উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র-২ এর 'ক' স্তরটি হলো ট্রপোস্ফিয়ার। নিম্নে এ স্তরটি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-
ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৫ কি. মি. উচ্চতা পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের স্তরকে ট্রপোস্ফিয়ার বলে। এ স্তরে যতই উপরের দিকে উঠা যায়, ততই। উষ্ণতা কমতে থাকে। এ বায়ু স্তরের গভীরতা সর্বত্র সমান থাকে না। নিরক্ষীয় অঞ্চলে এর গভীরতা ১৬ কি. মি. এবং মেরু অঞ্চলে গভীরতা ৮ কি. মি.। এই স্তরটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর, ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে আছে। মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির, কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়। উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসের গতিবেগ বাড়ে। নিচের দিকের বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে। জীবনধারণের জন্য এ স্তরটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। ট্রপোস্ফিয়ারের শেষ সীমাকে ট্রপোপজ বলে। ঝড়-বৃষ্টির প্রাদুর্ভাব ঘটে না বলে বিমান এ স্তরে বিনা বাধায় চলাফেরা করতে পারে।