সেইদিন এই মাঠ বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর সেইদিন এই মাঠ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৪০

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

উদ্দীপক-১: যখন মৃত্যু ঘুমে শুয়ে রবো- অন্ধকারে নক্ষত্রের নিচে, কাঁঠাল গাছের তলে- হয়তো বা ধলেশ্বরী চিলাইয়ের পাশে দিনমান কোনো মুখ হয়তো সে শ্মশানের কাছে নাহি আসে তবুও কাঁঠাল জাম বাংলার তাহাদের ছায়া যে পড়িছে আমার বুকের 'পরে- আমার মুখের 'পরে নীরবে ঝরিছে নিবিড় হয়েছে তাই আমার চিতার ছাইয়ে বাংলার ঘাস। উদ্দীপক-২ : আমার দেশের মাটিতে আমার প্রাণ নিতি লভে নব জীবনের সন্ধান এখানে প্লাবনে নুহের কিন্তুি ভাসে শান্তি কপোত বারতা লইয়া আসে জেগেছে নতুন চর সেই চরে ফের মানুষেরা সব পাশাপাশি বাঁধে ঘর।

Jessore · 2022

পৃথিবীর কোন সভ্যতাটি ধুলো হয়ে গেছে?

উত্তর

পৃথিবীর 'এশিরিয়া' সভ্যতাটি ধুলো হয়ে গেছে।
“সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে”- বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর

'সোনার স্বপ্নের সাধ' বলতে কবি বিচিত্র বিবর্তনের মধ্যেও প্রকৃতির রূপ-রস-গন্ধ চিরন্তন থাকাকে বুঝিয়েছেন। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের এবং মানুষের স্বপ্নের অমরত্বের দিকটি তুলে ধরেছেন। বিচিত্র বিবর্তনের মধ্যেও রূপ-রস-গন্ধ নিয়ে প্রকৃতি টিকে থাকে। প্রকৃতির মতো পৃথিবীতে কল্যাণকর্ম বিলীন হয় না। শুধু ব্যক্তি বা কর্মী হারিয়ে যায়। তবে ব্যক্তির স্বপ্ন হারায় না। কবি মনে করেন, তিনি যখন পৃথিবীতে থাকবেন না তখনও প্রকৃতি তার অফুরন্ত ঐশ্বর্য নিয়ে মানুষের স্বপ্ন, সাধ ও কল্পনাকে তৃপ্ত করে যাবে। পৃথিবীতে প্রকৃতির নিয়মের এই স্বাভাবিকতা বোঝাতেই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
দৃশ্যপট-১ এর সাথে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার সাদৃশ্যগত দিকটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

দৃশ্যপট-১-এর সঙ্গে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার সাদৃশ্যগত দিকটি হলো প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের দিক। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবিতার বর্ণনায় কবি তুলে ধরেছেন, আপন রূপ-রস-গন্ধ নিয়ে প্রকৃতি চির প্রবহমান। প্রকৃতির সৌন্দর্য কখনো শেষ হয় না। নশ্বর এই পৃথিবীতে মানুষ একসময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে কিন্তু প্রকৃতির বহমানতা চিরকালীন । উদ্দীপকের দৃশ্যপট-১-এ কবি প্রকৃতির সৌন্দর্য চেতনায় লীন হয়ে থাকার অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি তাঁর স্বদেশপ্রকৃতির চিরচেনা নক্ষত্রের রাত, কাঁঠাল গাছের ছায়া, ধলেশ্বরী, চিলাই নদীর সৌন্দর্য অবলোকন করেন। মৃত্যুর পরও তা অবিকল রয়ে যাবে, সৌন্দর্য ছড়াবে। কবির কাছে চিতার ছাই বাংলার সবুজ ঘাসের মতো মনে হয় স্বদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও অনুরাগের কারণে। উদ্দীপকের দৃশ্যপট-১-এর এই চেতনা 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিতায় কবিও প্রকৃতির রূপ-রস-গন্ধ-বর্ণের অমলিনতার কথা বলেছেন। কবি এখানে প্রকৃতির সৌন্দর্যের অমরত্বের দিকটি তুলে ধরেছেন। এই চেতনা উদ্দীপকের দৃশ্যপট-১ যথাযথভাবে ধারণ করেছে।
দৃশ্যপট-২ এ ধ্বংসের পর মানুষের নবজীবনের পদচারণা 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

দৃশ্যপট-২-এ ধ্বংসের পর মানুষের নবজীবনের পদচারণা 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের সঙ্গে মানুষের স্বপ্নের অবিনশ্বরতার বিষয় ভাবনায় প্রতিফলিত হয়েছে। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি তুলে ধরেছেন, পৃথিবীতে মানুষ ও মানুষের তৈরি সভ্যতা নশ্বর। মানুষের তৈরি কোনোকিছুই অবিনশ্বর হতে পারে না। এ ক্ষেত্রে প্রকৃতি অবিনশ্বর, প্রকৃতি টিকে থাকে চিরকাল। প্রকৃতির সঙ্গে টিকে থাকে মানুষের স্বপ্ন। স্বপ্নের মৃত্যু নেই। প্রকৃতির অবিনশ্বরতার সঙ্গে মানুষের স্বপ্ন ও স্বপ্নের গল্প মিলেমিশে অবিনশ্বর হয়ে ওঠে। উদ্দীপকের দৃশ্যপট-২-এ ধ্বংসের পর আবার মানুষের নবজাগরণ ঘটার কথা বলা হয়েছে। এখানে স্বদেশের মাটি, আলো, বাতাসে মিশে থাকা প্রাণের পুনর্জাগরণের দিকটি প্রতিফলিত হওয়ার বর্ণনা পাওয়া যায়। এখানে নুহের প্লাবনের চেতনা ধ্বংসের আর শান্তির কপোতের বারতা নিয়ে আসা নবজীবনের প্রত্যাশা পূরণের বিষয়। একদিকে ভাঙনে মানুষের অস্তিত্ব সংকট, অন্যদিকে নতুন চর জেগে ওঠায় মানুষের নবজীবনের জয়গান, নতুনভাবে বাঁচার অনুপ্রেরণা। উদ্দীপকের দৃশ্যপট-২-এর চেতনার সঙ্গে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার বিষয়গত চেতনার মিল লক্ষ করা যায়। আলোচ্য কবিতায় কবি মানুষের স্বপ্নের অবিনশ্বরতার কথা বলেছেন। তিনি যখন এই পৃথিবীতে থাকবেন না তখনও এখানকার প্রকৃতি তার অফুরন্ত ঐশ্বর্য নিয়ে মানুষের স্বপ্ন-সাধ ও কল্পনাকে তৃপ্ত করে যাবে। আর এর সঙ্গে মানুষের স্বপ্নও বেঁচে থাকবে। নব নব চেতনায় প্রতিফলিত হবে। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি বলেছেন যে জাগতিক নিয়মে অবিনশ্বর প্রকৃতির বিপরীতে নশ্বর মানবজীবনস্রোত। মানুষ মরে গেলেও প্রকৃতির প্রবহমানতা থামে না, সময়ের ব্যবধানে কেবল ধারা বদলায়। এই ধারা বদলানোর বিষয়টির সঙ্গে দৃশ্যপট-২-এর মূলভাব একসূত্রে গাঁথা। মানুষের স্বপ্নের প্রবহমানতা প্রকৃতির সঙ্গে এক হয়ে টিকে থাকে। এভাবে দৃশ্যপট-২-এ ধ্বংসের পর নবজীবনের পদচারণা, মানুষের স্বপ্নের অবিনশ্বরতার ধারায় প্রবহমান।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

উদ্দীপক-১: যখন মৃত্যু ঘুমে শুয়ে রবো- অন্ধকারে নক্ষত্রের নিচে, কাঁঠাল গাছের তলে- হয়তো বা ধলেশ্বরী চিলাইয়ের পাশে দিনমান কোনো মুখ হয়তো সে শ্মশানের কাছে নাহি আসে তবুও কাঁঠাল জাম বাংলার তাহাদের ছায়া যে পড়িছে আমার বুকের 'পরে- আমার মুখের 'পরে নীরবে ঝরিছে নিবিড় হয়েছে তাই আমার চিতার ছাইয়ে বাংলার ঘাস। উদ্দীপক-২ : আমার দেশের মাটিতে আমার প্রাণ নিতি লভে নব জীবনের সন্ধান এখানে প্লাবনে নুহের কিন্তুি ভাসে শান্তি কপোত বারতা লইয়া আসে জেগেছে নতুন চর সেই চরে ফের মানুষেরা সব পাশাপাশি বাঁধে ঘর।

Jessore · 2022

পৃথিবীর কোন সভ্যতাটি ধুলো হয়ে গেছে?

উত্তর

পৃথিবীর 'এশিরিয়া' সভ্যতাটি ধুলো হয়ে গেছে।
“সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে”- বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর

'সোনার স্বপ্নের সাধ' বলতে কবি বিচিত্র বিবর্তনের মধ্যেও প্রকৃতির রূপ-রস-গন্ধ চিরন্তন থাকাকে বুঝিয়েছেন। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের এবং মানুষের স্বপ্নের অমরত্বের দিকটি তুলে ধরেছেন। বিচিত্র বিবর্তনের মধ্যেও রূপ-রস-গন্ধ নিয়ে প্রকৃতি টিকে থাকে। প্রকৃতির মতো পৃথিবীতে কল্যাণকর্ম বিলীন হয় না। শুধু ব্যক্তি বা কর্মী হারিয়ে যায়। তবে ব্যক্তির স্বপ্ন হারায় না। কবি মনে করেন, তিনি যখন পৃথিবীতে থাকবেন না তখনও প্রকৃতি তার অফুরন্ত ঐশ্বর্য নিয়ে মানুষের স্বপ্ন, সাধ ও কল্পনাকে তৃপ্ত করে যাবে। পৃথিবীতে প্রকৃতির নিয়মের এই স্বাভাবিকতা বোঝাতেই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
দৃশ্যপট-১ এর সাথে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার সাদৃশ্যগত দিকটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

দৃশ্যপট-১-এর সঙ্গে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার সাদৃশ্যগত দিকটি হলো প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের দিক। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবিতার বর্ণনায় কবি তুলে ধরেছেন, আপন রূপ-রস-গন্ধ নিয়ে প্রকৃতি চির প্রবহমান। প্রকৃতির সৌন্দর্য কখনো শেষ হয় না। নশ্বর এই পৃথিবীতে মানুষ একসময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে কিন্তু প্রকৃতির বহমানতা চিরকালীন । উদ্দীপকের দৃশ্যপট-১-এ কবি প্রকৃতির সৌন্দর্য চেতনায় লীন হয়ে থাকার অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি তাঁর স্বদেশপ্রকৃতির চিরচেনা নক্ষত্রের রাত, কাঁঠাল গাছের ছায়া, ধলেশ্বরী, চিলাই নদীর সৌন্দর্য অবলোকন করেন। মৃত্যুর পরও তা অবিকল রয়ে যাবে, সৌন্দর্য ছড়াবে। কবির কাছে চিতার ছাই বাংলার সবুজ ঘাসের মতো মনে হয় স্বদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও অনুরাগের কারণে। উদ্দীপকের দৃশ্যপট-১-এর এই চেতনা 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিতায় কবিও প্রকৃতির রূপ-রস-গন্ধ-বর্ণের অমলিনতার কথা বলেছেন। কবি এখানে প্রকৃতির সৌন্দর্যের অমরত্বের দিকটি তুলে ধরেছেন। এই চেতনা উদ্দীপকের দৃশ্যপট-১ যথাযথভাবে ধারণ করেছে।
দৃশ্যপট-২ এ ধ্বংসের পর মানুষের নবজীবনের পদচারণা 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

দৃশ্যপট-২-এ ধ্বংসের পর মানুষের নবজীবনের পদচারণা 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের সঙ্গে মানুষের স্বপ্নের অবিনশ্বরতার বিষয় ভাবনায় প্রতিফলিত হয়েছে। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি তুলে ধরেছেন, পৃথিবীতে মানুষ ও মানুষের তৈরি সভ্যতা নশ্বর। মানুষের তৈরি কোনোকিছুই অবিনশ্বর হতে পারে না। এ ক্ষেত্রে প্রকৃতি অবিনশ্বর, প্রকৃতি টিকে থাকে চিরকাল। প্রকৃতির সঙ্গে টিকে থাকে মানুষের স্বপ্ন। স্বপ্নের মৃত্যু নেই। প্রকৃতির অবিনশ্বরতার সঙ্গে মানুষের স্বপ্ন ও স্বপ্নের গল্প মিলেমিশে অবিনশ্বর হয়ে ওঠে। উদ্দীপকের দৃশ্যপট-২-এ ধ্বংসের পর আবার মানুষের নবজাগরণ ঘটার কথা বলা হয়েছে। এখানে স্বদেশের মাটি, আলো, বাতাসে মিশে থাকা প্রাণের পুনর্জাগরণের দিকটি প্রতিফলিত হওয়ার বর্ণনা পাওয়া যায়। এখানে নুহের প্লাবনের চেতনা ধ্বংসের আর শান্তির কপোতের বারতা নিয়ে আসা নবজীবনের প্রত্যাশা পূরণের বিষয়। একদিকে ভাঙনে মানুষের অস্তিত্ব সংকট, অন্যদিকে নতুন চর জেগে ওঠায় মানুষের নবজীবনের জয়গান, নতুনভাবে বাঁচার অনুপ্রেরণা। উদ্দীপকের দৃশ্যপট-২-এর চেতনার সঙ্গে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার বিষয়গত চেতনার মিল লক্ষ করা যায়। আলোচ্য কবিতায় কবি মানুষের স্বপ্নের অবিনশ্বরতার কথা বলেছেন। তিনি যখন এই পৃথিবীতে থাকবেন না তখনও এখানকার প্রকৃতি তার অফুরন্ত ঐশ্বর্য নিয়ে মানুষের স্বপ্ন-সাধ ও কল্পনাকে তৃপ্ত করে যাবে। আর এর সঙ্গে মানুষের স্বপ্নও বেঁচে থাকবে। নব নব চেতনায় প্রতিফলিত হবে। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি বলেছেন যে জাগতিক নিয়মে অবিনশ্বর প্রকৃতির বিপরীতে নশ্বর মানবজীবনস্রোত। মানুষ মরে গেলেও প্রকৃতির প্রবহমানতা থামে না, সময়ের ব্যবধানে কেবল ধারা বদলায়। এই ধারা বদলানোর বিষয়টির সঙ্গে দৃশ্যপট-২-এর মূলভাব একসূত্রে গাঁথা। মানুষের স্বপ্নের প্রবহমানতা প্রকৃতির সঙ্গে এক হয়ে টিকে থাকে। এভাবে দৃশ্যপট-২-এ ধ্বংসের পর নবজীবনের পদচারণা, মানুষের স্বপ্নের অবিনশ্বরতার ধারায় প্রবহমান।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যপট-১ : বাঁশ বাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই এমন সময় মাগো আমার কাজলা দিদি কই? লেবুর তলে পুকুর পাড়ে, ঝিঁঝিঁ ডাকে ঝোপে-ঝাড়ে, ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না- তাই তো জেগে রই; দৃশ্যপট-২ : একদিন মাটির ভিতরে হবে ঘর রে মন আমার, কেন বান্ধ দালান ঘর রে মন আমার .\ldots.

Dinajpur · 2022

'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় চালতাফুল কিসের জলে ভিজবে?

উত্তর

'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় চালতাফুল শিশিরের জলে ভিজবে।
'সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

উল্লিখিত চরণটি দিয়ে কবি বুঝিয়েছেন যে, বিচিত্র বিবর্তনের মধ্যেেও প্রকৃতি তার রূপ-রস-গন্ধ কখনই হারিয়ে ফেলে না। কবি মনে করেন তিনি যখন থাকবেন না তখনও প্রকৃতি তার অফুরন্ত ঐশ্বর্য নিয়ে মানুষের স্বপ্ন, সাধ ও কল্পনাকে তৃপ্ত করে যাবে। পৃথিবীতে মানবকল্যাণের বাণী বা কল্যাণকর্ম কোনো কিছুই বিলীন হয় না। শুধু ব্যক্তি হারিয়ে যায়। কারও মৃত্যুতেই পৃথিবীর গতিময়তা ও প্রকৃতির স্বাভাবিকতায় কোনো ব্যাঘাত ঘটে না। কবি মনে করেন তিনি না থাকলে লক্ষ্মীপেঁচার গান বন্ধ হবে না। পৃথিবীর সবকিছুই স্বাভাবিক নিয়মে চলবে।
দৃশ্যপট-১ এর সাথে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

দৃশ্যপট-১-এর সঙ্গে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার প্রকৃতির অবিনশ্বরতা এবং মানুষের নশ্বরতার দিকটির সাদৃশ্য ফুটে উঠেছে। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবির বর্ণনায় উঠে এসেছে- মানুষ মরণশীল, আর প্রকৃতি অবিনশ্বর। মানুষের জীবন এবং মানুষের তৈরি সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু প্রকৃতির নিয়মে তৈরি কোনো কিছুই ধ্বংস হয় না। কালের বিবর্তন ধারায় মানুষ হারিয়ে গেলেও প্রকৃতি রূপবৈচিত্র্য ও সৌন্দর্য নিয়ে টিকে থাকে। উদ্দীপকে প্রকৃতির সৌন্দর্যের অম্লান ও অক্ষয় অবস্থা এবং তার মধ্য থেকে মানুষের হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে বাঁশবাগান, চাঁদ, পুকুরপাড়, ঝোপ-ঝাড়, ঝিঁঝিঁ পোকা, লেবুর গন্ধ অবিকল আগের মতোই আছে; নেই শুধু কাজলা দিদি। কারণ দিদি মৃত্যুর মধ্য দিয়ে চিরতরে হারিয়ে গেছে। উদ্দীপকে মানুষের এই নশ্বরতা এবং প্রকৃতির অক্ষুণ্ণ থাকার বিষয়টি 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিতায়ও কবি নদী, নক্ষত্র, চালতা ফুল, লক্ষ্মীপেঁচা, ভিজে গন্ধ প্রভৃতির কথা বলেছেন, যা অবিকল আগের মতোই রয়েছে। এগুলোর ক্ষয় বা লয় নেই; শুধু কবি থাকবেন না। কারণ মানুষ এবং মানুষের গড়া সভ্যতা বিলীন হয়ে যায়। কিন্তু প্রকৃতি বিলীন হয় না। তাই বলা যায়, দৃশ্যপট-১-এর সঙ্গে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার প্রকৃতির অবিনশ্বরতা এবং মানুষের নশ্বরতার দিকটির সাদৃশ্য ফুটে উঠেছে।
দৃশ্যপট-২ এ 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মূলভাব প্রকাশ পেয়েছে কি? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

মৃত্যু চেতনার প্রকাশ থাকায় দৃশ্যপট-২-এ 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মূলভাব প্রকাশ পেয়েছে বলে আমি মনে করি। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবির গভীর জীবনতৃষ্ণার প্রকাশ ঘটেছে। কবির বর্ণনায় উঠে এসেছে- মানুষের মৃত্যু পৃথিবীর চির বহমানতা কে রোধ করতে পারে না। কারণ মানুষের মৃত্যুতে প্রকৃতির স্বাভাবিকতায় কোনো ব্যাঘাত ঘটে না। প্রকৃতি স্বাভাবিক নিয়মেই তার রূপ-রস-গন্ধ-সৌন্দর্য বিলিয়ে যায়। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মূলভাব মূলত মৃত্যু চেতনাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। প্রকৃতির, রূপ-রস-গন্ধ কখনই নিঃশেষ হয় না। কিন্তু মানুষের মৃত্যু হয়, সভ্যতার পতন হয়, আবার নতুন সভ্যতার জন্মও হয়। চক্রাকার এই পরিভ্রমণে শুধু ব্যক্তিমানুষের মৃত্যু হয়। মানুষ তার প্রয়োজনে 'দালান ঘর'সদৃশ সভ্যতা নির্মাণ করে, নতুন রাজ্য জয় করে, আরাম-আয়েশের জন্য যন্ত্র-প্রযুক্তিও নির্মাণ করে। পৃথিবীতে সেসব ক্ষণস্থায়ী হয়। কিন্তু মানুষের শেষ স্থান হয় মাটির ভিতরে অর্থাৎ কবরে। উদ্দীপকেও মানুষের মৃত্যু চেতনার দিকটি ফুটে উঠেছে। নিজের মনের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছে যে, কেন দালানঘর বাঁধতে ইচ্ছে হয় মানুষের। মৃত্যুই তো একদিন গ্রাস করবে মানুষকে। এশিরিয় ও ব্যাবিলনীয় সভ্যতার পতন হয়ে গেছে, নতুন পৃথিবীর সূচনা হয়েছে, সংস্কৃতি-সভ্যতার নব উন্মেষ ঘটেছে; কিন্তু ব্যক্তি মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। দৃশ্যপট-২-এ মৃত্যু চেতনা যেন কবিতার মূলভাবের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে মিশে একাকার হয়ে গেছে। তাই আমি মনে করি, দৃশ্যপট-২-এ 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মূলভাব প্রকাশ পেয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যপট-১ : বাঁশ বাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই এমন সময় মাগো আমার কাজলা দিদি কই? লেবুর তলে পুকুর পাড়ে, ঝিঁঝিঁ ডাকে ঝোপে-ঝাড়ে, ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না- তাই তো জেগে রই; দৃশ্যপট-২ : একদিন মাটির ভিতরে হবে ঘর রে মন আমার, কেন বান্ধ দালান ঘর রে মন আমার .\ldots.

Dinajpur · 2022

'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় চালতাফুল কিসের জলে ভিজবে?

উত্তর

'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় চালতাফুল শিশিরের জলে ভিজবে।
'সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

উল্লিখিত চরণটি দিয়ে কবি বুঝিয়েছেন যে, বিচিত্র বিবর্তনের মধ্যেেও প্রকৃতি তার রূপ-রস-গন্ধ কখনই হারিয়ে ফেলে না। কবি মনে করেন তিনি যখন থাকবেন না তখনও প্রকৃতি তার অফুরন্ত ঐশ্বর্য নিয়ে মানুষের স্বপ্ন, সাধ ও কল্পনাকে তৃপ্ত করে যাবে। পৃথিবীতে মানবকল্যাণের বাণী বা কল্যাণকর্ম কোনো কিছুই বিলীন হয় না। শুধু ব্যক্তি হারিয়ে যায়। কারও মৃত্যুতেই পৃথিবীর গতিময়তা ও প্রকৃতির স্বাভাবিকতায় কোনো ব্যাঘাত ঘটে না। কবি মনে করেন তিনি না থাকলে লক্ষ্মীপেঁচার গান বন্ধ হবে না। পৃথিবীর সবকিছুই স্বাভাবিক নিয়মে চলবে।
দৃশ্যপট-১ এর সাথে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

দৃশ্যপট-১-এর সঙ্গে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার প্রকৃতির অবিনশ্বরতা এবং মানুষের নশ্বরতার দিকটির সাদৃশ্য ফুটে উঠেছে। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবির বর্ণনায় উঠে এসেছে- মানুষ মরণশীল, আর প্রকৃতি অবিনশ্বর। মানুষের জীবন এবং মানুষের তৈরি সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু প্রকৃতির নিয়মে তৈরি কোনো কিছুই ধ্বংস হয় না। কালের বিবর্তন ধারায় মানুষ হারিয়ে গেলেও প্রকৃতি রূপবৈচিত্র্য ও সৌন্দর্য নিয়ে টিকে থাকে। উদ্দীপকে প্রকৃতির সৌন্দর্যের অম্লান ও অক্ষয় অবস্থা এবং তার মধ্য থেকে মানুষের হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে বাঁশবাগান, চাঁদ, পুকুরপাড়, ঝোপ-ঝাড়, ঝিঁঝিঁ পোকা, লেবুর গন্ধ অবিকল আগের মতোই আছে; নেই শুধু কাজলা দিদি। কারণ দিদি মৃত্যুর মধ্য দিয়ে চিরতরে হারিয়ে গেছে। উদ্দীপকে মানুষের এই নশ্বরতা এবং প্রকৃতির অক্ষুণ্ণ থাকার বিষয়টি 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিতায়ও কবি নদী, নক্ষত্র, চালতা ফুল, লক্ষ্মীপেঁচা, ভিজে গন্ধ প্রভৃতির কথা বলেছেন, যা অবিকল আগের মতোই রয়েছে। এগুলোর ক্ষয় বা লয় নেই; শুধু কবি থাকবেন না। কারণ মানুষ এবং মানুষের গড়া সভ্যতা বিলীন হয়ে যায়। কিন্তু প্রকৃতি বিলীন হয় না। তাই বলা যায়, দৃশ্যপট-১-এর সঙ্গে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার প্রকৃতির অবিনশ্বরতা এবং মানুষের নশ্বরতার দিকটির সাদৃশ্য ফুটে উঠেছে।
দৃশ্যপট-২ এ 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মূলভাব প্রকাশ পেয়েছে কি? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

মৃত্যু চেতনার প্রকাশ থাকায় দৃশ্যপট-২-এ 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মূলভাব প্রকাশ পেয়েছে বলে আমি মনে করি। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবির গভীর জীবনতৃষ্ণার প্রকাশ ঘটেছে। কবির বর্ণনায় উঠে এসেছে- মানুষের মৃত্যু পৃথিবীর চির বহমানতা কে রোধ করতে পারে না। কারণ মানুষের মৃত্যুতে প্রকৃতির স্বাভাবিকতায় কোনো ব্যাঘাত ঘটে না। প্রকৃতি স্বাভাবিক নিয়মেই তার রূপ-রস-গন্ধ-সৌন্দর্য বিলিয়ে যায়। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মূলভাব মূলত মৃত্যু চেতনাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। প্রকৃতির, রূপ-রস-গন্ধ কখনই নিঃশেষ হয় না। কিন্তু মানুষের মৃত্যু হয়, সভ্যতার পতন হয়, আবার নতুন সভ্যতার জন্মও হয়। চক্রাকার এই পরিভ্রমণে শুধু ব্যক্তিমানুষের মৃত্যু হয়। মানুষ তার প্রয়োজনে 'দালান ঘর'সদৃশ সভ্যতা নির্মাণ করে, নতুন রাজ্য জয় করে, আরাম-আয়েশের জন্য যন্ত্র-প্রযুক্তিও নির্মাণ করে। পৃথিবীতে সেসব ক্ষণস্থায়ী হয়। কিন্তু মানুষের শেষ স্থান হয় মাটির ভিতরে অর্থাৎ কবরে। উদ্দীপকেও মানুষের মৃত্যু চেতনার দিকটি ফুটে উঠেছে। নিজের মনের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছে যে, কেন দালানঘর বাঁধতে ইচ্ছে হয় মানুষের। মৃত্যুই তো একদিন গ্রাস করবে মানুষকে। এশিরিয় ও ব্যাবিলনীয় সভ্যতার পতন হয়ে গেছে, নতুন পৃথিবীর সূচনা হয়েছে, সংস্কৃতি-সভ্যতার নব উন্মেষ ঘটেছে; কিন্তু ব্যক্তি মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। দৃশ্যপট-২-এ মৃত্যু চেতনা যেন কবিতার মূলভাবের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে মিশে একাকার হয়ে গেছে। তাই আমি মনে করি, দৃশ্যপট-২-এ 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মূলভাব প্রকাশ পেয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সেই সাতজন নেই টেবিলটা আজও আছে সাতটা পেয়ালা আজও খালি নেই। একই সে বাগানে আজ এসেছে নতুন কুঁড়ি শুধু সেই সেদিনের মালি নেই।

Barisal · 2022

জীবনানন্দ দাশের কবিতার মৌলিক প্রেরণা কী?

উত্তর

জীবনানন্দ দাশের কবিতার মৌলিক প্রেরণা হলো প্রকৃতির রহস্যময় সৌন্দর্য।
'পৃথিবীর এইসব গল্প বেঁচে রবে চিরকাল'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

'পৃথিবীর এইসব গল্প বেঁচে রবে চিরকাল' বলতে কবি নশ্বর মানবজীবনে অবিনশ্বর প্রকৃতির প্রবাহ চেতনাকে বুঝিয়েছেন। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের এবং মানুষের স্বপ্নের অমরত্বের দিকটি তুলে ধরেছেন। বিচিত্রভাবে বিবর্তনের মধ্যেও রূপ-রস-গন্ধ নিয়ে প্রকৃতি টিকে থাকবে। জাগতিক নিয়মে নশ্বর মানব জীবন স্রোত চলে অবিনশ্বর প্রকৃতির বিপরীতে। মানুষের সাধারণ মৃত্যু রহিত করতে পারে না পৃথিবীর বহমানতা। এই বহমানতা এবং মানুষের স্বপ্ন দেখার গল্প চিরকাল বেঁচে থাকবে। এখানে সেই প্রসঙ্গেই কবি এ কথা বলেছেন।
উদ্দীপকে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার যে দিক প্রতিফলিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় প্রকৃতির অবিনশ্বরতা এবং মানুষের নশ্বরতার দিক প্রতিফলিত হয়েছে। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবির বর্ণনায় উঠে এসেছে- মানুষ মরণশীল, আর প্রকৃতি অবিনশ্বর। মানুষের তৈরি সভ্যতা একদিন ধ্বংস হয়। মানুষেরও মৃত্যু ঘটে। কিন্তু প্রকৃতির নিয়মে তৈরি কোনোকিছুর ধ্বংস বা বিনাশ নেই। এমনকি মানুষের স্বপ্নেরও কোনো বিনাশ হয় না। উদ্দীপকের কবিতাংশে বলা হয়েছে, সাতজন নেই, কিন্তু সেই সাতজন যে টেবিলে বসতেন সেই টেবিলটা আজও আছে। তাদের ব্যবহৃত, সাতটা পেয়ালাও খালি নেই। সেই জায়গায় আজ নতুন মানুষের আবির্ভাব ঘটেছে। কিন্তু পূর্বের মানুষজন আজ নেই। অর্থাৎ মানুষ মরণশীল। সময়ের স্রোতে মানুষ হারিয়ে যায়। বিলীন হয়ে যায় তার স্মৃতি। অন্যদিকে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায়ও আমরা দেখি সভ্যতা একদিকে যেমন ক্ষয়িষ্ণু অন্যদিকে চলে তার বিনির্মাণ। কিন্তু মরণশীল ব্যক্তিমানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। অথচ প্রকৃতিতে থাকে চিরকালের ব্যস্ততা। প্রকৃতপক্ষে মানুষের মৃত্যু আছে কিন্তু প্রকৃতিজগৎ বহমান। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার প্রতিফলিত দিকটি হলো প্রকৃতির অবিনশ্বরতা ও মানুষের নশ্বরতা।
'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মূলভাবের সমগ্রতা প্রকাশে উদ্দীপকটির সক্ষমতা বিচার করো।

উত্তর

উদ্দীপকে মানুষের নশ্বরতার কথা থাকলেও অন্যান্য বিষয় অনুপস্থিত। তাই 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মূলভাবের সমগ্রতা প্রকাশে উদ্দীপকটির সক্ষমতা আংশিক। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবির বর্ণনায় উঠে এসেছে, পৃথিবীতে মানুষের শেষ পরিণতি মৃত্যু। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মানুষের জীবনের অবসান হয়। মানুষের এই মৃত্যু পৃথিবীর চির বহমানতাকে রোধ করতে পারে না। কারণ মানুষের মৃত্যুতে প্রকৃতির স্বাভাবিকতায় কোনো ব্যাঘাত ঘটে না। উদ্দীপকের কবিতাংশে বলা হয়েছে, একদিন যারা ছিল আজ তারা নেই। তাদের জায়গাটাও খালি নেই। তাদের স্থানে নতুন নতুন মানুষের আবির্ভাব ঘটেছে। উদ্দীপকের এ ভাবটি 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মানুষের নশ্বরতার দিকটিকে নির্দেশ করে। এ বিষয় ছাড়াও আলোচ্য কবিতায় প্রকৃতির প্রতি কবির গভীর মুগ্ধতা, প্রকৃতির চিরকালীন গতিময়তা, মানুষের তৈরি সভ্যতার ধ্বংস হওয়া এবং প্রকৃতির রহস্যময় রূপ-সৌন্দর্যের প্রকাশ ঘটেছে। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি ভেবেছেন তিনি চলে গেলেও পৃথিবী আপন নিয়মে চলবে। প্রকৃতির রহস্যময় রূপসৌন্দর্য কখনই হারাবে না। সভ্যতা একদিকে ক্ষয়িষ্ণু হলেও অন্যদিকে চলছে তার বিনির্মাণ। উদ্দীপকে কেবল মানুষের নশ্বরতার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। তাই আমরা বলতে পারি যে, আলোচ্য কবিতার মূলভাবের সমগ্রতা প্রকাশে উদ্দীপকের সক্ষমতা আংশিক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সেই সাতজন নেই টেবিলটা আজও আছে সাতটা পেয়ালা আজও খালি নেই। একই সে বাগানে আজ এসেছে নতুন কুঁড়ি শুধু সেই সেদিনের মালি নেই।

Barisal · 2022

জীবনানন্দ দাশের কবিতার মৌলিক প্রেরণা কী?

উত্তর

জীবনানন্দ দাশের কবিতার মৌলিক প্রেরণা হলো প্রকৃতির রহস্যময় সৌন্দর্য।
'পৃথিবীর এইসব গল্প বেঁচে রবে চিরকাল'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

'পৃথিবীর এইসব গল্প বেঁচে রবে চিরকাল' বলতে কবি নশ্বর মানবজীবনে অবিনশ্বর প্রকৃতির প্রবাহ চেতনাকে বুঝিয়েছেন। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের এবং মানুষের স্বপ্নের অমরত্বের দিকটি তুলে ধরেছেন। বিচিত্রভাবে বিবর্তনের মধ্যেও রূপ-রস-গন্ধ নিয়ে প্রকৃতি টিকে থাকবে। জাগতিক নিয়মে নশ্বর মানব জীবন স্রোত চলে অবিনশ্বর প্রকৃতির বিপরীতে। মানুষের সাধারণ মৃত্যু রহিত করতে পারে না পৃথিবীর বহমানতা। এই বহমানতা এবং মানুষের স্বপ্ন দেখার গল্প চিরকাল বেঁচে থাকবে। এখানে সেই প্রসঙ্গেই কবি এ কথা বলেছেন।
উদ্দীপকে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার যে দিক প্রতিফলিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় প্রকৃতির অবিনশ্বরতা এবং মানুষের নশ্বরতার দিক প্রতিফলিত হয়েছে। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবির বর্ণনায় উঠে এসেছে- মানুষ মরণশীল, আর প্রকৃতি অবিনশ্বর। মানুষের তৈরি সভ্যতা একদিন ধ্বংস হয়। মানুষেরও মৃত্যু ঘটে। কিন্তু প্রকৃতির নিয়মে তৈরি কোনোকিছুর ধ্বংস বা বিনাশ নেই। এমনকি মানুষের স্বপ্নেরও কোনো বিনাশ হয় না। উদ্দীপকের কবিতাংশে বলা হয়েছে, সাতজন নেই, কিন্তু সেই সাতজন যে টেবিলে বসতেন সেই টেবিলটা আজও আছে। তাদের ব্যবহৃত, সাতটা পেয়ালাও খালি নেই। সেই জায়গায় আজ নতুন মানুষের আবির্ভাব ঘটেছে। কিন্তু পূর্বের মানুষজন আজ নেই। অর্থাৎ মানুষ মরণশীল। সময়ের স্রোতে মানুষ হারিয়ে যায়। বিলীন হয়ে যায় তার স্মৃতি। অন্যদিকে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায়ও আমরা দেখি সভ্যতা একদিকে যেমন ক্ষয়িষ্ণু অন্যদিকে চলে তার বিনির্মাণ। কিন্তু মরণশীল ব্যক্তিমানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। অথচ প্রকৃতিতে থাকে চিরকালের ব্যস্ততা। প্রকৃতপক্ষে মানুষের মৃত্যু আছে কিন্তু প্রকৃতিজগৎ বহমান। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার প্রতিফলিত দিকটি হলো প্রকৃতির অবিনশ্বরতা ও মানুষের নশ্বরতা।
'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মূলভাবের সমগ্রতা প্রকাশে উদ্দীপকটির সক্ষমতা বিচার করো।

উত্তর

উদ্দীপকে মানুষের নশ্বরতার কথা থাকলেও অন্যান্য বিষয় অনুপস্থিত। তাই 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মূলভাবের সমগ্রতা প্রকাশে উদ্দীপকটির সক্ষমতা আংশিক। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবির বর্ণনায় উঠে এসেছে, পৃথিবীতে মানুষের শেষ পরিণতি মৃত্যু। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মানুষের জীবনের অবসান হয়। মানুষের এই মৃত্যু পৃথিবীর চির বহমানতাকে রোধ করতে পারে না। কারণ মানুষের মৃত্যুতে প্রকৃতির স্বাভাবিকতায় কোনো ব্যাঘাত ঘটে না। উদ্দীপকের কবিতাংশে বলা হয়েছে, একদিন যারা ছিল আজ তারা নেই। তাদের জায়গাটাও খালি নেই। তাদের স্থানে নতুন নতুন মানুষের আবির্ভাব ঘটেছে। উদ্দীপকের এ ভাবটি 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মানুষের নশ্বরতার দিকটিকে নির্দেশ করে। এ বিষয় ছাড়াও আলোচ্য কবিতায় প্রকৃতির প্রতি কবির গভীর মুগ্ধতা, প্রকৃতির চিরকালীন গতিময়তা, মানুষের তৈরি সভ্যতার ধ্বংস হওয়া এবং প্রকৃতির রহস্যময় রূপ-সৌন্দর্যের প্রকাশ ঘটেছে। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি ভেবেছেন তিনি চলে গেলেও পৃথিবী আপন নিয়মে চলবে। প্রকৃতির রহস্যময় রূপসৌন্দর্য কখনই হারাবে না। সভ্যতা একদিকে ক্ষয়িষ্ণু হলেও অন্যদিকে চলছে তার বিনির্মাণ। উদ্দীপকে কেবল মানুষের নশ্বরতার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। তাই আমরা বলতে পারি যে, আলোচ্য কবিতার মূলভাবের সমগ্রতা প্রকাশে উদ্দীপকের সক্ষমতা আংশিক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো