Barisal বোর্ড 2025 Biology 2nd Paper

Barisal শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Biology 2nd Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Barisal

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শ্রেণি-ক : চতুষ্পদী প্রাণী যাদের হৃৎপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট। শ্রেণি-খ : চতুষ্পদী প্রাণী যাদের হৃৎপিণ্ড চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট।

Barisal · 2025

হিমোসিল কী?

উত্তর

রক্তপূর্ণ দেহগহ্বরকে হিমোসিল বলে।
শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী বলতে কী বুঝ?

উত্তর

যেসব প্রাণীরা তাদের দেহের তাপমাত্রা অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না ফলে দেহের তাপমাত্রা পরিবেশের তাপমাত্রা পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয় তাদেরকে শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী বলে। যেমন- সাপ, ব্যাঙ ইত্যাদি।
উদ্দীপকের 'ক' শ্রেণির বৈশিষ্ট্য লেখ।

উত্তর

জই উদ্দীপকে উল্লেখিত শ্রেণি-ক হলো Chordata পর্বের Vertebrata উপপর্বের Amphibia শ্রেণির প্রাণী। নিচে Amphibia এর শ্রেণিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যগুলো উল্লেখ করা হলো- ১. ভূণীয় বা লার্ভা অবস্থায় জলচর এবং ফুলকা দ্বারা শ্বসন সম্পন্ন করে, কিন্তু পরিণত প্রাণী জলচর অথবা স্থলচর। ২. দেহ মস্তক, গ্রীবা, দেহকান্ড ও লেজে বিভক্ত, তবে অনেকক্ষেত্রে গ্রীবা ও লেজ থাকে না। ৩. সাধারণত দুই জোড়া পদ বিদ্যমান; প্রতি পদে 4 ১টি নখরবিহীন আঙ্গুল থাকে; কিছু প্রাণীতে পদ থাকে না। ৪. দেহত্বক নরম, আর্দ্র ও গ্রন্থিযুক্ত; ত্বকে রঙিন পিগমেন্টযুক্ত কোষ বিদ্যমান। ৫. এক্টোথার্মিক প্রাণী অর্থাৎ দেহের তাপমাত্রা পরিবেশের তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তনশীল। ৬. পরিণত প্রাণী ফুসফুস দ্বারা শ্বসন কার্য সম্পাদন করে, তবে ত্বক ও মুখবিবরের প্রাচীর শ্বসনে সহায়তা করে। ৭. হৃৎপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট, এতে সাইনাস ভেনোসাস বিদ্যমান; রেনাল ও হেপাটিক পোর্টালতন্ত্র উন্নত। ৮. একলিঙ্গ প্রাণী, পুরুষে সঙ্গম অঙ্গ অনুপস্থিত, জীবনচক্রে ট্যাডপোল লার্ভা দশা বিদ্যমান।
উদ্দীপকের 'খ' শ্রেণির প্রাণী 'ক' শ্রেণির প্রাণী অপেক্ষা উন্নত-ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের শ্রেণি-ক হলো Amphibia শ্রেণির প্রাণী এবং শ্রেণি-খ হলো Mammalia শ্রেণির প্রাণী। উভয় শ্রেণিই Chordata পর্বের Vertebrata উপপর্বের অন্তর্ভুক্ত। শ্রেণিবিন্যাসের রীতি অনুযায়ী বৈশিষ্ট্যের বিচারে অনুন্নত জীবগুলো শ্রেণিবিন্যাসের প্রথম দিকে এবং উন্নত জীবগুলো শেষের দিকে থাকে। তাই শ্রেণিতাত্ত্বিকভাবে Amphibia অপেক্ষা Mammalia উন্নত। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- ১. Amphibia এবং Mammalia উভয় শ্রেণির প্রাণীরই মেরুদণ্ড থাকলেও Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের মেরুদণ্ড সবচেয়ে স্থিতিস্থাপক এবং সুগঠিত। ২. Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের দেহত্বক গ্রন্থিময় ও আর্দ্র। পক্ষান্তরে Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের দেহ লোমাবৃত, যাতে স্তনগ্রন্থি ও ঘর্মগ্রন্থি থাকে; এ বৈশিষ্ট্যও Mammalia এর উন্নত বৈশিষ্ট্য। ৩. Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের চোয়ালে কোনো দাঁত নেই, পক্ষান্তরে Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের চোয়ালে বিভিন্ন ধরনের দাঁত থাকে। 8. Amphibia শ্রেণির প্রাণী ডিম থেকে বাচ্চা দেয় যা প্রথমে লার্ভা দশায় থাকে, পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় পরিণত হয়। পক্ষান্তরে Mammalia শ্রেণির প্রাণীরা বাচ্চা প্রসব করে এবং বাচ্চা মাতৃস্তন্য পান করে। ৫. Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের বহিঃকর্ণে পিনা এবং উদর বক্ষগহ্বরের মধ্যস্থলে পেশিবহুল মধ্যচ্ছদা থাকে, যা Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের থাকে না। ৬. Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের হৃৎপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট পক্ষান্তরে Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের হৃৎপিণ্ড চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হয়ে থাকে। উপরের বর্ণনার আলোকে বলা যায়, Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের সবগুলো অঙ্গ Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের থেকে সুগঠিত। তাই Mammalia শ্রেণির প্রাণী Amphibia শ্রেণির প্রাণী থেকে অধিকতর উন্নত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শ্রেণি-ক : চতুষ্পদী প্রাণী যাদের হৃৎপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট। শ্রেণি-খ : চতুষ্পদী প্রাণী যাদের হৃৎপিণ্ড চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট।

Barisal · 2025

হিমোসিল কী?

উত্তর

রক্তপূর্ণ দেহগহ্বরকে হিমোসিল বলে।
শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী বলতে কী বুঝ?

উত্তর

যেসব প্রাণীরা তাদের দেহের তাপমাত্রা অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না ফলে দেহের তাপমাত্রা পরিবেশের তাপমাত্রা পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয় তাদেরকে শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী বলে। যেমন- সাপ, ব্যাঙ ইত্যাদি।
উদ্দীপকের 'ক' শ্রেণির বৈশিষ্ট্য লেখ।

উত্তর

জই উদ্দীপকে উল্লেখিত শ্রেণি-ক হলো Chordata পর্বের Vertebrata উপপর্বের Amphibia শ্রেণির প্রাণী। নিচে Amphibia এর শ্রেণিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যগুলো উল্লেখ করা হলো- ১. ভূণীয় বা লার্ভা অবস্থায় জলচর এবং ফুলকা দ্বারা শ্বসন সম্পন্ন করে, কিন্তু পরিণত প্রাণী জলচর অথবা স্থলচর। ২. দেহ মস্তক, গ্রীবা, দেহকান্ড ও লেজে বিভক্ত, তবে অনেকক্ষেত্রে গ্রীবা ও লেজ থাকে না। ৩. সাধারণত দুই জোড়া পদ বিদ্যমান; প্রতি পদে 4 ১টি নখরবিহীন আঙ্গুল থাকে; কিছু প্রাণীতে পদ থাকে না। ৪. দেহত্বক নরম, আর্দ্র ও গ্রন্থিযুক্ত; ত্বকে রঙিন পিগমেন্টযুক্ত কোষ বিদ্যমান। ৫. এক্টোথার্মিক প্রাণী অর্থাৎ দেহের তাপমাত্রা পরিবেশের তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তনশীল। ৬. পরিণত প্রাণী ফুসফুস দ্বারা শ্বসন কার্য সম্পাদন করে, তবে ত্বক ও মুখবিবরের প্রাচীর শ্বসনে সহায়তা করে। ৭. হৃৎপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট, এতে সাইনাস ভেনোসাস বিদ্যমান; রেনাল ও হেপাটিক পোর্টালতন্ত্র উন্নত। ৮. একলিঙ্গ প্রাণী, পুরুষে সঙ্গম অঙ্গ অনুপস্থিত, জীবনচক্রে ট্যাডপোল লার্ভা দশা বিদ্যমান।
উদ্দীপকের 'খ' শ্রেণির প্রাণী 'ক' শ্রেণির প্রাণী অপেক্ষা উন্নত-ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের শ্রেণি-ক হলো Amphibia শ্রেণির প্রাণী এবং শ্রেণি-খ হলো Mammalia শ্রেণির প্রাণী। উভয় শ্রেণিই Chordata পর্বের Vertebrata উপপর্বের অন্তর্ভুক্ত। শ্রেণিবিন্যাসের রীতি অনুযায়ী বৈশিষ্ট্যের বিচারে অনুন্নত জীবগুলো শ্রেণিবিন্যাসের প্রথম দিকে এবং উন্নত জীবগুলো শেষের দিকে থাকে। তাই শ্রেণিতাত্ত্বিকভাবে Amphibia অপেক্ষা Mammalia উন্নত। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- ১. Amphibia এবং Mammalia উভয় শ্রেণির প্রাণীরই মেরুদণ্ড থাকলেও Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের মেরুদণ্ড সবচেয়ে স্থিতিস্থাপক এবং সুগঠিত। ২. Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের দেহত্বক গ্রন্থিময় ও আর্দ্র। পক্ষান্তরে Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের দেহ লোমাবৃত, যাতে স্তনগ্রন্থি ও ঘর্মগ্রন্থি থাকে; এ বৈশিষ্ট্যও Mammalia এর উন্নত বৈশিষ্ট্য। ৩. Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের চোয়ালে কোনো দাঁত নেই, পক্ষান্তরে Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের চোয়ালে বিভিন্ন ধরনের দাঁত থাকে। 8. Amphibia শ্রেণির প্রাণী ডিম থেকে বাচ্চা দেয় যা প্রথমে লার্ভা দশায় থাকে, পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় পরিণত হয়। পক্ষান্তরে Mammalia শ্রেণির প্রাণীরা বাচ্চা প্রসব করে এবং বাচ্চা মাতৃস্তন্য পান করে। ৫. Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের বহিঃকর্ণে পিনা এবং উদর বক্ষগহ্বরের মধ্যস্থলে পেশিবহুল মধ্যচ্ছদা থাকে, যা Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের থাকে না। ৬. Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের হৃৎপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট পক্ষান্তরে Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের হৃৎপিণ্ড চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হয়ে থাকে। উপরের বর্ণনার আলোকে বলা যায়, Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের সবগুলো অঙ্গ Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের থেকে সুগঠিত। তাই Mammalia শ্রেণির প্রাণী Amphibia শ্রেণির প্রাণী থেকে অধিকতর উন্নত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শ্রেণি-ক : চতুষ্পদী প্রাণী যাদের হৃৎপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট। শ্রেণি-খ : চতুষ্পদী প্রাণী যাদের হৃৎপিণ্ড চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট।

Barisal · 2025

হিমোসিল কী?

উত্তর

রক্তপূর্ণ দেহগহ্বরকে হিমোসিল বলে।
শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী বলতে কী বুঝ?

উত্তর

যেসব প্রাণীরা তাদের দেহের তাপমাত্রা অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না ফলে দেহের তাপমাত্রা পরিবেশের তাপমাত্রা পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয় তাদেরকে শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী বলে। যেমন- সাপ, ব্যাঙ ইত্যাদি।
উদ্দীপকের 'ক' শ্রেণির বৈশিষ্ট্য লেখ।

উত্তর

জই উদ্দীপকে উল্লেখিত শ্রেণি-ক হলো Chordata পর্বের Vertebrata উপপর্বের Amphibia শ্রেণির প্রাণী। নিচে Amphibia এর শ্রেণিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যগুলো উল্লেখ করা হলো- ১. ভূণীয় বা লার্ভা অবস্থায় জলচর এবং ফুলকা দ্বারা শ্বসন সম্পন্ন করে, কিন্তু পরিণত প্রাণী জলচর অথবা স্থলচর। ২. দেহ মস্তক, গ্রীবা, দেহকান্ড ও লেজে বিভক্ত, তবে অনেকক্ষেত্রে গ্রীবা ও লেজ থাকে না। ৩. সাধারণত দুই জোড়া পদ বিদ্যমান; প্রতি পদে 4 ১টি নখরবিহীন আঙ্গুল থাকে; কিছু প্রাণীতে পদ থাকে না। ৪. দেহত্বক নরম, আর্দ্র ও গ্রন্থিযুক্ত; ত্বকে রঙিন পিগমেন্টযুক্ত কোষ বিদ্যমান। ৫. এক্টোথার্মিক প্রাণী অর্থাৎ দেহের তাপমাত্রা পরিবেশের তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তনশীল। ৬. পরিণত প্রাণী ফুসফুস দ্বারা শ্বসন কার্য সম্পাদন করে, তবে ত্বক ও মুখবিবরের প্রাচীর শ্বসনে সহায়তা করে। ৭. হৃৎপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট, এতে সাইনাস ভেনোসাস বিদ্যমান; রেনাল ও হেপাটিক পোর্টালতন্ত্র উন্নত। ৮. একলিঙ্গ প্রাণী, পুরুষে সঙ্গম অঙ্গ অনুপস্থিত, জীবনচক্রে ট্যাডপোল লার্ভা দশা বিদ্যমান।
উদ্দীপকের 'খ' শ্রেণির প্রাণী 'ক' শ্রেণির প্রাণী অপেক্ষা উন্নত-ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের শ্রেণি-ক হলো Amphibia শ্রেণির প্রাণী এবং শ্রেণি-খ হলো Mammalia শ্রেণির প্রাণী। উভয় শ্রেণিই Chordata পর্বের Vertebrata উপপর্বের অন্তর্ভুক্ত। শ্রেণিবিন্যাসের রীতি অনুযায়ী বৈশিষ্ট্যের বিচারে অনুন্নত জীবগুলো শ্রেণিবিন্যাসের প্রথম দিকে এবং উন্নত জীবগুলো শেষের দিকে থাকে। তাই শ্রেণিতাত্ত্বিকভাবে Amphibia অপেক্ষা Mammalia উন্নত। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- ১. Amphibia এবং Mammalia উভয় শ্রেণির প্রাণীরই মেরুদণ্ড থাকলেও Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের মেরুদণ্ড সবচেয়ে স্থিতিস্থাপক এবং সুগঠিত। ২. Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের দেহত্বক গ্রন্থিময় ও আর্দ্র। পক্ষান্তরে Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের দেহ লোমাবৃত, যাতে স্তনগ্রন্থি ও ঘর্মগ্রন্থি থাকে; এ বৈশিষ্ট্যও Mammalia এর উন্নত বৈশিষ্ট্য। ৩. Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের চোয়ালে কোনো দাঁত নেই, পক্ষান্তরে Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের চোয়ালে বিভিন্ন ধরনের দাঁত থাকে। 8. Amphibia শ্রেণির প্রাণী ডিম থেকে বাচ্চা দেয় যা প্রথমে লার্ভা দশায় থাকে, পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় পরিণত হয়। পক্ষান্তরে Mammalia শ্রেণির প্রাণীরা বাচ্চা প্রসব করে এবং বাচ্চা মাতৃস্তন্য পান করে। ৫. Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের বহিঃকর্ণে পিনা এবং উদর বক্ষগহ্বরের মধ্যস্থলে পেশিবহুল মধ্যচ্ছদা থাকে, যা Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের থাকে না। ৬. Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের হৃৎপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট পক্ষান্তরে Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের হৃৎপিণ্ড চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হয়ে থাকে। উপরের বর্ণনার আলোকে বলা যায়, Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের সবগুলো অঙ্গ Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের থেকে সুগঠিত। তাই Mammalia শ্রেণির প্রাণী Amphibia শ্রেণির প্রাণী থেকে অধিকতর উন্নত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শ্রেণি-ক : চতুষ্পদী প্রাণী যাদের হৃৎপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট। শ্রেণি-খ : চতুষ্পদী প্রাণী যাদের হৃৎপিণ্ড চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট।

Barisal · 2025

হিমোসিল কী?

উত্তর

রক্তপূর্ণ দেহগহ্বরকে হিমোসিল বলে।
শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী বলতে কী বুঝ?

উত্তর

যেসব প্রাণীরা তাদের দেহের তাপমাত্রা অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না ফলে দেহের তাপমাত্রা পরিবেশের তাপমাত্রা পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয় তাদেরকে শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী বলে। যেমন- সাপ, ব্যাঙ ইত্যাদি।
উদ্দীপকের 'ক' শ্রেণির বৈশিষ্ট্য লেখ।

উত্তর

জই উদ্দীপকে উল্লেখিত শ্রেণি-ক হলো Chordata পর্বের Vertebrata উপপর্বের Amphibia শ্রেণির প্রাণী। নিচে Amphibia এর শ্রেণিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যগুলো উল্লেখ করা হলো- ১. ভূণীয় বা লার্ভা অবস্থায় জলচর এবং ফুলকা দ্বারা শ্বসন সম্পন্ন করে, কিন্তু পরিণত প্রাণী জলচর অথবা স্থলচর। ২. দেহ মস্তক, গ্রীবা, দেহকান্ড ও লেজে বিভক্ত, তবে অনেকক্ষেত্রে গ্রীবা ও লেজ থাকে না। ৩. সাধারণত দুই জোড়া পদ বিদ্যমান; প্রতি পদে 4 ১টি নখরবিহীন আঙ্গুল থাকে; কিছু প্রাণীতে পদ থাকে না। ৪. দেহত্বক নরম, আর্দ্র ও গ্রন্থিযুক্ত; ত্বকে রঙিন পিগমেন্টযুক্ত কোষ বিদ্যমান। ৫. এক্টোথার্মিক প্রাণী অর্থাৎ দেহের তাপমাত্রা পরিবেশের তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তনশীল। ৬. পরিণত প্রাণী ফুসফুস দ্বারা শ্বসন কার্য সম্পাদন করে, তবে ত্বক ও মুখবিবরের প্রাচীর শ্বসনে সহায়তা করে। ৭. হৃৎপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট, এতে সাইনাস ভেনোসাস বিদ্যমান; রেনাল ও হেপাটিক পোর্টালতন্ত্র উন্নত। ৮. একলিঙ্গ প্রাণী, পুরুষে সঙ্গম অঙ্গ অনুপস্থিত, জীবনচক্রে ট্যাডপোল লার্ভা দশা বিদ্যমান।
উদ্দীপকের 'খ' শ্রেণির প্রাণী 'ক' শ্রেণির প্রাণী অপেক্ষা উন্নত-ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের শ্রেণি-ক হলো Amphibia শ্রেণির প্রাণী এবং শ্রেণি-খ হলো Mammalia শ্রেণির প্রাণী। উভয় শ্রেণিই Chordata পর্বের Vertebrata উপপর্বের অন্তর্ভুক্ত। শ্রেণিবিন্যাসের রীতি অনুযায়ী বৈশিষ্ট্যের বিচারে অনুন্নত জীবগুলো শ্রেণিবিন্যাসের প্রথম দিকে এবং উন্নত জীবগুলো শেষের দিকে থাকে। তাই শ্রেণিতাত্ত্বিকভাবে Amphibia অপেক্ষা Mammalia উন্নত। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- ১. Amphibia এবং Mammalia উভয় শ্রেণির প্রাণীরই মেরুদণ্ড থাকলেও Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের মেরুদণ্ড সবচেয়ে স্থিতিস্থাপক এবং সুগঠিত। ২. Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের দেহত্বক গ্রন্থিময় ও আর্দ্র। পক্ষান্তরে Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের দেহ লোমাবৃত, যাতে স্তনগ্রন্থি ও ঘর্মগ্রন্থি থাকে; এ বৈশিষ্ট্যও Mammalia এর উন্নত বৈশিষ্ট্য। ৩. Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের চোয়ালে কোনো দাঁত নেই, পক্ষান্তরে Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের চোয়ালে বিভিন্ন ধরনের দাঁত থাকে। 8. Amphibia শ্রেণির প্রাণী ডিম থেকে বাচ্চা দেয় যা প্রথমে লার্ভা দশায় থাকে, পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় পরিণত হয়। পক্ষান্তরে Mammalia শ্রেণির প্রাণীরা বাচ্চা প্রসব করে এবং বাচ্চা মাতৃস্তন্য পান করে। ৫. Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের বহিঃকর্ণে পিনা এবং উদর বক্ষগহ্বরের মধ্যস্থলে পেশিবহুল মধ্যচ্ছদা থাকে, যা Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের থাকে না। ৬. Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের হৃৎপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট পক্ষান্তরে Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের হৃৎপিণ্ড চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হয়ে থাকে। উপরের বর্ণনার আলোকে বলা যায়, Mammalia শ্রেণির প্রাণীদের সবগুলো অঙ্গ Amphibia শ্রেণির প্রাণীদের থেকে সুগঠিত। তাই Mammalia শ্রেণির প্রাণী Amphibia শ্রেণির প্রাণী থেকে অধিকতর উন্নত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর- question image

Barisal · 2025

মাছ কী?

উত্তর

মাছ একটি জলজ মেরুদণ্ডী শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী যারা সাধারণত পানিতে বাস করে এবং পাখনার সাহায্যে চলাফেরা করে।
মেসোগ্লিয়াকে অকোষীয় স্তর বলা হয় কেন?

উত্তর

মেসোগ্লিয়াকে অকোষীয় স্তর বলা হয়, কারণ এতে কোনো জীবিত কোষ থাকে না বা থাকলেও খুবই অল্প পরিমাণে থাকে। এটি মূলত জেলির মতো একটি অকোষীয়, অজৈব জৈব পদার্থ যা নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়। যেমন-হাইড্রা, জেলিফিশ ইত্যাদি।
উদ্দীপকের চিত্র 'ক' এর প্রকারভেদ বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত "ক" অংশটি হলো Hydra-র নেমাটোসিস্ট। নিচে Hydra-র বিভিন্ন নেমাটোসিস্টের প্রকারভেদ বর্ণনা করা হলো- ১. স্টিনোটিল: হাইড্রার চার ধরনের নেমাটোসিস্টের মধ্যে এগুলোই বৃহত্তম। এদের সূত্রক লম্বা, ফাঁপা, শীর্ষ উন্মুক্ত, বাট প্রশস্ত এবং তিনটি বড় তীক্ষ্ম বার্ব ও তিন সারি সর্পিলাকারে সজ্জিত অতি ক্ষুদ্র বার্বিউল যুক্ত। এর ভেতরে হিপনোটক্সিন নামক বিষাক্ত তরল থাকে। ২. ভলভেন্ট: এগুলো অপেক্ষাকৃত ছোট কিন্তু সূত্রকটি খাটো, মোটা, স্থিতিস্থাপক, কাঁটাবিহীন এবং বন্ধ শীর্ষযুক্ত। ৩. স্ট্রেপটোলিন গ্লুটিন্যান্ট: এর সূত্রক লম্বা, দেহ সর্পিলাকারে সজ্জিত কাঁটাযুক্ত, বাট সুগঠিত নয় এবং শীর্ষদেশ উন্মুক্ত। ৪. স্ট্রেরিওলিন গ্লুটিন্যান্ট: এগুলো ক্ষুদ্রতম নেমাটোসিস্ট, সূত্রক লম্বা, অসংখ্য ও অতি ক্ষুদ্র কাঁটাযুক্ত, বাট সুগঠিত নয় এবং শীর্ষদেশ উন্মুক্ত।
উদ্দীপকের 'ক' চিহ্নিত অঙ্গটির বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে-বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত "ক" চিহ্নিত অঙ্গটি হলো Hydra-র নিডোসাইট কোষ। এই কোষ শুধুমাত্র Cnidaria পর্বের প্রাণীদের মধ্যে পাওয়া যায়। Hydra-র নিডোসাইট কোষটি বহুবিধ কাজে ব্যবহার করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. এগুলো Hydra-র শিকার ধরা ও অসাড় করার কাজে ব্যবহৃত হয়। ২. এগুলো প্রাণীর আত্মরক্ষায় ব্যবহৃত হয়। ৩. এরা চলনে সহায়তা করে। ৪. এগুলো প্রাণীকে কোনো বস্তুর আঁকড়ে ধরায় সাহায্য করে। ৫. নিডোব্লাস্ট কোষের শ্রেণিতাত্ত্বিক গুরুত্ব আছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর- question image

Barisal · 2025

মাছ কী?

উত্তর

মাছ একটি জলজ মেরুদণ্ডী শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী যারা সাধারণত পানিতে বাস করে এবং পাখনার সাহায্যে চলাফেরা করে।
মেসোগ্লিয়াকে অকোষীয় স্তর বলা হয় কেন?

উত্তর

মেসোগ্লিয়াকে অকোষীয় স্তর বলা হয়, কারণ এতে কোনো জীবিত কোষ থাকে না বা থাকলেও খুবই অল্প পরিমাণে থাকে। এটি মূলত জেলির মতো একটি অকোষীয়, অজৈব জৈব পদার্থ যা নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়। যেমন-হাইড্রা, জেলিফিশ ইত্যাদি।
উদ্দীপকের চিত্র 'ক' এর প্রকারভেদ বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত "ক" অংশটি হলো Hydra-র নেমাটোসিস্ট। নিচে Hydra-র বিভিন্ন নেমাটোসিস্টের প্রকারভেদ বর্ণনা করা হলো- ১. স্টিনোটিল: হাইড্রার চার ধরনের নেমাটোসিস্টের মধ্যে এগুলোই বৃহত্তম। এদের সূত্রক লম্বা, ফাঁপা, শীর্ষ উন্মুক্ত, বাট প্রশস্ত এবং তিনটি বড় তীক্ষ্ম বার্ব ও তিন সারি সর্পিলাকারে সজ্জিত অতি ক্ষুদ্র বার্বিউল যুক্ত। এর ভেতরে হিপনোটক্সিন নামক বিষাক্ত তরল থাকে। ২. ভলভেন্ট: এগুলো অপেক্ষাকৃত ছোট কিন্তু সূত্রকটি খাটো, মোটা, স্থিতিস্থাপক, কাঁটাবিহীন এবং বন্ধ শীর্ষযুক্ত। ৩. স্ট্রেপটোলিন গ্লুটিন্যান্ট: এর সূত্রক লম্বা, দেহ সর্পিলাকারে সজ্জিত কাঁটাযুক্ত, বাট সুগঠিত নয় এবং শীর্ষদেশ উন্মুক্ত। ৪. স্ট্রেরিওলিন গ্লুটিন্যান্ট: এগুলো ক্ষুদ্রতম নেমাটোসিস্ট, সূত্রক লম্বা, অসংখ্য ও অতি ক্ষুদ্র কাঁটাযুক্ত, বাট সুগঠিত নয় এবং শীর্ষদেশ উন্মুক্ত।
উদ্দীপকের 'ক' চিহ্নিত অঙ্গটির বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে-বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত "ক" চিহ্নিত অঙ্গটি হলো Hydra-র নিডোসাইট কোষ। এই কোষ শুধুমাত্র Cnidaria পর্বের প্রাণীদের মধ্যে পাওয়া যায়। Hydra-র নিডোসাইট কোষটি বহুবিধ কাজে ব্যবহার করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. এগুলো Hydra-র শিকার ধরা ও অসাড় করার কাজে ব্যবহৃত হয়। ২. এগুলো প্রাণীর আত্মরক্ষায় ব্যবহৃত হয়। ৩. এরা চলনে সহায়তা করে। ৪. এগুলো প্রাণীকে কোনো বস্তুর আঁকড়ে ধরায় সাহায্য করে। ৫. নিডোব্লাস্ট কোষের শ্রেণিতাত্ত্বিক গুরুত্ব আছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ক : ডিম → নিম্ফ → পূর্ণাঙ্গ প্রাণী

Barisal · 2025

ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা কী?

উত্তর

রুই মাছের কানকোর মুক্ত প্রান্তে একটি পেশিময় পর্দা থাকে, একে ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা বলা হয়।
ডায়াপজ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

শীতের আগমনে কম তাপমাত্রার প্রতিকূল পরিবেশে ভূণের বৃদ্ধি রহিত হয়। এ অবস্থাকে ডায়পোজ বলে। শীতে তাপমাত্রা কম থাকার কারণে ভূণের বৃদ্ধি ঘটে না সে কারণে ঘাসফড়িং-এ ডায়াপোজ ঘটে। পুরো শীতকাল এরা ডায়াপোজ অবস্থায় অতিক্রম করে। বসন্তের শুরুতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকলে পরিস্ফুটনের অনুকূল পরিবেশে এদের বাকী ভ্রূণীয় পরিস্ফুটন সম্পন্ন হয়। এসব কারণে ডায়াপজ অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকের 'ক' প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ঐ উদ্দীপকের 'ক' প্রক্রিয়াটি দ্বারা ঘাসফড়িং-এর অসম্পূর্ণ রূপান্তর প্রক্রিয়াকে দেখানো হয়েছে। নিচে প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো- ঘাসফড়িং-এর রূপান্তর অসম্পূর্ণ বা হেমিমেটাবোলাস ধরনের। কারণ এদের অপরিণত নিম্ফ আংশিক পরিস্ফুটনের মাধ্যমে কয়েকটি নিম্ফ দশা পেরিয়ে পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং এ পরিণত হয়। অর্থাৎ ঘাসফড়িং-এর জীবন ইতিহাসে তিনটি ধাপ রয়েছে। ডিম → নিম্ফ → পূর্ণাঙ্গ প্রাণী ডিম ফুটে যে তরুণ ঘাসফড়িং বেরিয়ে আসে তাকে নিম্ফ (Nymph) বলে। বহিঃর্গঠনের দিক থেকে নিম্ফ এবং পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং দেখতে প্রায় এক রকম, অন্তত মুখোপাঙ্গ, সরলাক্ষি ও পুঞ্জাক্ষি, অ্যান্টিনা, পায়ু প্রভৃতি। অনুরূপভাবে নিম্ফের জীবন ধারণ, খাদ্যাভাস, খাদ্য ও বসতিও এক রকম। নিম্ফ ও পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং এ পার্থক্য রয়েছে নিম্ফে ডানা ও 'জননাঙ্গ থাকে না। তাছাড়া দেহের আকার-আকৃতি ছোট থাকে। পূর্ণাঙ্গ হলে ডানা ও জননাঙ্গের পরিস্ফুটন ঘটে। দেহের আকারও বড় হয়। সদ্য পরিস্ফুটিত নিম্ফের কাইটিন নির্মিত বহিঃকঙ্কাল থাকে স্বচ্ছ। ক্রমশ গাঢ় হয়, ৩ বার খোলস মোচনের পর পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এ রূপান্তরিত হয়, দ্বিতীয় ধাপের নিম্ফে ক্ষুদ্রাকায় ডানা প্যাড থেকে ডানা সৃষ্টির সূচনা - ঘটে। প্রতিবার খোলস মোচনের পর নিম্ফ দেখতে ছোট আকৃতির পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এর মতো দেখায়। পঞ্চমবার খোলস মোচনের মাধ্যমে নিম্ফ পরিণত ঘাসফড়িং হয়ে উঠে। দুটি মোচনের মধ্যবর্তী দশাকে ইন্সটার বলে। ঘাসফড়িং-এর রূপান্তর সম্পন্ন হতে প্রায় দু'মাস সময় লাগে।
উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি সম্পন্নকারী প্রাণীর বিশেষ ধরনের দর্শন কৌশল বিদ্যমান- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে ঘাসফড়িং এর দর্শন কৌশলের কথা বলা হয়েছে।ঘাসফড়িং-এর দর্শন অঙ্গটি দিনের উজ্জ্বল আলোয়াও দিনের শেষে মৃদু আলোতে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করে এদের দৃষ্টিশক্তি কার্যকর করে। মৃদু আলোয় সুপার পজিশন এবং উজ্জ্বল আলোয় অ্যাপোজিশন প্রতিবিম্ব গঠন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. সুপার পজিশন প্রতিবিম্ব: মৃদু আলোয় রেটিনাল সিথের রঞ্জক কণিকা সংকুচিত হয়ে কর্নিয়ার দিকে ঘনীভূত হয় এবং ক্রিস্টালাইন কোণের অধিকাংশ অনাবৃত হয়ে পড়ে। উলম্ব আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়ার ভেতর প্রবেশ করে তার র্যাবডোমে পৌছালেও তির্যক আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের ক্রিস্টালাইন কোণের অনাবৃত অংশের মধ্য দিয়ে পাশের ওমাটিডিয়ামের র্যাবডোমে পৌছায়। অর্থাৎ একটি ওমাটিডিয়াম তার নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত আলোক রশ্মি ছাড়াও পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়া থেকে আগত রশ্মিও পেয়ে থাকে। পুঞ্জাক্ষির উপর কোনো বস্তুর বিভিন্ন অংশের প্রতিবিম্বগুলো একে অপরের উপর পড়ায় সম্পূর্ণ বস্তুটির অস্পষ্ট প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়। ২. অ্যাপজিশন বা মোজাইক প্রতিবিম্ব: উজ্জ্বল আলোয় প্রতিটিওমাটিডিয়াম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। উজ্জ্বল আলোতে রেটিনাল সিথের কোষের রঞ্জকপদার্থ ক্রিস্টালাইন কোণের নিচের, দিকে এমনভাবে ছড়িয়ে যায় যাতে তার চারদিকে একটি কালো পর্দার সৃষ্টি হয়। ফলে একটি ওমাটিডিয়াম কেবলমাত্র নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত লম্বভাবে প্রতিফলিত রশ্মিই গ্রহণ 'করতে পারে। তির্যকভাবে আগত পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের আলোকরশ্মি আইরিসের রঞ্জক পদার্থে শোষিত হয়। এ অবস্থায় একটি ওমাটিডিয়াম দিয়ে গঠিত প্রতিবিম্ব অনেকটা মোজাইক করা মেঝের পাথরের মতো মনে হয় বলে একে মোজাইক প্রতিবিম্ব বলা হয়। সুতরাং আলোর তারতম্যের ভিত্তিতে ঘাসফড়িং ভিন্ন ধরনের প্রতিবিম্ব গঠন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ক : ডিম → নিম্ফ → পূর্ণাঙ্গ প্রাণী

Barisal · 2025

ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা কী?

উত্তর

রুই মাছের কানকোর মুক্ত প্রান্তে একটি পেশিময় পর্দা থাকে, একে ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা বলা হয়।
ডায়াপজ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

শীতের আগমনে কম তাপমাত্রার প্রতিকূল পরিবেশে ভূণের বৃদ্ধি রহিত হয়। এ অবস্থাকে ডায়পোজ বলে। শীতে তাপমাত্রা কম থাকার কারণে ভূণের বৃদ্ধি ঘটে না সে কারণে ঘাসফড়িং-এ ডায়াপোজ ঘটে। পুরো শীতকাল এরা ডায়াপোজ অবস্থায় অতিক্রম করে। বসন্তের শুরুতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকলে পরিস্ফুটনের অনুকূল পরিবেশে এদের বাকী ভ্রূণীয় পরিস্ফুটন সম্পন্ন হয়। এসব কারণে ডায়াপজ অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকের 'ক' প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ঐ উদ্দীপকের 'ক' প্রক্রিয়াটি দ্বারা ঘাসফড়িং-এর অসম্পূর্ণ রূপান্তর প্রক্রিয়াকে দেখানো হয়েছে। নিচে প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো- ঘাসফড়িং-এর রূপান্তর অসম্পূর্ণ বা হেমিমেটাবোলাস ধরনের। কারণ এদের অপরিণত নিম্ফ আংশিক পরিস্ফুটনের মাধ্যমে কয়েকটি নিম্ফ দশা পেরিয়ে পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং এ পরিণত হয়। অর্থাৎ ঘাসফড়িং-এর জীবন ইতিহাসে তিনটি ধাপ রয়েছে। ডিম → নিম্ফ → পূর্ণাঙ্গ প্রাণী ডিম ফুটে যে তরুণ ঘাসফড়িং বেরিয়ে আসে তাকে নিম্ফ (Nymph) বলে। বহিঃর্গঠনের দিক থেকে নিম্ফ এবং পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং দেখতে প্রায় এক রকম, অন্তত মুখোপাঙ্গ, সরলাক্ষি ও পুঞ্জাক্ষি, অ্যান্টিনা, পায়ু প্রভৃতি। অনুরূপভাবে নিম্ফের জীবন ধারণ, খাদ্যাভাস, খাদ্য ও বসতিও এক রকম। নিম্ফ ও পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং এ পার্থক্য রয়েছে নিম্ফে ডানা ও 'জননাঙ্গ থাকে না। তাছাড়া দেহের আকার-আকৃতি ছোট থাকে। পূর্ণাঙ্গ হলে ডানা ও জননাঙ্গের পরিস্ফুটন ঘটে। দেহের আকারও বড় হয়। সদ্য পরিস্ফুটিত নিম্ফের কাইটিন নির্মিত বহিঃকঙ্কাল থাকে স্বচ্ছ। ক্রমশ গাঢ় হয়, ৩ বার খোলস মোচনের পর পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এ রূপান্তরিত হয়, দ্বিতীয় ধাপের নিম্ফে ক্ষুদ্রাকায় ডানা প্যাড থেকে ডানা সৃষ্টির সূচনা - ঘটে। প্রতিবার খোলস মোচনের পর নিম্ফ দেখতে ছোট আকৃতির পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এর মতো দেখায়। পঞ্চমবার খোলস মোচনের মাধ্যমে নিম্ফ পরিণত ঘাসফড়িং হয়ে উঠে। দুটি মোচনের মধ্যবর্তী দশাকে ইন্সটার বলে। ঘাসফড়িং-এর রূপান্তর সম্পন্ন হতে প্রায় দু'মাস সময় লাগে।
উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি সম্পন্নকারী প্রাণীর বিশেষ ধরনের দর্শন কৌশল বিদ্যমান- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে ঘাসফড়িং এর দর্শন কৌশলের কথা বলা হয়েছে।ঘাসফড়িং-এর দর্শন অঙ্গটি দিনের উজ্জ্বল আলোয়াও দিনের শেষে মৃদু আলোতে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করে এদের দৃষ্টিশক্তি কার্যকর করে। মৃদু আলোয় সুপার পজিশন এবং উজ্জ্বল আলোয় অ্যাপোজিশন প্রতিবিম্ব গঠন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. সুপার পজিশন প্রতিবিম্ব: মৃদু আলোয় রেটিনাল সিথের রঞ্জক কণিকা সংকুচিত হয়ে কর্নিয়ার দিকে ঘনীভূত হয় এবং ক্রিস্টালাইন কোণের অধিকাংশ অনাবৃত হয়ে পড়ে। উলম্ব আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়ার ভেতর প্রবেশ করে তার র্যাবডোমে পৌছালেও তির্যক আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের ক্রিস্টালাইন কোণের অনাবৃত অংশের মধ্য দিয়ে পাশের ওমাটিডিয়ামের র্যাবডোমে পৌছায়। অর্থাৎ একটি ওমাটিডিয়াম তার নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত আলোক রশ্মি ছাড়াও পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়া থেকে আগত রশ্মিও পেয়ে থাকে। পুঞ্জাক্ষির উপর কোনো বস্তুর বিভিন্ন অংশের প্রতিবিম্বগুলো একে অপরের উপর পড়ায় সম্পূর্ণ বস্তুটির অস্পষ্ট প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়। ২. অ্যাপজিশন বা মোজাইক প্রতিবিম্ব: উজ্জ্বল আলোয় প্রতিটিওমাটিডিয়াম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। উজ্জ্বল আলোতে রেটিনাল সিথের কোষের রঞ্জকপদার্থ ক্রিস্টালাইন কোণের নিচের, দিকে এমনভাবে ছড়িয়ে যায় যাতে তার চারদিকে একটি কালো পর্দার সৃষ্টি হয়। ফলে একটি ওমাটিডিয়াম কেবলমাত্র নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত লম্বভাবে প্রতিফলিত রশ্মিই গ্রহণ 'করতে পারে। তির্যকভাবে আগত পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের আলোকরশ্মি আইরিসের রঞ্জক পদার্থে শোষিত হয়। এ অবস্থায় একটি ওমাটিডিয়াম দিয়ে গঠিত প্রতিবিম্ব অনেকটা মোজাইক করা মেঝের পাথরের মতো মনে হয় বলে একে মোজাইক প্রতিবিম্ব বলা হয়। সুতরাং আলোর তারতম্যের ভিত্তিতে ঘাসফড়িং ভিন্ন ধরনের প্রতিবিম্ব গঠন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর- question image

Barisal · 2025

মাছ কী?

উত্তর

মাছ একটি জলজ মেরুদণ্ডী শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী যারা সাধারণত পানিতে বাস করে এবং পাখনার সাহায্যে চলাফেরা করে।
মেসোগ্লিয়াকে অকোষীয় স্তর বলা হয় কেন?

উত্তর

মেসোগ্লিয়াকে অকোষীয় স্তর বলা হয়, কারণ এতে কোনো জীবিত কোষ থাকে না বা থাকলেও খুবই অল্প পরিমাণে থাকে। এটি মূলত জেলির মতো একটি অকোষীয়, অজৈব জৈব পদার্থ যা নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়। যেমন-হাইড্রা, জেলিফিশ ইত্যাদি।
উদ্দীপকের চিত্র 'ক' এর প্রকারভেদ বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত "ক" অংশটি হলো Hydra-র নেমাটোসিস্ট। নিচে Hydra-র বিভিন্ন নেমাটোসিস্টের প্রকারভেদ বর্ণনা করা হলো- ১. স্টিনোটিল: হাইড্রার চার ধরনের নেমাটোসিস্টের মধ্যে এগুলোই বৃহত্তম। এদের সূত্রক লম্বা, ফাঁপা, শীর্ষ উন্মুক্ত, বাট প্রশস্ত এবং তিনটি বড় তীক্ষ্ম বার্ব ও তিন সারি সর্পিলাকারে সজ্জিত অতি ক্ষুদ্র বার্বিউল যুক্ত। এর ভেতরে হিপনোটক্সিন নামক বিষাক্ত তরল থাকে। ২. ভলভেন্ট: এগুলো অপেক্ষাকৃত ছোট কিন্তু সূত্রকটি খাটো, মোটা, স্থিতিস্থাপক, কাঁটাবিহীন এবং বন্ধ শীর্ষযুক্ত। ৩. স্ট্রেপটোলিন গ্লুটিন্যান্ট: এর সূত্রক লম্বা, দেহ সর্পিলাকারে সজ্জিত কাঁটাযুক্ত, বাট সুগঠিত নয় এবং শীর্ষদেশ উন্মুক্ত। ৪. স্ট্রেরিওলিন গ্লুটিন্যান্ট: এগুলো ক্ষুদ্রতম নেমাটোসিস্ট, সূত্রক লম্বা, অসংখ্য ও অতি ক্ষুদ্র কাঁটাযুক্ত, বাট সুগঠিত নয় এবং শীর্ষদেশ উন্মুক্ত।
উদ্দীপকের 'ক' চিহ্নিত অঙ্গটির বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে-বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত "ক" চিহ্নিত অঙ্গটি হলো Hydra-র নিডোসাইট কোষ। এই কোষ শুধুমাত্র Cnidaria পর্বের প্রাণীদের মধ্যে পাওয়া যায়। Hydra-র নিডোসাইট কোষটি বহুবিধ কাজে ব্যবহার করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. এগুলো Hydra-র শিকার ধরা ও অসাড় করার কাজে ব্যবহৃত হয়। ২. এগুলো প্রাণীর আত্মরক্ষায় ব্যবহৃত হয়। ৩. এরা চলনে সহায়তা করে। ৪. এগুলো প্রাণীকে কোনো বস্তুর আঁকড়ে ধরায় সাহায্য করে। ৫. নিডোব্লাস্ট কোষের শ্রেণিতাত্ত্বিক গুরুত্ব আছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর- question image

Barisal · 2025

মাছ কী?

উত্তর

মাছ একটি জলজ মেরুদণ্ডী শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী যারা সাধারণত পানিতে বাস করে এবং পাখনার সাহায্যে চলাফেরা করে।
মেসোগ্লিয়াকে অকোষীয় স্তর বলা হয় কেন?

উত্তর

মেসোগ্লিয়াকে অকোষীয় স্তর বলা হয়, কারণ এতে কোনো জীবিত কোষ থাকে না বা থাকলেও খুবই অল্প পরিমাণে থাকে। এটি মূলত জেলির মতো একটি অকোষীয়, অজৈব জৈব পদার্থ যা নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়। যেমন-হাইড্রা, জেলিফিশ ইত্যাদি।
উদ্দীপকের চিত্র 'ক' এর প্রকারভেদ বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত "ক" অংশটি হলো Hydra-র নেমাটোসিস্ট। নিচে Hydra-র বিভিন্ন নেমাটোসিস্টের প্রকারভেদ বর্ণনা করা হলো- ১. স্টিনোটিল: হাইড্রার চার ধরনের নেমাটোসিস্টের মধ্যে এগুলোই বৃহত্তম। এদের সূত্রক লম্বা, ফাঁপা, শীর্ষ উন্মুক্ত, বাট প্রশস্ত এবং তিনটি বড় তীক্ষ্ম বার্ব ও তিন সারি সর্পিলাকারে সজ্জিত অতি ক্ষুদ্র বার্বিউল যুক্ত। এর ভেতরে হিপনোটক্সিন নামক বিষাক্ত তরল থাকে। ২. ভলভেন্ট: এগুলো অপেক্ষাকৃত ছোট কিন্তু সূত্রকটি খাটো, মোটা, স্থিতিস্থাপক, কাঁটাবিহীন এবং বন্ধ শীর্ষযুক্ত। ৩. স্ট্রেপটোলিন গ্লুটিন্যান্ট: এর সূত্রক লম্বা, দেহ সর্পিলাকারে সজ্জিত কাঁটাযুক্ত, বাট সুগঠিত নয় এবং শীর্ষদেশ উন্মুক্ত। ৪. স্ট্রেরিওলিন গ্লুটিন্যান্ট: এগুলো ক্ষুদ্রতম নেমাটোসিস্ট, সূত্রক লম্বা, অসংখ্য ও অতি ক্ষুদ্র কাঁটাযুক্ত, বাট সুগঠিত নয় এবং শীর্ষদেশ উন্মুক্ত।
উদ্দীপকের 'ক' চিহ্নিত অঙ্গটির বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে-বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত "ক" চিহ্নিত অঙ্গটি হলো Hydra-র নিডোসাইট কোষ। এই কোষ শুধুমাত্র Cnidaria পর্বের প্রাণীদের মধ্যে পাওয়া যায়। Hydra-র নিডোসাইট কোষটি বহুবিধ কাজে ব্যবহার করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. এগুলো Hydra-র শিকার ধরা ও অসাড় করার কাজে ব্যবহৃত হয়। ২. এগুলো প্রাণীর আত্মরক্ষায় ব্যবহৃত হয়। ৩. এরা চলনে সহায়তা করে। ৪. এগুলো প্রাণীকে কোনো বস্তুর আঁকড়ে ধরায় সাহায্য করে। ৫. নিডোব্লাস্ট কোষের শ্রেণিতাত্ত্বিক গুরুত্ব আছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ক : ডিম → নিম্ফ → পূর্ণাঙ্গ প্রাণী

Barisal · 2025

ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা কী?

উত্তর

রুই মাছের কানকোর মুক্ত প্রান্তে একটি পেশিময় পর্দা থাকে, একে ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা বলা হয়।
ডায়াপজ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

শীতের আগমনে কম তাপমাত্রার প্রতিকূল পরিবেশে ভূণের বৃদ্ধি রহিত হয়। এ অবস্থাকে ডায়পোজ বলে। শীতে তাপমাত্রা কম থাকার কারণে ভূণের বৃদ্ধি ঘটে না সে কারণে ঘাসফড়িং-এ ডায়াপোজ ঘটে। পুরো শীতকাল এরা ডায়াপোজ অবস্থায় অতিক্রম করে। বসন্তের শুরুতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকলে পরিস্ফুটনের অনুকূল পরিবেশে এদের বাকী ভ্রূণীয় পরিস্ফুটন সম্পন্ন হয়। এসব কারণে ডায়াপজ অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকের 'ক' প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ঐ উদ্দীপকের 'ক' প্রক্রিয়াটি দ্বারা ঘাসফড়িং-এর অসম্পূর্ণ রূপান্তর প্রক্রিয়াকে দেখানো হয়েছে। নিচে প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো- ঘাসফড়িং-এর রূপান্তর অসম্পূর্ণ বা হেমিমেটাবোলাস ধরনের। কারণ এদের অপরিণত নিম্ফ আংশিক পরিস্ফুটনের মাধ্যমে কয়েকটি নিম্ফ দশা পেরিয়ে পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং এ পরিণত হয়। অর্থাৎ ঘাসফড়িং-এর জীবন ইতিহাসে তিনটি ধাপ রয়েছে। ডিম → নিম্ফ → পূর্ণাঙ্গ প্রাণী ডিম ফুটে যে তরুণ ঘাসফড়িং বেরিয়ে আসে তাকে নিম্ফ (Nymph) বলে। বহিঃর্গঠনের দিক থেকে নিম্ফ এবং পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং দেখতে প্রায় এক রকম, অন্তত মুখোপাঙ্গ, সরলাক্ষি ও পুঞ্জাক্ষি, অ্যান্টিনা, পায়ু প্রভৃতি। অনুরূপভাবে নিম্ফের জীবন ধারণ, খাদ্যাভাস, খাদ্য ও বসতিও এক রকম। নিম্ফ ও পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং এ পার্থক্য রয়েছে নিম্ফে ডানা ও 'জননাঙ্গ থাকে না। তাছাড়া দেহের আকার-আকৃতি ছোট থাকে। পূর্ণাঙ্গ হলে ডানা ও জননাঙ্গের পরিস্ফুটন ঘটে। দেহের আকারও বড় হয়। সদ্য পরিস্ফুটিত নিম্ফের কাইটিন নির্মিত বহিঃকঙ্কাল থাকে স্বচ্ছ। ক্রমশ গাঢ় হয়, ৩ বার খোলস মোচনের পর পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এ রূপান্তরিত হয়, দ্বিতীয় ধাপের নিম্ফে ক্ষুদ্রাকায় ডানা প্যাড থেকে ডানা সৃষ্টির সূচনা - ঘটে। প্রতিবার খোলস মোচনের পর নিম্ফ দেখতে ছোট আকৃতির পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এর মতো দেখায়। পঞ্চমবার খোলস মোচনের মাধ্যমে নিম্ফ পরিণত ঘাসফড়িং হয়ে উঠে। দুটি মোচনের মধ্যবর্তী দশাকে ইন্সটার বলে। ঘাসফড়িং-এর রূপান্তর সম্পন্ন হতে প্রায় দু'মাস সময় লাগে।
উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি সম্পন্নকারী প্রাণীর বিশেষ ধরনের দর্শন কৌশল বিদ্যমান- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে ঘাসফড়িং এর দর্শন কৌশলের কথা বলা হয়েছে।ঘাসফড়িং-এর দর্শন অঙ্গটি দিনের উজ্জ্বল আলোয়াও দিনের শেষে মৃদু আলোতে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করে এদের দৃষ্টিশক্তি কার্যকর করে। মৃদু আলোয় সুপার পজিশন এবং উজ্জ্বল আলোয় অ্যাপোজিশন প্রতিবিম্ব গঠন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. সুপার পজিশন প্রতিবিম্ব: মৃদু আলোয় রেটিনাল সিথের রঞ্জক কণিকা সংকুচিত হয়ে কর্নিয়ার দিকে ঘনীভূত হয় এবং ক্রিস্টালাইন কোণের অধিকাংশ অনাবৃত হয়ে পড়ে। উলম্ব আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়ার ভেতর প্রবেশ করে তার র্যাবডোমে পৌছালেও তির্যক আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের ক্রিস্টালাইন কোণের অনাবৃত অংশের মধ্য দিয়ে পাশের ওমাটিডিয়ামের র্যাবডোমে পৌছায়। অর্থাৎ একটি ওমাটিডিয়াম তার নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত আলোক রশ্মি ছাড়াও পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়া থেকে আগত রশ্মিও পেয়ে থাকে। পুঞ্জাক্ষির উপর কোনো বস্তুর বিভিন্ন অংশের প্রতিবিম্বগুলো একে অপরের উপর পড়ায় সম্পূর্ণ বস্তুটির অস্পষ্ট প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়। ২. অ্যাপজিশন বা মোজাইক প্রতিবিম্ব: উজ্জ্বল আলোয় প্রতিটিওমাটিডিয়াম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। উজ্জ্বল আলোতে রেটিনাল সিথের কোষের রঞ্জকপদার্থ ক্রিস্টালাইন কোণের নিচের, দিকে এমনভাবে ছড়িয়ে যায় যাতে তার চারদিকে একটি কালো পর্দার সৃষ্টি হয়। ফলে একটি ওমাটিডিয়াম কেবলমাত্র নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত লম্বভাবে প্রতিফলিত রশ্মিই গ্রহণ 'করতে পারে। তির্যকভাবে আগত পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের আলোকরশ্মি আইরিসের রঞ্জক পদার্থে শোষিত হয়। এ অবস্থায় একটি ওমাটিডিয়াম দিয়ে গঠিত প্রতিবিম্ব অনেকটা মোজাইক করা মেঝের পাথরের মতো মনে হয় বলে একে মোজাইক প্রতিবিম্ব বলা হয়। সুতরাং আলোর তারতম্যের ভিত্তিতে ঘাসফড়িং ভিন্ন ধরনের প্রতিবিম্ব গঠন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ক : ডিম → নিম্ফ → পূর্ণাঙ্গ প্রাণী

Barisal · 2025

ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা কী?

উত্তর

রুই মাছের কানকোর মুক্ত প্রান্তে একটি পেশিময় পর্দা থাকে, একে ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা বলা হয়।
ডায়াপজ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

শীতের আগমনে কম তাপমাত্রার প্রতিকূল পরিবেশে ভূণের বৃদ্ধি রহিত হয়। এ অবস্থাকে ডায়পোজ বলে। শীতে তাপমাত্রা কম থাকার কারণে ভূণের বৃদ্ধি ঘটে না সে কারণে ঘাসফড়িং-এ ডায়াপোজ ঘটে। পুরো শীতকাল এরা ডায়াপোজ অবস্থায় অতিক্রম করে। বসন্তের শুরুতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকলে পরিস্ফুটনের অনুকূল পরিবেশে এদের বাকী ভ্রূণীয় পরিস্ফুটন সম্পন্ন হয়। এসব কারণে ডায়াপজ অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকের 'ক' প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ঐ উদ্দীপকের 'ক' প্রক্রিয়াটি দ্বারা ঘাসফড়িং-এর অসম্পূর্ণ রূপান্তর প্রক্রিয়াকে দেখানো হয়েছে। নিচে প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো- ঘাসফড়িং-এর রূপান্তর অসম্পূর্ণ বা হেমিমেটাবোলাস ধরনের। কারণ এদের অপরিণত নিম্ফ আংশিক পরিস্ফুটনের মাধ্যমে কয়েকটি নিম্ফ দশা পেরিয়ে পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং এ পরিণত হয়। অর্থাৎ ঘাসফড়িং-এর জীবন ইতিহাসে তিনটি ধাপ রয়েছে। ডিম → নিম্ফ → পূর্ণাঙ্গ প্রাণী ডিম ফুটে যে তরুণ ঘাসফড়িং বেরিয়ে আসে তাকে নিম্ফ (Nymph) বলে। বহিঃর্গঠনের দিক থেকে নিম্ফ এবং পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং দেখতে প্রায় এক রকম, অন্তত মুখোপাঙ্গ, সরলাক্ষি ও পুঞ্জাক্ষি, অ্যান্টিনা, পায়ু প্রভৃতি। অনুরূপভাবে নিম্ফের জীবন ধারণ, খাদ্যাভাস, খাদ্য ও বসতিও এক রকম। নিম্ফ ও পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং এ পার্থক্য রয়েছে নিম্ফে ডানা ও 'জননাঙ্গ থাকে না। তাছাড়া দেহের আকার-আকৃতি ছোট থাকে। পূর্ণাঙ্গ হলে ডানা ও জননাঙ্গের পরিস্ফুটন ঘটে। দেহের আকারও বড় হয়। সদ্য পরিস্ফুটিত নিম্ফের কাইটিন নির্মিত বহিঃকঙ্কাল থাকে স্বচ্ছ। ক্রমশ গাঢ় হয়, ৩ বার খোলস মোচনের পর পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এ রূপান্তরিত হয়, দ্বিতীয় ধাপের নিম্ফে ক্ষুদ্রাকায় ডানা প্যাড থেকে ডানা সৃষ্টির সূচনা - ঘটে। প্রতিবার খোলস মোচনের পর নিম্ফ দেখতে ছোট আকৃতির পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এর মতো দেখায়। পঞ্চমবার খোলস মোচনের মাধ্যমে নিম্ফ পরিণত ঘাসফড়িং হয়ে উঠে। দুটি মোচনের মধ্যবর্তী দশাকে ইন্সটার বলে। ঘাসফড়িং-এর রূপান্তর সম্পন্ন হতে প্রায় দু'মাস সময় লাগে।
উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি সম্পন্নকারী প্রাণীর বিশেষ ধরনের দর্শন কৌশল বিদ্যমান- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে ঘাসফড়িং এর দর্শন কৌশলের কথা বলা হয়েছে।ঘাসফড়িং-এর দর্শন অঙ্গটি দিনের উজ্জ্বল আলোয়াও দিনের শেষে মৃদু আলোতে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করে এদের দৃষ্টিশক্তি কার্যকর করে। মৃদু আলোয় সুপার পজিশন এবং উজ্জ্বল আলোয় অ্যাপোজিশন প্রতিবিম্ব গঠন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. সুপার পজিশন প্রতিবিম্ব: মৃদু আলোয় রেটিনাল সিথের রঞ্জক কণিকা সংকুচিত হয়ে কর্নিয়ার দিকে ঘনীভূত হয় এবং ক্রিস্টালাইন কোণের অধিকাংশ অনাবৃত হয়ে পড়ে। উলম্ব আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়ার ভেতর প্রবেশ করে তার র্যাবডোমে পৌছালেও তির্যক আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের ক্রিস্টালাইন কোণের অনাবৃত অংশের মধ্য দিয়ে পাশের ওমাটিডিয়ামের র্যাবডোমে পৌছায়। অর্থাৎ একটি ওমাটিডিয়াম তার নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত আলোক রশ্মি ছাড়াও পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়া থেকে আগত রশ্মিও পেয়ে থাকে। পুঞ্জাক্ষির উপর কোনো বস্তুর বিভিন্ন অংশের প্রতিবিম্বগুলো একে অপরের উপর পড়ায় সম্পূর্ণ বস্তুটির অস্পষ্ট প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়। ২. অ্যাপজিশন বা মোজাইক প্রতিবিম্ব: উজ্জ্বল আলোয় প্রতিটিওমাটিডিয়াম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। উজ্জ্বল আলোতে রেটিনাল সিথের কোষের রঞ্জকপদার্থ ক্রিস্টালাইন কোণের নিচের, দিকে এমনভাবে ছড়িয়ে যায় যাতে তার চারদিকে একটি কালো পর্দার সৃষ্টি হয়। ফলে একটি ওমাটিডিয়াম কেবলমাত্র নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত লম্বভাবে প্রতিফলিত রশ্মিই গ্রহণ 'করতে পারে। তির্যকভাবে আগত পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের আলোকরশ্মি আইরিসের রঞ্জক পদার্থে শোষিত হয়। এ অবস্থায় একটি ওমাটিডিয়াম দিয়ে গঠিত প্রতিবিম্ব অনেকটা মোজাইক করা মেঝের পাথরের মতো মনে হয় বলে একে মোজাইক প্রতিবিম্ব বলা হয়। সুতরাং আলোর তারতম্যের ভিত্তিতে ঘাসফড়িং ভিন্ন ধরনের প্রতিবিম্ব গঠন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো