জীবন বিনিময় বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর জীবন বিনিময় অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১৬

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে রাখির বাবার ৯০% লিভার নষ্ট হয়ে যায়। এ অবস্থায় লিভার প্রতিস্থাপনই তাঁকে বাঁচানোর একমাত্র উপায়। অন্য কোনো উপায় না থাকায় রাখি তাঁর নিজের লিভারের একটা অংশ তাঁর বাবাকে দান করেন। এতে তাঁর বাবা বেঁচে যান। এখন বাবা-মেয়ে দুজনই সুস্থ জীবনযাপন করছেন।

Mymensingh · 2026

'জীবন বিনিময়' কবিতায় কার চোখে নিদ নাই?

উত্তর

'জীবন বিনিময়' কবিতায় বাদশা বাবরের চোখে নিদ নেই।
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কবি নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন কেন?

উত্তর

কবি 'জীবন বিনিময়' কবিতায় নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন হুমায়ুনের রোগমুক্তির উপায় নেই এমন ভাব প্রকাশ পাওয়ায়। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বাবরপুত্র হুমায়ুন কঠিন রোগে আক্রান্ত। রাজ্যের যত বিজ্ঞ চিকিৎসক আছেন সবাই আসার পরও হুমায়ুনের রোগমুক্তির কোনো উপায় হয় না। একসময় বাবর যখন রাগান্বিত হয়ে চিকিৎসকদের বলেন, রোগ থেকে বাদশাজাদার মুক্তি মিলবে কি না, তখন রোগ থেকে মুক্তি সম্ভব নয় ভেবে চিকিৎসকরা নীরব থাকেন। এ কারণেই তাদের নীরবতাকে কবি নিষ্ঠুর বলেছে।
উদ্দীপকের রাখির বাবার পরিস্থিতি 'জীবন বিনিময়' কবিতার কোন ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের রাখির বাবার পরিস্থিতি 'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশা বাবরের পুত্র হুমায়ুনের দুরারোগ্য ব্যাধির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বাদশা বাবরের পুত্র হুমায়ুন কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়। রাজ্যের সব চিকিৎসক মিলেও সেই রোগের চিকিৎসা দিতে ব্যর্থ হয়ে তারা তার জীবনের আশা ছেড়ে দেন। উদ্দীপকের রাখির বাবা মরণঘাতী জণ্ডিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুপথযাত্রী। তার যকৃতের ৯০ শতাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। রাখির বাবার এমন মুমূর্ষু পরিস্থিতির সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশা বাবরের পুত্র হুমায়ুনের দুরারোগ্য ব্যাধি সাদৃশ্যপূর্ণ। রাজ্যের বিজ্ঞ হেকিম-কবিরাজরা আপ্রাণ চেষ্টা করেও তাঁর সেই রোগ উপশম করতে পারেন না। শত চেষ্টার পরেও তার রোগ নিয়ন্ত্রণে আসে না। এদিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতার সাদৃশ্য বিদ্যমান।
“উদ্দীপকের রাখি যেন 'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশা বাবরেরই প্রতিচ্ছবি।”- তুমি কি এ কথার সাথে একমত? যুক্তিসহ লেখো।

উত্তর

'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশা বাবর ছেলের সুস্থতার জন্য প্রাণদান করলেও উদ্দীপকের রাখি তাঁর বাবার সুস্থতার জন্য নিজের লিভারের একটি অংশ দান করায় "উদ্দীপকের রাখি যেন 'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশা বাবরেরই প্রতিচ্ছবি" কথাটির সঙ্গে আমি একমত নই। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় পিতৃস্নেহের একটি মহৎ দৃষ্টান্ত উপস্থাপিত হয়েছে। মোগল সম্রাট বাবরের পুত্র হুমায়ুন কঠিন রোগে আক্রান্ত হলে বাবর তাঁর জীবন দিয়ে সন্তানকে সুস্থ করে নিজে মৃত্যুবরণ করেন। উদ্দীপকের রাখির কর্মকাণ্ডে পিতার প্রতি সন্তানের অকৃত্রিম ভালোবাসার দিকটি ফুটে উঠেছে। তাঁর পিতা জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুপথযাত্রী। এমতাবস্থায় রাখি নিজের লিভারের একটা অংশ দিয়ে পিতাকে সুস্থ করে তোলেন। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় পুত্রের প্রতি পিতার অপরিসীম আত্মত্যাগ প্রকাশ পেয়েছে। হুমায়ুন দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হলে পিতা বাবর তাঁর জীবন দিয়ে তাকে বাঁচান। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বাদশা বাবরের অপরিসীম আত্মত্যাগ প্রকাশিত হয়েছে। মোগল সম্রাট বাবরের পুত্র হুমায়ুন কঠিন রোগে আক্রান্ত হলে বাবর রাজ্যের যত চিকিৎসক ডেকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় এক দরবেশের পরামর্শে তিনি সন্তানের জন্য নিজের জীবন দান করতেও পিছপা হননি। নিজের জীবনের বিনিময়ে তিনি পুত্রকে সুস্থ করে তোলেন। উদ্দীপকের রাখি বাবার জন্য নিজের লিভারের একটা অংশ দান করলেও বাদশা বাবরের মতো জীবন বিনিময় করেননি। তাই বলা যায় যে, আলোচ্য মন্তব্যটি পুরোপুরি যথার্থ নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে রাখির বাবার ৯০% লিভার নষ্ট হয়ে যায়। এ অবস্থায় লিভার প্রতিস্থাপনই তাঁকে বাঁচানোর একমাত্র উপায়। অন্য কোনো উপায় না থাকায় রাখি তাঁর নিজের লিভারের একটা অংশ তাঁর বাবাকে দান করেন। এতে তাঁর বাবা বেঁচে যান। এখন বাবা-মেয়ে দুজনই সুস্থ জীবনযাপন করছেন।

Mymensingh · 2026

'জীবন বিনিময়' কবিতায় কার চোখে নিদ নাই?

উত্তর

'জীবন বিনিময়' কবিতায় বাদশা বাবরের চোখে নিদ নেই।
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কবি নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন কেন?

উত্তর

কবি 'জীবন বিনিময়' কবিতায় নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন হুমায়ুনের রোগমুক্তির উপায় নেই এমন ভাব প্রকাশ পাওয়ায়। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বাবরপুত্র হুমায়ুন কঠিন রোগে আক্রান্ত। রাজ্যের যত বিজ্ঞ চিকিৎসক আছেন সবাই আসার পরও হুমায়ুনের রোগমুক্তির কোনো উপায় হয় না। একসময় বাবর যখন রাগান্বিত হয়ে চিকিৎসকদের বলেন, রোগ থেকে বাদশাজাদার মুক্তি মিলবে কি না, তখন রোগ থেকে মুক্তি সম্ভব নয় ভেবে চিকিৎসকরা নীরব থাকেন। এ কারণেই তাদের নীরবতাকে কবি নিষ্ঠুর বলেছে।
উদ্দীপকের রাখির বাবার পরিস্থিতি 'জীবন বিনিময়' কবিতার কোন ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের রাখির বাবার পরিস্থিতি 'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশা বাবরের পুত্র হুমায়ুনের দুরারোগ্য ব্যাধির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বাদশা বাবরের পুত্র হুমায়ুন কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়। রাজ্যের সব চিকিৎসক মিলেও সেই রোগের চিকিৎসা দিতে ব্যর্থ হয়ে তারা তার জীবনের আশা ছেড়ে দেন। উদ্দীপকের রাখির বাবা মরণঘাতী জণ্ডিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুপথযাত্রী। তার যকৃতের ৯০ শতাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। রাখির বাবার এমন মুমূর্ষু পরিস্থিতির সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশা বাবরের পুত্র হুমায়ুনের দুরারোগ্য ব্যাধি সাদৃশ্যপূর্ণ। রাজ্যের বিজ্ঞ হেকিম-কবিরাজরা আপ্রাণ চেষ্টা করেও তাঁর সেই রোগ উপশম করতে পারেন না। শত চেষ্টার পরেও তার রোগ নিয়ন্ত্রণে আসে না। এদিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতার সাদৃশ্য বিদ্যমান।
“উদ্দীপকের রাখি যেন 'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশা বাবরেরই প্রতিচ্ছবি।”- তুমি কি এ কথার সাথে একমত? যুক্তিসহ লেখো।

উত্তর

'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশা বাবর ছেলের সুস্থতার জন্য প্রাণদান করলেও উদ্দীপকের রাখি তাঁর বাবার সুস্থতার জন্য নিজের লিভারের একটি অংশ দান করায় "উদ্দীপকের রাখি যেন 'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশা বাবরেরই প্রতিচ্ছবি" কথাটির সঙ্গে আমি একমত নই। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় পিতৃস্নেহের একটি মহৎ দৃষ্টান্ত উপস্থাপিত হয়েছে। মোগল সম্রাট বাবরের পুত্র হুমায়ুন কঠিন রোগে আক্রান্ত হলে বাবর তাঁর জীবন দিয়ে সন্তানকে সুস্থ করে নিজে মৃত্যুবরণ করেন। উদ্দীপকের রাখির কর্মকাণ্ডে পিতার প্রতি সন্তানের অকৃত্রিম ভালোবাসার দিকটি ফুটে উঠেছে। তাঁর পিতা জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুপথযাত্রী। এমতাবস্থায় রাখি নিজের লিভারের একটা অংশ দিয়ে পিতাকে সুস্থ করে তোলেন। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় পুত্রের প্রতি পিতার অপরিসীম আত্মত্যাগ প্রকাশ পেয়েছে। হুমায়ুন দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হলে পিতা বাবর তাঁর জীবন দিয়ে তাকে বাঁচান। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বাদশা বাবরের অপরিসীম আত্মত্যাগ প্রকাশিত হয়েছে। মোগল সম্রাট বাবরের পুত্র হুমায়ুন কঠিন রোগে আক্রান্ত হলে বাবর রাজ্যের যত চিকিৎসক ডেকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় এক দরবেশের পরামর্শে তিনি সন্তানের জন্য নিজের জীবন দান করতেও পিছপা হননি। নিজের জীবনের বিনিময়ে তিনি পুত্রকে সুস্থ করে তোলেন। উদ্দীপকের রাখি বাবার জন্য নিজের লিভারের একটা অংশ দান করলেও বাদশা বাবরের মতো জীবন বিনিময় করেননি। তাই বলা যায় যে, আলোচ্য মন্তব্যটি পুরোপুরি যথার্থ নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

রসুলপুর গ্রামের দুঃখী মা তার একমাত্র কন্যাসন্তান আসমানীকে নিয়ে অতিকষ্টে দিন অতিবাহিত করেন। হঠাৎ করে আসমানী দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়। আসমানীর মা ওঝা এবং কবিরাজের ঝাড়-ফুঁক দিয়ে আসমানীকে সুস্থ করার চেষ্টা করেন। সারা রাত নিবু নিবু প্রদীপ হাতে নিয়ে শিয়রের কাছে দাঁড়িয়ে থাকেন। তারা এতই দরিদ্র যে আসমানীর জন্য পথ্য তো দূরের কথা, ঔষধ কিনে দেবার মতো সামর্থ্যও নেই। পারলে নিজের জীবন দিয়ে হলেও মেয়েকে সুস্থ করে তুলতে চান। সেজন্য সৃষ্টিকর্তার দরবারে মেয়ের সুস্থতার জন্য মানত করেন।

Sylhet · 2026

'অস্তরবি' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর

'অস্তরবি' শব্দের অর্থ- অস্তগামী সূর্য।
"তিমির রাতের তোরণে তোরণে ঊষার পূর্বাভাস" বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

"তিমির রাতের তোরণে তোরণে ঊষার পূর্বাভাস" চরণটিতে বাবরপুত্র হুমায়ুনের রোগমুক্তির দিকটি ফুটে উঠেছে। সম্রাট বাবরের পুত্র হুমায়ুন কঠিন রোগে আক্রান্ত। রাজ্যের বিজ্ঞ চিকিৎসকগণ অনেক চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তার আরোগ্যের আশা ত্যাগ করেন। এমতাবস্থায় এক দরবেশের কথামতো সম্রাট বাবর নিজের জীবনের শ্রেষ্ঠ ধন নিজ প্রাণের বিনিময়ে বিধাতার দরবারে পুত্রের জীবন প্রার্থনা করেন। মহান আল্লাহ তাঁর সেই প্রার্থনা কবুল করেন এবং পুত্র হুমায়ুন দ্রুত সুস্থ হতে থাকে। আলোচ্য চরণটি দ্বারা হুমায়ুনের আরোগ্যলাভের এ দিকটির প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে।
উদ্দীপকের আসমানীর সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রের বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের আসমানীর সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতার হুমায়ুন চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় মোগল সম্রাট বাবরের পুত্র হুমায়ুন এক দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়। রাজ্যের সব চিকিৎসক অনেক চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তাঁর জীবনের আশা ছেড়ে দেন। দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হুমায়ুনের জীবন প্রদীপও যেন নিভে আসছিল। এ অবস্থায় এক দরবেশের কথামতো বাবর বিধাতার কাছে তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ ধনের বিনিময়ে পুত্রের জীবন ভিক্ষা চান। উদ্দীপকটি রসুলপুর গ্রামের এক দরিদ্র মা ও তার একমাত্র কন্যা। আসমানীর করুণ কাহিনি তুলে ধরেছে। আসমানী দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হলে তার মা ওঝা, কবিরাজের ঝাড়-ফুঁকসহ সব চেষ্টা করেন। নিজের জীবন দিয়ে হলেও মেয়েকে বাঁচাতে চান তিনি। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় হুমায়ুনের ক্ষেত্রেও হেকিম-কবিরাজরা ব্যর্থ হন। উদ্দীপকের আসমানীর মা এবং 'জীবন বিনিময়' কবিতার সম্রাট বাবর দুজনেই প্রাণের বিনিময়ে হলেও সন্তানের জীবন বাঁচাতে চান। এদিক থেকে উদ্দীপকের আসমানীর সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতার হুমায়ুন চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
উদ্দীপকের আসমানীর মা কি 'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশা বাবরের যথার্থ প্রতিনিধি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের আসমানীর মা 'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশা বাবরের যথার্থ প্রতিনিধি নন। কারণ একই চেতনার অধিকারিণী হলেও তারা সামর্থ্য, কর্ম ও ত্যাগের মায়ায় পৃথক। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় সম্রাট বাবর পুত্র হুমায়ুনের জীবন বাঁচাতে নিজের সর্বশ্রেষ্ঠ ধন অর্থাৎ নিজের প্রাণকে আল্লাহর কাছে উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই আত্মত্যাগের মাধ্যমে তিনি পিতৃস্নেহের মহৎ নিদর্শন স্থাপন করেন। উদ্দীপকের আসমানীর মা সন্তানের জন্য সৃষ্টিকর্তার দরবারে মানত করেন। চেতনার দিক থেকে তিনি বাবরের মতোই সন্তানের প্রতি গভীর মমত্ববোধ ও আত্মত্যাগের মানসিকতা পোষণ করেন। কিন্তু আসমানীর মা শুধু মানত করেন, জীবনের বিনিময়ের বাস্তব কর্মটি এক্ষেত্রে ঘটে না। এখানেই বাবরের চরিত্রের সঙ্গে আসমানীর মায়ের পার্থক্য। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বাদশা বাবর কেবল মানত করেননি, তাঁর নিজ' প্রাণকে দান করতেও প্রস্তুত ছিলেন। আল্লাহ তাঁর প্রার্থনা মঞ্জুর করেছিলেন। এভাবে বাবরের পিতৃস্নেহের কাছে মরণের পরাজয় ঘটে। আসমানীর মা ওঝা-কবিরাজ দিয়ে আসমানীর চিকিৎসা করান এবং তার সুস্থতার জন্য মানত করলেও নিজের জীবন বিনিময়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনি গ্রহণ করেননি। বাবরের আত্মত্যাগ ছিল স্বেচ্ছাকৃত ও প্রত্যক্ষ। আর আসমানীর মায়ের আত্মত্যাগের ইচ্ছা পরোক্ষ ও অসম্পূর্ণ। তাই কর্ম ও বিনিময়ের বাস্তবতায় তিনি বাবরের যথার্থ প্রতিনিধি নন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

রসুলপুর গ্রামের দুঃখী মা তার একমাত্র কন্যাসন্তান আসমানীকে নিয়ে অতিকষ্টে দিন অতিবাহিত করেন। হঠাৎ করে আসমানী দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়। আসমানীর মা ওঝা এবং কবিরাজের ঝাড়-ফুঁক দিয়ে আসমানীকে সুস্থ করার চেষ্টা করেন। সারা রাত নিবু নিবু প্রদীপ হাতে নিয়ে শিয়রের কাছে দাঁড়িয়ে থাকেন। তারা এতই দরিদ্র যে আসমানীর জন্য পথ্য তো দূরের কথা, ঔষধ কিনে দেবার মতো সামর্থ্যও নেই। পারলে নিজের জীবন দিয়ে হলেও মেয়েকে সুস্থ করে তুলতে চান। সেজন্য সৃষ্টিকর্তার দরবারে মেয়ের সুস্থতার জন্য মানত করেন।

Sylhet · 2026

'অস্তরবি' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর

'অস্তরবি' শব্দের অর্থ- অস্তগামী সূর্য।
"তিমির রাতের তোরণে তোরণে ঊষার পূর্বাভাস" বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

"তিমির রাতের তোরণে তোরণে ঊষার পূর্বাভাস" চরণটিতে বাবরপুত্র হুমায়ুনের রোগমুক্তির দিকটি ফুটে উঠেছে। সম্রাট বাবরের পুত্র হুমায়ুন কঠিন রোগে আক্রান্ত। রাজ্যের বিজ্ঞ চিকিৎসকগণ অনেক চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তার আরোগ্যের আশা ত্যাগ করেন। এমতাবস্থায় এক দরবেশের কথামতো সম্রাট বাবর নিজের জীবনের শ্রেষ্ঠ ধন নিজ প্রাণের বিনিময়ে বিধাতার দরবারে পুত্রের জীবন প্রার্থনা করেন। মহান আল্লাহ তাঁর সেই প্রার্থনা কবুল করেন এবং পুত্র হুমায়ুন দ্রুত সুস্থ হতে থাকে। আলোচ্য চরণটি দ্বারা হুমায়ুনের আরোগ্যলাভের এ দিকটির প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে।
উদ্দীপকের আসমানীর সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রের বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের আসমানীর সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতার হুমায়ুন চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় মোগল সম্রাট বাবরের পুত্র হুমায়ুন এক দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়। রাজ্যের সব চিকিৎসক অনেক চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তাঁর জীবনের আশা ছেড়ে দেন। দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হুমায়ুনের জীবন প্রদীপও যেন নিভে আসছিল। এ অবস্থায় এক দরবেশের কথামতো বাবর বিধাতার কাছে তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ ধনের বিনিময়ে পুত্রের জীবন ভিক্ষা চান। উদ্দীপকটি রসুলপুর গ্রামের এক দরিদ্র মা ও তার একমাত্র কন্যা। আসমানীর করুণ কাহিনি তুলে ধরেছে। আসমানী দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হলে তার মা ওঝা, কবিরাজের ঝাড়-ফুঁকসহ সব চেষ্টা করেন। নিজের জীবন দিয়ে হলেও মেয়েকে বাঁচাতে চান তিনি। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় হুমায়ুনের ক্ষেত্রেও হেকিম-কবিরাজরা ব্যর্থ হন। উদ্দীপকের আসমানীর মা এবং 'জীবন বিনিময়' কবিতার সম্রাট বাবর দুজনেই প্রাণের বিনিময়ে হলেও সন্তানের জীবন বাঁচাতে চান। এদিক থেকে উদ্দীপকের আসমানীর সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতার হুমায়ুন চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
উদ্দীপকের আসমানীর মা কি 'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশা বাবরের যথার্থ প্রতিনিধি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের আসমানীর মা 'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশা বাবরের যথার্থ প্রতিনিধি নন। কারণ একই চেতনার অধিকারিণী হলেও তারা সামর্থ্য, কর্ম ও ত্যাগের মায়ায় পৃথক। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় সম্রাট বাবর পুত্র হুমায়ুনের জীবন বাঁচাতে নিজের সর্বশ্রেষ্ঠ ধন অর্থাৎ নিজের প্রাণকে আল্লাহর কাছে উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই আত্মত্যাগের মাধ্যমে তিনি পিতৃস্নেহের মহৎ নিদর্শন স্থাপন করেন। উদ্দীপকের আসমানীর মা সন্তানের জন্য সৃষ্টিকর্তার দরবারে মানত করেন। চেতনার দিক থেকে তিনি বাবরের মতোই সন্তানের প্রতি গভীর মমত্ববোধ ও আত্মত্যাগের মানসিকতা পোষণ করেন। কিন্তু আসমানীর মা শুধু মানত করেন, জীবনের বিনিময়ের বাস্তব কর্মটি এক্ষেত্রে ঘটে না। এখানেই বাবরের চরিত্রের সঙ্গে আসমানীর মায়ের পার্থক্য। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বাদশা বাবর কেবল মানত করেননি, তাঁর নিজ' প্রাণকে দান করতেও প্রস্তুত ছিলেন। আল্লাহ তাঁর প্রার্থনা মঞ্জুর করেছিলেন। এভাবে বাবরের পিতৃস্নেহের কাছে মরণের পরাজয় ঘটে। আসমানীর মা ওঝা-কবিরাজ দিয়ে আসমানীর চিকিৎসা করান এবং তার সুস্থতার জন্য মানত করলেও নিজের জীবন বিনিময়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনি গ্রহণ করেননি। বাবরের আত্মত্যাগ ছিল স্বেচ্ছাকৃত ও প্রত্যক্ষ। আর আসমানীর মায়ের আত্মত্যাগের ইচ্ছা পরোক্ষ ও অসম্পূর্ণ। তাই কর্ম ও বিনিময়ের বাস্তবতায় তিনি বাবরের যথার্থ প্রতিনিধি নন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

ঝুপড়ি ঘরে বাতাস ঢোকে ছেঁড়া পর্দা পেরিয়ে। টিনের চাল চুইয়ে জল পড়ে বালতিতে, তবু সেই ঘরেই শুয়ে আছে অসুস্থ সজীব। বাবার একমাত্র সন্তান। ডাক্তার বলেছিল, ওষুধ না পেলে বাঁচানো যাবে না। দরিদ্র বাবা রাশেদ নিজের শরীরের রক্ত বিক্রি করে কিনেছিল ওষুধ। সজীব বেঁচে উঠল, চোখ খুলে বাবাকে ডাকল- "আব্বা!" কিন্তু ততক্ষণে রাশেদ নিঃশব্দে ঘুমিয়ে গেছে। ঠোঁটে এক টুকরো হাসি, যেন বলছে- "আমার ছেলেটা বেঁচেছে, আমি জিতেছি।"

Chittagong · 2026

'ভিষকবৃন্দ' অর্থ কী?

উত্তর

'ভিষকবৃন্দ' অর্থ চিকিৎসকবৃন্দ।
কবি 'জীবন বিনিময়' কবিতায় নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন কেন?

উত্তর

কবি 'জীবন বিনিময়' কবিতায় নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন হুমায়ুনের রোগ মুক্তির উপায় নেই এমন ভাব প্রকাশ পাওয়ায়। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বারপুত্র হুমায়ুন কঠিন রোগে আক্রান্ত। রাজ্যের চিকিৎসকরা হুমায়ুনের চিকিৎসায় নিয়োজিত। অথচ তার - রোগমুক্তির কোনো উপায় হয় না। এক সময় বাবর যখন রাগান্বিত হয়ে চিকিৎসকদের কাছে জানতে চান, রোগ থেকে বাদশাজাদার মুক্তি মিলবে কি না, তখন রোগ থেকে মুক্তি সম্ভব নয় ভেবে চিকিৎসক-রা নীরব থাকেন। এ কারণেই সেই নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলা হয়েছে।
উদ্দীপকের সজীবের পারিবারিক অবস্থার সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতার বৈসাদৃশ্যগত দিক ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের সজীবের পারিবারিক অবস্থার সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বাদশাজাদার পরিবারের সচ্ছলতার দিকটির। বৈসাদৃশ্য রয়েছে। 'জীবন' বিনিময়' কবিতায় সম্রাট বাঁবরের অসুস্থ পুত্রের প্রতি অসামান্য ভালোবাসা ও ত্যাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ধন-সম্পদে তিনি পরিপূর্ণ, তবুও তিনি সুখী নন। কারণ তাঁর কাছে সবচেয়ে বড়ো হলো পুত্রের জীবন রক্ষা করা। উদ্দীপকের বাবার একমাত্র সন্তান সজীব। তার পরিবার অভাব-অনটনে জর্জরিত। দরিদ্র বাবাকে নিজের রক্ত বিক্রি করে ছেলের জন্য ওষুধ কিনতে হয়েছিল। এতে তার পারিবারিক অসচ্ছলতার দিকটি খুব সহজেই অনুমান করা যায়। অন্যদিকে 'জীবন বিনিময়' কবিতার। বাদশাজাদা হুমায়ুনের বাবা প্রচুর অর্থবিত্তের অধিকারী। তাঁর কোনো। কিছুর অভাব নেই। পুত্রের সুস্থতা কামনাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। এভাবে উদ্দীপকের সজীবের পারিবারিক অবস্থার সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশাজাদার সচ্ছলতার দিকটি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।
"উদ্দীপকের রাশেদ এবং 'জীবন বিনিময়' কবিতার সম্রাট বাবরের সন্তান বাৎসল্য যেন একসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

পিতার স্নেহ-বাৎসল্যের কাছে মৃত্যুর পরাজয়ের দিক বিবেচনায় "উদ্দীপকের রাশেদ এবং 'জীবন বিনিময়' কবিতার সম্রাট বাবরের সন্তান বাৎসল্য যেন একসূত্রে গাঁথা” মন্তব্যটি যথার্থ। 'জীবন বিনিময়' কবিতার পিতার স্নেহ-বাৎসল্যের অসাধারণ প্রকাশ ঘটেছে। পুত্র হুমায়ুনের অসুস্থতায় বাদশা শঙ্কিত। নিজের জীবন উৎসর্গ করে পুত্রকে বাঁচিয়ে তুলেছেন তিনি। তিনি পিতৃস্নেহের কাছে মরণের পরাজয়ের অসামান্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। উদ্দীপকের দরিদ্র বাবা রাশেদও পুত্রের জীবন বাঁচাতে অসামান্য আত্মত্যাগের পরিচয় দেয়। শরীরের রক্ত বিক্রি করে ছেলেকে বাঁচালেও সে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে। এতে পুত্রের জীবন রক্ষার তাগিদে পিতৃস্নেহের অসামান্য বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। 'জীবন বিনিময়' কবিতায়ও একইভাবে সন্তানের প্রতি অপরিসীম ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় পিতৃস্নেহের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে। সম্রাট বাবর নিজ জীবনের বিনিময়ে পুত্রের প্রাণ রক্ষা করেন। পিতৃস্নেহের কাছে মৃত্যুও হার মেনেছে। সন্তানের প্রতি অগাধ ভালোবাসার প্রকাশ পেয়েছে কবিতাটিতে। অন্যদিকে উদ্দীপকের রাশেদও সন্তানের প্রতি অসীম ভালোবাসা দেখিয়েছেন। উভয়েই সন্তান বাৎসল্যের অসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের রাশেদ এবং 'জীবন বিনিময়' কবিতার সম্রাট বাবরের সন্তান বাৎসল্য যেন একই সূত্রে গাঁথা। মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

ঝুপড়ি ঘরে বাতাস ঢোকে ছেঁড়া পর্দা পেরিয়ে। টিনের চাল চুইয়ে জল পড়ে বালতিতে, তবু সেই ঘরেই শুয়ে আছে অসুস্থ সজীব। বাবার একমাত্র সন্তান। ডাক্তার বলেছিল, ওষুধ না পেলে বাঁচানো যাবে না। দরিদ্র বাবা রাশেদ নিজের শরীরের রক্ত বিক্রি করে কিনেছিল ওষুধ। সজীব বেঁচে উঠল, চোখ খুলে বাবাকে ডাকল- "আব্বা!" কিন্তু ততক্ষণে রাশেদ নিঃশব্দে ঘুমিয়ে গেছে। ঠোঁটে এক টুকরো হাসি, যেন বলছে- "আমার ছেলেটা বেঁচেছে, আমি জিতেছি।"

Chittagong · 2026

'ভিষকবৃন্দ' অর্থ কী?

উত্তর

'ভিষকবৃন্দ' অর্থ চিকিৎসকবৃন্দ।
কবি 'জীবন বিনিময়' কবিতায় নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন কেন?

উত্তর

কবি 'জীবন বিনিময়' কবিতায় নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন হুমায়ুনের রোগ মুক্তির উপায় নেই এমন ভাব প্রকাশ পাওয়ায়। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বারপুত্র হুমায়ুন কঠিন রোগে আক্রান্ত। রাজ্যের চিকিৎসকরা হুমায়ুনের চিকিৎসায় নিয়োজিত। অথচ তার - রোগমুক্তির কোনো উপায় হয় না। এক সময় বাবর যখন রাগান্বিত হয়ে চিকিৎসকদের কাছে জানতে চান, রোগ থেকে বাদশাজাদার মুক্তি মিলবে কি না, তখন রোগ থেকে মুক্তি সম্ভব নয় ভেবে চিকিৎসক-রা নীরব থাকেন। এ কারণেই সেই নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলা হয়েছে।
উদ্দীপকের সজীবের পারিবারিক অবস্থার সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতার বৈসাদৃশ্যগত দিক ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের সজীবের পারিবারিক অবস্থার সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বাদশাজাদার পরিবারের সচ্ছলতার দিকটির। বৈসাদৃশ্য রয়েছে। 'জীবন' বিনিময়' কবিতায় সম্রাট বাঁবরের অসুস্থ পুত্রের প্রতি অসামান্য ভালোবাসা ও ত্যাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ধন-সম্পদে তিনি পরিপূর্ণ, তবুও তিনি সুখী নন। কারণ তাঁর কাছে সবচেয়ে বড়ো হলো পুত্রের জীবন রক্ষা করা। উদ্দীপকের বাবার একমাত্র সন্তান সজীব। তার পরিবার অভাব-অনটনে জর্জরিত। দরিদ্র বাবাকে নিজের রক্ত বিক্রি করে ছেলের জন্য ওষুধ কিনতে হয়েছিল। এতে তার পারিবারিক অসচ্ছলতার দিকটি খুব সহজেই অনুমান করা যায়। অন্যদিকে 'জীবন বিনিময়' কবিতার। বাদশাজাদা হুমায়ুনের বাবা প্রচুর অর্থবিত্তের অধিকারী। তাঁর কোনো। কিছুর অভাব নেই। পুত্রের সুস্থতা কামনাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। এভাবে উদ্দীপকের সজীবের পারিবারিক অবস্থার সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশাজাদার সচ্ছলতার দিকটি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।
"উদ্দীপকের রাশেদ এবং 'জীবন বিনিময়' কবিতার সম্রাট বাবরের সন্তান বাৎসল্য যেন একসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

পিতার স্নেহ-বাৎসল্যের কাছে মৃত্যুর পরাজয়ের দিক বিবেচনায় "উদ্দীপকের রাশেদ এবং 'জীবন বিনিময়' কবিতার সম্রাট বাবরের সন্তান বাৎসল্য যেন একসূত্রে গাঁথা” মন্তব্যটি যথার্থ। 'জীবন বিনিময়' কবিতার পিতার স্নেহ-বাৎসল্যের অসাধারণ প্রকাশ ঘটেছে। পুত্র হুমায়ুনের অসুস্থতায় বাদশা শঙ্কিত। নিজের জীবন উৎসর্গ করে পুত্রকে বাঁচিয়ে তুলেছেন তিনি। তিনি পিতৃস্নেহের কাছে মরণের পরাজয়ের অসামান্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। উদ্দীপকের দরিদ্র বাবা রাশেদও পুত্রের জীবন বাঁচাতে অসামান্য আত্মত্যাগের পরিচয় দেয়। শরীরের রক্ত বিক্রি করে ছেলেকে বাঁচালেও সে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে। এতে পুত্রের জীবন রক্ষার তাগিদে পিতৃস্নেহের অসামান্য বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। 'জীবন বিনিময়' কবিতায়ও একইভাবে সন্তানের প্রতি অপরিসীম ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় পিতৃস্নেহের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে। সম্রাট বাবর নিজ জীবনের বিনিময়ে পুত্রের প্রাণ রক্ষা করেন। পিতৃস্নেহের কাছে মৃত্যুও হার মেনেছে। সন্তানের প্রতি অগাধ ভালোবাসার প্রকাশ পেয়েছে কবিতাটিতে। অন্যদিকে উদ্দীপকের রাশেদও সন্তানের প্রতি অসীম ভালোবাসা দেখিয়েছেন। উভয়েই সন্তান বাৎসল্যের অসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের রাশেদ এবং 'জীবন বিনিময়' কবিতার সম্রাট বাবরের সন্তান বাৎসল্য যেন একই সূত্রে গাঁথা। মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো