পল্লিসাহিত্য বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর পল্লিসাহিত্য অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১২৭

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

ষাটোর্ধ্ব শমসের গাজি বাড়ি ফেরার পথে দেখেন দুজন যুবক মোবাইল ফোনে মরমি শিল্পী আব্দুল আলীমের গাওয়া 'পরের জায়গা পরের জমি, ঘর বানাইয়া আমি রই'... গানটি মনোযোগ দিয়ে শুনছে। তিনি তাদের কাছে গিয়ে বললেন, 'এখনকার ছেলেরা তো এ গানগুলো শোনে না, অথচ তোমরা ldots।' শমসের গাজির কথা শুনে যুবকরা বলে ওঠে, 'এ গানগুলোই তো বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণ।এগুলোকে কীভাবে ভুলি?' যুবকদের কথা মধুর মতো লাগে তাঁর কানে।

Dinajpur · 2019

ক
মনসুর বয়াতি কে?

উত্তর

মনসুর বয়াতি হলেন 'দেওয়ানা মদিনা' লোকগাথার প্রখ্যাত কবি।
খ
'নচেৎ এ সকল কেবলি ভুয়া, কেবলি ফক্কিকার'- লেখক একথা কেন বলেছেন?

উত্তর

"নচেৎ এ সকল কেবলি ভুয়া, কেবলি ফব্জিকার।"-পল্লিসাহিত্যের প্রতি যত্নশীল না হওয়ার কুফল সম্পর্কে বলতে গিয়ে লেখক এ কথা বলেছেন। পল্লিসাহিত্য আমাদের দেশের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। একসময় এ দেশের পল্লিসাহিত্য যথেষ্ট সমৃদ্ধ ছিল। বর্তমানে মানুষের রুচির পরিবর্তনে এগুলো লুপ্ত হতে চলেছে। ফলে পল্লিসাহিত্যের উপাদানগুলো এখন ধ্বংসের মুখে। অথচ অতীতে সর্বস্তরের মানুষ এই পল্লিসাহিত্য সম্পর্কে জানত এবং চর্চা করত। আর এখন সেগুলো অনাদৃত হয়ে পড়ে আছে। যদি চর্চার অভাবে এগুলো এভাবেই পড়ে থাকে তাহলে ভবিষ্যতে এগুলোর আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। তাই পল্লিজননীর সন্তানদের উচিত এগুলোর প্রতি গুরুত্ব দেওয়া, চর্চা করা। তা না হলে অবহেলা ও অনাদরে একসময় এগুলো বিলীন হয়ে যাবে। এ বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করা হয়েছে।
গ
উদ্দীপকের যুবকদের মাঝে 'পল্লিসাহিত্য' রচনার যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের যুবকদের মাঝে 'পল্লিসাহিত্য' রচনার পল্লিগানকে 'অমূল্যসম্পদ বিবেচনা করার দিকটি ফুটে উঠেছে। বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ পল্লিজননীর বুকের কোণে লুকিয়ে রয়েছে। পল্লিসাহিত্যের এই সম্পদ বাঙালির প্রাণের সঙ্গে মিশে আছে। পল্লির প্রাচীন সম্পদের মধ্যে অন্যতম একটি হলো পল্লিগান। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখক পল্লিগানগুলোকে পল্লিসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ বলে উল্লেখ করেছেন। এগানগুলোর মধ্যে রয়েছে জারি, সারি, ভাটিয়ালি, মারফতি, ভাওয়াইয়া ইত্যাদি। এই গানগুলো পল্লির সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনার কথা প্রকাশ করে। গ্রামবাংলার মানুষের ধ্যান-ধারণা, ভাব, কল্পনা ও অনুভূতির সঙ্গে এই গানগুলো জড়িয়ে রয়েছে। উদ্দীপকের যুবকদের মধ্যে 'পল্লিসাহিত্য' রচনার লেখকের এই চেতনারই প্রতিফলন ঘটেছে। তারা মনে করে আব্দুল আলীমের গাওয়া এই গানটি বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণ, অমূলা সম্পদ। এভাবে উদ্দীপকের যুবকদের মাঝে 'পল্লিসাহিত্য' রচনার পল্লিগানকে অমূল্য সম্পদ বিবেচনা করার দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ
উদ্দীপকের শমসের গাজি কি 'পল্লিসাহিত্য' রচনার লেখকের চেতনার ধারক? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

হ্যাঁ, উদ্দীপকের শমসের গাজি 'পল্লিসাহিত্য' রচনার লেখকের চেতনার ধারক। পল্লিসাহিত্য বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে আছে। বাঙালির এই প্রাণের সম্পদ আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। পল্লিসাহিত্যের গুরুত্ব অনুধাবন করে এগুলো সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে সবাইকে তৎপর হতে হবে। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে পল্লিসাহিত্যের কয়েকটি বিশেষ দিক তুলে ধরা হয়েছে। এ প্রবন্ধে লেখক পল্লিসাহিত্যের বিভিন্ন উপাদানের কথা বলতে গিয়ে পল্লিসাহিত্যের গুরুত্ব বর্ণনা করেছেন। তিনি পল্লিসাহিত্য সংরক্ষণ ও প্রসারের জন্য পল্লিসাহিত্যের বিচিত্র সম্পদ আহরণের কথা বলেছেন। কারণ তিনি মনে করেন এগুলো আমাদের অমূল্য সম্পদ। উদ্দীপকের শমসের গাজি পল্লিগীতি সম্পর্কে যুবকদের মতামত শূনে খুব খুশি হন। যুবকদের কথা তাঁর কানে মধুর মতো লাগে। কারণ তিনিও পল্লিসাহিত্যের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারেন। তাই যুব সমাজের মধ্যে এখানে ছড়িয়ে যাচ্ছে এবং তারা এগুলো পছন্দ করছে দেখে তার ভালো লাগে। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের লেখক পল্লিসাহিত্যের বিভিন্ন উপাদান সম্পর্কে আলোচনা করেছেন তা আমাদের মধ্যেও ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন। সেই চেতনা যুব সমাজের মধ্যে বিদ্যমান দেখে উদ্দীপকের শমসের গাজির ভালো লেগেছে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের শমসের গাজি 'পল্লিসাহিত্য' রচনার লেখকের চেতনার ধারক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

ষাটোর্ধ্ব শমসের গাজি বাড়ি ফেরার পথে দেখেন দুজন যুবক মোবাইল ফোনে মরমি শিল্পী আব্দুল আলীমের গাওয়া 'পরের জায়গা পরের জমি, ঘর বানাইয়া আমি রই'... গানটি মনোযোগ দিয়ে শুনছে। তিনি তাদের কাছে গিয়ে বললেন, 'এখনকার ছেলেরা তো এ গানগুলো শোনে না, অথচ তোমরা ldots।' শমসের গাজির কথা শুনে যুবকরা বলে ওঠে, 'এ গানগুলোই তো বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণ।এগুলোকে কীভাবে ভুলি?' যুবকদের কথা মধুর মতো লাগে তাঁর কানে।

Dinajpur · 2019

ক
মনসুর বয়াতি কে?

উত্তর

মনসুর বয়াতি হলেন 'দেওয়ানা মদিনা' লোকগাথার প্রখ্যাত কবি।
খ
'নচেৎ এ সকল কেবলি ভুয়া, কেবলি ফক্কিকার'- লেখক একথা কেন বলেছেন?

উত্তর

"নচেৎ এ সকল কেবলি ভুয়া, কেবলি ফব্জিকার।"-পল্লিসাহিত্যের প্রতি যত্নশীল না হওয়ার কুফল সম্পর্কে বলতে গিয়ে লেখক এ কথা বলেছেন। পল্লিসাহিত্য আমাদের দেশের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। একসময় এ দেশের পল্লিসাহিত্য যথেষ্ট সমৃদ্ধ ছিল। বর্তমানে মানুষের রুচির পরিবর্তনে এগুলো লুপ্ত হতে চলেছে। ফলে পল্লিসাহিত্যের উপাদানগুলো এখন ধ্বংসের মুখে। অথচ অতীতে সর্বস্তরের মানুষ এই পল্লিসাহিত্য সম্পর্কে জানত এবং চর্চা করত। আর এখন সেগুলো অনাদৃত হয়ে পড়ে আছে। যদি চর্চার অভাবে এগুলো এভাবেই পড়ে থাকে তাহলে ভবিষ্যতে এগুলোর আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। তাই পল্লিজননীর সন্তানদের উচিত এগুলোর প্রতি গুরুত্ব দেওয়া, চর্চা করা। তা না হলে অবহেলা ও অনাদরে একসময় এগুলো বিলীন হয়ে যাবে। এ বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করা হয়েছে।
গ
উদ্দীপকের যুবকদের মাঝে 'পল্লিসাহিত্য' রচনার যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের যুবকদের মাঝে 'পল্লিসাহিত্য' রচনার পল্লিগানকে 'অমূল্যসম্পদ বিবেচনা করার দিকটি ফুটে উঠেছে। বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ পল্লিজননীর বুকের কোণে লুকিয়ে রয়েছে। পল্লিসাহিত্যের এই সম্পদ বাঙালির প্রাণের সঙ্গে মিশে আছে। পল্লির প্রাচীন সম্পদের মধ্যে অন্যতম একটি হলো পল্লিগান। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখক পল্লিগানগুলোকে পল্লিসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ বলে উল্লেখ করেছেন। এগানগুলোর মধ্যে রয়েছে জারি, সারি, ভাটিয়ালি, মারফতি, ভাওয়াইয়া ইত্যাদি। এই গানগুলো পল্লির সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনার কথা প্রকাশ করে। গ্রামবাংলার মানুষের ধ্যান-ধারণা, ভাব, কল্পনা ও অনুভূতির সঙ্গে এই গানগুলো জড়িয়ে রয়েছে। উদ্দীপকের যুবকদের মধ্যে 'পল্লিসাহিত্য' রচনার লেখকের এই চেতনারই প্রতিফলন ঘটেছে। তারা মনে করে আব্দুল আলীমের গাওয়া এই গানটি বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণ, অমূলা সম্পদ। এভাবে উদ্দীপকের যুবকদের মাঝে 'পল্লিসাহিত্য' রচনার পল্লিগানকে অমূল্য সম্পদ বিবেচনা করার দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ
উদ্দীপকের শমসের গাজি কি 'পল্লিসাহিত্য' রচনার লেখকের চেতনার ধারক? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

হ্যাঁ, উদ্দীপকের শমসের গাজি 'পল্লিসাহিত্য' রচনার লেখকের চেতনার ধারক। পল্লিসাহিত্য বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে আছে। বাঙালির এই প্রাণের সম্পদ আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। পল্লিসাহিত্যের গুরুত্ব অনুধাবন করে এগুলো সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে সবাইকে তৎপর হতে হবে। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে পল্লিসাহিত্যের কয়েকটি বিশেষ দিক তুলে ধরা হয়েছে। এ প্রবন্ধে লেখক পল্লিসাহিত্যের বিভিন্ন উপাদানের কথা বলতে গিয়ে পল্লিসাহিত্যের গুরুত্ব বর্ণনা করেছেন। তিনি পল্লিসাহিত্য সংরক্ষণ ও প্রসারের জন্য পল্লিসাহিত্যের বিচিত্র সম্পদ আহরণের কথা বলেছেন। কারণ তিনি মনে করেন এগুলো আমাদের অমূল্য সম্পদ। উদ্দীপকের শমসের গাজি পল্লিগীতি সম্পর্কে যুবকদের মতামত শূনে খুব খুশি হন। যুবকদের কথা তাঁর কানে মধুর মতো লাগে। কারণ তিনিও পল্লিসাহিত্যের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারেন। তাই যুব সমাজের মধ্যে এখানে ছড়িয়ে যাচ্ছে এবং তারা এগুলো পছন্দ করছে দেখে তার ভালো লাগে। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের লেখক পল্লিসাহিত্যের বিভিন্ন উপাদান সম্পর্কে আলোচনা করেছেন তা আমাদের মধ্যেও ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন। সেই চেতনা যুব সমাজের মধ্যে বিদ্যমান দেখে উদ্দীপকের শমসের গাজির ভালো লেগেছে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের শমসের গাজি 'পল্লিসাহিত্য' রচনার লেখকের চেতনার ধারক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সিয়াম অবসরে হিন্দি ও ইংরেজি গান শোনে। তার বাবা আলমাস সাহেব তাকে জারি, সারি, ভাটিয়ালি ইত্যাদি বাংলা গান শোনার জন্য উৎসাহিত করেন এবং বলেন এ গানগুলো আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন করে। কিন্তু আজ বিদেশি সংস্কৃতির প্রভাবে আমাদের এসব গান হারিয়ে যাচ্ছে। এতকিছু বলার পরও সিয়ামের মানসিকতার পরিবর্তন হয়নি।

Sylhet · 2019

ক
আজকাল বাংলা সাহিত্যের কত আনা শহুরে সাহিত্য?

উত্তর

আজকাল বাংলা সাহিত্যের পনেরো আনা শহুরে সাহিত্য।
খ
“নচেৎ এ সকল কেবলি ভুয়া, কেবলি ফক্কিকার।” বলতে লেখক কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর

"নচেৎ এ সকল কেবলি ভুয়া, কেবলি ফব্জিকার।"-পল্লিসাহিত্যের প্রতি যত্নশীল না হওয়ার কুফল সম্পর্কে বলতে গিয়ে লেখক এ কথা বলেছেন। পল্লিসাহিত্য আমাদের দেশের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। একসময় এ দেশের পল্লিসাহিত্য যথেষ্ট সমৃদ্ধ ছিল। বর্তমানে মানুষের রুচির পরিবর্তনে এগুলো লুপ্ত হতে চলেছে। ফলে পল্লিসাহিত্যের উপাদানগুলো এখন ধ্বংসের মুখে। অথচ অতীতে সর্বস্তরের মানুষ এই পল্লিসাহিত্য সম্পর্কে জানত এবং চর্চা করত। আর এখন সেগুলো অনাদৃত হয়ে পড়ে আছে। যদি চর্চার অভাবে এগুলো এভাবেই পড়ে থাকে তাহলে ভবিষ্যতে এগুলোর আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। তাই পল্লিজননীর সন্তানদের উচিত এগুলোর প্রতি গুরুত্ব দেওয়া, চর্চা করা। তা না হলে অবহেলা ও অনাদরে একসময় এগুলো বিলীন হয়ে যাবে। এ বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করা হয়েছে।
গ
উদ্দীপকের আলমাস সাহেবের মানসিকতা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের কোন দিক নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের আলমাস সাহেবের মানসিকতা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতির সংরক্ষণ ও প্রসারের দিক নির্দেশ করে। সাহিত্যের ভান্ডারে দান করার মতো পল্লির ভান্ডারে সম্পদের অভাব নেই। পল্লির ঘাটে, মাঠে, পল্লিব আলো-বাতাসে, পল্লির প্রত্যেক পরতে পরতে সাহিত্য ছড়িয়ে আছে। আমাদের উচিত এ সম্পদকে সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও প্রসার ঘটানো। উদ্দীপকের আলমাস সাহেব তার ছেলের সিয়ামকে পল্লিসাহিত্যের অন্যতম উপাদান পল্লিগানের গুরুত্ব বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। তার ছেলে সিয়াম হিন্দি ও ইংরেজি গান শুনতে পছন্দ করে। আলমাস সাহেব তাকে বোঝান যে পল্লিগান যেমন- জারি, সারি, ভাটিয়ালি ইত্যাদি আমাদের দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন করে। অথচ আজ বিদেশি সংস্কৃতির প্রভাবে এসব গান হারিয়ে যাচ্ছে। আলমাস সাহেবের এই ভাবনার প্রকাশ 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখকের মধ্যে দেখা যায়। লেখক পল্লিসাহিত্যের পল্লিগানগুলোকে অমূল্য রত্নবিশেষ হিসেবে অবিহিত করেছেন। এ গানের সাথে শহুরে তুলনা হতে পারে না। সময় ও বুচির পরিবর্তনে এসব গান আজ ধ্বংসের মুখে। তাই পল্লির সন্তানদের উচিত এদিকে মনোযোগ দেওয়া। প্রবন্ধের এ দিকটিই উদ্দীপকের আলমাস সাহেবের মানসিকতায় প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ
"উদ্দীপকের সিয়ামের ধ্যান-ধারণা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের লেখকের ভাবনার পরিপন্থী।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

"উদ্দীপকের সিয়ামের ধ্যান-ধারণা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের লেখকের ভাবনার পরিপন্থী।"- মন্তব্যটি যথার্থ। পল্লিসাহিত্য আমাদের অমূল্য সম্পদ। বাংলাদেশের পল্লির আনাচে-কানাচে এ সম্পদ ছড়িয়ে আছে। অথচ আমরা সেদিকে নজর না দিয়ে বিদেশি সাহিত্য-সংস্কৃতির দিকে ঝুঁকে পড়ছি। যার ফলে পল্লিসাহিত্যের এসব সম্পদ বিলীন হয়ে যাচ্ছে। আমাদের উচিত এর সংরক্ষণ ও প্রসারণ নিশ্চিত করা। উদ্দীপকের সিয়াম হিন্দি ও ইংরেজি গান পছন্দ করে। অবসর পেলেই সে ঐসব গান শোনে। তার বাবা পল্লিগানের সম্পর্কে গুরুত্ব সম্পর্কে জানানোর পরও তার মানসিকতার কোনো পরিবর্তন হয় না। সিয়ামের এ ধরনের মানসিকতা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের লেখকের ভাবনার পরিপন্থী। কারণ লেখক এ প্রবন্ধে পল্লিসাহিত্যের গুরুত্ব তুলে ধরে এর সংরক্ষণ ও প্রসারের জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন আমাদের পল্লির আনাচে-কানাচে পল্লিসাহিত্য ছড়িয়ে আছে। সাহিত্যের ভান্ডারে দান করার মতো পল্লির নতুন সম্পদের অভাব নেই। অথচ রুচির ও সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে মানুষের অবহেলায় আজ তা ধ্বংসের পথে দাঁড়িয়েছে। এজন্য তিনি পল্লিজননীর সন্তানদের এদিকে মনোযোগ দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এর সংরক্ষণ ও প্রসারের জন্য। লেখকের এ ভাবনার সাথে উদ্দীপকের সিয়ামের ভাবনার পার্থক্য রয়েছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সিয়াম অবসরে হিন্দি ও ইংরেজি গান শোনে। তার বাবা আলমাস সাহেব তাকে জারি, সারি, ভাটিয়ালি ইত্যাদি বাংলা গান শোনার জন্য উৎসাহিত করেন এবং বলেন এ গানগুলো আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন করে। কিন্তু আজ বিদেশি সংস্কৃতির প্রভাবে আমাদের এসব গান হারিয়ে যাচ্ছে। এতকিছু বলার পরও সিয়ামের মানসিকতার পরিবর্তন হয়নি।

Sylhet · 2019

ক
আজকাল বাংলা সাহিত্যের কত আনা শহুরে সাহিত্য?

উত্তর

আজকাল বাংলা সাহিত্যের পনেরো আনা শহুরে সাহিত্য।
খ
“নচেৎ এ সকল কেবলি ভুয়া, কেবলি ফক্কিকার।” বলতে লেখক কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর

"নচেৎ এ সকল কেবলি ভুয়া, কেবলি ফব্জিকার।"-পল্লিসাহিত্যের প্রতি যত্নশীল না হওয়ার কুফল সম্পর্কে বলতে গিয়ে লেখক এ কথা বলেছেন। পল্লিসাহিত্য আমাদের দেশের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। একসময় এ দেশের পল্লিসাহিত্য যথেষ্ট সমৃদ্ধ ছিল। বর্তমানে মানুষের রুচির পরিবর্তনে এগুলো লুপ্ত হতে চলেছে। ফলে পল্লিসাহিত্যের উপাদানগুলো এখন ধ্বংসের মুখে। অথচ অতীতে সর্বস্তরের মানুষ এই পল্লিসাহিত্য সম্পর্কে জানত এবং চর্চা করত। আর এখন সেগুলো অনাদৃত হয়ে পড়ে আছে। যদি চর্চার অভাবে এগুলো এভাবেই পড়ে থাকে তাহলে ভবিষ্যতে এগুলোর আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। তাই পল্লিজননীর সন্তানদের উচিত এগুলোর প্রতি গুরুত্ব দেওয়া, চর্চা করা। তা না হলে অবহেলা ও অনাদরে একসময় এগুলো বিলীন হয়ে যাবে। এ বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করা হয়েছে।
গ
উদ্দীপকের আলমাস সাহেবের মানসিকতা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের কোন দিক নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের আলমাস সাহেবের মানসিকতা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতির সংরক্ষণ ও প্রসারের দিক নির্দেশ করে। সাহিত্যের ভান্ডারে দান করার মতো পল্লির ভান্ডারে সম্পদের অভাব নেই। পল্লির ঘাটে, মাঠে, পল্লিব আলো-বাতাসে, পল্লির প্রত্যেক পরতে পরতে সাহিত্য ছড়িয়ে আছে। আমাদের উচিত এ সম্পদকে সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও প্রসার ঘটানো। উদ্দীপকের আলমাস সাহেব তার ছেলের সিয়ামকে পল্লিসাহিত্যের অন্যতম উপাদান পল্লিগানের গুরুত্ব বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। তার ছেলে সিয়াম হিন্দি ও ইংরেজি গান শুনতে পছন্দ করে। আলমাস সাহেব তাকে বোঝান যে পল্লিগান যেমন- জারি, সারি, ভাটিয়ালি ইত্যাদি আমাদের দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন করে। অথচ আজ বিদেশি সংস্কৃতির প্রভাবে এসব গান হারিয়ে যাচ্ছে। আলমাস সাহেবের এই ভাবনার প্রকাশ 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখকের মধ্যে দেখা যায়। লেখক পল্লিসাহিত্যের পল্লিগানগুলোকে অমূল্য রত্নবিশেষ হিসেবে অবিহিত করেছেন। এ গানের সাথে শহুরে তুলনা হতে পারে না। সময় ও বুচির পরিবর্তনে এসব গান আজ ধ্বংসের মুখে। তাই পল্লির সন্তানদের উচিত এদিকে মনোযোগ দেওয়া। প্রবন্ধের এ দিকটিই উদ্দীপকের আলমাস সাহেবের মানসিকতায় প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ
"উদ্দীপকের সিয়ামের ধ্যান-ধারণা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের লেখকের ভাবনার পরিপন্থী।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

"উদ্দীপকের সিয়ামের ধ্যান-ধারণা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের লেখকের ভাবনার পরিপন্থী।"- মন্তব্যটি যথার্থ। পল্লিসাহিত্য আমাদের অমূল্য সম্পদ। বাংলাদেশের পল্লির আনাচে-কানাচে এ সম্পদ ছড়িয়ে আছে। অথচ আমরা সেদিকে নজর না দিয়ে বিদেশি সাহিত্য-সংস্কৃতির দিকে ঝুঁকে পড়ছি। যার ফলে পল্লিসাহিত্যের এসব সম্পদ বিলীন হয়ে যাচ্ছে। আমাদের উচিত এর সংরক্ষণ ও প্রসারণ নিশ্চিত করা। উদ্দীপকের সিয়াম হিন্দি ও ইংরেজি গান পছন্দ করে। অবসর পেলেই সে ঐসব গান শোনে। তার বাবা পল্লিগানের সম্পর্কে গুরুত্ব সম্পর্কে জানানোর পরও তার মানসিকতার কোনো পরিবর্তন হয় না। সিয়ামের এ ধরনের মানসিকতা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের লেখকের ভাবনার পরিপন্থী। কারণ লেখক এ প্রবন্ধে পল্লিসাহিত্যের গুরুত্ব তুলে ধরে এর সংরক্ষণ ও প্রসারের জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন আমাদের পল্লির আনাচে-কানাচে পল্লিসাহিত্য ছড়িয়ে আছে। সাহিত্যের ভান্ডারে দান করার মতো পল্লির নতুন সম্পদের অভাব নেই। অথচ রুচির ও সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে মানুষের অবহেলায় আজ তা ধ্বংসের পথে দাঁড়িয়েছে। এজন্য তিনি পল্লিজননীর সন্তানদের এদিকে মনোযোগ দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এর সংরক্ষণ ও প্রসারের জন্য। লেখকের এ ভাবনার সাথে উদ্দীপকের সিয়ামের ভাবনার পার্থক্য রয়েছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

অর্ণব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তি হয়ে 'বিজয় একাত্তর' হলে থাকে। অর্ণব দেখতে পেল মোবাইল ফোনে সহপাঠীরা হিন্দি, রক, ব্যান্ড-এর গান শুনতে পছন্দ করে। লোকসংগীতের প্রতি এই অনাগ্রহ দেখে অর্ণব মোবাইলে আব্বাস উদ্দিন, লালন, হাসন, পাগলা কানাই-এর গান শোনে। অর্ণবের উদ্যোগের ফলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধীরে ধীরে লোকসংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়।

Chittagong · 2019

ক
প্রবাদ বাক্য কী?

উত্তর

প্রবাদ বাক্য হলো দীর্ঘদিন ধরে লোকমুখে প্রচলিত বিশ্বাসযোগ্য কথা বা জনশ্রুতি।
খ
ছড়া সাহিত্যকে সরস প্রাণের জীবন্ত উৎস বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

মানুষের প্রাণের সরল প্রকাশের কারণে ছড়া সাহিত্যকে সরস প্রাণের জীবন্ত উৎস বলা হয়েছে। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখক পল্লিসাহিত্যের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। সেগুলোর মধ্যে ছড়া অন্যতম একটি। একসময় খেলার হলে আনন্দে শিশুরা বিভিন্ন ছড়া কাটত, মায়েরা ছড়া কেটে সুরে সুরে সন্তানদের ঘুম পাড়াত। মানুষ তখন এগুলো সহজ-সরল মনে রচনা করত বলে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ছিল মানুষের সহজ প্রাণের বহিঃপ্রকাশ। এ কারণে লেখক ছড়া সাহিত্যকে সরস প্রাণের জীবন্ত উৎস বলেছেন।
গ
উদ্দীপকের অর্ণবের সহপাঠীরা যে সাহিত্যের অনুরাগী তা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের অর্ণবের সহপাঠীরা যে সাহিত্যের অনুরাগী তা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে আলোচিত শহুরে সাহিত্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। পল্লিসাহিত্য এ দেশের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। একসময় এ দেশের পল্লিসাহিত্য যথেস্ট সমৃদ্ধ ছিল। বর্তমানে শহরে সাহিত্যের প্রভাবে তা নষ্ট হয়ে ধ্বংসের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। উদ্দীপকের অর্ণবের সহপাঠীরা যা পছন্দ করে তা হলো হিন্দি, রক ও ব্যান্ডের গান। তাদের শোনা এ গানগুলো নাগরিক সাহিত্য বা শহুরে সাহিত্যের অংশ। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখক এগুলোকে শহুরে সাহিত্য বা শহুরে গান বলেছেন। লেখকের মতে যে সাহিত্যে বাবু-বিবির কথা, রাজ-রাজড়ার কথা, বিজলি বাতির কথা রয়েছে তা মাগরিক বা শহুরে সাহিত্য। তাতে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা থাকে না। আলোচ্য উদ্দীপকের অর্ণবের সহপাঠীরা মোবাইল ফোনে যে গান শোনে বা যে সাহিত্যের অনুরাগী সেখানেও সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা নেই। কারণ তা শহরে সাহিত্য বা শহরে গান।
ঘ
"উদ্দীপকের অর্ণবের উদ্যোগই 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের লেখকের প্রত্যাশা।”- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

"উদ্দীপকের অর্ণবের উদ্যোগই 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের লেখকের প্রত্যাশা।"- মন্তব্যটি যথার্থ। পল্লিসাহিত্য বাঙালির প্রাণের সঙ্গে মিশে আছে। পল্লির বুকজুড়ে ছড়িয়ে থাকা পল্লিসাহিত্য মানুষের জীবনের কথা বলে। তাই এগুলো সংরক্ষণ করা একান্ত জরুরি। উদ্দীপকের অর্ণব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। লোকসংগীতের প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। তবে অর্ণবের সহপাঠীরা শহুরে সাহিত্যের প্রতি আসক্ত। তারা পল্লিগান বা লোকসংগীত পছন্দ করে না। অর্ণব লোকসংগীতের প্রতি সহপাঠীদের এই অনাগ্রহ দেখে মোবাইলে আব্বাস উদ্দিন, লালন শাহ, হাসন রাজা, পাগলা কানাই প্রমুখের গান শোনে। তার বাজানো গান শুনে তার সহপাঠীরা ধীরে ধীরে লোকসংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখক বাংলার পল্লিসাহিত্যের বিভিন্ন সম্পদ নিয়ে আলোচনা করেছেন। পল্লিসাহিত্য সম্পর্কে তাঁর অভিমত হলো এগুলো আমাদের অমূল্য সম্পদ, এগুলো সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে হবে। পল্লিসাহিত্যের প্রসারের জন্য আরও বেশি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মত দিয়েছেন। তিনি পল্লিসাহিত্যগুলো বাঁচিয়ে রাখার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। উদ্দীপকের অর্ণবের কর্মকাণ্ড লেখকের সেই প্রত্যাশাই পূরণ করে। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

অর্ণব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তি হয়ে 'বিজয় একাত্তর' হলে থাকে। অর্ণব দেখতে পেল মোবাইল ফোনে সহপাঠীরা হিন্দি, রক, ব্যান্ড-এর গান শুনতে পছন্দ করে। লোকসংগীতের প্রতি এই অনাগ্রহ দেখে অর্ণব মোবাইলে আব্বাস উদ্দিন, লালন, হাসন, পাগলা কানাই-এর গান শোনে। অর্ণবের উদ্যোগের ফলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধীরে ধীরে লোকসংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়।

Chittagong · 2019

ক
প্রবাদ বাক্য কী?

উত্তর

প্রবাদ বাক্য হলো দীর্ঘদিন ধরে লোকমুখে প্রচলিত বিশ্বাসযোগ্য কথা বা জনশ্রুতি।
খ
ছড়া সাহিত্যকে সরস প্রাণের জীবন্ত উৎস বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

মানুষের প্রাণের সরল প্রকাশের কারণে ছড়া সাহিত্যকে সরস প্রাণের জীবন্ত উৎস বলা হয়েছে। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখক পল্লিসাহিত্যের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। সেগুলোর মধ্যে ছড়া অন্যতম একটি। একসময় খেলার হলে আনন্দে শিশুরা বিভিন্ন ছড়া কাটত, মায়েরা ছড়া কেটে সুরে সুরে সন্তানদের ঘুম পাড়াত। মানুষ তখন এগুলো সহজ-সরল মনে রচনা করত বলে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ছিল মানুষের সহজ প্রাণের বহিঃপ্রকাশ। এ কারণে লেখক ছড়া সাহিত্যকে সরস প্রাণের জীবন্ত উৎস বলেছেন।
গ
উদ্দীপকের অর্ণবের সহপাঠীরা যে সাহিত্যের অনুরাগী তা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের অর্ণবের সহপাঠীরা যে সাহিত্যের অনুরাগী তা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে আলোচিত শহুরে সাহিত্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। পল্লিসাহিত্য এ দেশের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। একসময় এ দেশের পল্লিসাহিত্য যথেস্ট সমৃদ্ধ ছিল। বর্তমানে শহরে সাহিত্যের প্রভাবে তা নষ্ট হয়ে ধ্বংসের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। উদ্দীপকের অর্ণবের সহপাঠীরা যা পছন্দ করে তা হলো হিন্দি, রক ও ব্যান্ডের গান। তাদের শোনা এ গানগুলো নাগরিক সাহিত্য বা শহুরে সাহিত্যের অংশ। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখক এগুলোকে শহুরে সাহিত্য বা শহুরে গান বলেছেন। লেখকের মতে যে সাহিত্যে বাবু-বিবির কথা, রাজ-রাজড়ার কথা, বিজলি বাতির কথা রয়েছে তা মাগরিক বা শহুরে সাহিত্য। তাতে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা থাকে না। আলোচ্য উদ্দীপকের অর্ণবের সহপাঠীরা মোবাইল ফোনে যে গান শোনে বা যে সাহিত্যের অনুরাগী সেখানেও সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা নেই। কারণ তা শহরে সাহিত্য বা শহরে গান।
ঘ
"উদ্দীপকের অর্ণবের উদ্যোগই 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের লেখকের প্রত্যাশা।”- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

"উদ্দীপকের অর্ণবের উদ্যোগই 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের লেখকের প্রত্যাশা।"- মন্তব্যটি যথার্থ। পল্লিসাহিত্য বাঙালির প্রাণের সঙ্গে মিশে আছে। পল্লির বুকজুড়ে ছড়িয়ে থাকা পল্লিসাহিত্য মানুষের জীবনের কথা বলে। তাই এগুলো সংরক্ষণ করা একান্ত জরুরি। উদ্দীপকের অর্ণব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। লোকসংগীতের প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। তবে অর্ণবের সহপাঠীরা শহুরে সাহিত্যের প্রতি আসক্ত। তারা পল্লিগান বা লোকসংগীত পছন্দ করে না। অর্ণব লোকসংগীতের প্রতি সহপাঠীদের এই অনাগ্রহ দেখে মোবাইলে আব্বাস উদ্দিন, লালন শাহ, হাসন রাজা, পাগলা কানাই প্রমুখের গান শোনে। তার বাজানো গান শুনে তার সহপাঠীরা ধীরে ধীরে লোকসংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখক বাংলার পল্লিসাহিত্যের বিভিন্ন সম্পদ নিয়ে আলোচনা করেছেন। পল্লিসাহিত্য সম্পর্কে তাঁর অভিমত হলো এগুলো আমাদের অমূল্য সম্পদ, এগুলো সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে হবে। পল্লিসাহিত্যের প্রসারের জন্য আরও বেশি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মত দিয়েছেন। তিনি পল্লিসাহিত্যগুলো বাঁচিয়ে রাখার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। উদ্দীপকের অর্ণবের কর্মকাণ্ড লেখকের সেই প্রত্যাশাই পূরণ করে। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো