HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল
উদ্দীপক
পটুয়াখালীর রিকশা চালক মনু মিয়া দু'জন ছাত্রীকে কলেজে পৌঁছে দেয়। পথিমধ্যে তারা মেরু অঞ্চলের বরফ গলনের ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল পানির নীচে তলিয়ে যেতে পারে বলে উল্লেখ করে। এতে মনু মিয়া শংকিত হয়ে পড়ে।
Dhaka · 2017
ক
একটি গ্রীন হাউজ গ্যাসের নাম লিখ।
উত্তর
একটি গ্রিন হাউস গ্যাসের নাম হলো কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂)।
খ
ওজন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর
মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড যেমন- শিল্পকারখানা স্থাপন, কৃষিক্ষেত্রে রাসায়নিক সারের ব্যবহার, যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি, বনভূমি ধ্বংস ইত্যাদি হতে ক্ষতিকারক গ্যাস (CO2, CH4, CFC, N₂O) নির্গত হয়ে বায়ুমণ্ডলের সাথে মিশে যাচ্ছে এবং পৃথিবীতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে তা ওজোন স্তরকে ধ্বংস করছে। সুতরাং বলা যায়, মানুষের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড ওজোন স্তর ক্ষতি হওয়ার কারণ।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত বিষয়টির কারণ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর
গাউদ্দীপকে আলোচিত বিষয়টি জলবায়ু পরিবর্তন।
মানুষের নিয়ন্ত্রণহীন কর্মকাণ্ডের ফলে বায়ুমণ্ডলে মাত্রাতিরিক্ত গ্রিন হাউস গ্যাস যেমন- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂), মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), ক্লোরোফ্লুরো কার্বন (CFC) ইত্যাদি নির্গমন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে বিশ্বে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
পৃথিবীতে জ্বালানিসহ বনভূমি ধ্বংস, শিল্পায়ন, যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি, পারমাণবিক পরীক্ষা, কার্বন নিঃসরণ ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের ফলে নির্গত গ্রিন হাউস গ্যাসের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একদিকে গ্রিন হাউস গ্যাসগুলোর দ্বারা বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্ছে অন্যদিকে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় ওজোন স্তর ছিদ্র হয়ে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি ভূপৃষ্ঠে এসে অধিক উত্তাপ সৃষ্টি করছে। এভাবে বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীতে জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটছে।
ঘ
মনু মিয়ার শংকিত হওয়ার বিষয়টি থেকে পরিত্রাণের উপায় বিশ্লেষণ কর।
উত্তর
মনু মিয়ার শঙ্কিত হওয়ার বিষয়টি জলবায়ু পরিবর্তন। জলবায়ু পরিবর্তন থেকে পরিত্রাণের উপায় হিসেবে নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো নেয়া যেতে পারে। যথা-
i. জ্বীবাশ্ম জ্বালানির (কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস) ব্যবহার কমাতে হবে।
ii. তাপবিদ্যুৎ শক্তির পরিবর্তে জলবিদ্যুৎ শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে।
iii. সৌরশক্তিকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে ব্যবহার করতে হবে।
iv. CFC গ্যাসের নির্গমন কমাতে হবে যাতে ওজোন স্তরের ক্ষতি না হয়।
v. বনভূমির (বৃক্ষরোপণ) পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে।
vi. শিল্প কারখানা থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড, কার্বন-মনোঅক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড, মিথেন এর মতো গ্যাসগুলোর নির্গমন কমাতে হবে।
vii. সর্বোপরি, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ সীমিত রাখে, শিল্পোন্নতির জন্য এরূপ প্রযুক্তি স্থানান্তর করতে হবে।
সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

