অথবা, তোমার এলাকায় গণগ্রান্থাগারের থাকার এর অবস্থার সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রচনা কর।
উত্তর: ১৫ জুন ২০২৩ ময়মনসিংহ আইডিয়াল কলেজ, ময়মনসিংহ। বিষয়: প্রতিবেদন তৈরির আবেদন প্রসঙ্গে। জনাব, আপনার পত্রের স্মারক নং ৫৫/০৫/৩ নিম্নোক্ত প্রতিবেদনটি পেশ করছি। নিবেদক, নুরুলুল্লাহ মুত্তাকী। প্রতিবেদনের প্রকৃতি: তদন্ত প্রতিবেদন। প্রতি বেতনের শিরোনাম: গণগ্রান্থাগার এর বর্তমান অবস্থা ও প্রতিকার। সারজমিনে তদন্তের স্থান: ময়মনসিংহ প্রতিবেদন তৈরীর সময়: দুপুর ১২ টা। প্রতিবেদকের নাম ও ঠিকানা: নুরুল্লাহ মুত্তাকী, ময়মনসিংহ। প্রতিবেদন তৈরির তারিখ : ১৫ ই জুন ২০২৩। "আমাদের গনগ্রন্থাগার এর বর্তমান অবস্থা ও প্রতিকার" আমাদের গণগ্রান্থাগারটি ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও আজ পর্যন্ত এর উল্লেখযোগ্য কোন উন্নতি হয়নি। গ্রন্থাগারটির আওতায় দশটি জেলা সরকারি গ্রন্থাগারের প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বর্তমানে অবকাঠামো এবং জনবল সংকটসহ নানা সমস্যার শিকার গ্রন্থাগারটি। এখানে ১৮ জনের জনবল কাঠামো রয়েছে। কিন্তু কর্মরত আছেন ১৪ জন। লাইব্রেরিয়ানের একটি পদ, রিডিং হল সহকারীর একটি পদ এবং নৈশপ্রহরী ও মালীর একটি করে পদ শূন্য রয়েছে। একটিমাত্র ফটোস্ট্যাট মেশিন, সেটিও অকেজো পড়ে রয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে ভবনটির মেঝে ও দেয়ালগুলো স্যাঁতসেঁতে দেখা গেছে। গ্রন্থাগারের মধ্যে রাখা বইগুলোর অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। ধুলা জমে রয়েছে বইগুলোর ওপর। অধিকাংশ চেয়ার-টেবিল ফাঁকা পড়ে থাকতে দেখা যায়। দোতলায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে নতুন বইয়ের স্তূপ। কিন্তু ক্যাটালগ তৈরি না হওয়ায় সব বই পাঠকের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি। কয়েকজন কর্মচারী নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, গ্রন্থাগারের মূল সমস্যা জনবল সংকট। ক্যাটালগারের পদ না থাকায় নতুন যে বইগুলো আসে, সেগুলো পাঠকদের জন্য সহজে উন্মুক্ত করা সম্ভব হয় না। একাধিক পাঠকের সাথে কথা বললে তাঁরা আক্ষেপ প্রকাশ করেন। তাঁদের অভিযোগ, আমাদের পক্ষে সব বই কিনে পড়া সম্ভব নয়। তাই এখানে আসি। কিন্তু বই পড়ার সুষ্ঠু পরিবেশ যেমন নেই, তেমনি নেই প্রয়োজনীয় অনেক বই। অবিলম্বে গ্রন্থাগারটির সংস্কার দাবি করেন তাঁরা। বিভাগীয় গণগ্রন্থাগারের উপপরিচালক রেজাউল করীম বলেন, প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে কাজ করতে খুব সমস্যা হয়। আমরা প্রতি মাসের রিপোর্টের সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে এসব সমস্যার কথা জানাই। কিন্তু কোনো কাজ হয় না। প্রতিবছর গ্রন্থাগারের সংস্কারকাজের জন্য যে পরিমাণ টাকা বরাদ্দ করা হয়, তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। গণপূর্ত অধিদপ্তরকে বলা হয়েছে নতুন করে ভবন তৈরি করার জন্য একটি প্রকল্প হাতে নিতে। সর্বোপরি সরকারি এ গ্রান্থাগারটি যথাযথ পরিচালনার জন্য সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীর পাশাপাশি স্থানীয় পরিচালনা পরিষদ গঠন এখন সময়ের দাবি। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আবারও এই গ্রন্থাগারটি প্রাণ ফিরে পাবে বলে আশা করে। প্রতিবেদক নুরুল্লাহ মুত্তাকী।
HSC Bangla 2nd Paper দিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 2nd Paper · দিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদন · সৃজনশীল
অথবা, তোমার এলাকায় গণগ্রান্থাগারের থাকার এর অবস্থার সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রচনা কর।
উত্তর