শেয়ারFacebookWhatsApp

পহেলা বৈশাখ উদ্ যাপন অবলম্বনে একটি দিনলিপি রচনা কর।

উত্তর: ১৪ এপ্রিল ২০২২, বুধবার রাত ১০টা ৩০ মিনিট, ঢাকা। আমি আজ ভোরের আলো ফোটার অনেক আগেই ঘুম থেকে ওঠে যাই। কিছু দিন পূর্বেই মা আমার জন্য নতুন পাজামা-পাঞ্জাবি কিনে এনেছিলেন। দ্রুত গোসল সেরে সেই কাপড় পরে নিই। বাবা তখনও ঘুমিয়ে আছেন। মা রান্নাঘরে কিছু একটা করছেন। মাকে শুভ নববর্ষ জানাতেই মা বললেন, পায়েস রেঁধেছি, খেয়ে নে। মায়ের হাতের পায়েস যেন অমৃত। কিন্তু আমার মন যেন ছুটে গিয়েছে তখন রমনার। তাই তাড়াতাড়ি পায়েস খেয়ে বেরিয়ে পড়ি। একটি আমি যখন রমনায় পৌঁছাই, ততক্ষণে আমার বন্ধুরাও এসে পড়েছে। পুরো এলাকা জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে এক মিলনমেলার। কিছুক্ষণের মধ্যেই সোনালি কিরণ ছড়িয়ে পয়লা বৈশাখের উদীয়মান সূর্য আকাশে উকিঝুঁকি দিতে শুরু করে। তখন সেখানে আমি এক অভূতপূর্ব পরিবেশ লক্ষ করলাম। সব শ্রেণি-পেশা ও বয়সের নারী-পুরুষ সেখানে সমবেত হয়েছে। তাদের পরনে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি পোশাক। তরুণীরা পরেছে লালপেড়ে সাদা শাড়ি, হাতে রঙিন কাচের চুড়ি, খোঁপায় ফুল, গলায় ফুলের মালা এবং কপালে টিপ; আর ছেলেরা পরেছে পাজামা ও পাঞ্জাবি। সেই উচ্ছল জনস্রোতের সাথে ভেসে ভেসে আমরা পৌঁছে গেলাম বটমূলে, ছায়ানটের অনুষ্ঠানে। সেখানে শতকণ্ঠে তখন গাওয়া হচ্ছিল রবীন্দ্রনাথের আগমনী গান 'এসো হে বৈশাখ এসো এসো'। সেখানে আমরা দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করি। রমনাজুড়ে বিভিন্ন দোকানিরা বাঁশ, বেত ও মাটির তৈরি বাহারি পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছিল বটমূলে। কুটিরশিল্পসহ ছিল অনেক সৌখিন দ্রব্যও। আমি একতারা ও পাটের তৈরি শোপিস কিনি। ঘুরতে ঘুরতে আমরা একসময় গিয়ে দাঁড়াই খাবারের স্টলে। সেখানে আমরা বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবারের স্বাদ নিই। তারপর আমরা চলে যাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটে। অংশ নিই মঙ্গল শোভাযাত্রায়। ইউনেস্কো কর্তৃক 'মানবতার অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য' হিসেবে স্বীকৃত এ শোভাযাত্রায় গ্রামীণ জীবন এবং আবহমান বাংলাকে ফুটিয়ে তোলা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় চারুকলা ইনস্টিটিউটে এসে শেষ হয়। ততক্ষণে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণ, টিএসসি এবং চারুকলাসহ সমগ্ৰ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পরিণত হয়ে যায় এক বিশাল জনসমুদ্রে। সময়ের সাথে সাথে লোকসমাগম ও গরম দুটোই বাড়ছিল। আর দেরি না করে আমরা যার যার বাসায় চলে যাই। যাওয়ার আগে মায়ের জন্য চুড়ি এবং বাবার জন্য একটি কলমদানি কিনে নিয়ে যাই। তাঁরা উপহার পেয়ে খুবই খুশি হন এবং আমাকে প্রাণভরে আশীর্বাদ করেন। ইতোমধ্যে বাড়িতে প্রচুর আত্মীয়-স্বজনের সমাগম ঘটে। মা খুব সুন্দর করে বাড়িটি গুছিয়ে রেখেছিলেন এবং বিপুল খানাপিনার আয়োজন করেন। হৈ-হুল্লোড় ও গল্পগুজবের মধ্য দিয়ে একসময় দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে এলো। অতিথিরাও একে একে বিদায় নিলেন। এরপর সন্ধ্যায় বাবা-মাকে নিয়ে শিল্পকলায় চলে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি লোকসঙ্গীত ও বাউল গানের আসর বসেছে। একাডেমি চত্বরে বিভিন্ন কারুপণ্যের প্রদর্শনী ও হরেক রকম মিষ্টান্নের আয়োজন ছিল। খুব সুন্দর একটি সন্ধ্যা কাটিয়ে বাবা-মাকে নিয়ে বাসায় ফিরে আসি। সত্যিই এ দিনটি আমার কাছে একটি বিশেষ দিন হয়ে থাকবে। নতুন বাংলা বছরটি এভাবেই হাসি-আনন্দে কাটুক, এই কামনা করি।

HSC Bangla 2nd Paper দিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · দিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদন · সৃজনশীল

পহেলা বৈশাখ উদ্ যাপন অবলম্বনে একটি দিনলিপি রচনা কর।

Sylhet · 2025

উত্তর

১৪ এপ্রিল ২০২২, বুধবার রাত ১০টা ৩০ মিনিট, ঢাকা। আমি আজ ভোরের আলো ফোটার অনেক আগেই ঘুম থেকে ওঠে যাই। কিছু দিন পূর্বেই মা আমার জন্য নতুন পাজামা-পাঞ্জাবি কিনে এনেছিলেন। দ্রুত গোসল সেরে সেই কাপড় পরে নিই। বাবা তখনও ঘুমিয়ে আছেন। মা রান্নাঘরে কিছু একটা করছেন। মাকে শুভ নববর্ষ জানাতেই মা বললেন, পায়েস রেঁধেছি, খেয়ে নে। মায়ের হাতের পায়েস যেন অমৃত। কিন্তু আমার মন যেন ছুটে গিয়েছে তখন রমনার। তাই তাড়াতাড়ি পায়েস খেয়ে বেরিয়ে পড়ি। একটি আমি যখন রমনায় পৌঁছাই, ততক্ষণে আমার বন্ধুরাও এসে পড়েছে। পুরো এলাকা জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে এক মিলনমেলার। কিছুক্ষণের মধ্যেই সোনালি কিরণ ছড়িয়ে পয়লা বৈশাখের উদীয়মান সূর্য আকাশে উকিঝুঁকি দিতে শুরু করে। তখন সেখানে আমি এক অভূতপূর্ব পরিবেশ লক্ষ করলাম। সব শ্রেণি-পেশা ও বয়সের নারী-পুরুষ সেখানে সমবেত হয়েছে। তাদের পরনে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি পোশাক। তরুণীরা পরেছে লালপেড়ে সাদা শাড়ি, হাতে রঙিন কাচের চুড়ি, খোঁপায় ফুল, গলায় ফুলের মালা এবং কপালে টিপ; আর ছেলেরা পরেছে পাজামা ও পাঞ্জাবি। সেই উচ্ছল জনস্রোতের সাথে ভেসে ভেসে আমরা পৌঁছে গেলাম বটমূলে, ছায়ানটের অনুষ্ঠানে। সেখানে শতকণ্ঠে তখন গাওয়া হচ্ছিল রবীন্দ্রনাথের আগমনী গান 'এসো হে বৈশাখ এসো এসো'। সেখানে আমরা দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করি। রমনাজুড়ে বিভিন্ন দোকানিরা বাঁশ, বেত ও মাটির তৈরি বাহারি পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছিল বটমূলে। কুটিরশিল্পসহ ছিল অনেক সৌখিন দ্রব্যও। আমি একতারা ও পাটের তৈরি শোপিস কিনি। ঘুরতে ঘুরতে আমরা একসময় গিয়ে দাঁড়াই খাবারের স্টলে। সেখানে আমরা বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবারের স্বাদ নিই। তারপর আমরা চলে যাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটে। অংশ নিই মঙ্গল শোভাযাত্রায়। ইউনেস্কো কর্তৃক 'মানবতার অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য' হিসেবে স্বীকৃত এ শোভাযাত্রায় গ্রামীণ জীবন এবং আবহমান বাংলাকে ফুটিয়ে তোলা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় চারুকলা ইনস্টিটিউটে এসে শেষ হয়। ততক্ষণে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণ, টিএসসি এবং চারুকলাসহ সমগ্ৰ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পরিণত হয়ে যায় এক বিশাল জনসমুদ্রে। সময়ের সাথে সাথে লোকসমাগম ও গরম দুটোই বাড়ছিল। আর দেরি না করে আমরা যার যার বাসায় চলে যাই। যাওয়ার আগে মায়ের জন্য চুড়ি এবং বাবার জন্য একটি কলমদানি কিনে নিয়ে যাই। তাঁরা উপহার পেয়ে খুবই খুশি হন এবং আমাকে প্রাণভরে আশীর্বাদ করেন। ইতোমধ্যে বাড়িতে প্রচুর আত্মীয়-স্বজনের সমাগম ঘটে। মা খুব সুন্দর করে বাড়িটি গুছিয়ে রেখেছিলেন এবং বিপুল খানাপিনার আয়োজন করেন। হৈ-হুল্লোড় ও গল্পগুজবের মধ্য দিয়ে একসময় দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে এলো। অতিথিরাও একে একে বিদায় নিলেন। এরপর সন্ধ্যায় বাবা-মাকে নিয়ে শিল্পকলায় চলে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি লোকসঙ্গীত ও বাউল গানের আসর বসেছে। একাডেমি চত্বরে বিভিন্ন কারুপণ্যের প্রদর্শনী ও হরেক রকম মিষ্টান্নের আয়োজন ছিল। খুব সুন্দর একটি সন্ধ্যা কাটিয়ে বাবা-মাকে নিয়ে বাসায় ফিরে আসি। সত্যিই এ দিনটি আমার কাছে একটি বিশেষ দিন হয়ে থাকবে। নতুন বাংলা বছরটি এভাবেই হাসি-আনন্দে কাটুক, এই কামনা করি।

উত্তর

প্রতিবেদনের প্রকৃতি : প্রতিবেদনের শিরোনাম : প্রতিবেদন তৈরির স্থান : প্রতিবেদন তৈরির সময় : প্রতিবেদকের নাম ও ঠিকানা : প্রতিবেদন তৈরির তারিখ : অনুসন্ধানী প্রতিবেদন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি জনজীবন বিপর্যস্ত ঢাকা সকাল ৯টা মনিরা আহমদ, মুগদাপাড়া, ঢাকা ১৭ই এপ্রিল, ২০২৫ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি: জনজীবন বিপর্যস্ত নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫, সকাল ৯টা : জীবজগতের প্রতিটি জীব তথা প্রাণীকেই খেয়ে-পরে জীবনধারণ করতে হয়। মানুষ জন্মের পর থেকেই বাঁচার তাগিদে তার প্রয়োজনীয় দ্রব্য স্থিতি করতে শিখেছে। সভ্যতার অগ্রগতি হয়েছে আর দ্রব্যের প্রয়োজনীয়তাও বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোকে পণ্ডিত মানুষেরা বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে দেখিয়েছেন। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা মোটামুটি পাঁচ ভাগে চাহিদাগুলোকে ভাগ করা হয়েছে। আর এ চাহিদাগুলো পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যই হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য, যা না হলে মানুষের একদণ্ডও চলে না। তাহলে খুব সহজেই অনুমেয়, এর কোনো একটি দ্রব্যের মূল্য যদি ক্রেতার সাধ্যের বাইরে চলে যায় তাহলে তার জীবন অনেকাংশে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটের দিকে একটু সচেতন দৃষ্টি নিক্ষেপ করলেই দেখা যায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের কী রকম ঊর্ধ্বগতি। খাওয়া-পরার জন্য ব্যবহৃত প্রতিটি দ্রব্যসামগ্রীর দাম হু হু করে বেড়ে চলেছে। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে অবস্থান করছে দ্রব্যের মূল্য। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কেন দ্রব্যের এ মূল্যবৃদ্ধি। খুব সহজেই এর কারণগুলোকে চিহ্নিত করা যায়। ব্যবসায়ী শ্রেণির মুনাফালোভী মনোভাবকেই এর জন্য দায়ী করা যায়। এছাড়া আরও ছোট ছোট কিছু কারণ রয়েছে, তবে সেগুলো গৌণ। মজুতদাররা দ্রব্য গুদামজাত করে বাজারে পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করে। সাধারণ মানুষের ক্ররক্ষমতার বাইরে চলে গেল কি না সেদিকে তাদের 'খেয়াল খুব কমই। তাদের ধারণা যেহেতু দ্রব্যটি মানুষের প্রধান মৌলিক চাহিদা পূরণে সক্ষম সেহেতু যেকোনো উপায়ে দ্রব্যটি তারা ক্রয় করতে বাধ্য। দ্রব্যমূল্যের এ ঊর্ধ্বগতিতে কেবল মজুতদার শ্রেণি নয়, বিভিন্ন এনজিও, সাম্রাজ্যবাদী চক্র ও পুঁজিপতি শ্রেণিরও হাত রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন দেশে খাদ্য উৎপাদন হ্রাস, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার কারণে আমাদের দেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির আর একটি কারণ হচ্ছে-সরকারি চাকরিজীবীদের মহার্ঘভাতা বৃদ্ধি। সরকারি চাকরিজীবীরা যে হারে মহার্ঘভাতা পেয়ে থাকেন দ্রব্যের মূল্য সে হারে না বেড়ে বরং জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে। ফলে তাদের মহার্ঘভাতা বৃদ্ধি কেবল স্বপ্নের জাল বোনার মতো। তাছাড়া বেসরকারি বা আধা সরকারি চাকরিজীবীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ফলে বাজারে গেলেই তাদের নাভিশ্বাস ওঠে। তাই সরকার, সচেতন শ্রেণি ও সর্বস্তরের জনসাধারণের উচিত এর প্রতিকারের জন্য আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করা। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে যেসব পদক্ষেপ নিতে হবে তা হলো- মুনাফালোভী, দুর্নীতিবাজ কালোবাজারি-ব্যবসায়ী শ্রেণি, ঘুসখোর কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সংগতি রেখে পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে আনতে হবে। কৃষিপণ্যে ভর্তুকি দিতে হবে, বাজার মানটারিং জোরদার করতে হবে। সাম্রাজ্যবাদী মুনাফাচক্রকে রোধ করতে হবে। তাহলেই দ্রব্যের মূল্য হ্রাস পাবে। জনমনে হতাশা, ক্ষোভ দূর হয়ে শান্তি ফিরে আসবে। বাজারে পণ্যের মূল্য নির্ধারণে ভারসাম্য বজায় রাখার মাধ্যমে জনমানসের চাহিদা পূরণ নিশ্চিত করতে হবে। আর সরকার এ ব্যাপারে যথাযথ পরিকল্পনা গ্রহণ করবে- এ আশা রেখে শেষ করছি। [বি. দ্র.: এখানে খাম এঁকে প্রেরক ও প্রাপকের ঠিকানা লিখতে হবে।]
HSCBangla 2nd Paperদিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদনSylhet
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.তোমার দেখা একটি গ্রামীণ মেলার ওপর প্রতিবেদন রচনা করো ।

তোমার দেখা একটি গ্রামীণ মেলার ওপর প্রতিবেদন রচনা করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নববর্ষ উদযাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো ।

নববর্ষ উদযাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত করো ।

Barisal

অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত করো ।

Barisal

অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।

Barisal

পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।

Barisal

পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।

Jessore

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।

Jessore

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।

Jessore

লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।

Jessore

লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো।

Sylhet

নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো।

Sylhet

নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তোমার দেখা একটি গ্রামীণ মেলার ওপর প্রতিবেদন রচনা করো ।নববর্ষ উদযাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো ।অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাঅথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।