উদ্দীপকে উল্লিখিত শাসকের সাথে আমার পঠিত ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলি (রা)-এর প্রশাসনিক সংস্কার ব্যবস্থার সাদৃশ্য রয়েছে।
হযরত আলি (রা) ইসলামের চতুর্থ খলিফা। ৬৫৬ খ্রিষ্টাব্দে হযরত ওসমান (রা) বিদ্রোহীদের হাতে শাহাদাতবরণ করলে খিলাফতের সর্বত্র বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এরূপ পরিস্থিতিতে ৬৫৬ সালের ২৩ জুন হযরত আলি (রা) ইসলামের চতুর্থ খলিফা হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি খলিফা নির্বাচিত হয়ে প্রাথমিক কিছু সংস্কার সাধন করেন। যার অনুরূপ সংস্কার উদ্দীপকেও লক্ষণীয় ।
উদ্দীপকের মুসা বিন ইব্রাহিম একজন প্রজাহিতৈষী, জনদরদি ও আদর্শ শাসক ছিলেন। শাসনব্যবস্থা অধিকতর কল্যাণধর্মী ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে তিনি কতিপয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। যেমন: রাজ্যের বিদ্রোহ দমন, প্রাদেশিক শাসনকর্তাদের বদলি, রাজধানী স্থানান্তর, অর্থনৈতিক সংস্কার ইত্যাদি। তার এরূপ পদক্ষেপের সাদৃশ্য পাওয়া যায় হযরত আলি (রা) - এর পদক্ষেপে। হযরত আলি (রা) খলিফা নির্বাচিত হয়ে মদিনা থেকে কুফায় ইসলামি খিলাফতের রাজধানী স্থানান্তর করেন। এছাড়া তিনি অরাজক ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যেই বিদ্রোহীদের সন্তুষ্টি অর্জন এবং প্রশাসনের নিজের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে কুফা, বসরা, মিসর ও সিরিয়ায় প্রাদেশিক শাসনকর্তা পদে নতুন লোক নিয়োগ দেন । পাশাপাশি, রাষ্ট্রের শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন । তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শাসকের সাথে হযরত আলি (রা)-এর প্রশাসনিক সংস্কারের সাদৃশ্য রয়েছে।