শেয়ারFacebookWhatsApp

'সম্প্রদায়গত সম্প্রীতি' শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের উপযোগী একটি ভাষণ তৈরি করো।

উত্তর: 'সাম্প্রদায়গত সম্প্রীতি শীর্ষক আলোচনা সভা-২০২০ আজকের এই আলোচনা সভার সম্মানিত সভাপতি, সম্মানিত প্রধান অতিথি, সমবেত সুধীবৃন্দ এবং মঞ্চে উপবিষ্ট আলোচকবৃন্দ— সবাই আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন । উপস্থিত সুধী, আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন, কেন আমরা আজ এখানে সমবেত হয়েছি? বর্তমান প্রেক্ষাপটে আজকের এই 'সম্প্রদায়গত সম্প্রীতি' বিষয়ক আলোচনাটি সত্যিই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যবহ। আমাকে এ বিষয়ে কিছু বলতে সুযোগ দেয়ায় আমি আনন্দিত ও গর্বিত । আলোচনার প্রারম্ভে যাঁরা অক্লান্ত শ্রম দিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভার আয়োজন করেছেন, তাঁদের আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে জানাই ধন্যবাদ। সম্মানিত সুধী, আবহমান কাল থেকেই আমাদের দেশে নানা ধর্মের, নানা জাতির, নানা পেশার মানুষ বাস করে আসছে। মতাদর্শের ভিন্নতা সত্ত্বেও এদেশের জনজীবনে সম্প্রীতি বজায় রয়েছে দীর্ঘকাল। জাতি-ধর্মের ভিন্নতা এ অঞ্চলের মানুষের ভেতরকার ঐক্যকে কখনো বিনষ্ট করতে পারেনি। আর তাই এদেশের সাধারণ মুসলিম আর হিন্দু সহজেই পরস্পরের অকৃত্রিম বন্ধু হয়ে ওঠে। তারা জমিয়ে আড্ডা দিলেও ধর্মীয় বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে না। এছাড়া এদেশের সংস্কৃতিকে নানাভাবে সমৃদ্ধ করেছে সাঁওতাল, চাকমা, হাজং, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন আদিবাসীর সংস্কৃতি। আমাদের জাতীয় জীবনেও এসব জনগোষ্ঠী ও তাদের সংস্কৃতির প্রভাব যথেষ্ঠ। এ বিষয়টি উপলব্ধি করেই বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সরকারি ছুটিসহ নানা আয়োজন করে। শুধু তাই নয়, এদেশে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সব ধর্মের মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণের বহু নজির রয়েছে। আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ করে থাকরেন, ইদে, পূজায় সাধারণ মানুষ ভেদাভেদ ভুলে উৎসবে মেতে ওঠে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কারণেই এমনটি সম্ভব হয়েছে। সুধীবৃন্দ, বাঙালি হিন্দু-মুসলিম সংস্কৃতিও অনেকটাই কাছাকাছি। ধর্মীয় কিছু বিধিনিষেধ ছাড়া তাদের খাদ্যাভ্যাসেও তেমন কোনো পার্থক্য চোখে পড়ে না। প্রাত্যহিক জীবনযাপনের ধরনও তাদের একই। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে সবাই ধর্মীয় বিভেদ ভুলে এক হয়ে যায়। এদেশের সংস্কৃতি তাই হিন্দু-মুসলিম মিলিত সংস্কৃতিরই ফল। শুধু তাই নয়, আমাদের হাজার বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের যে ইতিহাস রয়েছে তাতে জাতিগত ভিন্নতা, তেমন কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারেনি। মহান মুক্তিযুদ্ধেও এদেশের সকল জাতি ও সম্প্রদায়ের মানুষ একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার লক্ষ্যে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে। জাতীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান, বিশেষ করে বাংলা নববর্ষ উদযাপন আমাদের দীর্ঘকালের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্যেরই ফসল। এছাড়া এদেশের লোকসাহিত্যেও অসাম্প্রদায়িক বোধ ও চেতনা একটি বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছে। জারি, সারি, বাউল গানেও অসাম্প্রদায়িক জীবনচেতনা ও মানবিকবোধকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুধীমণ্ডলী, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ আমাদের বাংলাদেশ। তবুও বিভিন্ন সময়ে নানাভাবে দেশি-বিদেশি শক্তি এ সম্প্রীতিকে বিনষ্ট করার অপচেষ্টা করেছে। একসময় ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী হিন্দু-মুসলিম ঐক্য নস্যাৎ করার জন্য 'ডিভাইড অ্যান্ড রুল' অর্থাৎ 'ভাগ করো এবং শাসন করো' নীতি গ্রহণ করে । আজও সমাজের কিছু মানুষ নিজেদের আখের গোছাতে এমন গর্হিত কাজ করে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে নাসির নগরের ঘটনাসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নানা ধরনের হামলা তারই প্রমাণ। এছাড়া সম্প্রতি ঘটে যাওয়া মিয়ানমার সেনাবাহিনী কর্তৃক রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বরোচিত হামলা ও গণহত্যা এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ। তবে আশার কথা এই যে, বাংলাদেশ সরকার মানবিক দিক বিবেচনায় তাদের আশ্রয় দিয়েছে। যাহোক, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি শুধু একটি দেশের ঐক্য রক্ষার জন্যই জরুরি নয়, বরং এটি সে দেশের উন্নয়নের জন্যও অপরিহার্য। কেননা, নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয় । তাছাড়া দেশে শান্তি ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের জন্যও জনগণের মধ্যে সম্প্রীতি ও সদ্ভাব বজায় রাখা আবশ্যক। এভাবে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে আসলে তবেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব হবে। বিশেষ করে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিমণ্ডলের দিকে তাকালেই এ বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যেসব দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় আছে তারাই আজ উন্নতির শিখরে। পক্ষান্তরে, সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প পাকিস্তানের মতো দেশগুলোকে তিলে তিলে নিঃশেষ করে দিচ্ছে। আমাদের প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমিকে আমরা এমন অবস্থায় পতিত হতে দিতে পারি না। তাই ভাইসব, আসুন যেকোনো মূল্যে অপশক্তিকে রুখে দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই । আমার বক্তব্য আর দীর্ঘায়িত করব না। আরও অনেকে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমি আমার বক্তব্য 'এখানেই শেষ করলাম।

HSC Bangla 2nd Paper দিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · দিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদন · সৃজনশীল

'সম্প্রদায়গত সম্প্রীতি' শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের উপযোগী একটি ভাষণ তৈরি করো।

উত্তর

'সাম্প্রদায়গত সম্প্রীতি শীর্ষক আলোচনা সভা-২০২০ আজকের এই আলোচনা সভার সম্মানিত সভাপতি, সম্মানিত প্রধান অতিথি, সমবেত সুধীবৃন্দ এবং মঞ্চে উপবিষ্ট আলোচকবৃন্দ— সবাই আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন । উপস্থিত সুধী, আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন, কেন আমরা আজ এখানে সমবেত হয়েছি? বর্তমান প্রেক্ষাপটে আজকের এই 'সম্প্রদায়গত সম্প্রীতি' বিষয়ক আলোচনাটি সত্যিই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যবহ। আমাকে এ বিষয়ে কিছু বলতে সুযোগ দেয়ায় আমি আনন্দিত ও গর্বিত । আলোচনার প্রারম্ভে যাঁরা অক্লান্ত শ্রম দিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভার আয়োজন করেছেন, তাঁদের আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে জানাই ধন্যবাদ। সম্মানিত সুধী, আবহমান কাল থেকেই আমাদের দেশে নানা ধর্মের, নানা জাতির, নানা পেশার মানুষ বাস করে আসছে। মতাদর্শের ভিন্নতা সত্ত্বেও এদেশের জনজীবনে সম্প্রীতি বজায় রয়েছে দীর্ঘকাল। জাতি-ধর্মের ভিন্নতা এ অঞ্চলের মানুষের ভেতরকার ঐক্যকে কখনো বিনষ্ট করতে পারেনি। আর তাই এদেশের সাধারণ মুসলিম আর হিন্দু সহজেই পরস্পরের অকৃত্রিম বন্ধু হয়ে ওঠে। তারা জমিয়ে আড্ডা দিলেও ধর্মীয় বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে না। এছাড়া এদেশের সংস্কৃতিকে নানাভাবে সমৃদ্ধ করেছে সাঁওতাল, চাকমা, হাজং, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন আদিবাসীর সংস্কৃতি। আমাদের জাতীয় জীবনেও এসব জনগোষ্ঠী ও তাদের সংস্কৃতির প্রভাব যথেষ্ঠ। এ বিষয়টি উপলব্ধি করেই বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সরকারি ছুটিসহ নানা আয়োজন করে। শুধু তাই নয়, এদেশে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সব ধর্মের মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণের বহু নজির রয়েছে। আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ করে থাকরেন, ইদে, পূজায় সাধারণ মানুষ ভেদাভেদ ভুলে উৎসবে মেতে ওঠে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কারণেই এমনটি সম্ভব হয়েছে। সুধীবৃন্দ, বাঙালি হিন্দু-মুসলিম সংস্কৃতিও অনেকটাই কাছাকাছি। ধর্মীয় কিছু বিধিনিষেধ ছাড়া তাদের খাদ্যাভ্যাসেও তেমন কোনো পার্থক্য চোখে পড়ে না। প্রাত্যহিক জীবনযাপনের ধরনও তাদের একই। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে সবাই ধর্মীয় বিভেদ ভুলে এক হয়ে যায়। এদেশের সংস্কৃতি তাই হিন্দু-মুসলিম মিলিত সংস্কৃতিরই ফল। শুধু তাই নয়, আমাদের হাজার বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের যে ইতিহাস রয়েছে তাতে জাতিগত ভিন্নতা, তেমন কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারেনি। মহান মুক্তিযুদ্ধেও এদেশের সকল জাতি ও সম্প্রদায়ের মানুষ একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার লক্ষ্যে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে। জাতীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান, বিশেষ করে বাংলা নববর্ষ উদযাপন আমাদের দীর্ঘকালের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্যেরই ফসল। এছাড়া এদেশের লোকসাহিত্যেও অসাম্প্রদায়িক বোধ ও চেতনা একটি বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছে। জারি, সারি, বাউল গানেও অসাম্প্রদায়িক জীবনচেতনা ও মানবিকবোধকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুধীমণ্ডলী, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ আমাদের বাংলাদেশ। তবুও বিভিন্ন সময়ে নানাভাবে দেশি-বিদেশি শক্তি এ সম্প্রীতিকে বিনষ্ট করার অপচেষ্টা করেছে। একসময় ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী হিন্দু-মুসলিম ঐক্য নস্যাৎ করার জন্য 'ডিভাইড অ্যান্ড রুল' অর্থাৎ 'ভাগ করো এবং শাসন করো' নীতি গ্রহণ করে । আজও সমাজের কিছু মানুষ নিজেদের আখের গোছাতে এমন গর্হিত কাজ করে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে নাসির নগরের ঘটনাসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নানা ধরনের হামলা তারই প্রমাণ। এছাড়া সম্প্রতি ঘটে যাওয়া মিয়ানমার সেনাবাহিনী কর্তৃক রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বরোচিত হামলা ও গণহত্যা এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ। তবে আশার কথা এই যে, বাংলাদেশ সরকার মানবিক দিক বিবেচনায় তাদের আশ্রয় দিয়েছে। যাহোক, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি শুধু একটি দেশের ঐক্য রক্ষার জন্যই জরুরি নয়, বরং এটি সে দেশের উন্নয়নের জন্যও অপরিহার্য। কেননা, নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয় । তাছাড়া দেশে শান্তি ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের জন্যও জনগণের মধ্যে সম্প্রীতি ও সদ্ভাব বজায় রাখা আবশ্যক। এভাবে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে আসলে তবেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব হবে। বিশেষ করে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিমণ্ডলের দিকে তাকালেই এ বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যেসব দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় আছে তারাই আজ উন্নতির শিখরে। পক্ষান্তরে, সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প পাকিস্তানের মতো দেশগুলোকে তিলে তিলে নিঃশেষ করে দিচ্ছে। আমাদের প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমিকে আমরা এমন অবস্থায় পতিত হতে দিতে পারি না। তাই ভাইসব, আসুন যেকোনো মূল্যে অপশক্তিকে রুখে দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই । আমার বক্তব্য আর দীর্ঘায়িত করব না। আরও অনেকে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমি আমার বক্তব্য 'এখানেই শেষ করলাম।
HSCBangla 2nd Paperদিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদনCombined
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.তোমার দেখা একটি গ্রামীণ মেলার ওপর প্রতিবেদন রচনা করো ।

তোমার দেখা একটি গ্রামীণ মেলার ওপর প্রতিবেদন রচনা করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নববর্ষ উদযাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো ।

নববর্ষ উদযাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত করো ।

Barisal

অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত করো ।

Barisal

অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।

Barisal

পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।

Barisal

পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।

Jessore

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।

Jessore

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।

Jessore

লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।

Jessore

লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো।

Sylhet

নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো।

Sylhet

নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তোমার দেখা একটি গ্রামীণ মেলার ওপর প্রতিবেদন রচনা করো ।নববর্ষ উদযাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো ।অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাঅথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।