Chapter 6 : জলবায়ু অঞ্চল ও জলবায়ু পরিবর্তন Geography 1st Paper

HSC Geography 1st Paper এর Chapter 6 : জলবায়ু অঞ্চল ও জলবায়ু পরিবর্তন অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২৪৫

প্রশ্ন

Geography 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

পটুয়াখালীর রিকশা চালক মনু মিয়া দু'জন ছাত্রীকে কলেজে পৌঁছে দেয়। পথিমধ্যে তারা মেরু অঞ্চলের বরফ গলনের ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল পানির নীচে তলিয়ে যেতে পারে বলে উল্লেখ করে। এতে মনু মিয়া শংকিত হয়ে পড়ে।

Dhaka · 2017

ক
একটি গ্রীন হাউজ গ্যাসের নাম লিখ।

উত্তর

একটি গ্রিন হাউস গ্যাসের নাম হলো কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂)।
খ
ওজন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড যেমন- শিল্পকারখানা স্থাপন, কৃষিক্ষেত্রে রাসায়নিক সারের ব্যবহার, যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি, বনভূমি ধ্বংস ইত্যাদি হতে ক্ষতিকারক গ্যাস (CO2, CH4, CFC, N₂O) নির্গত হয়ে বায়ুমণ্ডলের সাথে মিশে যাচ্ছে এবং পৃথিবীতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে তা ওজোন স্তরকে ধ্বংস করছে। সুতরাং বলা যায়, মানুষের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড ওজোন স্তর ক্ষতি হওয়ার কারণ।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত বিষয়টির কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

গাউদ্দীপকে আলোচিত বিষয়টি জলবায়ু পরিবর্তন। মানুষের নিয়ন্ত্রণহীন কর্মকাণ্ডের ফলে বায়ুমণ্ডলে মাত্রাতিরিক্ত গ্রিন হাউস গ্যাস যেমন- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂), মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), ক্লোরোফ্লুরো কার্বন (CFC) ইত্যাদি নির্গমন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে বিশ্বে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পৃথিবীতে জ্বালানিসহ বনভূমি ধ্বংস, শিল্পায়ন, যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি, পারমাণবিক পরীক্ষা, কার্বন নিঃসরণ ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের ফলে নির্গত গ্রিন হাউস গ্যাসের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একদিকে গ্রিন হাউস গ্যাসগুলোর দ্বারা বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্ছে অন্যদিকে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় ওজোন স্তর ছিদ্র হয়ে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি ভূপৃষ্ঠে এসে অধিক উত্তাপ সৃষ্টি করছে। এভাবে বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীতে জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটছে।
ঘ
মনু মিয়ার শংকিত হওয়ার বিষয়টি থেকে পরিত্রাণের উপায় বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

মনু মিয়ার শঙ্কিত হওয়ার বিষয়টি জলবায়ু পরিবর্তন। জলবায়ু পরিবর্তন থেকে পরিত্রাণের উপায় হিসেবে নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো নেয়া যেতে পারে। যথা- i. জ্বীবাশ্ম জ্বালানির (কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস) ব্যবহার কমাতে হবে। ii. তাপবিদ্যুৎ শক্তির পরিবর্তে জলবিদ্যুৎ শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে। iii. সৌরশক্তিকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে ব্যবহার করতে হবে। iv. CFC গ্যাসের নির্গমন কমাতে হবে যাতে ওজোন স্তরের ক্ষতি না হয়। v. বনভূমির (বৃক্ষরোপণ) পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে। vi. শিল্প কারখানা থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড, কার্বন-মনোঅক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড, মিথেন এর মতো গ্যাসগুলোর নির্গমন কমাতে হবে। vii. সর্বোপরি, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ সীমিত রাখে, শিল্পোন্নতির জন্য এরূপ প্রযুক্তি স্থানান্তর করতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

পটুয়াখালীর রিকশা চালক মনু মিয়া দু'জন ছাত্রীকে কলেজে পৌঁছে দেয়। পথিমধ্যে তারা মেরু অঞ্চলের বরফ গলনের ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল পানির নীচে তলিয়ে যেতে পারে বলে উল্লেখ করে। এতে মনু মিয়া শংকিত হয়ে পড়ে।

Dhaka · 2017

ক
একটি গ্রীন হাউজ গ্যাসের নাম লিখ।

উত্তর

একটি গ্রিন হাউস গ্যাসের নাম হলো কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂)।
খ
ওজন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড যেমন- শিল্পকারখানা স্থাপন, কৃষিক্ষেত্রে রাসায়নিক সারের ব্যবহার, যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি, বনভূমি ধ্বংস ইত্যাদি হতে ক্ষতিকারক গ্যাস (CO2, CH4, CFC, N₂O) নির্গত হয়ে বায়ুমণ্ডলের সাথে মিশে যাচ্ছে এবং পৃথিবীতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে তা ওজোন স্তরকে ধ্বংস করছে। সুতরাং বলা যায়, মানুষের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড ওজোন স্তর ক্ষতি হওয়ার কারণ।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত বিষয়টির কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

গাউদ্দীপকে আলোচিত বিষয়টি জলবায়ু পরিবর্তন। মানুষের নিয়ন্ত্রণহীন কর্মকাণ্ডের ফলে বায়ুমণ্ডলে মাত্রাতিরিক্ত গ্রিন হাউস গ্যাস যেমন- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂), মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), ক্লোরোফ্লুরো কার্বন (CFC) ইত্যাদি নির্গমন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে বিশ্বে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পৃথিবীতে জ্বালানিসহ বনভূমি ধ্বংস, শিল্পায়ন, যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি, পারমাণবিক পরীক্ষা, কার্বন নিঃসরণ ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের ফলে নির্গত গ্রিন হাউস গ্যাসের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একদিকে গ্রিন হাউস গ্যাসগুলোর দ্বারা বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্ছে অন্যদিকে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় ওজোন স্তর ছিদ্র হয়ে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি ভূপৃষ্ঠে এসে অধিক উত্তাপ সৃষ্টি করছে। এভাবে বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীতে জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটছে।
ঘ
মনু মিয়ার শংকিত হওয়ার বিষয়টি থেকে পরিত্রাণের উপায় বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

মনু মিয়ার শঙ্কিত হওয়ার বিষয়টি জলবায়ু পরিবর্তন। জলবায়ু পরিবর্তন থেকে পরিত্রাণের উপায় হিসেবে নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো নেয়া যেতে পারে। যথা- i. জ্বীবাশ্ম জ্বালানির (কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস) ব্যবহার কমাতে হবে। ii. তাপবিদ্যুৎ শক্তির পরিবর্তে জলবিদ্যুৎ শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে। iii. সৌরশক্তিকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে ব্যবহার করতে হবে। iv. CFC গ্যাসের নির্গমন কমাতে হবে যাতে ওজোন স্তরের ক্ষতি না হয়। v. বনভূমির (বৃক্ষরোপণ) পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে। vi. শিল্প কারখানা থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড, কার্বন-মনোঅক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড, মিথেন এর মতো গ্যাসগুলোর নির্গমন কমাতে হবে। vii. সর্বোপরি, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ সীমিত রাখে, শিল্পোন্নতির জন্য এরূপ প্রযুক্তি স্থানান্তর করতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মেহেদী সাহেব ব্যবসায়িক কাজে প্রায়ই ইউরোপ যান। তিনি লক্ষ করেন যে, ইউরোপের দেশগুলোতে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় অন্যদিকে গ্রীষ্মকাল প্রায়ই বৃষ্টিহীন থাকে। যা তার নিজ দেশের বিপরীত অবস্থা।

Rajshahi · 2018

ক
সমভূমি কাকে বলে?

উত্তর

ভূপৃষ্ঠে প্রশস্ত ও বিস্তীর্ণ সমতল ভূমিকে সমভূমি বলে।
খ
নগ্নীভবন কীভাবে সংঘটিত হয় ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বিচূর্ণীভবনের সময় শিলাসমূহ চূর্ণ-বিচূর্ণ ও বিশ্লিষ্ট হয়ে ক্ষয়ীভবন দ্বারা অপসারিত হলে নিচে অবিক্রিত শিলারাশি নগ্ন হয়ে পড়ে। এরূপ কার্যকে নগ্নীভবন বলে। মূলত শিলারাশির অপসারণ ও ক্ষয়সাধনের ফলেই নগ্নীভবন সংঘটিত হয়। সূর্যতাপ, তুষার, বৃষ্টি, মাধ্যাকর্ষণ শক্তি, CO₂ প্রভৃতি উপাদানের ক্রিয়া প্রক্রিয়ার সাহায্যে নগ্নীভবন প্রক্রিয়ার সূচনা হয়।
গ
মেহেদী সাহেবের ভ্রমণকৃত জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্য কোন জলবায়ু অঞ্চলে দেখা যায়? পৃথিবীর মানচিত্রে এই জলবায়ু অধ্যুষিত অঞ্চলগুলো দেখাও।

উত্তর

উদ্দীপকে মেহেদী সাহেবের ভ্রমণকৃত অঞ্চলটি হলো ইউরোপ মহাদেশ। এখানের জলবায়ুতে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। মেহেদী সাহেবের গমনকৃত জলবায়ু অঞ্চলটি ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল। যেখানে শীতকালে বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয় এবং সারাবছরই মেঘমুক্ত রৌদ্রকরোজ্জ্বল আবহাওয়া থাকে। ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলো- question image
ঘ
মেহেদী সাহেবের নিজ দেশ এবং ভ্রমণকৃত অঞ্চলের জলবায়ুর পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

মেহেদী সাহেবের নিজ দেশ হলো বাংলাদেশ যেখানে মৌসুমি জলবায়ু বিরাজ করে এবং ভ্রমণকৃত অঞ্চল হলো ইউরোপীয় অঞ্চল যেখানে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু বিরাজ করে। এ উভয় জলবায়ুর মধ্যে বৈশিষ্ট্যগত কিছু পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। নিচে এ দুই অঞ্চলের জলবায়ুর মধ্যে পার্থক্য নিচে আলোচনা করা হলো- ⦿ ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে যে বায়ুর দিক পরিবর্তন হয় তাকে মৌসুমি বায়ু বলে এবং যেসব দেশের উপর দিয়ে এ বায়ু প্রবাহিত হয় সেসব দেশের জলবায়ুকে মৌসুমি জলবায়ু বলে। অন্যদিকে, মহাদেশগুলোর পশ্চিমাংশে ৩৩০ থেকে ৪৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে যে জলবায়ু দেখতে পাওয়া যায় তাকে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু বলে। ⦿ মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু এবং শীতকালে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়। ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে শুষ্ক অয়ন বায়ু এবং শীতকালে আর্দ্র পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত হয়। ⦿ মৌসুমি জলবায়ুতে গ্রীষ্মকাল বৃষ্টিবহুল এবং শীতকাল বৃষ্টিহীন। অপরদিকে, ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে গ্রীষ্মকাল বৃষ্টিহীন এবং শীতকাল বৃষ্টিবহুল। ⦿ মৌসুমি জলবায়ুতে মৌসুমি বায়ু গ্রীষ্মকালে জল হতে স্থলভাগের দিকে এবং শীতকালে স্থল হতে জলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। অপরদিকে, ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে অয়ন বায়ু স্খল থেকে জলভাগের দিকে এবং শীতকালে পশ্চিমা বায়ু জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। ⦿ মৌসুমি জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালীন, তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসের অধিক থাকে। অপরদিকে, ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা অত্যধিক বৃদ্ধি পায়। ⦿ মৌসুমি জলবায়ুতে শীত ও গ্রীষ্মের গড় তাপমাত্রার পার্থক্য প্রায় ৫° সে. এবং ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে শীত ও গ্রীষ্মের গড় তাপমাত্রা প্রায় ১.১° সে.। ⦿ মৌসুমি অঞ্চলে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১২৫ থেকে ২০০ সেন্টিমিটার এবং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে বার্ষিক ২৫ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়। সুতরাং বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় জলবায়ু অঞ্চলে তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ দু'অঞ্চলের জলবায়ুর মধ্যে বেশিরভাগই বৈসাদৃশ্যতা বিরাজ করে। অর্থাৎ দু'অঞ্চলের জলবায়ুর মধ্যে বৈসাদৃশ্যতা পরিলক্ষিত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মেহেদী সাহেব ব্যবসায়িক কাজে প্রায়ই ইউরোপ যান। তিনি লক্ষ করেন যে, ইউরোপের দেশগুলোতে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় অন্যদিকে গ্রীষ্মকাল প্রায়ই বৃষ্টিহীন থাকে। যা তার নিজ দেশের বিপরীত অবস্থা।

Rajshahi · 2018

ক
সমভূমি কাকে বলে?

উত্তর

ভূপৃষ্ঠে প্রশস্ত ও বিস্তীর্ণ সমতল ভূমিকে সমভূমি বলে।
খ
নগ্নীভবন কীভাবে সংঘটিত হয় ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বিচূর্ণীভবনের সময় শিলাসমূহ চূর্ণ-বিচূর্ণ ও বিশ্লিষ্ট হয়ে ক্ষয়ীভবন দ্বারা অপসারিত হলে নিচে অবিক্রিত শিলারাশি নগ্ন হয়ে পড়ে। এরূপ কার্যকে নগ্নীভবন বলে। মূলত শিলারাশির অপসারণ ও ক্ষয়সাধনের ফলেই নগ্নীভবন সংঘটিত হয়। সূর্যতাপ, তুষার, বৃষ্টি, মাধ্যাকর্ষণ শক্তি, CO₂ প্রভৃতি উপাদানের ক্রিয়া প্রক্রিয়ার সাহায্যে নগ্নীভবন প্রক্রিয়ার সূচনা হয়।
গ
মেহেদী সাহেবের ভ্রমণকৃত জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্য কোন জলবায়ু অঞ্চলে দেখা যায়? পৃথিবীর মানচিত্রে এই জলবায়ু অধ্যুষিত অঞ্চলগুলো দেখাও।

উত্তর

উদ্দীপকে মেহেদী সাহেবের ভ্রমণকৃত অঞ্চলটি হলো ইউরোপ মহাদেশ। এখানের জলবায়ুতে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। মেহেদী সাহেবের গমনকৃত জলবায়ু অঞ্চলটি ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল। যেখানে শীতকালে বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয় এবং সারাবছরই মেঘমুক্ত রৌদ্রকরোজ্জ্বল আবহাওয়া থাকে। ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলো- question image
ঘ
মেহেদী সাহেবের নিজ দেশ এবং ভ্রমণকৃত অঞ্চলের জলবায়ুর পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

মেহেদী সাহেবের নিজ দেশ হলো বাংলাদেশ যেখানে মৌসুমি জলবায়ু বিরাজ করে এবং ভ্রমণকৃত অঞ্চল হলো ইউরোপীয় অঞ্চল যেখানে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু বিরাজ করে। এ উভয় জলবায়ুর মধ্যে বৈশিষ্ট্যগত কিছু পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। নিচে এ দুই অঞ্চলের জলবায়ুর মধ্যে পার্থক্য নিচে আলোচনা করা হলো- ⦿ ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে যে বায়ুর দিক পরিবর্তন হয় তাকে মৌসুমি বায়ু বলে এবং যেসব দেশের উপর দিয়ে এ বায়ু প্রবাহিত হয় সেসব দেশের জলবায়ুকে মৌসুমি জলবায়ু বলে। অন্যদিকে, মহাদেশগুলোর পশ্চিমাংশে ৩৩০ থেকে ৪৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে যে জলবায়ু দেখতে পাওয়া যায় তাকে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু বলে। ⦿ মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু এবং শীতকালে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়। ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে শুষ্ক অয়ন বায়ু এবং শীতকালে আর্দ্র পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত হয়। ⦿ মৌসুমি জলবায়ুতে গ্রীষ্মকাল বৃষ্টিবহুল এবং শীতকাল বৃষ্টিহীন। অপরদিকে, ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে গ্রীষ্মকাল বৃষ্টিহীন এবং শীতকাল বৃষ্টিবহুল। ⦿ মৌসুমি জলবায়ুতে মৌসুমি বায়ু গ্রীষ্মকালে জল হতে স্থলভাগের দিকে এবং শীতকালে স্থল হতে জলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। অপরদিকে, ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে অয়ন বায়ু স্খল থেকে জলভাগের দিকে এবং শীতকালে পশ্চিমা বায়ু জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। ⦿ মৌসুমি জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালীন, তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসের অধিক থাকে। অপরদিকে, ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা অত্যধিক বৃদ্ধি পায়। ⦿ মৌসুমি জলবায়ুতে শীত ও গ্রীষ্মের গড় তাপমাত্রার পার্থক্য প্রায় ৫° সে. এবং ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে শীত ও গ্রীষ্মের গড় তাপমাত্রা প্রায় ১.১° সে.। ⦿ মৌসুমি অঞ্চলে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১২৫ থেকে ২০০ সেন্টিমিটার এবং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে বার্ষিক ২৫ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়। সুতরাং বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় জলবায়ু অঞ্চলে তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ দু'অঞ্চলের জলবায়ুর মধ্যে বেশিরভাগই বৈসাদৃশ্যতা বিরাজ করে। অর্থাৎ দু'অঞ্চলের জলবায়ুর মধ্যে বৈসাদৃশ্যতা পরিলক্ষিত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2018

ক
নিয়ত বায়ু কাকে বলে?

উত্তর

যে বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর বায়ুচাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে সারাবছর একই দিকে প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
খ
বায়ু উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে প্রবাহিত হয় কেন?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বায়ু সর্বদা উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। কোনো স্থানের উষ্ণতা বেশি হলে অথবা বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকলে কিংবা কোনো কারণে বায়ু প্রসারিত হলে তার চাপ কমে যায়। তখন ঐ স্থানে নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হয়। তখন ভূপৃষ্ঠের বায়ুচাপের সমতা রক্ষার জন্য আশেপাশের উচ্চচাপ অঞ্চল হতে ঐ নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয়। তাই বায়ু সর্বদা উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে প্রবাহিত হয়।
গ
উদ্দীপকের 'ক' অঞ্চলের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলে, ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু বিদ্যমান। মহাদেশসমূহের পশ্চিমাংশে ৩০° হতে ৪৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে এ জলবায়ু দেখা যায়। ভূমধ্যসাগর এবং এর তীরবর্তী দেশসমূহে এ জলবায়ুর বিস্তৃতি ও প্রভাব সর্বাধিক বলে উপক্রান্তীয় মহাদেশের পশ্চিম প্রান্তের এ জলবায়ুকেও ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু বলা হয়। এ জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- গ্রীষ্মকালে বৃষ্টিপাত হয় না বলে এ অঞ্চলের জলবায়ু অত্যন্ত মনোরম ও রৌদ্রকরোজ্জ্বল। গ্রীষ্মকালীন গড় তাপমাত্রা (২১° - ২৭°) সেলসিয়াস এবং শীতকালীন গড় তাপমাত্রা (৪° - ১০°) সেলসিয়াস। সমুদ্র উপকূল হতে দেশের অভ্যন্তরে তাপমাত্রার ব্যবধান কমতে থাকে। এ অঞ্চলের দেশগুলো নাতীশিতোষ্ণ অঞ্চলের বলে তাপ তেমন প্রখর নয়। বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত (২৫-৭৫) সেন্টিমিটার। সমুদ্র উপকূল হতে মহাদেশের অভ্যন্তরে বৃষ্টিপাত ক্রমশ কমতে থাকে। আকাশ প্রায়ই মেঘমুক্ত থাকে। এ অঞ্চলে শীতকালে আর্দ্র পশ্চিমা বায়ু এবং গ্রীষ্মকালে শুষ্ক অয়ন বায়ু প্রবাহিত হয়।
ঘ
উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' অঞ্চলের বৃষ্টিপাতের ঋতুগত তারতম্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু এবং 'খ' অঞ্চলে মৌসুমি জলবায়ু বিদ্যমান। বিভিন্ন ঋতুতে এ দুই অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের তারতম্য পরিলক্ষিত হয়। নিচে এ দুই অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের ঋতুগত তারতম্য ব্যাখ্যা করা হলো- ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে ঋতুভেদে বৃষ্টিপাতের তারতম্য হয়। বৃষ্টিহীন গ্রীষ্মকাল এবং বৃষ্টিবহুল শীতকাল এ অঞ্চলের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের শীতকালে আর্দ্র পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হয়। এ অঞ্চলে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২৫-৭৫ সে.মি.। অন্যদিকে মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে শীতকাল বৃষ্টিহীন এবং গ্রীষ্মকাল বৃষ্টিবহুল থাকে। এ অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে সমুদ্র হতে আগত বায়ু জলীয়বাষ্প বহন করে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। ফলে এ অঞ্চলে বিকালবেলা প্রবলবেগে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হয়। এ অঞ্চলের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত সাধারণত ১২৫-২০০ সে.মি.. পর্যন্ত দেখা যায়। শীতকালে স্থলভাগ হতে সমুদ্রের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয় বলে এ বায়ু জলীয়বাষ্পহীন হয়। তাই বলা যায়, ভূমধ্যসাগরীয় ও মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলের ঋতুভেদে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ও ধরন ভিন্ন হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2018

ক
নিয়ত বায়ু কাকে বলে?

উত্তর

যে বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর বায়ুচাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে সারাবছর একই দিকে প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
খ
বায়ু উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে প্রবাহিত হয় কেন?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বায়ু সর্বদা উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। কোনো স্থানের উষ্ণতা বেশি হলে অথবা বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকলে কিংবা কোনো কারণে বায়ু প্রসারিত হলে তার চাপ কমে যায়। তখন ঐ স্থানে নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হয়। তখন ভূপৃষ্ঠের বায়ুচাপের সমতা রক্ষার জন্য আশেপাশের উচ্চচাপ অঞ্চল হতে ঐ নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয়। তাই বায়ু সর্বদা উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে প্রবাহিত হয়।
গ
উদ্দীপকের 'ক' অঞ্চলের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলে, ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু বিদ্যমান। মহাদেশসমূহের পশ্চিমাংশে ৩০° হতে ৪৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে এ জলবায়ু দেখা যায়। ভূমধ্যসাগর এবং এর তীরবর্তী দেশসমূহে এ জলবায়ুর বিস্তৃতি ও প্রভাব সর্বাধিক বলে উপক্রান্তীয় মহাদেশের পশ্চিম প্রান্তের এ জলবায়ুকেও ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু বলা হয়। এ জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- গ্রীষ্মকালে বৃষ্টিপাত হয় না বলে এ অঞ্চলের জলবায়ু অত্যন্ত মনোরম ও রৌদ্রকরোজ্জ্বল। গ্রীষ্মকালীন গড় তাপমাত্রা (২১° - ২৭°) সেলসিয়াস এবং শীতকালীন গড় তাপমাত্রা (৪° - ১০°) সেলসিয়াস। সমুদ্র উপকূল হতে দেশের অভ্যন্তরে তাপমাত্রার ব্যবধান কমতে থাকে। এ অঞ্চলের দেশগুলো নাতীশিতোষ্ণ অঞ্চলের বলে তাপ তেমন প্রখর নয়। বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত (২৫-৭৫) সেন্টিমিটার। সমুদ্র উপকূল হতে মহাদেশের অভ্যন্তরে বৃষ্টিপাত ক্রমশ কমতে থাকে। আকাশ প্রায়ই মেঘমুক্ত থাকে। এ অঞ্চলে শীতকালে আর্দ্র পশ্চিমা বায়ু এবং গ্রীষ্মকালে শুষ্ক অয়ন বায়ু প্রবাহিত হয়।
ঘ
উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' অঞ্চলের বৃষ্টিপাতের ঋতুগত তারতম্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু এবং 'খ' অঞ্চলে মৌসুমি জলবায়ু বিদ্যমান। বিভিন্ন ঋতুতে এ দুই অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের তারতম্য পরিলক্ষিত হয়। নিচে এ দুই অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের ঋতুগত তারতম্য ব্যাখ্যা করা হলো- ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে ঋতুভেদে বৃষ্টিপাতের তারতম্য হয়। বৃষ্টিহীন গ্রীষ্মকাল এবং বৃষ্টিবহুল শীতকাল এ অঞ্চলের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের শীতকালে আর্দ্র পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হয়। এ অঞ্চলে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২৫-৭৫ সে.মি.। অন্যদিকে মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে শীতকাল বৃষ্টিহীন এবং গ্রীষ্মকাল বৃষ্টিবহুল থাকে। এ অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে সমুদ্র হতে আগত বায়ু জলীয়বাষ্প বহন করে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। ফলে এ অঞ্চলে বিকালবেলা প্রবলবেগে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হয়। এ অঞ্চলের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত সাধারণত ১২৫-২০০ সে.মি.. পর্যন্ত দেখা যায়। শীতকালে স্থলভাগ হতে সমুদ্রের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয় বলে এ বায়ু জলীয়বাষ্পহীন হয়। তাই বলা যায়, ভূমধ্যসাগরীয় ও মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলের ঋতুভেদে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ও ধরন ভিন্ন হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো