অধ্যায়-১ : জীবন পাঠ জীববিজ্ঞান

SSC জীববিজ্ঞান এর অধ্যায়-১ : জীবন পাঠ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৩৫৯

প্রশ্ন

জীববিজ্ঞান

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCজীববিজ্ঞানসৃজনশীল
জীববিজ্ঞান একটি বিশাল জ্ঞানের ভাণ্ডার। অধ্যয়নের সুবিধার জন্য জীববিজ্ঞানীগণ জীববিজ্ঞানকে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত করেছেন। জীববিজ্ঞানের শাখাগুলোর গুরুত্ব বর্ণনা করো।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCজীববিজ্ঞানসৃজনশীল

উদ্দীপক

জীবজগতকে পাঁচটি রাজ্যে ভাগ করা যায়, যেমন— question image

Barisal · 2016

ক
দেহকোষ কাকে বলে?

উত্তর

জীবের দেহ গঠনে অংশ গ্রহণকারী কোষকে দেহকোষ বলে।
খ
অনৈচ্ছিক পেশি বলতে কী বোঝ?

উত্তর

যে সকল পেশি প্রাণীর ইচ্ছানুযায়ী সংকুচিত বা প্রসারিত হয় না তাদের অনৈচ্ছিক পেশি বলা হয়। এ পেশি কোষগুলো মাকু আকৃতির। এদের গায়ে কোনো আড়াআড়ি দাগ থাকে না। এজন্য এ পেশিকে মসৃণ পেশিও বলা হয়। মেরুদণ্ডী প্রাণীদের রক্তনালি, পৌষ্টিকনালি ইত্যাদির প্রাচীরে অনৈচ্ছিক পেশি থাকে। অনৈচ্ছিক পেশি প্রধানত দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গাদির সঞ্চালনে অংশ নেয়।
গ
উদ্দীপকের কোন রাজ্যে পেনিসেলিয়াম এর অবস্থান ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত জীবজগতের পাঁচটি রাজ্যকে ক্রমানুসারে সাজালে তা দাঁড়ায় নিম্নরূপ— ১. মনেরা ২. প্রোটিস্টা ৩. ফানজাই ৪. প্লান্টি ৫. অ্যানিমেলিয়া। পেনিসিলিয়ামের বৈশিষ্ট্যগুলো বিশ্লেষণের মাধ্যমে তার রাজ্যগত অবস্থান সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব। নিচে পেনিসিলিয়ামের বৈশিষ্ট্যগুলো উল্লেখ করা হলো— i. এরা স্থলজ। ii. মৃতজীবী বা পরজীবী। iii. এদের উন্নত টিস্যুতন্ত্র অনুপস্থিত। iv. দেহ মাইসেলিয়াম দ্বারা গঠিত। v. নিউক্লিয়াস সুগঠিত। vi. দেহপ্রাচীর কাইটিন দ্বারা গঠিত। vii. খাদ্য গ্রহণ শোষণ পদ্ধতিতে ঘটে। viii. কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট অনুপস্থিত, তাই সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে না। ix. বংশবৃদ্ধি সাধারণত স্পোরের মাধ্যমে ঘটে থাকে। উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো ৩নং রাজ্য তথা ফানজাই রাজ্যের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। সুতরাং, পেনিসিলিয়াম এর অবস্থান জীবজগতের ৩নং রাজ্যে অর্থাৎ ফানজাই রাজ্যে।
ঘ
উদ্দীপকের রাজ্যসমূহের ক্রম উন্নতির যৌক্তিক কারণ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত জীবজগতের পাঁচটি রাজ্যকে ক্রমানুসারে সাজালে তা দাঁড়ায় নিম্নরূপ— ১. মনেরা ২. প্রোটিস্টা ৩. ফানজাই ৪. প্লান্টি ৫. অ্যানিমেলিয়া। উক্ত রাজ্যের জীবগুলোর বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, রাজ্য-১ এর জীবগুলো সরল এককোষী, প্রাককেন্দ্রিক এবং আণুবীক্ষণিক। কিন্তু পরবর্তী রাজ্যগুলোতে ক্রমান্বয়ে জীবগুলো জটিল থেকে জটিলতর আকার ধারণ করেছে। কোষের বৈশিষ্ট্য ও সংখ্যা, দেহের বৈশিষ্ট্য, খাদ্যাভ্যাসের প্রকৃতি, চলন ইত্যাদির ভিত্তিতে একটি রাজ্য থেকে তার পরবর্তী রাজ্যে অধিকতর সুগঠিত ও উন্নত জীব রয়েছে। যেমন- রাজ্য-১ এর জীবগুলোর নিউক্লিয়াস সুগঠিত নয়। রাজ্য-১ ও রাজ্য-২ এ এককোষী জীবের অবস্থান হলেও পরবর্তী রাজ্যগুলোতে বহুকোষী জীব রয়েছে। রাজ্য-২ ও রাজ্য-৩ এর জীবগুলোতে সুগঠিত টিস্যুতন্ত্র না থাকলেও রাজ্য-৪ ও রাজ্য-৫ এর জীবগুলোতে সুগঠিত টিস্যুতন্ত্র বিদ্যমান। রাজ্য-১ থেকে রাজ্য-৪ পর্যন্ত জীবগুলো খাদ্য গলাধঃকরণ করতে না পারলেও রাজ্য-৫ এর জীব তথা প্রাণীগুলো খাদ্য গলাধঃকরণ করতে পারে। এছাড়া রাজ্য-৫ এর অধিকাংশ জীব চলাফেরা করতে পারে কিন্তু এর পূর্বের কোনো রাজ্যের জীব সাধারণত চলাফেরা করতে পারে না। সুতরাং, এসকল যৌক্তিক কারণেই উক্ত রাজ্যসমূহকে ক্রম উন্নতি অনুসারে সাজানো হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো