Comilla বোর্ড 2025 Economics 2nd Paper

Comilla শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Economics 2nd Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Comilla

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCEconomics 2nd PaperMCQ
নিচের উদ্দীপকের আলোকে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও জনাব 'XX^{\prime} এর খামারে হাঁস-মুরগীর পাশাপাশি সবজি চাষও করা হয়।Q.জনাব 'XX^{\prime} এর খামার কোন ধরনের?
  • .মিশ্র
  • .যৌথ
  • .বহুমুখী
  • .বিশেষায়িত

উত্তর: মিশ্র

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd PaperMCQ
নিচের উদ্দীপকের আলোকে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও জনাব 'XX^{\prime} এর খামারে হাঁস-মুরগীর পাশাপাশি সবজি চাষও করা হয়।Q.উক্ত খামারের মাধ্যমে-
i. খাদ্য ঘাটতি পূরণ সম্ভব i.
ii. কর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে
iii. উৎপাদন ঝুঁকি সর্বদায় বাড়বে।নিচের কোনটি সঠিক?
  • .i ও ii
  • .i ও iii
  • .ii ও iii
  • .i, ii ও iii

উত্তর: i ও ii

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আসলাম ও রাকিব উভয়ই বরগুনা জেলার কৃষক। আসলামের খামারের আয়তন ছোট হওয়ায় সে শুধুমাত্র পরিবারের ভরণপোষণের জন্য চাষাবাদ করে। অন্যদিকে, রাকিবের খামারের আয়তন বড় হওয়ায় সে পরিবারের প্রয়োজন মিটিয়ে উদ্বৃত্ত ফসল বিক্রি করে মুনাফা অর্জন করেন এবং তার পরিবারের সকলকে নিয়ে খুব ভালোই আছেন।

Comilla · 2025

কষিপণ্যের বিপণন কী?

উত্তর

কৃষকদের কাছ থেকে কৃষিপণ্য যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোক্তার কাছে পৌছায় সে প্রক্রিয়াকে কৃষিপণ্যের বিপণন ব্যবস্থা বলে।
শস্য বহুমুখীকরণ খাদ্য ঘাটতি পূরণে সহায়ক- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

শস্য বহুমুখীকরণ খাদ্য ঘাটতি পূরণে সহায়ক।- ব্যাখ্যা করা হলো-। একই জমিতে একই ফসলের বারবার চাষ করলে জমির উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পায়। আর বিভিন্ন শস্য পর্যায়ক্রমে চাষ করলে জমির উর্বরতা ঠিক থাকে। ফলে উৎপাদন বাড়ে। এছাড়াও কৃষক শস্য বহুমুখীকরণের দরুন। অর্থনৈতিক ও বৈজ্ঞানিকভাবে উপকৃত হতে পারে। সুতরাং শস্য বহুমুখীকরণ করলে খাদ্য ঘাটতি দূর করে খাদ্যে উৎপাদন বাড়বে।
আসলামের খামার কোন ধরনের খামার? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত আসলামের খামারটি জীবননির্বাহী খামার।জীবননির্বাহী খামারে উৎপাদিত ফসলের আয় দ্বারা কৃষক ও তার পরিবার স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন করতে পারে। তবে কোনো উদ্বৃত্ত না থাকায় বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হতে পারে না। ফলে বাণিজ্যিক খামার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করাও এ খামারের পক্ষে সম্ভব হয় না। পরিবারের ভরণপোষণই মূল লক্ষ্য হওয়ায় এ ধরনের খামারকে আত্মতোষণকারী খামার বলে। জীবননির্বাহী খামার ক্ষুদ্রায়তন বিশিষ্ট হয়ে থাকে। পারিবারিক প্রয়োজনে উৎপাদন কার্য পরিচালিত হয়। এ খামারে উৎপাদনে সনাতনী পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। জীবননির্বাহী খামারে কম মূলধন বিনিয়োগ করা হয় এবং বহুবিধ ফসল উৎপাদিত হয়।উদ্দীপকে দেখা যায়, আসলামের খামারের আয়তন, ছোট, হওয়ায় সে শুধুমাত্র পরিবারের ভরণপোষণের জন্য চাষাবাদ করে। এটি একটি জীবননির্বাহী খামারের সুস্পষ্ট বৈশিষ্ট্য। তার চার্যাবাদের মূল উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন নয়, বরং পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সুতরাং, আসলামের এই উৎপাদন ব্যবস্থাটি জীবননির্বাহী খামারের ধারণাকে নির্দেশ করে।
আসলামের খামার ও রাকিবের খামারের তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

এ উদ্দীপকে আসলামের খামারটি হলো জীবননির্বাহী খামার এবং রাকিবের খামারটি হলো বাণিজ্যিক খামার। এই দুই ধরনের খামারের মধ্যে বেশকিছু মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান।(i) জীবন নির্বাহের জন্য কৃষক যে ভূমিখণ্ডে ফসল উৎপাদন করে তাকে। জীবননির্বাহী খামার বলে। অন্যদিকে, যে খামার মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত হয় তাকে বাণিজ্যিক খামার বলে।(ii) জীবননির্বাহী খামার আয়তনে ছোট ও ক্ষুদ্র হয়। কিন্তু বাণিজ্যিক খামার বৃহদায়তন বিশিষ্ট হয়ে থাকে। এদের মূল লক্ষ্য থাকে মুনাফা অর্জন।(iii) জীবননির্বাহী খামারের ব্যবস্থাপনা অসংগঠিত এবং পরিচালন ব্যংস্থা অদক্ষ। অন্যদিকে, বাণিজ্যিক খামারের ব্যবস্থাপনা পরিকল্পিত ও পরিচালন ব্যবস্থা দক্ষ।(iv) জীবননির্বাহী খামারে উৎপাদন পদ্ধতি সনাতন ও চিরাচরিত পদ্ধতি অপরদিকে, বাণিজ্যিক খামারের চাষাবাদ পদ্ধতি আধুনিক।(v) জী বননির্বাহী খামারে ঝুঁকির পরিমাণ কম। অন্যদিকে, বাণিজ্যিক খামারে ঝুঁকির পরিমাণ অনেক বেশি থাকে।অতএব, আসলামের খামার শুধুমাত্র পরিবারের ভরণপোষণের জন্য চাষাবাদ করে, যা জীবননির্বাহী খামারের বৈশিষ্ট্য। পক্ষান্তরে, রাকিবের খামারের আয়তন বড় হওয়ায় সে পরিবারের প্রয়োজন মিটিয়ে উদ্বৃত্ত ফসল বিক্রি করে মুনাফা অর্জন করে এবং খুব ভালোই আছে, যা বাণিজ্যিক খামারের বৈশিষ্ট্য। এই তুলনা থেকে স্পষ্ট হয় যে, উভয় খামারই ভিন্ন উদ্দেশ্য ও পদ্ধতি নিয়ে পরিচালিত হয় এবং অর্থনীতির ভিন্ন স্তরে অবদান রাখে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আসলাম ও রাকিব উভয়ই বরগুনা জেলার কৃষক। আসলামের খামারের আয়তন ছোট হওয়ায় সে শুধুমাত্র পরিবারের ভরণপোষণের জন্য চাষাবাদ করে। অন্যদিকে, রাকিবের খামারের আয়তন বড় হওয়ায় সে পরিবারের প্রয়োজন মিটিয়ে উদ্বৃত্ত ফসল বিক্রি করে মুনাফা অর্জন করেন এবং তার পরিবারের সকলকে নিয়ে খুব ভালোই আছেন।

Comilla · 2025

কষিপণ্যের বিপণন কী?

উত্তর

কৃষকদের কাছ থেকে কৃষিপণ্য যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোক্তার কাছে পৌছায় সে প্রক্রিয়াকে কৃষিপণ্যের বিপণন ব্যবস্থা বলে।
শস্য বহুমুখীকরণ খাদ্য ঘাটতি পূরণে সহায়ক- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

শস্য বহুমুখীকরণ খাদ্য ঘাটতি পূরণে সহায়ক।- ব্যাখ্যা করা হলো-। একই জমিতে একই ফসলের বারবার চাষ করলে জমির উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পায়। আর বিভিন্ন শস্য পর্যায়ক্রমে চাষ করলে জমির উর্বরতা ঠিক থাকে। ফলে উৎপাদন বাড়ে। এছাড়াও কৃষক শস্য বহুমুখীকরণের দরুন। অর্থনৈতিক ও বৈজ্ঞানিকভাবে উপকৃত হতে পারে। সুতরাং শস্য বহুমুখীকরণ করলে খাদ্য ঘাটতি দূর করে খাদ্যে উৎপাদন বাড়বে।
আসলামের খামার কোন ধরনের খামার? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত আসলামের খামারটি জীবননির্বাহী খামার।জীবননির্বাহী খামারে উৎপাদিত ফসলের আয় দ্বারা কৃষক ও তার পরিবার স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন করতে পারে। তবে কোনো উদ্বৃত্ত না থাকায় বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হতে পারে না। ফলে বাণিজ্যিক খামার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করাও এ খামারের পক্ষে সম্ভব হয় না। পরিবারের ভরণপোষণই মূল লক্ষ্য হওয়ায় এ ধরনের খামারকে আত্মতোষণকারী খামার বলে। জীবননির্বাহী খামার ক্ষুদ্রায়তন বিশিষ্ট হয়ে থাকে। পারিবারিক প্রয়োজনে উৎপাদন কার্য পরিচালিত হয়। এ খামারে উৎপাদনে সনাতনী পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। জীবননির্বাহী খামারে কম মূলধন বিনিয়োগ করা হয় এবং বহুবিধ ফসল উৎপাদিত হয়।উদ্দীপকে দেখা যায়, আসলামের খামারের আয়তন, ছোট, হওয়ায় সে শুধুমাত্র পরিবারের ভরণপোষণের জন্য চাষাবাদ করে। এটি একটি জীবননির্বাহী খামারের সুস্পষ্ট বৈশিষ্ট্য। তার চার্যাবাদের মূল উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন নয়, বরং পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সুতরাং, আসলামের এই উৎপাদন ব্যবস্থাটি জীবননির্বাহী খামারের ধারণাকে নির্দেশ করে।
আসলামের খামার ও রাকিবের খামারের তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

এ উদ্দীপকে আসলামের খামারটি হলো জীবননির্বাহী খামার এবং রাকিবের খামারটি হলো বাণিজ্যিক খামার। এই দুই ধরনের খামারের মধ্যে বেশকিছু মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান।(i) জীবন নির্বাহের জন্য কৃষক যে ভূমিখণ্ডে ফসল উৎপাদন করে তাকে। জীবননির্বাহী খামার বলে। অন্যদিকে, যে খামার মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত হয় তাকে বাণিজ্যিক খামার বলে।(ii) জীবননির্বাহী খামার আয়তনে ছোট ও ক্ষুদ্র হয়। কিন্তু বাণিজ্যিক খামার বৃহদায়তন বিশিষ্ট হয়ে থাকে। এদের মূল লক্ষ্য থাকে মুনাফা অর্জন।(iii) জীবননির্বাহী খামারের ব্যবস্থাপনা অসংগঠিত এবং পরিচালন ব্যংস্থা অদক্ষ। অন্যদিকে, বাণিজ্যিক খামারের ব্যবস্থাপনা পরিকল্পিত ও পরিচালন ব্যবস্থা দক্ষ।(iv) জীবননির্বাহী খামারে উৎপাদন পদ্ধতি সনাতন ও চিরাচরিত পদ্ধতি অপরদিকে, বাণিজ্যিক খামারের চাষাবাদ পদ্ধতি আধুনিক।(v) জী বননির্বাহী খামারে ঝুঁকির পরিমাণ কম। অন্যদিকে, বাণিজ্যিক খামারে ঝুঁকির পরিমাণ অনেক বেশি থাকে।অতএব, আসলামের খামার শুধুমাত্র পরিবারের ভরণপোষণের জন্য চাষাবাদ করে, যা জীবননির্বাহী খামারের বৈশিষ্ট্য। পক্ষান্তরে, রাকিবের খামারের আয়তন বড় হওয়ায় সে পরিবারের প্রয়োজন মিটিয়ে উদ্বৃত্ত ফসল বিক্রি করে মুনাফা অর্জন করে এবং খুব ভালোই আছে, যা বাণিজ্যিক খামারের বৈশিষ্ট্য। এই তুলনা থেকে স্পষ্ট হয় যে, উভয় খামারই ভিন্ন উদ্দেশ্য ও পদ্ধতি নিয়ে পরিচালিত হয় এবং অর্থনীতির ভিন্ন স্তরে অবদান রাখে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

হাসিব একজন দরিদ্র কৃষক। তার গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত। গ্রামে ফসল সংরক্ষণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। পণ্যের দাম সম্পর্কে সঠিক তথ্য না জানায় সে দালাল ও ফড়িয়াদের কাছে অল্প দামে ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে সরকার পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য ক্রয় ও বিপণন, ঋণ সহজীকরণ ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে হাসিবের সমস্যা অনেকটাই সমাধান হয়েছে।

Comilla · 2025

কৃষিজোত কী?

উত্তর

একজন কৃষকের পক্ষে সর্বোত্তম ও সর্বাপেক্ষা লাভজনকভাবে যতটুকু জমি চাষ করা সম্ভব এবং একটি সংসার স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে প্রতিপালনের জন্য যা যথেষ্ট তাই কৃষিজোত।
কৃষি জাতীয় উন্নয়নে সহায়তা করে- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির জীবনীশক্তি। উৎপাদনশীলতা ও আয় বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বিশাল জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধির জন্য কৃষির গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রয়েছে। দেশের জিডিপিতে কৃষি খাত অর্থাৎ ফসল, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ এবং বন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে, শ্রমশক্তির প্রায় অর্ধেক কর্মসংস্থান জোগান এবং কৃষিভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রধান কাঁচামাল সরবরাহ করে। সুতরাং দেখা যায় কৃষি জাতীয় উন্নয়নে সহায়ক।
উদ্দীপকে কষিসংক্রান্ত কোন সমস্যার ইঙ্গিত রয়েছে? ব্যাখ্যা কর

উত্তর

উদ্দীপকে কৃষিসংক্রান্ত কৃষিপণ্যের বিপণন সমস্যার ইঙ্গিত রয়েছে।কৃষিপণ্যের বিপণন সমস্যা বলতে উৎপাদিত ফসল কৃষকের হাত থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছানোর প্রক্রিয়ায় যে সকল বাধা বা ত্রুটি দেখা যায়, সেগুলোকে বোঝায়। এর মধ্যে পণ্যের সঠিক মূল্য নির্ধারণ না হওয়া, পরিবহণ ব্যবস্থার দুর্বলতা, সংরক্ষণ সুবিধার অভাব এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের তানৈতিক হস্তক্ষেপ অন্যতম। এই সমস্যাগুলো কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তিতে বাধা দেয় এবং তাদের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে, যার ফলে তারা উৎপাদনে নিরুৎসাহিত হন।উদ্দীপকে হাসিবের গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত থাকার কারণে তার ফসল বাজারে নিতে সমস্যা হয়। ফসল সংরক্ষণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় তাকে বাধ্য হয়ে দ্রুত ফসল বিক্রি করতে হয়। এছাড়াও, পণ্যের দাম সম্পর্কে সঠিক তথ্য না জানার কারণে সে দালাল ও ফড়িয়াদের কাছে অল্প দামে ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হয়, যা মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যের ফল। এই সবগুলো বিষয়ই কৃষিপণ্যের বিপণন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং সমস্যাকে স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে।
উক্ত সমস্যা সমাধানে উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি পদক্ষেপ গুলো পর্যাপ্ত বলে কি তুমি মনে কর? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃষিপণ্যের বিপণন সমস্যা সমাধানে সরকারি পদক্ষেপগুলো (পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ন্যায্যমূলে কৃষি পণ্য ক্রয় ও বিপণন, ঋণ সহজীকরণ) কার্যকর হলেও সম্পূর্ণরূপে পর্যাপ্ত নয়।প্রথমত, পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়ন একটি অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ।অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে কৃষকদের পণ্য বাজারে নিতে সমস্যা হয় এবং পরিবহণ খরচও বেড়ে যায়। সরকার কর্তৃক 'পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়নে কৃষকরা সহজে ও কম খরচে তাদের পণ্য বাজারে নিতে পারবে, যা তাদের আর্থিক ক্ষতি কমাবে।দ্বিতীয়ত, সরকার যদি সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য ক্রয় করে বা তাদের জন্য ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করে, তাহলে দালাল ও ফড়িয়াদের দৌরাত্ম্য কমে আসবে।তৃতীয়ত, ঋণ সহজীকরণ কৃষকদের জন্য আধুনিক কৃষিসামগ্রী ক্রয় ও উৎপাদনে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করবে, যা দীর্ঘমেয়াদে তাদের উৎপাদনশীলতা বাড়াবে এবং আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।তরে এ পদক্ষেপগুলো যথেষ্ট হলেও আরও কিছু বিষয় রয়েছে, যা এই সমস্যা সমাধানে অতিরিক্ত ভূমিকা রাখতে পারে। যেমন- পর্যাপ্ত সংরক্ষণাগার (হিমাগার) নির্মাণ, যা হাসিবের মতো কৃষকদের ফসল সংরক্ষণে সহায়তা করবে এবং তাদের অল্প দামে ফসল বিক্রি করার বাধ্যবাধকতা দূর করবে। কৃষকদের বাজার তথ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা, যাতে তারা পণ্যের সঠিক দাম সম্পর্কে জানতে পারে এবং প্রতারিত না হয়। এছাড়াও কৃষি সমবায় সমিতিগুলোকে শক্তিশালীকরণ এবং তাদের মাধ্যমে কৃষকদের সরাসরি ভোক্তার কাছে পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করা যেতে পারে, যা মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব আরও কমাবে।সুতরাং, উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি পদক্ষেপগুলো নিঃসন্দেহে কৃষকের বিপণন সমস্যা সমাধানে শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছে। তবে সম্পূর্ণ ও টেকসই সমাধানের জন্য উল্লিখিত অতিরিক্ত পদক্ষে পগুলোও গ্রহণ করা প্রয়োজন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো