শেয়ারFacebookWhatsApp

'বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয়তা' বিষয়ে একটি ভাষণ তৈরি করো।

উত্তর: ”বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয়তা' শীর্ষক সভা-২০১৯” আলোচনা সভার শ্রদ্ধেয় সভাপতি, মাননীয় প্রধান অতিথি, আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথিবৃন্দ, মঞ্চে উপবিষ্ট আলোচকমণ্ডলী এবং উপস্থিত সুধীবৃন্দ সকলের প্রতি রইল আমার বিনম্র শ্রদ্ধা ও আন্তরিক শুভেচ্ছা। আজকের এই সামাজিক সচেতনতামূলক সভায় সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে আলোচনার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি আয়োজকদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। সুধীবৃন্দ, বাংলাদেশে আজও বাল্যবিবাহ একটি ভয়াবহ সমস্যা। ইউনিসেফের শিশু ও নারী বিষয়ক প্রতিবেদন-২০১৮ অনুসারে বাংলাদেশের ৬৪ শতাংশ নারীর বিয়ে হয় ১৮ বছর আগে। বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন অনুসারে ছেলেদের বিবাহের বয়স ন্যূনতম একুশ এবং মেয়েদের বয়স আঠারো বছর হওয়া বাধ্যতামূলক। অশিক্ষা, দারিদ্র্য, নিরাপত্তাহীনতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও সামাজিক কুসংস্কারের কারণে এই আইনের তোয়াক্কা না করে বাল্যবিবাহ হয়ে আসছে। বাল্যবিবাহের কারণে নারী শিক্ষার অগ্রগতি ব্যাহত হওয়া ছাড়াও মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুধীমণ্ডলী, কম বয়সে বিয়ের কারণে মেয়েদের ওপর এর প্রভাব মারাত্মক এবং তা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। বাল্যবিবাহের ফলে মেয়েদের পড়ালেখার মান কমে যেতে পারে। তাদের আয়-রোজগার কমে যেতে পারে এবং তারা ব্যাপক হারে পারিবারিক সহিংসতার শিকার হতে পারে। এ ছাড়া গর্ভকালীন জটিলতা থেকে তারা মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়তে পারে, যা মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার বাড়িয়ে দেবে। প্রিয় সহযাত্রীবৃন্দ, অপর এক প্রতিবেদনের দেখা গেছে, বিশ্বে শিশু জন্ম দিতে গিয়ে প্রতি ২০ মিনিটে একজন মা মারা যাচ্ছেন। অন্যদিকে প্রতি ঘণ্টায় মারা যাচ্ছে একজন নবজাতক। নবজাতক বেঁচে থাকলেও অনেক সময় তাকে শারীরিক ও মানসিক নানা জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়। অপ্রাপ্তবয়স্ক মা প্রতিবন্ধী শিশু জন্মদান করতে পারে। এক্ষেত্রে গর্ভপাতের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। কিশোরী মা ও অপরিণত শিশু উভয়ই অপুষ্টি ও নানা ধরনের রোগে ভুগে থাকে। এছাড়াও বাল্যবিবাহের ফলে বিবাহ বিচ্ছেদের আশঙ্কা তৈরি হওয়া ছাড়াও নানা পারিবারিক অশান্তি, কলহ দেখা দেয়। উপস্থিত গুণিজন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দিন বদলের অঙ্গীকারে রয়েছে ২০২১ সালের মধ্যে শিশুমৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ৫৪ থেকে কমিয়ে ১৫ করা হবে। ২০২১ সালের মধ্যে মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ৩.৮ থেকে কমিয়ে ১.৫ করা হবে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা না গেলে এই লক্ষ্যমাত্রা কোনোভাবেই অর্জন সম্ভব হবে না। বাল্যবিবাহ সংকুচিত করে দেয় কন্যাশিশুর জগৎ। আমরা যদি সবাই সচেতন হই তাহলেই কেবল কন্যাশিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। দেশে মা ও শিশুর অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে। তাই বাল্যবিবাহ বন্ধে সর্বস্তরে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে এখন থেকেই। পরিশেষ, বাল্যবিবাহ বন্ধে শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে থাকে। এ ক্ষেত্রে নারীশিক্ষার ওপর বেশি জোর দিতে হবে। একই সঙ্গে মেয়েদের সামাজিক নিরাপত্তা এবং শিক্ষা শেষে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাটাও জরুরি। মেয়েদের স্বাস্থ্য- সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়েও গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। এ ক্ষেত্রে আরও অনেক বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। ছেলেমেয়ে দু'জনকেই সমান গুরুত্ব দেওয়াও জরুরি। ছেলেমেয়েদের মধ্যে কোনো বৈষম্য করা যাবে না। এটা বন্ধ করতে হলে কমিউনিটি পর্যায়ে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করতে হবে। ছেলেমেয়েদের সচেতন করতে হবে। সরকারি-বেসরকারিভাবে অনেক উদ্যোগ নিতে হবে। গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজ এ ক্ষেত্রে গল্প। ভূমিকা পালন করতে পারে। শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে সবার মনে উদয় হোক শুভ বোধ। সমাজের পথ থেকে অপসারিত হোক বাল্যবিবাহের কাঁটা। শিশু- কিশোরদের, বিশেষত মেয়ে শিশুদের শতদলের মতো ফুটতে দেওয়া হোক।

HSC Bangla 2nd Paper দিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · দিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদন · সৃজনশীল

'বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয়তা' বিষয়ে একটি ভাষণ তৈরি করো।

উত্তর

”বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয়তা' শীর্ষক সভা-২০১৯” আলোচনা সভার শ্রদ্ধেয় সভাপতি, মাননীয় প্রধান অতিথি, আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথিবৃন্দ, মঞ্চে উপবিষ্ট আলোচকমণ্ডলী এবং উপস্থিত সুধীবৃন্দ সকলের প্রতি রইল আমার বিনম্র শ্রদ্ধা ও আন্তরিক শুভেচ্ছা। আজকের এই সামাজিক সচেতনতামূলক সভায় সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে আলোচনার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি আয়োজকদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। সুধীবৃন্দ, বাংলাদেশে আজও বাল্যবিবাহ একটি ভয়াবহ সমস্যা। ইউনিসেফের শিশু ও নারী বিষয়ক প্রতিবেদন-২০১৮ অনুসারে বাংলাদেশের ৬৪ শতাংশ নারীর বিয়ে হয় ১৮ বছর আগে। বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন অনুসারে ছেলেদের বিবাহের বয়স ন্যূনতম একুশ এবং মেয়েদের বয়স আঠারো বছর হওয়া বাধ্যতামূলক। অশিক্ষা, দারিদ্র্য, নিরাপত্তাহীনতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও সামাজিক কুসংস্কারের কারণে এই আইনের তোয়াক্কা না করে বাল্যবিবাহ হয়ে আসছে। বাল্যবিবাহের কারণে নারী শিক্ষার অগ্রগতি ব্যাহত হওয়া ছাড়াও মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুধীমণ্ডলী, কম বয়সে বিয়ের কারণে মেয়েদের ওপর এর প্রভাব মারাত্মক এবং তা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। বাল্যবিবাহের ফলে মেয়েদের পড়ালেখার মান কমে যেতে পারে। তাদের আয়-রোজগার কমে যেতে পারে এবং তারা ব্যাপক হারে পারিবারিক সহিংসতার শিকার হতে পারে। এ ছাড়া গর্ভকালীন জটিলতা থেকে তারা মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়তে পারে, যা মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার বাড়িয়ে দেবে। প্রিয় সহযাত্রীবৃন্দ, অপর এক প্রতিবেদনের দেখা গেছে, বিশ্বে শিশু জন্ম দিতে গিয়ে প্রতি ২০ মিনিটে একজন মা মারা যাচ্ছেন। অন্যদিকে প্রতি ঘণ্টায় মারা যাচ্ছে একজন নবজাতক। নবজাতক বেঁচে থাকলেও অনেক সময় তাকে শারীরিক ও মানসিক নানা জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়। অপ্রাপ্তবয়স্ক মা প্রতিবন্ধী শিশু জন্মদান করতে পারে। এক্ষেত্রে গর্ভপাতের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। কিশোরী মা ও অপরিণত শিশু উভয়ই অপুষ্টি ও নানা ধরনের রোগে ভুগে থাকে। এছাড়াও বাল্যবিবাহের ফলে বিবাহ বিচ্ছেদের আশঙ্কা তৈরি হওয়া ছাড়াও নানা পারিবারিক অশান্তি, কলহ দেখা দেয়। উপস্থিত গুণিজন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দিন বদলের অঙ্গীকারে রয়েছে ২০২১ সালের মধ্যে শিশুমৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ৫৪ থেকে কমিয়ে ১৫ করা হবে। ২০২১ সালের মধ্যে মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ৩.৮ থেকে কমিয়ে ১.৫ করা হবে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা না গেলে এই লক্ষ্যমাত্রা কোনোভাবেই অর্জন সম্ভব হবে না। বাল্যবিবাহ সংকুচিত করে দেয় কন্যাশিশুর জগৎ। আমরা যদি সবাই সচেতন হই তাহলেই কেবল কন্যাশিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। দেশে মা ও শিশুর অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে। তাই বাল্যবিবাহ বন্ধে সর্বস্তরে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে এখন থেকেই। পরিশেষ, বাল্যবিবাহ বন্ধে শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে থাকে। এ ক্ষেত্রে নারীশিক্ষার ওপর বেশি জোর দিতে হবে। একই সঙ্গে মেয়েদের সামাজিক নিরাপত্তা এবং শিক্ষা শেষে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাটাও জরুরি। মেয়েদের স্বাস্থ্য- সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়েও গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। এ ক্ষেত্রে আরও অনেক বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। ছেলেমেয়ে দু'জনকেই সমান গুরুত্ব দেওয়াও জরুরি। ছেলেমেয়েদের মধ্যে কোনো বৈষম্য করা যাবে না। এটা বন্ধ করতে হলে কমিউনিটি পর্যায়ে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করতে হবে। ছেলেমেয়েদের সচেতন করতে হবে। সরকারি-বেসরকারিভাবে অনেক উদ্যোগ নিতে হবে। গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজ এ ক্ষেত্রে গল্প। ভূমিকা পালন করতে পারে। শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে সবার মনে উদয় হোক শুভ বোধ। সমাজের পথ থেকে অপসারিত হোক বাল্যবিবাহের কাঁটা। শিশু- কিশোরদের, বিশেষত মেয়ে শিশুদের শতদলের মতো ফুটতে দেওয়া হোক।
HSCBangla 2nd Paperদিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদনComilla
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.তোমার দেখা একটি গ্রামীণ মেলার ওপর প্রতিবেদন রচনা করো ।

তোমার দেখা একটি গ্রামীণ মেলার ওপর প্রতিবেদন রচনা করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নববর্ষ উদযাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো ।

নববর্ষ উদযাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত করো ।

Barisal

অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত করো ।

Barisal

অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।

Barisal

পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।

Barisal

পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।

Jessore

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।

Jessore

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।

Jessore

লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।

Jessore

লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো।

Sylhet

নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো।

Sylhet

নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তোমার দেখা একটি গ্রামীণ মেলার ওপর প্রতিবেদন রচনা করো ।নববর্ষ উদযাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো ।অথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাঅথবা, "১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদ্ যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখো।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা করো।লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।লঞ্চডুবির ঘটনা নিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।