উমাইয়া খলিফা মুয়াবিয়া গাজান খানের ন্যায় ডাক বিভাগ গঠন করেছিলেন। উমাইয়া খলিফা মুয়াবিয়া ৬৬১ সালে ক্ষমতা গ্রহণ করে সুষ্ঠুভাবে শাসনকার্য পরিচালনার জন্য যেসব মৌলিক শাসন সংস্কার করেন তন্মধ্যে ডাক বিভাগের প্রবর্তন অন্যতম। তিনি দিউয়ানুল বারিদ নামে নতুন একটি বিভাগ চালু করেন। 'সাহিব-উল-বারিদ' ছিলেন এর প্রধান কর্মকর্তা। চিঠিপত্র দ্রুত আদান-প্রদান করা, বিভিন্ন খবরাখবর খলিফাকে জানানো এবং গুপ্তচরের কাজ ছিল এ বিভাগের প্রধান কাজ। ১২ মাইল অন্তর অন্তর ডাক বিভাগ স্থাপন করা হয়। ঘোড়া ও উট ছিল এর প্রধান বাহন। ঘোড়া ও উটের সাহায্যে এক ডাকঘর থেকে অন্য ডাকঘরে সংবাদ আদান-প্রদান করা হতো। এস. এম. ইমামুদ্দিন বলেন, "মুয়াবিয়া ডাক বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন, আবদুল মালিক এটির উন্নতি সাধন করেন এবং ওয়ালিদ এটির পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার করেন।"
উদ্দীপকের ইলখানি সুলতান গাজান খান গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা এবং দ্রুত সংবাদ আদান-প্রদানের জন্য ডাকব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেন। যা খলিফা মুয়াবিয়ার ডাক বিভাগ এবং এর কর্মকান্ডের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।