উদ্দীপকের ঘটনাটি খোলাফায়ে রাশেদিনের খলিফা হযরত উসমান (রা.)-কে ইঙ্গিত করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সেলিম চৌধুরী রায়পুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হয়ে তার জেলায় নতুন কর্মচারী নিয়োগ দেন। এসব কর্মচারী যোগ্য হলেও তার নিকটআত্মীয় ছিলেন। ফলে কিছু লোক তার বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি, অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অভিযোগ তোলে। অবশেষে বিদ্রোহীরা তার বাসা অবরোধ করে এবং তার ওপর আক্রমণ চালায়। উদ্দীপকের এ ঘটনার সাথে হযরত উসমান (রা.)-এর মিল রয়েছে। কেননা অনুরূপ ঘটনা উসমান (রা.)-এর সময়েও ঘটে। হযরত উসমান (রা.) ৬৪৪ সালে মুসলিম জাহানের খলিফা নির্বাচিত হন এবং ১২ বছর শাসন পরিচালনা করেন। তার শাসনের প্রথম ৬ বছর শান্তিপূর্ণ হলেও শেষ ৬ বছরে অশান্তি দেখা দেয়। তিনি সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস, আব্দুল্লাহ ইবনে উমর, দুভাই আব্দুল্লাহকে 1 প্রাদেশিক শাসক নিয়োগ করলে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীরা স্বজনপ্রীতির বানোয়াট অভিযোগ উত্থাপন করে। তাছাড়া কুরআনের বিকৃত পাণ্ডুলিপি পোড়ানো, সমাজতান্ত্রিক মতবাদকে কেন্দ্র করে আবুজর গিফারির নির্বাসন, সরকারি চারণ ভূমির ব্যক্তিগত ব্যবহার ও অর্থ আত্মসাৎ-এর ভিত্তিহীন অভিযোগ আনীত হয়। অবশেষে একদল বিদ্রোহী মদিনায় আগমন করে তারা ষড়যন্ত্রীদের প্ররোচনায় হযরত উসমান (রা.)-এর বাসভবন আক্রমণ করে এবং খলিফার ওপর হামলা চালায়।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সেলিম খানের ঘটনা হযরত উসমান (রা.)-এর ঘটনাকে ইঙ্গিত করে।