উদ্দীপকে ২য় চিত্রে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিকে দেখানো হয়েছে। উক্ত বৃষ্টিপাতের সাথে সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের বৃষ্টিপাতের মধ্যে সামঞ্জস্য বিদ্যমান। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো:
জলীয়বাম্পূর্ণ বায়ু ভূপৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হবার সময় গতিপথে পর্বতাদিতে বাধা পেলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরে উঠতে থাকে এবং প্রসারিত ও শীতল হয়। পর্বতের উচ্চ অংশের শীতল বায়ু ও তুষারের সংস্পর্শে এবং ঊর্ধ্বে উঠার ফলে এ জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঘনীভূত হয়ে পর্বতের প্রতিবাত পার্শ্বে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। ভূমির বন্ধুরতার জন্য এরূপ বৃষ্টিপাত হয় বলে একে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট অঞ্চলে যেসব পাহাড় রয়েছে সেখানে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু উপরের দিকে উঠে শীতল হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়। আবার, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম পাহাড়িয়া এলাকায় সমুদ্র হতে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু এ অঞ্চলে এসে পাহাড়ের উপরের দিকে শীতল হয়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়।
সুতরাং দেখা যায় যে, উপরোল্লিখিত দুটি অঞ্চলের বৃষ্টিপাতের সাথে চিত্র-২/ শৈলোৎক্ষেপের বৃষ্টিপাতের মধ্যে সামঞ্জস্য রয়েছে।