাই বলা যায়, বায়ুমণ্ডলের ট্রপোস্ফিয়ার ও স্ট্রাটোস্ফিয়ারের মধ্যে গভীর আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো