Comilla বোর্ড 2025 Economics 1st Paper

Comilla শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Economics 1st Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Comilla

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের সূচিতে একটি দেশের গম ও আলু উৎপাদনের বিভিন্ন সংমিশ্রণ দেওয়া হলো- question image

Comilla · 2025

দুষ্প্রাপ্যতা কাকে বলে?

উত্তর

মানবজীবনে অসংখ্য অভাবের তুলনায় সম্পদের স্বল্পতাকে অর্থনীতিতে দুষ্প্রাপ্যতা বলে।
“সীমাহীন অভাব ও সম্পদের দুষ্প্রাপ্যতার কারণেই মানুষকে নির্বাচন সমস্যায় পড়তে হয়।"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সম্পদের দুষ্প্রাপ্যতার জন্য মানুষকে নির্বাচনের সমস্যায় পড়তে হয়। স্বল্প সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের জন্য নির্বাচিত অভাব পূরণের ক্ষেত্রে সম্পদের বিকল্প ব্যবহার করতে হয়। এ অবস্থায় মানুষকে অভাবের তীব্রতা অনুযায়ী সম্পদের ব্যবহার বাছাই করতে হয়। এভাবে অনেক অভাবের মধ্য থেকে গুরুত্ব অনুসারে কিছু অভাবের বাছাইকে নির্বাচন বলে। তাই দেখা যায়, মানুষের অভাব অসীম। কিন্তু সেই অভাব পূরণের জন্য সম্পদ সীমিত। তাই মানুষকে নির্বাচন করে বেশি গুরুত্বপূর্ণ অভাব আগে পূরণ করতে হয়।
উদ্দীপকের তথ্যগুলো ব্যবহার করে একটি উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা অঙ্কন কর।

উত্তর

উদ্দীপকের আলোকে উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা অঙ্কন করা হলো- চিত্রে ভূমি অক্ষে গম এবং লম্ব অক্ষে আলু উৎপাদনের পরিমাণ দেখানো হয়েছে। A বিন্দুতে গম উৎপাদনের পরিমাণ, 100 মণ; কিন্তু আলুর উৎপাদনের পরিমাণ শূন্য। একইভাবে B, C বিন্দুতে গম উৎপাদনের পরিমাণ 75 ও 50 মণ এবং Y দ্রব্যের উৎপাদনের পরিমাণ 65 ও 85 মণ। D বিন্দুতে গম উৎপাদনের পরিমাণ শূন্য এবং আলু উৎপাদন 100 মণ। এখন A, B, C, D বিন্দু যুক্ত করে AD রেখা পাওয়া যায়। উক্ত AD রেখাই হলো উদ্দীপকের আলোকে অঙ্কিত উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা।
উদ্দীপকের দেশে 75 মণ গমের সাথে 85 মণ আলু এবং 50 মণ গমের সাথে 50 মণ আলু উৎপাদন করা যাবে কি? তোমার উত্তরের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের দেশে 75 মণ গমের সাথে 85 মণ আলু এবং 50 মণ গমের সাথে 50 মণ আলু উৎপাদন সম্ভব কিনা তা যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করা হলো- চিত্রে উদ্দীপকের গম ও আলুর বিভিন্ন সংমিশ্রণ দ্বারা অঙ্কিত উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা হলো AD। AD রেখার প্রতিটি বিন্দুতে গম ও আলুর বিভিন্ন সংমিশ্রণ প্রকাশ পায়। এ রেখা সম্পদের কাম্য ব্যবহার নির্দেশ করে। মূলত উৎপাদন সম্ভাবনা রেখার ভিতরের দিকে উৎপাদন করলে সম্পদ অব্যবহৃত থাকে। আর সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে এর বাইরে উৎপাদন করা যায় না। তাই কোনো উৎপাদক AD রেখার ভিতরের দিকে উৎপাদন করবে না। কারণ সম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার হবে। আবার AD রেখার বাইরের কোনো বিন্দুতে উৎপাদক সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে উৎপাদন করতে পারবে না। এখানে (গম = 50, আলু = 50) = F বিন্দুটি AD-রেখার ভিতরের দিকে অবস্থিত। তাই কোনো যুক্তিশীল উৎপাদক চাইবে না তার সম্পদের অপচয় হোক। তাই F বিন্দুতে উৎপাদন করবে না। কারণ এ বিন্দুতে সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার হয় না। আবার (গম = 75, আলু = 85) = E বিন্দু AD রেখার বাইরে অবস্থান করছে। তাই সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো উৎপাদক এ বিন্দুতে উৎপাদন করতে পারবে না।সুতরাং (গম = 75, আলু = 85) = E বিন্দুতে উৎপাদন করবে না এবং (গম = 50, আলু = 50) = F বিন্দুতে উৎপাদন সম্ভব নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের সূচিতে একটি দেশের গম ও আলু উৎপাদনের বিভিন্ন সংমিশ্রণ দেওয়া হলো- question image

Comilla · 2025

দুষ্প্রাপ্যতা কাকে বলে?

উত্তর

মানবজীবনে অসংখ্য অভাবের তুলনায় সম্পদের স্বল্পতাকে অর্থনীতিতে দুষ্প্রাপ্যতা বলে।
“সীমাহীন অভাব ও সম্পদের দুষ্প্রাপ্যতার কারণেই মানুষকে নির্বাচন সমস্যায় পড়তে হয়।"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সম্পদের দুষ্প্রাপ্যতার জন্য মানুষকে নির্বাচনের সমস্যায় পড়তে হয়। স্বল্প সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের জন্য নির্বাচিত অভাব পূরণের ক্ষেত্রে সম্পদের বিকল্প ব্যবহার করতে হয়। এ অবস্থায় মানুষকে অভাবের তীব্রতা অনুযায়ী সম্পদের ব্যবহার বাছাই করতে হয়। এভাবে অনেক অভাবের মধ্য থেকে গুরুত্ব অনুসারে কিছু অভাবের বাছাইকে নির্বাচন বলে। তাই দেখা যায়, মানুষের অভাব অসীম। কিন্তু সেই অভাব পূরণের জন্য সম্পদ সীমিত। তাই মানুষকে নির্বাচন করে বেশি গুরুত্বপূর্ণ অভাব আগে পূরণ করতে হয়।
উদ্দীপকের তথ্যগুলো ব্যবহার করে একটি উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা অঙ্কন কর।

উত্তর

উদ্দীপকের আলোকে উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা অঙ্কন করা হলো- চিত্রে ভূমি অক্ষে গম এবং লম্ব অক্ষে আলু উৎপাদনের পরিমাণ দেখানো হয়েছে। A বিন্দুতে গম উৎপাদনের পরিমাণ, 100 মণ; কিন্তু আলুর উৎপাদনের পরিমাণ শূন্য। একইভাবে B, C বিন্দুতে গম উৎপাদনের পরিমাণ 75 ও 50 মণ এবং Y দ্রব্যের উৎপাদনের পরিমাণ 65 ও 85 মণ। D বিন্দুতে গম উৎপাদনের পরিমাণ শূন্য এবং আলু উৎপাদন 100 মণ। এখন A, B, C, D বিন্দু যুক্ত করে AD রেখা পাওয়া যায়। উক্ত AD রেখাই হলো উদ্দীপকের আলোকে অঙ্কিত উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা।
উদ্দীপকের দেশে 75 মণ গমের সাথে 85 মণ আলু এবং 50 মণ গমের সাথে 50 মণ আলু উৎপাদন করা যাবে কি? তোমার উত্তরের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের দেশে 75 মণ গমের সাথে 85 মণ আলু এবং 50 মণ গমের সাথে 50 মণ আলু উৎপাদন সম্ভব কিনা তা যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করা হলো- চিত্রে উদ্দীপকের গম ও আলুর বিভিন্ন সংমিশ্রণ দ্বারা অঙ্কিত উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা হলো AD। AD রেখার প্রতিটি বিন্দুতে গম ও আলুর বিভিন্ন সংমিশ্রণ প্রকাশ পায়। এ রেখা সম্পদের কাম্য ব্যবহার নির্দেশ করে। মূলত উৎপাদন সম্ভাবনা রেখার ভিতরের দিকে উৎপাদন করলে সম্পদ অব্যবহৃত থাকে। আর সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে এর বাইরে উৎপাদন করা যায় না। তাই কোনো উৎপাদক AD রেখার ভিতরের দিকে উৎপাদন করবে না। কারণ সম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার হবে। আবার AD রেখার বাইরের কোনো বিন্দুতে উৎপাদক সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে উৎপাদন করতে পারবে না। এখানে (গম = 50, আলু = 50) = F বিন্দুটি AD-রেখার ভিতরের দিকে অবস্থিত। তাই কোনো যুক্তিশীল উৎপাদক চাইবে না তার সম্পদের অপচয় হোক। তাই F বিন্দুতে উৎপাদন করবে না। কারণ এ বিন্দুতে সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার হয় না। আবার (গম = 75, আলু = 85) = E বিন্দু AD রেখার বাইরে অবস্থান করছে। তাই সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো উৎপাদক এ বিন্দুতে উৎপাদন করতে পারবে না।সুতরাং (গম = 75, আলু = 85) = E বিন্দুতে উৎপাদন করবে না এবং (গম = 50, আলু = 50) = F বিন্দুতে উৎপাদন সম্ভব নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

'AA^{\prime} ও 'BB^{\prime} দুটি ভিন্ন দেশ। 'AA^{\prime} দেশে সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা অনুপস্থিত এবং কেন্দ্রীয়ভাবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। অন্যদিকে, 'BB^{\prime} দেশে সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা স্বীকৃতি এবং ক্রেতা ও বিকেতার মধ্যে অবাধ প্রতিযোগিতা বিদ্যমান।

Comilla · 2025

অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কাকে বলে?

উত্তর

যে উৎপাদন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও অর্থনৈতিক কাঠামো দ্বারা মানুষের অর্থনৈতিক কার্যকলাপ পরিচালিত হয় তাকে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলে।
মিশ্র অর্থব্যবস্থায় কীভাবে দাম নির্ধারিত হয়?

উত্তর

মিশ্র অর্থব্যবস্থায় বাজার অর্থনীতির ধারণাকে উৎসাহিত করা হয়। বাজার চাহিদা ও জোগানের ঘাত-প্রতিঘাতে এখানে দ্রব্যমূল্য নির্ধারিত হয়। তবে সরকার রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে দামব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। সাধারণত অর্থনীতিতে ক্রেতা-বিক্রেতার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার ফলে বাজার ভারসাম্য অবস্থায় পৌঁছায়, যেখানে চাহিদা ও জোগান সমান। তবে ভারসাম্যতায় অসামঞ্জস্যতা থাকলে সরকার দামের উচ্চসীমা ও নিম্নসীমা নির্ধারণের মাধ্যমে বাজারে হস্তক্ষেপ করে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
উদ্দীপকের 'AA^{\prime} দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার তিনটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'AA^{\prime} দেশে সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান।যে অর্থব্যবস্থায় সমাজের অধিকাংশ সম্পদ ও উৎপাদনের উপকরণের ওপর রাষ্ট্রীয় মালিকানা বা সরকারি মালিকানা থাকে তাকে নির্দেশমূলক বা সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বলা হয়। এ অর্থব্যবস্থায় সকল সম্পদের মালিকানা সরকারের এবং সরকারই যৌথভাবে সমাজের অন্য সকল সম্পদের মালিক। নিচে এ অর্থব্যবস্থার তিনটি বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো-১. সম্পদের রাষ্ট্রীয় মালিকানা সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় অধিকাংশসম্পদ (জমি, কলকারখানা, খনি ইত্যাদি) ও উৎপাদনের উপাদানগুলোর মালিক হলো সরকার। সমবায় প্রতিষ্ঠান, যৌথ সামাজিক দল ইত্যাদি রাষ্ট্রের অধীনে কাজ করে থাকে।২. কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা: রাষ্ট্র বা সরকার কেন্দ্রীয়ভাবে সকল পরিকল্পনা করে থাকে। ওই পরিকল্পনা অনুসারে দেশের উৎপাদন ও বণ্টন পরিচালিত হয়।৩. শ্রেণি শোষণ অনুপস্থিত: সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সর্বহারা শ্রেণি শোষিত হয় না। পুঁজিবাদ বা ধনতন্ত্রের মতো এখানে বিভিন্ন শ্রেণি যেমন- ধনীক শ্রেণি, সর্বহারা শ্রেণি এরূপ বিভেদ থাকে না। তাই শোষণও নেই।উদ্দীপকে উল্লিখিত 'AA^{\prime} দেশে সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা অনুপস্থিত এবং কেন্দ্রীয়ভাবেই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়, যা সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য বহন করে। উল্লিখিত, বৈশিষ্ট্যগুলো সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
উদ্দীপকে বর্ণিত দেশসমূহের মধ্যে দাম নির্ধারণ, উৎপাদন, ভোগ ও শ্রমিকের জীবনমান উন্নয়নে রাষ্ট্রের ভূমিকার তুলনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'AA^{\prime} দেশ হলো সমাজতান্ত্রিক ও, 'BB^{\prime} দেশ হলো ধনতান্ত্রিক। সমাজতান্ত্রিক ও ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের দাম নির্ধারণ, উৎপাদন, ভোগ, শ্রমিকের জীবনমান উন্নয়নের তুলনা করলে উভয়ের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাষ্ট্র সর্বক্ষেত্রে মুখ্য নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। এখানে দাম নির্ধারণ করে সরকার, যাতে সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সবাই সমান সুযোগ পায়। উৎপাদনও পরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করে। ফলে ব্যক্তিগত মুনাফা নয়, বরং সামষ্টিক কল্যাণকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। ভোগ নিয়ন্ত্রণ করেও রাষ্ট্র সবার মৌলিক চাহিদা পূরণের চেষ্টা করে। শ্রমিকের জীবনমান উন্নয়নে রাষ্ট্র সরাসরি হস্তক্ষেপ করে এবং চাকরির 'নিশ্চয়তা, ন্যায্য মজুরি, শিক্ষা-চিকিৎসা প্রভৃতি মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে। তবে অতিরিক্ত রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের ফলে অনেক সময় প্রতিযোগিতার অভাব তৈরি হয়, যা উৎপাদনশীলতা হ্রাস করে।অন্যদিকে, ধনতান্ত্রিক অর্থনীতিতে রাষ্ট্রের ভূমিকা তুলনামূলকভাবে সীমিত। দাম নির্ধারিত হয় বাজারের চাহিদা ও জোগানের ভিত্তিতে। উৎপাদন পরিচালনা করে ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এবং ভোগ নির্ভর করে ভোক্তার আয় ও পছন্দের ওপর। এতে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পায়, উদ্ভাবনী ক্ষমতা বাড়ে এবং উৎপাদনশীলতাও সাধারণত বেশি থাকে। কিন্তু এ ব্যবস্থায় বৈষম্য অনিবার্য হয়ে ওঠে- ধনীরা আরও ধনী হয়, গরিবরা পিছিয়ে পড়ে। শ্রমিকদের ক্ষেত্রে দক্ষুরা উন্নত সুযোগ পেলেও অদক্ষরা শোষণের শিকার হয় আর রাষ্ট্রের আইন ও নীতি থাকলেও সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি হয় না।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

'AA^{\prime} ও 'BB^{\prime} দুটি ভিন্ন দেশ। 'AA^{\prime} দেশে সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা অনুপস্থিত এবং কেন্দ্রীয়ভাবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। অন্যদিকে, 'BB^{\prime} দেশে সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা স্বীকৃতি এবং ক্রেতা ও বিকেতার মধ্যে অবাধ প্রতিযোগিতা বিদ্যমান।

Comilla · 2025

অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কাকে বলে?

উত্তর

যে উৎপাদন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও অর্থনৈতিক কাঠামো দ্বারা মানুষের অর্থনৈতিক কার্যকলাপ পরিচালিত হয় তাকে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলে।
মিশ্র অর্থব্যবস্থায় কীভাবে দাম নির্ধারিত হয়?

উত্তর

মিশ্র অর্থব্যবস্থায় বাজার অর্থনীতির ধারণাকে উৎসাহিত করা হয়। বাজার চাহিদা ও জোগানের ঘাত-প্রতিঘাতে এখানে দ্রব্যমূল্য নির্ধারিত হয়। তবে সরকার রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে দামব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। সাধারণত অর্থনীতিতে ক্রেতা-বিক্রেতার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার ফলে বাজার ভারসাম্য অবস্থায় পৌঁছায়, যেখানে চাহিদা ও জোগান সমান। তবে ভারসাম্যতায় অসামঞ্জস্যতা থাকলে সরকার দামের উচ্চসীমা ও নিম্নসীমা নির্ধারণের মাধ্যমে বাজারে হস্তক্ষেপ করে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
উদ্দীপকের 'AA^{\prime} দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার তিনটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'AA^{\prime} দেশে সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান।যে অর্থব্যবস্থায় সমাজের অধিকাংশ সম্পদ ও উৎপাদনের উপকরণের ওপর রাষ্ট্রীয় মালিকানা বা সরকারি মালিকানা থাকে তাকে নির্দেশমূলক বা সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বলা হয়। এ অর্থব্যবস্থায় সকল সম্পদের মালিকানা সরকারের এবং সরকারই যৌথভাবে সমাজের অন্য সকল সম্পদের মালিক। নিচে এ অর্থব্যবস্থার তিনটি বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো-১. সম্পদের রাষ্ট্রীয় মালিকানা সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় অধিকাংশসম্পদ (জমি, কলকারখানা, খনি ইত্যাদি) ও উৎপাদনের উপাদানগুলোর মালিক হলো সরকার। সমবায় প্রতিষ্ঠান, যৌথ সামাজিক দল ইত্যাদি রাষ্ট্রের অধীনে কাজ করে থাকে।২. কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা: রাষ্ট্র বা সরকার কেন্দ্রীয়ভাবে সকল পরিকল্পনা করে থাকে। ওই পরিকল্পনা অনুসারে দেশের উৎপাদন ও বণ্টন পরিচালিত হয়।৩. শ্রেণি শোষণ অনুপস্থিত: সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সর্বহারা শ্রেণি শোষিত হয় না। পুঁজিবাদ বা ধনতন্ত্রের মতো এখানে বিভিন্ন শ্রেণি যেমন- ধনীক শ্রেণি, সর্বহারা শ্রেণি এরূপ বিভেদ থাকে না। তাই শোষণও নেই।উদ্দীপকে উল্লিখিত 'AA^{\prime} দেশে সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা অনুপস্থিত এবং কেন্দ্রীয়ভাবেই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়, যা সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য বহন করে। উল্লিখিত, বৈশিষ্ট্যগুলো সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
উদ্দীপকে বর্ণিত দেশসমূহের মধ্যে দাম নির্ধারণ, উৎপাদন, ভোগ ও শ্রমিকের জীবনমান উন্নয়নে রাষ্ট্রের ভূমিকার তুলনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'AA^{\prime} দেশ হলো সমাজতান্ত্রিক ও, 'BB^{\prime} দেশ হলো ধনতান্ত্রিক। সমাজতান্ত্রিক ও ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের দাম নির্ধারণ, উৎপাদন, ভোগ, শ্রমিকের জীবনমান উন্নয়নের তুলনা করলে উভয়ের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাষ্ট্র সর্বক্ষেত্রে মুখ্য নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। এখানে দাম নির্ধারণ করে সরকার, যাতে সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সবাই সমান সুযোগ পায়। উৎপাদনও পরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করে। ফলে ব্যক্তিগত মুনাফা নয়, বরং সামষ্টিক কল্যাণকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। ভোগ নিয়ন্ত্রণ করেও রাষ্ট্র সবার মৌলিক চাহিদা পূরণের চেষ্টা করে। শ্রমিকের জীবনমান উন্নয়নে রাষ্ট্র সরাসরি হস্তক্ষেপ করে এবং চাকরির 'নিশ্চয়তা, ন্যায্য মজুরি, শিক্ষা-চিকিৎসা প্রভৃতি মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে। তবে অতিরিক্ত রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের ফলে অনেক সময় প্রতিযোগিতার অভাব তৈরি হয়, যা উৎপাদনশীলতা হ্রাস করে।অন্যদিকে, ধনতান্ত্রিক অর্থনীতিতে রাষ্ট্রের ভূমিকা তুলনামূলকভাবে সীমিত। দাম নির্ধারিত হয় বাজারের চাহিদা ও জোগানের ভিত্তিতে। উৎপাদন পরিচালনা করে ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এবং ভোগ নির্ভর করে ভোক্তার আয় ও পছন্দের ওপর। এতে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পায়, উদ্ভাবনী ক্ষমতা বাড়ে এবং উৎপাদনশীলতাও সাধারণত বেশি থাকে। কিন্তু এ ব্যবস্থায় বৈষম্য অনিবার্য হয়ে ওঠে- ধনীরা আরও ধনী হয়, গরিবরা পিছিয়ে পড়ে। শ্রমিকদের ক্ষেত্রে দক্ষুরা উন্নত সুযোগ পেলেও অদক্ষরা শোষণের শিকার হয় আর রাষ্ট্রের আইন ও নীতি থাকলেও সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি হয় না।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো