মমতাদি বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর মমতাদি অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১০৭

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

অকালে স্বামীকে হারিয়ে দুটি সন্তান নিয়ে দিশেহারা কল্পনা। জীবন-জীবিকার তাগিদে সহায়-সম্বলহীন কল্পনা পাশের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে। সকাল থেকে রাত অবধি কাজ করলেও গৃহকর্ত্রী আসমা বেগমের সন্তুষ্টি নেই। কোনো কাজে একটু ত্রুটি-বিচ্যুতি হলেই তাকে সহ্য করতে হয় নানা ধরনের কটূক্তি ও তিরষ্কার। সন্তান দুটির মুখে দুমুঠো ভাত ও নিজের কোনোরকম বেঁচে থাকার তাগিদে জলভরা চোখে সবকিছু নীরবে মেনে নেয় কল্পনা।

Dinajpur · 2020

মমতাদি তার মাইনে কত আশা করেছিলেন?

উত্তর

মমতাদি তার মাইনে বারো টাকা আশা করেছিল।
মমতাদিকে 'ছায়াময়ী মানবী' বলা হয়েছে কেন?

উত্তর

নিজেকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ না করে শুধু কাজের মধ্যে ডুবে থাকার কারণে লেখক মমতাদিকে 'ছায়াময়ী মানবী' বলেছেন। 'মমতাদি' গল্পে মমতাদি কাজ করতে এসে সবার কাছ থেকে নিজেকে আলাদা করে রাখত। প্রয়োজন ছাড়া কারও সঙ্গে কথা বলত না। নিজের খেয়ালে সব কাজ করে যেত। ছায়া যেমন শান্ত-স্নিগ্ধ, সেটা ধরা যায় না, মমতাদির ভেতরের কথাও তেমনই প্রকাশ্যে জানা যায় না। লেখক তাকে সব সময় নির্বিকার দেখেছেন। লেখকের মনে হয়েছে তার কোনো অনুভূতি নেই, নীরব। এ কারণেই তিনি মমতাদিকে 'ছায়াময়ী মানবী' বলেছেন।
উদ্দীপকের আসমা বেগমের সাথে 'মমতাদি' গল্পের গৃহকর্ত্রীর বৈসাদৃশ্য বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের আসমা বেগমের সাথে 'মমতাদি' গল্পের গৃহকর্ত্রীর মনমানসিকতায় বৈসাদৃশ্য রয়েছে। আমাদের সমাজে গৃহকর্মে নিয়োজিত মানুষেরা অবহেলার শিকার হয়। আমরা ভুলে যাই তারাও আমাদের মতো মানুষ। অভাবে পড়ে তারা অন্যের বাড়িতে কাজ করতে বাধ্য হয়। তারাও গৃহকর্ত্রীর কাছে স্নেহ-মমতা প্রত্যাশা করে। 'মমতাদি' গল্পের মমতাদির গৃহকর্ত্রী মানবিক চেতনার অধিকারী একজন নারী। তিনি বাড়ির কাজের লোক মমতাদির সঙ্গে আন্তরিক ব্যবহার করেছেন। তাকে মানুষ হিসেবে মর্যাদা দিয়েছেন। গৃহকর্ত্রী হয়েও মমতাদির আত্মমর্যাদা সমুন্নত রাখেন। মমতাদির সুবিধা-অসুবিধার কথা চিন্তা করেছেন। অন্যদিকে উদ্দীপকের আসমা বেগম কল্পনার সঙ্গে অমানবিক আচরণ করে। কল্পনা শত কাজ করেও আসমা বেগমের সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারেনি। একটু ত্রুটিবিচ্যুতি হলেই কটূক্তি ও তিরস্কার করেছে। সে আন্তরিক ও সুহূদয় নয়। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের আসমা বেগমের সঙ্গে আলোচ্য গল্পের গৃহকর্ত্রীর বৈসাদৃশ্য মানসিকতায়।
"উদ্দীপকের কল্পনা যেন 'মমতাদি' গল্পের মমতাদির বাস্তব রূপায়ণ।” মূল্যায়ন কর।

উত্তর

"উদ্দীপকের কল্পনা যেন 'মমতাদি' গল্পের মমতাদির বাস্তব রূপায়ণ”- মন্তব্যটি যথার্থ। আমাদের সমাজে গৃহকর্মীর কাজ করা মানুষগুলো অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করে। কিন্তু মানুষ তাদের সঠিকভাবে মূল্যায়ন করে না। অথচ তারা পরিশ্রম করে সংসারে টিকে থাকতে চায়। উদ্দীপকের কল্পনা অকালে স্বামীকে হারিয়ে দুটি সন্তান নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে। জীবন-জীবিকার তাগিদে সে পাশের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ নেয়। সকাল থেকে রাত অবধি সে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে। গৃহকত্রীর তিরস্কার সহ্য করেও সে কঠোর পরিশ্রম করে সন্তানদের মুখে দুমুঠো খাবার তুলে দেওয়ার জন্য। 'মমতাদি' গল্পের মমতাদিও অভাবে পড়ে অন্যের বাড়িতে কাজ করতে যায়। বাড়ির কাজগুলো অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে। বাড়ির কাজের প্রতি দায়িত্ববোধে সবাই তার প্রতি মুগ্ধ হয়। উদ্দীপকের কল্পনা ও 'মমতাদি' গল্পের মমতাদি উভয়েই অভাব-অনটনে পড়ে অন্যের বাড়িতে কাজ করতে বাধ্য হয়। তারা কাজে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়। উভয়েই সংসারের জন্য লড়াই করতে থাকে। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

অকালে স্বামীকে হারিয়ে দুটি সন্তান নিয়ে দিশেহারা কল্পনা। জীবন-জীবিকার তাগিদে সহায়-সম্বলহীন কল্পনা পাশের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে। সকাল থেকে রাত অবধি কাজ করলেও গৃহকর্ত্রী আসমা বেগমের সন্তুষ্টি নেই। কোনো কাজে একটু ত্রুটি-বিচ্যুতি হলেই তাকে সহ্য করতে হয় নানা ধরনের কটূক্তি ও তিরষ্কার। সন্তান দুটির মুখে দুমুঠো ভাত ও নিজের কোনোরকম বেঁচে থাকার তাগিদে জলভরা চোখে সবকিছু নীরবে মেনে নেয় কল্পনা।

Dinajpur · 2020

মমতাদি তার মাইনে কত আশা করেছিলেন?

উত্তর

মমতাদি তার মাইনে বারো টাকা আশা করেছিল।
মমতাদিকে 'ছায়াময়ী মানবী' বলা হয়েছে কেন?

উত্তর

নিজেকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ না করে শুধু কাজের মধ্যে ডুবে থাকার কারণে লেখক মমতাদিকে 'ছায়াময়ী মানবী' বলেছেন। 'মমতাদি' গল্পে মমতাদি কাজ করতে এসে সবার কাছ থেকে নিজেকে আলাদা করে রাখত। প্রয়োজন ছাড়া কারও সঙ্গে কথা বলত না। নিজের খেয়ালে সব কাজ করে যেত। ছায়া যেমন শান্ত-স্নিগ্ধ, সেটা ধরা যায় না, মমতাদির ভেতরের কথাও তেমনই প্রকাশ্যে জানা যায় না। লেখক তাকে সব সময় নির্বিকার দেখেছেন। লেখকের মনে হয়েছে তার কোনো অনুভূতি নেই, নীরব। এ কারণেই তিনি মমতাদিকে 'ছায়াময়ী মানবী' বলেছেন।
উদ্দীপকের আসমা বেগমের সাথে 'মমতাদি' গল্পের গৃহকর্ত্রীর বৈসাদৃশ্য বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের আসমা বেগমের সাথে 'মমতাদি' গল্পের গৃহকর্ত্রীর মনমানসিকতায় বৈসাদৃশ্য রয়েছে। আমাদের সমাজে গৃহকর্মে নিয়োজিত মানুষেরা অবহেলার শিকার হয়। আমরা ভুলে যাই তারাও আমাদের মতো মানুষ। অভাবে পড়ে তারা অন্যের বাড়িতে কাজ করতে বাধ্য হয়। তারাও গৃহকর্ত্রীর কাছে স্নেহ-মমতা প্রত্যাশা করে। 'মমতাদি' গল্পের মমতাদির গৃহকর্ত্রী মানবিক চেতনার অধিকারী একজন নারী। তিনি বাড়ির কাজের লোক মমতাদির সঙ্গে আন্তরিক ব্যবহার করেছেন। তাকে মানুষ হিসেবে মর্যাদা দিয়েছেন। গৃহকর্ত্রী হয়েও মমতাদির আত্মমর্যাদা সমুন্নত রাখেন। মমতাদির সুবিধা-অসুবিধার কথা চিন্তা করেছেন। অন্যদিকে উদ্দীপকের আসমা বেগম কল্পনার সঙ্গে অমানবিক আচরণ করে। কল্পনা শত কাজ করেও আসমা বেগমের সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারেনি। একটু ত্রুটিবিচ্যুতি হলেই কটূক্তি ও তিরস্কার করেছে। সে আন্তরিক ও সুহূদয় নয়। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের আসমা বেগমের সঙ্গে আলোচ্য গল্পের গৃহকর্ত্রীর বৈসাদৃশ্য মানসিকতায়।
"উদ্দীপকের কল্পনা যেন 'মমতাদি' গল্পের মমতাদির বাস্তব রূপায়ণ।” মূল্যায়ন কর।

উত্তর

"উদ্দীপকের কল্পনা যেন 'মমতাদি' গল্পের মমতাদির বাস্তব রূপায়ণ”- মন্তব্যটি যথার্থ। আমাদের সমাজে গৃহকর্মীর কাজ করা মানুষগুলো অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করে। কিন্তু মানুষ তাদের সঠিকভাবে মূল্যায়ন করে না। অথচ তারা পরিশ্রম করে সংসারে টিকে থাকতে চায়। উদ্দীপকের কল্পনা অকালে স্বামীকে হারিয়ে দুটি সন্তান নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে। জীবন-জীবিকার তাগিদে সে পাশের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ নেয়। সকাল থেকে রাত অবধি সে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে। গৃহকত্রীর তিরস্কার সহ্য করেও সে কঠোর পরিশ্রম করে সন্তানদের মুখে দুমুঠো খাবার তুলে দেওয়ার জন্য। 'মমতাদি' গল্পের মমতাদিও অভাবে পড়ে অন্যের বাড়িতে কাজ করতে যায়। বাড়ির কাজগুলো অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে। বাড়ির কাজের প্রতি দায়িত্ববোধে সবাই তার প্রতি মুগ্ধ হয়। উদ্দীপকের কল্পনা ও 'মমতাদি' গল্পের মমতাদি উভয়েই অভাব-অনটনে পড়ে অন্যের বাড়িতে কাজ করতে বাধ্য হয়। তারা কাজে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়। উভয়েই সংসারের জন্য লড়াই করতে থাকে। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

ছালেহার মা মারা যাওয়ার পর সে খালার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। তার এই অনাকাঙ্ক্ষিত আগমন খালা ভালোভাবে মেনে নেয়নি বরং মনে মনে ভীষণ অখুশি। তাকে দিয়ে প্রতিনিয়ত সংসারের কাজ করিয়ে নিচ্ছে। নিরুপায় ছালেহা সবকিছু নীরবে সহ্য করে। ছালেহার কাজ-কর্মে এবং আচরণে খালা ব্যতীত বাড়ির সকলে ভীষণ খুশি।

Comilla · 2020

'পর্দা ঠেলে উপার্জন' কী?

উত্তর

'পর্দা ঠেলে উপার্জন' হলো নারীদের অন্তঃপুরে থাকার প্রথা ভেঙে বাইরে এসে আয়-রোজগার করা।
মমতাদিকে ছায়াময়ী মানবী বলা হয়েছে কেন?

উত্তর

নিজেকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ না করে শুধু কাজের মধ্যে ডুবে থাকার কারণে লেখক মমতাদিকে 'ছায়াময়ী মানবী' বলেছেন। 'মমতাদি' গল্পে মমতাদি কাজ করতে এসে সবার কাছ থেকে নিজেকে আলাদা করে রাখত। প্রয়োজন ছাড়া কারও সঙ্গে কথা বলত না। নিজের খেয়ালে সব কাজ করে যেত। ছায়া যেমন শান্ত-স্নিগ্ধ, সেটা ধরা যায় না, মমতাদির ভেতরের কথাও তেমনই প্রকাশ্যে জানা যায় না। লেখক তাকে সব সময় নির্বিকার দেখেছেন। লেখকের মনে হয়েছে তার কোনো অনুভূতি নেই, নীরব। এ কারণেই তিনি মমতাদিকে 'ছায়াময়ী মানবী' বলেছেন।
উদ্দীপকের ছালেহা খালার বাড়িতে আশ্রয় নেয়ার ক্ষেত্রে 'মমতাদি' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে তা বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের ছালেহা খালার বাড়িতে আশ্রয় নেওয়ার ক্ষেত্রে 'মমতাদি' গল্পের মমতাদির স্বামীর চাকরি চলে যাওয়ায় অন্যের বাড়িতে কাজ নেওয়ার দিকটি ফুটে উঠেছে। মানবজীবন অনিশ্চয়তায় ভরা। কার যে কখন অসহায় অবস্থার মধ্যে পড়তে হয় কেউ তা জানে না। আজ যে সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে কাল সে সেই অবস্থায় নাও থাকতে পারে। উদ্দীপকে দেখা যায়, মা মারা যাওয়ার পর ছালেহা খালার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। তার এই আগমন খালা মেনে নিতে পারে না। সে তাকে দিয়ে ঘরের সব কাজ করায়। ছালেহার কাজকর্মে অন্য সবাই খুশি হলেও খালা খুশি হতে পারে না। 'মমতাদি' গল্পেও দেখা যায়, স্বামীর চাকরি চলে যাওয়ার কারণে অসহায় মমতাদি পরের বাড়িতে কাজ নিতে বাধ্য হয়। সে সর্বদা মনোযোগের সঙ্গে কাজ করে যায়। ছালেহার মতো মমতাদির কাজে সবাই খুব সন্তুষ্ট হয় এবং তাকে পরিবারের একজন সদস্য মনে করে। অবশ্য উদ্দীপকে ছালেহার খালা সালেহাকে সহ্য করতে পারে না।
“উদ্দীপকের বক্তব্যে 'মমতাদি' গল্পের সমগ্র অংশ ধারণ করেনি।”- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।

উত্তর

“উদ্দীপকের বক্তব্য 'মমতাদি' গল্পের সমগ্র অংশ ধারণ করেনি।”- মন্তব্যটি যথার্থ। সমাজে সব মানুষের অবস্থান একরকম হয় না। অনেক সময় মানুষকে অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনেক কাজ করতে হয়, যা তার প্রত্যাশিত নয়। তাই কোনো মানুষ সম্পর্কে না জেনে-বুঝে কোনো মন্তব্য বা খারাপ আচরণ করা উচিত নয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, মা মারা যাওয়ার কারণে ছালেহা খালার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। তার আগমন খালা মেনে নিতে পারে না। এ জন্য তাকে দিয়ে সংসারের সব কাজ করিয়ে নেয়। খালা ছাড়া অন্য সবাই তার কাজ ও আচরণে খুব খুশি। সালেহার মতোই 'মমতাদি' গল্পের মমতাদি স্বামীর চাকরি চলে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে অন্যের বাড়িতে কাজ নেয়। এখানে অবস্থাগত মিল থাকলেও উদ্দীপকটি 'মমতাদি' গল্পের সমগ্র বিষয়কে ধারণ করেনি। গল্পে মমতাদির সবার কাছে আপন হয়ে ওঠা এবং গৃহকর্ত্রীর একান্ত নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠার বিষয়টি উদ্দীপকে নেই। উদ্দীপকে ছালেহার খালা নির্দয় ও স্বার্থপর; 'মমতাদি' গল্পে গৃহকর্ত্রী উদার ও মানবিক। 'মমতাদি' গল্পের মমতাদি ছালেহার মতো অন্যের বাড়ি গিয়ে কাজ করার দিক দিয়ে এক হলেও গল্পের অন্যান্য বিষয়- যেমন গৃহকর্মীদের প্রতি ভালোবাসা, তাদের প্রতি সহমর্মিতা, তাদের গুরুত্ব, নারীর ব্যক্তিত্ববোধ ইত্যাদি বিষয় অনুপস্থিত। তাই সার্বিক বিচারে বলা যায়, উদ্দীপকের বক্তব্য 'মমতাদি' গল্পের সমগ্র অংশ ধারণ করেনি। সুতরাং বলা যায়, মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

ছালেহার মা মারা যাওয়ার পর সে খালার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। তার এই অনাকাঙ্ক্ষিত আগমন খালা ভালোভাবে মেনে নেয়নি বরং মনে মনে ভীষণ অখুশি। তাকে দিয়ে প্রতিনিয়ত সংসারের কাজ করিয়ে নিচ্ছে। নিরুপায় ছালেহা সবকিছু নীরবে সহ্য করে। ছালেহার কাজ-কর্মে এবং আচরণে খালা ব্যতীত বাড়ির সকলে ভীষণ খুশি।

Comilla · 2020

'পর্দা ঠেলে উপার্জন' কী?

উত্তর

'পর্দা ঠেলে উপার্জন' হলো নারীদের অন্তঃপুরে থাকার প্রথা ভেঙে বাইরে এসে আয়-রোজগার করা।
মমতাদিকে ছায়াময়ী মানবী বলা হয়েছে কেন?

উত্তর

নিজেকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ না করে শুধু কাজের মধ্যে ডুবে থাকার কারণে লেখক মমতাদিকে 'ছায়াময়ী মানবী' বলেছেন। 'মমতাদি' গল্পে মমতাদি কাজ করতে এসে সবার কাছ থেকে নিজেকে আলাদা করে রাখত। প্রয়োজন ছাড়া কারও সঙ্গে কথা বলত না। নিজের খেয়ালে সব কাজ করে যেত। ছায়া যেমন শান্ত-স্নিগ্ধ, সেটা ধরা যায় না, মমতাদির ভেতরের কথাও তেমনই প্রকাশ্যে জানা যায় না। লেখক তাকে সব সময় নির্বিকার দেখেছেন। লেখকের মনে হয়েছে তার কোনো অনুভূতি নেই, নীরব। এ কারণেই তিনি মমতাদিকে 'ছায়াময়ী মানবী' বলেছেন।
উদ্দীপকের ছালেহা খালার বাড়িতে আশ্রয় নেয়ার ক্ষেত্রে 'মমতাদি' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে তা বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের ছালেহা খালার বাড়িতে আশ্রয় নেওয়ার ক্ষেত্রে 'মমতাদি' গল্পের মমতাদির স্বামীর চাকরি চলে যাওয়ায় অন্যের বাড়িতে কাজ নেওয়ার দিকটি ফুটে উঠেছে। মানবজীবন অনিশ্চয়তায় ভরা। কার যে কখন অসহায় অবস্থার মধ্যে পড়তে হয় কেউ তা জানে না। আজ যে সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে কাল সে সেই অবস্থায় নাও থাকতে পারে। উদ্দীপকে দেখা যায়, মা মারা যাওয়ার পর ছালেহা খালার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। তার এই আগমন খালা মেনে নিতে পারে না। সে তাকে দিয়ে ঘরের সব কাজ করায়। ছালেহার কাজকর্মে অন্য সবাই খুশি হলেও খালা খুশি হতে পারে না। 'মমতাদি' গল্পেও দেখা যায়, স্বামীর চাকরি চলে যাওয়ার কারণে অসহায় মমতাদি পরের বাড়িতে কাজ নিতে বাধ্য হয়। সে সর্বদা মনোযোগের সঙ্গে কাজ করে যায়। ছালেহার মতো মমতাদির কাজে সবাই খুব সন্তুষ্ট হয় এবং তাকে পরিবারের একজন সদস্য মনে করে। অবশ্য উদ্দীপকে ছালেহার খালা সালেহাকে সহ্য করতে পারে না।
“উদ্দীপকের বক্তব্যে 'মমতাদি' গল্পের সমগ্র অংশ ধারণ করেনি।”- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।

উত্তর

“উদ্দীপকের বক্তব্য 'মমতাদি' গল্পের সমগ্র অংশ ধারণ করেনি।”- মন্তব্যটি যথার্থ। সমাজে সব মানুষের অবস্থান একরকম হয় না। অনেক সময় মানুষকে অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনেক কাজ করতে হয়, যা তার প্রত্যাশিত নয়। তাই কোনো মানুষ সম্পর্কে না জেনে-বুঝে কোনো মন্তব্য বা খারাপ আচরণ করা উচিত নয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, মা মারা যাওয়ার কারণে ছালেহা খালার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। তার আগমন খালা মেনে নিতে পারে না। এ জন্য তাকে দিয়ে সংসারের সব কাজ করিয়ে নেয়। খালা ছাড়া অন্য সবাই তার কাজ ও আচরণে খুব খুশি। সালেহার মতোই 'মমতাদি' গল্পের মমতাদি স্বামীর চাকরি চলে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে অন্যের বাড়িতে কাজ নেয়। এখানে অবস্থাগত মিল থাকলেও উদ্দীপকটি 'মমতাদি' গল্পের সমগ্র বিষয়কে ধারণ করেনি। গল্পে মমতাদির সবার কাছে আপন হয়ে ওঠা এবং গৃহকর্ত্রীর একান্ত নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠার বিষয়টি উদ্দীপকে নেই। উদ্দীপকে ছালেহার খালা নির্দয় ও স্বার্থপর; 'মমতাদি' গল্পে গৃহকর্ত্রী উদার ও মানবিক। 'মমতাদি' গল্পের মমতাদি ছালেহার মতো অন্যের বাড়ি গিয়ে কাজ করার দিক দিয়ে এক হলেও গল্পের অন্যান্য বিষয়- যেমন গৃহকর্মীদের প্রতি ভালোবাসা, তাদের প্রতি সহমর্মিতা, তাদের গুরুত্ব, নারীর ব্যক্তিত্ববোধ ইত্যাদি বিষয় অনুপস্থিত। তাই সার্বিক বিচারে বলা যায়, উদ্দীপকের বক্তব্য 'মমতাদি' গল্পের সমগ্র অংশ ধারণ করেনি। সুতরাং বলা যায়, মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ১৯৯১ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে বনেদি পরিবারের পুত্রবধু ফিরোজা সর্বস্বান্ত হন। একজন হৃদয়বান পদস্থ কর্মকর্তা সুলতান সাহেব দুসন্তানসহ ফিরোজাকে আশ্রয় দেন। ফিরোজার কর্মদক্ষতা ও সততায় মুগ্ধ হয়ে সুলতান সাহেবের পরিবার তাদেরকে আপন করে নেন। সুলতান সাহেব ফিরোজার দুসন্তানকে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দেন। সময়ের পরিক্রমায় ফিরোজার দুসন্তান এখন কর্মক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত।

Mymensingh · 2023

'অনাড়ম্বর' অর্থ কী?

উত্তর

'অনাড়ম্বর' অর্থ জাঁকজমকহীন।
মমতাদিকে 'ছায়াময়ী মানবী' বলা হয়েছে কেন?

উত্তর

মমতাদির প্রথম দিকের শব্দহীন, অনুভূতিহীন, নির্বিকার আচরণ লক্ষ করে খোকার মনে হয়েছে, মমতাদি যেন ছায়াময়ী মানবী। খোকা মমতাদির সঙ্গে ভাব করতে চেয়েছিল। কিন্তু প্রথম দিন কাজে এসে মমতাদি সবাইকে উপেক্ষা করে চলল। মমতাদি কাজগুলোকে আপন করে নিল, মানুষগুলোর দিকে ফিরেও দেখল না। মমতাদি তার আচরণের কারণে খোকার ধরা-ছোঁয়ার অতীত হয়ে থাকল। আর মমতাদির এমন শব্দহীন, অনুভূতিহীন, নির্বিকার আচরণের কারণে খোকার মনে হলো মমতাদি যেন 'ছায়াময়ী মানবী'। উত্তরের মূলকথা : মমতাদি নীরব শব্দহীন হয়ে সকল কাজ করায় তাকে 'ছায়াময়ী মানবী' বলা হয়েছে।
উদ্দীপকের ফিরোজা 'মমতাদি' গল্পের মমতাদির সাথে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের ফিরোজা 'মমতাদি' গল্পের মমতাদির সাথে কর্মকাডগত দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'মমতাদি' গল্পে মমতাদির স্বামীর চাকরি নেই। তাই তাকে অভাবের তাড়নায় অন্যের বাড়িতে গিয়ে ঝিয়ের কাজ করতে হয়। কাজের ক্ষেত্রে সে অত্যন্ত কর্মনিষ্ঠ, দ্বায়িত্বশীল ও আন্তরিক। তার কাজে বাড়ির সবাই সন্তুষ্ট। বাড়ির গৃহকর্ত্রী অত্যন্ত আন্তরিক। উদ্দীপকে বর্ণিত ফিরোজা প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে সর্বস্বান্ত হলে হৃদয়বান পদস্থ কর্মকর্তা সুলতান সাহেব দুসন্তানসহ ফিরোজাকে আশ্রয় দেয়। শুধু আশ্রয় দিয়েই নয়, ফিরোজার দুসন্তানকে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দেয়। ফিরোজার দুসন্তান এখন কর্মক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত। উদ্দীপকের ফিরোজা সুলতান সাহেবের সংসারের যাবতীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করেছে, ঠিক তেমনি মমতাদিও গৃহের সব কাজ করেছে। এমনকি গৃহকর্ত্রীর ছেলেকেও আদর-স্নেহ দিয়েছে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের ফিরোজা 'মমতাদি' গল্পের মমতাদির সাথে কর্মকাডগত দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপকের সুলতান সাহেব 'মমতাদি' গল্পের গৃহকর্ত্রীর প্রতিনিধিত্ব করেন কি? যুক্তিসহ আলোচনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের সুলতান সাহেব 'মমতাদি' গল্পের গৃহকর্ত্রীর প্রতিনিধিত্ব করেন। 'মমতাদি' গল্পে মমতাদি আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন নারী হয়েও সংসারের অভাব-অনটনের কারণে অন্যের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ নেয়। কারণ তার স্বামীর ইতোমধ্যে কোনো চাকরি না থাকায় তাকে এই কাজ করতে হচ্ছে। তাই সে কাজে-কর্মে কোনো ফাঁকি দেয় না। নিজের দ্বায়িত্ববোধ থেকেই কাজ করে চলে। তার কাজে গৃহকর্ত্রীসহ সকলেই খুশি হয়। মমতাদির বিপদ সময়ে কোনো গৃহকর্মীর প্রয়োজন তেমন না থাকলেও মমতাদিকে দেখে গৃহকর্ত্রীর মায়া জন্মে। তাই তাকে ঝিয়ের কাজ করার জন্য রেখে দেয়। মমতাদি কাজের মাইনে বারো টাকা অনুমান করলেও তাকে পনেরো টাকা দেওয়া হয়। তাছাড়া গৃহকর্ত্রী মমতার কাজে এবং আচরণে খুশি হয়ে তাদের পরিবারের একজন সদস্য মনে করে আপন করে নেয়। উদ্দীপকে বর্ণিত সুলতান সাহেব ঘূর্ণিঝড়ে স্বর্বস্বান্ত বনেদি ঘরের পুত্রবধূ ফিরোজাকে দুসন্তানসহ আশ্রয় দেন। সুলাতান সাহেব শুধু আশ্রয় দিয়েই ক্ষান্ত হননি। ফিরোজার দুসন্তানকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে কর্মক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত করে গড়ে তোলেন। উদ্দীপকের সুলতান সাহেব এবং 'মমতাদি' গল্পের গৃহকর্ত্রী উভয়ই বিপদাপন্ন মানুষকে আশ্রয় দিয়ে তাদের পাশে থেকে স্বাবলম্বী হতে সহযোগিতা করেছেন। 'মমতাদি' গল্পে গৃহকর্ত্রী যেমন মমতার দুর্দিনে কাজ দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল উদ্দীপকের সুলতান সাহেবও ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত ফিরোজাকে আশ্রয় দিয়ে এবং সন্তানদের লেখাপড়া শিখিয়ে কর্মক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করেছেন। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের সুলতান সাহেব 'মমতাদি' গল্পের গৃহকর্ত্রীর সাহায্য-সহযোগিতার দিকটিকে প্রতিনিধিত্ব করেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ১৯৯১ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে বনেদি পরিবারের পুত্রবধু ফিরোজা সর্বস্বান্ত হন। একজন হৃদয়বান পদস্থ কর্মকর্তা সুলতান সাহেব দুসন্তানসহ ফিরোজাকে আশ্রয় দেন। ফিরোজার কর্মদক্ষতা ও সততায় মুগ্ধ হয়ে সুলতান সাহেবের পরিবার তাদেরকে আপন করে নেন। সুলতান সাহেব ফিরোজার দুসন্তানকে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দেন। সময়ের পরিক্রমায় ফিরোজার দুসন্তান এখন কর্মক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত।

Mymensingh · 2023

'অনাড়ম্বর' অর্থ কী?

উত্তর

'অনাড়ম্বর' অর্থ জাঁকজমকহীন।
মমতাদিকে 'ছায়াময়ী মানবী' বলা হয়েছে কেন?

উত্তর

মমতাদির প্রথম দিকের শব্দহীন, অনুভূতিহীন, নির্বিকার আচরণ লক্ষ করে খোকার মনে হয়েছে, মমতাদি যেন ছায়াময়ী মানবী। খোকা মমতাদির সঙ্গে ভাব করতে চেয়েছিল। কিন্তু প্রথম দিন কাজে এসে মমতাদি সবাইকে উপেক্ষা করে চলল। মমতাদি কাজগুলোকে আপন করে নিল, মানুষগুলোর দিকে ফিরেও দেখল না। মমতাদি তার আচরণের কারণে খোকার ধরা-ছোঁয়ার অতীত হয়ে থাকল। আর মমতাদির এমন শব্দহীন, অনুভূতিহীন, নির্বিকার আচরণের কারণে খোকার মনে হলো মমতাদি যেন 'ছায়াময়ী মানবী'। উত্তরের মূলকথা : মমতাদি নীরব শব্দহীন হয়ে সকল কাজ করায় তাকে 'ছায়াময়ী মানবী' বলা হয়েছে।
উদ্দীপকের ফিরোজা 'মমতাদি' গল্পের মমতাদির সাথে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের ফিরোজা 'মমতাদি' গল্পের মমতাদির সাথে কর্মকাডগত দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'মমতাদি' গল্পে মমতাদির স্বামীর চাকরি নেই। তাই তাকে অভাবের তাড়নায় অন্যের বাড়িতে গিয়ে ঝিয়ের কাজ করতে হয়। কাজের ক্ষেত্রে সে অত্যন্ত কর্মনিষ্ঠ, দ্বায়িত্বশীল ও আন্তরিক। তার কাজে বাড়ির সবাই সন্তুষ্ট। বাড়ির গৃহকর্ত্রী অত্যন্ত আন্তরিক। উদ্দীপকে বর্ণিত ফিরোজা প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে সর্বস্বান্ত হলে হৃদয়বান পদস্থ কর্মকর্তা সুলতান সাহেব দুসন্তানসহ ফিরোজাকে আশ্রয় দেয়। শুধু আশ্রয় দিয়েই নয়, ফিরোজার দুসন্তানকে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দেয়। ফিরোজার দুসন্তান এখন কর্মক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত। উদ্দীপকের ফিরোজা সুলতান সাহেবের সংসারের যাবতীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করেছে, ঠিক তেমনি মমতাদিও গৃহের সব কাজ করেছে। এমনকি গৃহকর্ত্রীর ছেলেকেও আদর-স্নেহ দিয়েছে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের ফিরোজা 'মমতাদি' গল্পের মমতাদির সাথে কর্মকাডগত দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপকের সুলতান সাহেব 'মমতাদি' গল্পের গৃহকর্ত্রীর প্রতিনিধিত্ব করেন কি? যুক্তিসহ আলোচনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের সুলতান সাহেব 'মমতাদি' গল্পের গৃহকর্ত্রীর প্রতিনিধিত্ব করেন। 'মমতাদি' গল্পে মমতাদি আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন নারী হয়েও সংসারের অভাব-অনটনের কারণে অন্যের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ নেয়। কারণ তার স্বামীর ইতোমধ্যে কোনো চাকরি না থাকায় তাকে এই কাজ করতে হচ্ছে। তাই সে কাজে-কর্মে কোনো ফাঁকি দেয় না। নিজের দ্বায়িত্ববোধ থেকেই কাজ করে চলে। তার কাজে গৃহকর্ত্রীসহ সকলেই খুশি হয়। মমতাদির বিপদ সময়ে কোনো গৃহকর্মীর প্রয়োজন তেমন না থাকলেও মমতাদিকে দেখে গৃহকর্ত্রীর মায়া জন্মে। তাই তাকে ঝিয়ের কাজ করার জন্য রেখে দেয়। মমতাদি কাজের মাইনে বারো টাকা অনুমান করলেও তাকে পনেরো টাকা দেওয়া হয়। তাছাড়া গৃহকর্ত্রী মমতার কাজে এবং আচরণে খুশি হয়ে তাদের পরিবারের একজন সদস্য মনে করে আপন করে নেয়। উদ্দীপকে বর্ণিত সুলতান সাহেব ঘূর্ণিঝড়ে স্বর্বস্বান্ত বনেদি ঘরের পুত্রবধূ ফিরোজাকে দুসন্তানসহ আশ্রয় দেন। সুলাতান সাহেব শুধু আশ্রয় দিয়েই ক্ষান্ত হননি। ফিরোজার দুসন্তানকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে কর্মক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত করে গড়ে তোলেন। উদ্দীপকের সুলতান সাহেব এবং 'মমতাদি' গল্পের গৃহকর্ত্রী উভয়ই বিপদাপন্ন মানুষকে আশ্রয় দিয়ে তাদের পাশে থেকে স্বাবলম্বী হতে সহযোগিতা করেছেন। 'মমতাদি' গল্পে গৃহকর্ত্রী যেমন মমতার দুর্দিনে কাজ দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল উদ্দীপকের সুলতান সাহেবও ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত ফিরোজাকে আশ্রয় দিয়ে এবং সন্তানদের লেখাপড়া শিখিয়ে কর্মক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করেছেন। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের সুলতান সাহেব 'মমতাদি' গল্পের গৃহকর্ত্রীর সাহায্য-সহযোগিতার দিকটিকে প্রতিনিধিত্ব করেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSC বাংলা ১ম পত্র — মমতাদি MCQ | Prosthuti