শেয়ারFacebookWhatsApp

“যুব সমাজের নৈতিক অবক্ষয়” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন রচনা কর ।

উত্তর: ১৯.০৭.২০১৯ সম্পাদক দৈনিক আশার আলো ৪০ কারওরান বাজার, ঢাকা ১২১৫ বিষয়ঃ সংযুক্ত পত্রটি প্রকাশের জন্য আবেদন। জনাব, আপনার বহুল প্রচলিত স্বনামধন্য 'দৈনিক আশার আলো' পত্রিকার চিঠিপত্র কলামে প্রকাশের জন্য 'যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় রোধের উপায়' শিরোনামে একটি চিঠি পাঠালাম। সমকালীন সমাজ প্রেক্ষাপটে চিঠিটির গুরুত্ব বিবেচনা করে অনুগ্রহ করে প্রকাশের ব্যবস্থা করলে চিরকৃতজ্ঞ থাকবো। বিনীত মোঃ শফিকুল ইসলাম শিবালয়, মানিকগঞ্জ যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিন সামাজিক মূল্যবোধ (Social Values) যথা সততা, কর্তব্যপরায়ণতা, নিষ্ঠা, ধৈর্য্য, উদারতা, শিষ্ঠাচার, সৌজন্যবোধ, নিয়মানুবর্তিতা, অধ্যবসায়, নান্দনিক সৃজনশীলতা, দেশপ্রেম, কল্যাণবোধ, পারস্পরিক মমত্ববোধ ইত্যাদি নৈতিক গুণাবলি বিনষ্ট হয়ে যাওয়াকে সামাজিক অবক্ষয় বলে। নৈতিকতার অনুপস্থিতির কারণে সামাজিক অবক্ষয় দিন দিন বেড়েই চলছে। আর এই নৈতিক অধঃপতনের মূল স্থানটি হল যুব সমাজ। এই যুব সমাজের নৈতিক অবক্ষয় রোধের উপায়গুলি নিচে তুলে ধরা হলোঃ ০১. ধর্মীয় মূল্যবোধঃ বর্তমানে আমরা যে মোরালিটির কথা বলি তার মূল উৎস হলো ধর্ম। ধর্মের মধ্যেই জীবন আচরণের সকল আদর্শিক বিষয়গুলোর উল্লেখ রয়েছে। ধর্মকে পুরোপুরিভাবে চর্চার মাধ্যমেই জীবনে উৎকর্ষ সাধন সম্ভব। ভুল ও সঠিকের মানদণ্ড কেবল ধর্মই নির্ধারণ করতে পারে। ধর্মীয় বিধি-বিধানের মধ্যেই রয়েছে সুস্পষ্ট নির্দেশনা । তাই আজ অধঃপতিত যুব সমাজকে নৈতিক অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা আবশ্যক । ০২. রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনঃ রাজনৈতিক স্থিতিশীল পরিবেশ যুব সমাজকে তার ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে রক্ষা করতে পারে। যেদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, হরতাল, বিচারহীনতার সংস্কৃতি নেই, সেদেশের যুব সমাজের মধ্যে নৈতিক অধঃপতনের হার অনেক কম। কিন্তু রাজনৈতিক দেওলিয়াপনা সমগ্রজাতিকে অস্থিরতার দিকে টেনে নিয়ে যায়। আবার একটি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী একটি দেশ যেদেশে বেকারত্ব, মূল্যস্ফীতি, জিডিপি ও অন্যান্য অর্থনৈতিক সূচকগুলো একটি সুস্থির অবস্থায় আছে, ঐসকল দেশের তরুণ সমাজের মধ্যে হতাশা কম কাজ করে। এজন্য বেকারত্ব হ্রাস করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তি আনয়ন সম্ভব। ফলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীল পরিবেশ একটি উন্নত যুব সমাজ গঠনে সহায়ক হবে। ০৩. মাদকের নির্মূলঃ বর্তমানে যুব সমাজের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হলো মাদক। মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা না করলে এবং মাদকের নির্মূল না করা পর্যন্ত এই যুব সমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত হতে টেনে তোলা সম্ভব নয়। সর্বগ্রাসী মাদক আজ পৌছে গিয়েছে গ্রামেও। মাদক যুব সমাজের কর্মশক্তি ও স্পৃহাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এই মাদকের সর্বগ্রাসী ছোবলে পারিবারিক ও সামাজিক অশান্তি বেড়ে যাচ্ছে এবং জঘন্য হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। পুলিশ ও প্রশাসনের পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারের দায়িত্বশীল সদস্যকে এই মাদকের বিস্তার রোধে এগিয়ে আসতে হবে। ০৪. আদর্শ ব্যক্তির মর্যাদা বৃদ্ধিঃ সমাজে সম্মানী ও আদর্শবান ব্যক্তির মর্যাদা দিলে যুব সমাজ এতে খুবই অনুপ্রাণিত হয়। ভালো কাজের মর্যাদা ও তার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ এবং মন্দ কাজের তিরস্কারের সংস্কৃতি যুব সমাজের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায় । কাজেই সমাজে যুব সমাজকে মোটিভেট করতে এই সম্মান প্রদর্শনের সংস্কৃতি চালু করতে হবে। ০৫. অপসংস্কৃতির আগ্রাসন রোধঃ নৈতিক অবক্ষয়ের হাত থেকে এই যুব সমাজকে রক্ষা করতে চাইলে অসুস্থ সংস্কৃতির ব্যাপকতা রোধ করতে হবে। পাশাপাশি সুস্থ বিনোদন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। আজ থেকে দশ বছর পূর্বেও হত্যাও ধর্ষণের মাত্রার এত ব্যাপকতা ছিল না। বিদেশী সংস্কৃতির আমদানি ও বিদেশী বিভিন্ন স্যাটেলাইট চ্যানেলের প্রচলনে যুব সমাজ আজ বুদ হয়ে রয়েছে এসবে। এই সকল চ্যানেলগুলো যে সংস্কৃতির প্রকাশ ঘটায়-তা আমাদের নৈতিকতার সাথে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক। যুব সমাজ এই সংস্কৃতির সাথে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছে যা খুবই বিপদের কথা। এই অসুস্থ বিনোদন ব্যবস্থা বন্ধ করে সুস্থ বিনোদন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। ০৬.কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাঃ যেদেশে বেকারের সংখ্যা যত বেশি সে দেশে যুব সমাজ কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ এর সংখ্যা তত বেশি। বেকার সমস্যার সমাধান করতে পারলে অনেক লাভ। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য লাভ দুটি। ১. কর্মে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জিডিপি বাড়বে। ২. কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে যুবসমাজকে পুনর্বাসন করে নৈতিক অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করা যাবে। কাজেই বেকারত্বের অভিশাপ হতে যুব সমাজকে মুক্তি দিয়ে আলোর পথে আহ্বান জানাতে হবে। তাহলেই কেবল নৈতিকার অবক্ষয় রোধ করা সম্ভব। এছাড়া সমাজকল্যাণমূলক কাজের যুব সমাজকে উৎসাহিতকরণ এবং পারিবারিক ভাঙন রোধ করে যুব সমাজকে পরিবর্তন করা সম্ভব।

HSC Bangla 2nd Paper দিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · দিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদন · সৃজনশীল

“যুব সমাজের নৈতিক অবক্ষয়” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন রচনা কর ।

উত্তর

১৯.০৭.২০১৯ সম্পাদক দৈনিক আশার আলো ৪০ কারওরান বাজার, ঢাকা ১২১৫ বিষয়ঃ সংযুক্ত পত্রটি প্রকাশের জন্য আবেদন। জনাব, আপনার বহুল প্রচলিত স্বনামধন্য 'দৈনিক আশার আলো' পত্রিকার চিঠিপত্র কলামে প্রকাশের জন্য 'যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় রোধের উপায়' শিরোনামে একটি চিঠি পাঠালাম। সমকালীন সমাজ প্রেক্ষাপটে চিঠিটির গুরুত্ব বিবেচনা করে অনুগ্রহ করে প্রকাশের ব্যবস্থা করলে চিরকৃতজ্ঞ থাকবো। বিনীত মোঃ শফিকুল ইসলাম শিবালয়, মানিকগঞ্জ যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিন সামাজিক মূল্যবোধ (Social Values) যথা সততা, কর্তব্যপরায়ণতা, নিষ্ঠা, ধৈর্য্য, উদারতা, শিষ্ঠাচার, সৌজন্যবোধ, নিয়মানুবর্তিতা, অধ্যবসায়, নান্দনিক সৃজনশীলতা, দেশপ্রেম, কল্যাণবোধ, পারস্পরিক মমত্ববোধ ইত্যাদি নৈতিক গুণাবলি বিনষ্ট হয়ে যাওয়াকে সামাজিক অবক্ষয় বলে। নৈতিকতার অনুপস্থিতির কারণে সামাজিক অবক্ষয় দিন দিন বেড়েই চলছে। আর এই নৈতিক অধঃপতনের মূল স্থানটি হল যুব সমাজ। এই যুব সমাজের নৈতিক অবক্ষয় রোধের উপায়গুলি নিচে তুলে ধরা হলোঃ ০১. ধর্মীয় মূল্যবোধঃ বর্তমানে আমরা যে মোরালিটির কথা বলি তার মূল উৎস হলো ধর্ম। ধর্মের মধ্যেই জীবন আচরণের সকল আদর্শিক বিষয়গুলোর উল্লেখ রয়েছে। ধর্মকে পুরোপুরিভাবে চর্চার মাধ্যমেই জীবনে উৎকর্ষ সাধন সম্ভব। ভুল ও সঠিকের মানদণ্ড কেবল ধর্মই নির্ধারণ করতে পারে। ধর্মীয় বিধি-বিধানের মধ্যেই রয়েছে সুস্পষ্ট নির্দেশনা । তাই আজ অধঃপতিত যুব সমাজকে নৈতিক অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা আবশ্যক । ০২. রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনঃ রাজনৈতিক স্থিতিশীল পরিবেশ যুব সমাজকে তার ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে রক্ষা করতে পারে। যেদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, হরতাল, বিচারহীনতার সংস্কৃতি নেই, সেদেশের যুব সমাজের মধ্যে নৈতিক অধঃপতনের হার অনেক কম। কিন্তু রাজনৈতিক দেওলিয়াপনা সমগ্রজাতিকে অস্থিরতার দিকে টেনে নিয়ে যায়। আবার একটি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী একটি দেশ যেদেশে বেকারত্ব, মূল্যস্ফীতি, জিডিপি ও অন্যান্য অর্থনৈতিক সূচকগুলো একটি সুস্থির অবস্থায় আছে, ঐসকল দেশের তরুণ সমাজের মধ্যে হতাশা কম কাজ করে। এজন্য বেকারত্ব হ্রাস করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তি আনয়ন সম্ভব। ফলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীল পরিবেশ একটি উন্নত যুব সমাজ গঠনে সহায়ক হবে। ০৩. মাদকের নির্মূলঃ বর্তমানে যুব সমাজের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হলো মাদক। মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা না করলে এবং মাদকের নির্মূল না করা পর্যন্ত এই যুব সমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত হতে টেনে তোলা সম্ভব নয়। সর্বগ্রাসী মাদক আজ পৌছে গিয়েছে গ্রামেও। মাদক যুব সমাজের কর্মশক্তি ও স্পৃহাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এই মাদকের সর্বগ্রাসী ছোবলে পারিবারিক ও সামাজিক অশান্তি বেড়ে যাচ্ছে এবং জঘন্য হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। পুলিশ ও প্রশাসনের পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারের দায়িত্বশীল সদস্যকে এই মাদকের বিস্তার রোধে এগিয়ে আসতে হবে। ০৪. আদর্শ ব্যক্তির মর্যাদা বৃদ্ধিঃ সমাজে সম্মানী ও আদর্শবান ব্যক্তির মর্যাদা দিলে যুব সমাজ এতে খুবই অনুপ্রাণিত হয়। ভালো কাজের মর্যাদা ও তার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ এবং মন্দ কাজের তিরস্কারের সংস্কৃতি যুব সমাজের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায় । কাজেই সমাজে যুব সমাজকে মোটিভেট করতে এই সম্মান প্রদর্শনের সংস্কৃতি চালু করতে হবে। ০৫. অপসংস্কৃতির আগ্রাসন রোধঃ নৈতিক অবক্ষয়ের হাত থেকে এই যুব সমাজকে রক্ষা করতে চাইলে অসুস্থ সংস্কৃতির ব্যাপকতা রোধ করতে হবে। পাশাপাশি সুস্থ বিনোদন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। আজ থেকে দশ বছর পূর্বেও হত্যাও ধর্ষণের মাত্রার এত ব্যাপকতা ছিল না। বিদেশী সংস্কৃতির আমদানি ও বিদেশী বিভিন্ন স্যাটেলাইট চ্যানেলের প্রচলনে যুব সমাজ আজ বুদ হয়ে রয়েছে এসবে। এই সকল চ্যানেলগুলো যে সংস্কৃতির প্রকাশ ঘটায়-তা আমাদের নৈতিকতার সাথে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক। যুব সমাজ এই সংস্কৃতির সাথে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছে যা খুবই বিপদের কথা। এই অসুস্থ বিনোদন ব্যবস্থা বন্ধ করে সুস্থ বিনোদন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। ০৬.কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাঃ যেদেশে বেকারের সংখ্যা যত বেশি সে দেশে যুব সমাজ কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ এর সংখ্যা তত বেশি। বেকার সমস্যার সমাধান করতে পারলে অনেক লাভ। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য লাভ দুটি। ১. কর্মে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জিডিপি বাড়বে। ২. কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে যুবসমাজকে পুনর্বাসন করে নৈতিক অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করা যাবে। কাজেই বেকারত্বের অভিশাপ হতে যুব সমাজকে মুক্তি দিয়ে আলোর পথে আহ্বান জানাতে হবে। তাহলেই কেবল নৈতিকার অবক্ষয় রোধ করা সম্ভব। এছাড়া সমাজকল্যাণমূলক কাজের যুব সমাজকে উৎসাহিতকরণ এবং পারিবারিক ভাঙন রোধ করে যুব সমাজকে পরিবর্তন করা সম্ভব।
HSCBangla 2nd Paperদিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদনChittagong
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.তোমার দেখা একটি গ্রামীণ মেলার ওপর প্রতিবেদন রচনা করো ।

তোমার দেখা একটি গ্রামীণ মেলার ওপর প্রতিবেদন রচনা করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নববর্ষ উদযাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো ।

নববর্ষ উদযাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত করো ।

Barisal

অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত করো ।

Barisal

অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।

Barisal

পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।

Barisal

পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।

Jessore

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।

Jessore

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।

Jessore

লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।

Jessore

লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো।

Sylhet

নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো।

Sylhet

নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তোমার দেখা একটি গ্রামীণ মেলার ওপর প্রতিবেদন রচনা করো ।নববর্ষ উদযাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো ।অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাঅথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

“যুব সমাজের নৈতিক অবক্ষয়” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন রচনা কর । | Prosthuti