উদ্দীপকের প্রেক্ষাপট-১ এ ইঙ্গিতকৃত বিষয়টি হলো বিশ্ব উষ্ণায়ন। নিচে বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণ বর্ণনা করা হলো:
সাম্প্রতিক, বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণ হিসেবে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসসমূহের উপস্থিতির মাত্রার ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। মানুষের নিয়ন্ত্রণহীন কর্মকাণ্ডের ফলে বায়ুমণ্ডলে মাত্রাতিরিক্ত গ্রিনহাউস গ্যাস যেমন: কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂), মিথেল (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), ক্লোরোফ্লারো কার্বন (CFC) প্রভৃতির নির্গমন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন চালনা এবং শিল্পকারখানায় কয়লা, তেল, গ্যাস পোড়ানোর ফলে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাইঅক্সাইড ও নাইট্রাস অক্সাইড নির্গত হয়। প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ধান চাষের ফলে মিথেন (CH4), উৎপন্ন হয়। বনভূমি ধ্বংসের ফলে এই গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো শোষণের ক্ষমতা 'কমে যায়। গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো বায়ুমণ্ডলের নিচের স্তর ট্রপোস্ফিয়ারে অন্তর্নিহিত থাকে। সূর্যের রশ্মি ক্ষুদ্র তরঙ্গে পৃথিবীতে প্রবেশ করলেও দীর্ঘ তরঙ্গে বিকিরিত হয়ে মহাকাশে ফিরে যায়।
কিন্তু গ্রিনহাউস গ্যাসসমূহের কারণে সূর্যের বিকিরিত রশ্মি মহাকাশে ফিরে যেতে পারে না। ফলে পৃথিবীপৃষ্ঠ স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি উত্তপ্ত হয়। এভাবে বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।