উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ঘটনা হলো গ্রিনহাউস প্রভাব। বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস প্রক্রিয়া ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিরোধ করা ছাড়া জীবজগতের কোনোভাবেই টিকে থাকা সম্ভব নয়। সেজন্য দ্রুত বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিরোধ করা প্রয়োজন। নিম্নে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়, তা আলোচনা করা হলো-
বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার: জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিবর্তন, আনতে হবে। যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, পারমাণবিক শক্তির পরিবর্তে অধিকহারে সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি ও জৈব গ্যাস ব্যবহার করতে হবে।
তাপবিদ্যুৎ শক্তির পরিবর্তে জলবিদ্যুৎ শক্তির ব্যবহার: দৈনন্দিন চাহিদা মেটানোর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে তাপবিদ্যুৎ শক্তির পরিবর্তে জলবিদ্যুৎ শক্তির ব্যবহার করতে হবে।
বনভূমি বৃদ্ধি করতে হবে: বনভূমি বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস শোষণ করে এবং প্রাণী ও মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করে। তাই অধিক পরিমাণে বনায়ন করতে হবে যা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।
CFC গ্যাসের নির্গমন রোধ: বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিরোধে CFC গ্যাসের ব্যবহার কমাতে হবে।
দূষিত গ্যাস নির্গমন রোধ: যানবাহন ও কলকারখানা থেকে দূষিত গ্যাস নির্গমন কমাতে হবে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য যানবাহন ও কলকারখানা থেকে নির্গত দূষিত গ্যাস ভূমিকা রাখে। এ'কারণে যানবাহনে ও কলকারখানায় আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নতমানের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন কমানো যেতে পারে।
সুতরাং বলা যায় যে, উপরিউক্ত বিষয়গুলো অনুসরণ করতে পারলে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত হতে পারি।