Chapter 5: হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল Finance 2nd Paper

HSC Finance 2nd Paper এর Chapter 5: হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১১০

প্রশ্ন

Finance 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিবেদিতা রহমান একজন সফল শেয়ার ব্যবসায়ী। তিনি শেয়ার কেনাবেচা করে বেশ মুনাফা অর্জন করেছেন। তিনি একটি পাবলিক লি. কোম্পানির শেয়ারের পূর্ণমূল্য পরিশোধ করায় কোম্পানি তার নামে একটি প্রমাণপত্র ইস্যু করে। [মতিঝিল মন্ডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ]
ক
ব্যাংকের প্রতি আমানতকারীর লিখিত নির্দেশকে কী বলা হয়?

উত্তর

ব্যাংকের প্রতি আমানতকারীর লিখিত নির্দেশনাকে চেক বলে।
খ
বিনিময় বিলের প্রধান কাজ কী?

উত্তর

ধারে ক্রয়-বিক্রয় বা আমদানি-রপ্তানি হতে উদ্ভূত পারস্পরিক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তিতে সহায়তা করা বিনিময় বিলের প্রধান কাজ। বিনিময় বিল হলো এমন এক প্রকার দলিল যাতে কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদানের জন্য শর্তহীন নির্দেশ প্রদান করে এবং অপরপক্ষ এতে স্বীকৃতি প্রদান করলে তা মূল্যবান দলিল হিসেবে গণ্য হয়। বর্তমানে দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির জন্য অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বাণিজ্যে বিনিময় বিল বহুলভাবে ব্যবহৃত হয় এবং নির্দিষ্ট মেয়াদের পূর্বে তা ব্যাংকে বাট্টাকরণ করা যায়।
গ
কোম্পানি নিবেদিতার নামে কোন ধরনের প্রমাণপত্র ইস্যু করেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের কোম্পানি নিবেদিতা রহমানের নামে যে প্রমাণপত্র ইস্যু করেছে তা হলো একটি শেয়ার ওয়ারেন্ট। পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি শেয়ারের পূর্ণমূল্য পরিশোধের জন্য শেয়ারগ্রহিতাকে যে দলিল দেয় তাই শেয়ার ওয়ারেন্ট। এ দলিলে শেয়ারমালিকের নাম লিখা থাকে না। শুধু শেয়ারের নামিক মূল্য ও ক্রমিক নম্বর উল্লেখ থাকে। এ দলিল অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তর করা যায়। উদ্দীপকে নিবেদিতা রহমান একজন শেয়ার ব্যবসায়ী। শেয়ার কেনা- বেচার মাধ্যমে তিনি মুনাফা অর্জন করেন। তিনি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির শেয়ারের জন্য পূর্ণমূল্য পরিশোধ করেন। এতে কোম্পানি তার নামে একটি প্রমাণপত্র ইস্যু করে। সাধারণত শেয়ারের পূর্ণমূল্য পরিশোধের জন্য শেয়ার ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হয়। এটি শেয়ারের মালিকের জন্য শেয়ার ক্রয়ের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে কাজ করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের কোম্পানি নিবেদিতা রহমান নামে একটি শেয়ার ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছে।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নিবেদিতা রহমানের প্রমাণপত্রটি একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল। তুমি কি এ বক্তব্যের সাথে একমত? যুক্তি দাও।

উত্তর

শেয়ার ওয়ারেন্ট অর্পণের দ্বারা হস্তান্তর করা যায় বলে নিবেদিতা রহমানের দলিলটি একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল বলে আমি মনে করি। এক হাত থেকে অন্য হাতে হস্তান্তরের মাধ্যমে যে দলিলের মালিকানা বা স্বত্ব হস্তান্তর হয় তাকে হস্তান্তরযোগ্য দলিল বলা হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল আইন প্রচলিত আছে। এ দলিলের আওতায় বিনিময় বিল, চেক, প্রতিজ্ঞাপত্র, শেয়ার ওয়ারেন্ট উল্লেখযোগ্য হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল। উদ্দীপকে নিবেদিতা রহমান শেয়ার কেনা-বেচা করে মুনাফা অর্জন করে। এক্ষেত্রে তিনি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির শেয়ারের পূর্ণমূল্য পরিশোধ করেন। ফলে কোম্পানিটি তাকে একটি প্রমাণপত্র ইস্যু করে। উদ্দীপকে ইস্যুকৃত প্রমাণপত্রটি হলো শেয়ার ওয়ারেন্ট। কোনো কোম্পানির শেয়ারের পূর্ণমূল্য পরিশোধ করা হলে এর বিপরীতে কোম্পানির শেয়ারমালিককে এ দলিল ইস্যু করে। শেয়ারমালিক শেয়ারের মালিকানার জন্য এটি প্রমাণপত্র হিসেবে সংরক্ষণ করে। এতে শেয়ারমালিকের নাম লিখা থাকে না। শুধু অর্পণের দ্বারা এটি হস্তান্তর করা হয়। এভাবে মালিকানা বা স্বত্ব হস্তান্তর করা যায় বলে উদ্দীপকে উল্লিখিত শেয়ার ওয়ারেন্টটিকে হস্তান্তরযোগ্য দলিল বলা যৌক্তিক হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিবেদিতা রহমান একজন সফল শেয়ার ব্যবসায়ী। তিনি শেয়ার কেনাবেচা করে বেশ মুনাফা অর্জন করেছেন। তিনি একটি পাবলিক লি. কোম্পানির শেয়ারের পূর্ণমূল্য পরিশোধ করায় কোম্পানি তার নামে একটি প্রমাণপত্র ইস্যু করে। [মতিঝিল মন্ডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ]
ক
ব্যাংকের প্রতি আমানতকারীর লিখিত নির্দেশকে কী বলা হয়?

উত্তর

ব্যাংকের প্রতি আমানতকারীর লিখিত নির্দেশনাকে চেক বলে।
খ
বিনিময় বিলের প্রধান কাজ কী?

উত্তর

ধারে ক্রয়-বিক্রয় বা আমদানি-রপ্তানি হতে উদ্ভূত পারস্পরিক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তিতে সহায়তা করা বিনিময় বিলের প্রধান কাজ। বিনিময় বিল হলো এমন এক প্রকার দলিল যাতে কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদানের জন্য শর্তহীন নির্দেশ প্রদান করে এবং অপরপক্ষ এতে স্বীকৃতি প্রদান করলে তা মূল্যবান দলিল হিসেবে গণ্য হয়। বর্তমানে দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির জন্য অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বাণিজ্যে বিনিময় বিল বহুলভাবে ব্যবহৃত হয় এবং নির্দিষ্ট মেয়াদের পূর্বে তা ব্যাংকে বাট্টাকরণ করা যায়।
গ
কোম্পানি নিবেদিতার নামে কোন ধরনের প্রমাণপত্র ইস্যু করেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের কোম্পানি নিবেদিতা রহমানের নামে যে প্রমাণপত্র ইস্যু করেছে তা হলো একটি শেয়ার ওয়ারেন্ট। পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি শেয়ারের পূর্ণমূল্য পরিশোধের জন্য শেয়ারগ্রহিতাকে যে দলিল দেয় তাই শেয়ার ওয়ারেন্ট। এ দলিলে শেয়ারমালিকের নাম লিখা থাকে না। শুধু শেয়ারের নামিক মূল্য ও ক্রমিক নম্বর উল্লেখ থাকে। এ দলিল অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তর করা যায়। উদ্দীপকে নিবেদিতা রহমান একজন শেয়ার ব্যবসায়ী। শেয়ার কেনা- বেচার মাধ্যমে তিনি মুনাফা অর্জন করেন। তিনি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির শেয়ারের জন্য পূর্ণমূল্য পরিশোধ করেন। এতে কোম্পানি তার নামে একটি প্রমাণপত্র ইস্যু করে। সাধারণত শেয়ারের পূর্ণমূল্য পরিশোধের জন্য শেয়ার ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হয়। এটি শেয়ারের মালিকের জন্য শেয়ার ক্রয়ের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে কাজ করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের কোম্পানি নিবেদিতা রহমান নামে একটি শেয়ার ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছে।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নিবেদিতা রহমানের প্রমাণপত্রটি একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল। তুমি কি এ বক্তব্যের সাথে একমত? যুক্তি দাও।

উত্তর

শেয়ার ওয়ারেন্ট অর্পণের দ্বারা হস্তান্তর করা যায় বলে নিবেদিতা রহমানের দলিলটি একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল বলে আমি মনে করি। এক হাত থেকে অন্য হাতে হস্তান্তরের মাধ্যমে যে দলিলের মালিকানা বা স্বত্ব হস্তান্তর হয় তাকে হস্তান্তরযোগ্য দলিল বলা হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল আইন প্রচলিত আছে। এ দলিলের আওতায় বিনিময় বিল, চেক, প্রতিজ্ঞাপত্র, শেয়ার ওয়ারেন্ট উল্লেখযোগ্য হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল। উদ্দীপকে নিবেদিতা রহমান শেয়ার কেনা-বেচা করে মুনাফা অর্জন করে। এক্ষেত্রে তিনি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির শেয়ারের পূর্ণমূল্য পরিশোধ করেন। ফলে কোম্পানিটি তাকে একটি প্রমাণপত্র ইস্যু করে। উদ্দীপকে ইস্যুকৃত প্রমাণপত্রটি হলো শেয়ার ওয়ারেন্ট। কোনো কোম্পানির শেয়ারের পূর্ণমূল্য পরিশোধ করা হলে এর বিপরীতে কোম্পানির শেয়ারমালিককে এ দলিল ইস্যু করে। শেয়ারমালিক শেয়ারের মালিকানার জন্য এটি প্রমাণপত্র হিসেবে সংরক্ষণ করে। এতে শেয়ারমালিকের নাম লিখা থাকে না। শুধু অর্পণের দ্বারা এটি হস্তান্তর করা হয়। এভাবে মালিকানা বা স্বত্ব হস্তান্তর করা যায় বলে উদ্দীপকে উল্লিখিত শেয়ার ওয়ারেন্টটিকে হস্তান্তরযোগ্য দলিল বলা যৌক্তিক হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব সাকিব, জনাব রাকিবের কাছ থেকে ২৫,০০০ টাকার পণ্য কিনেছেন। জনাব সাকিব ১ মাস পর টাকা দিতে চাইলে জনাব রাকিব স্ট্যাম্পযুক্ত একটি দলিলে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। অন্যদিকে, জনাব রহিম একজন ব্যবসায়ী। তিনি তার পাওনাদারের নিকট থেকে একটি চেক পান। চেকটির বাম পাশে আড়াআড়িভাবে দুটি। দাগের মধ্যে 'গ্রাহকের হিসাবে প্রদেয়' কথাটি লেখা ছিল। চেকটি তার ব্যাংকে উপস্থাপন করলে ব্যাংক সরাসরি চেকের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। [নটর ডেম কলেজ, ঢাকা]
ক
হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল কী?

উত্তর

হস্তান্তরের মাধ্যমে যে দলিলের হাস্তন্তরগ্রহীতা এর বৈধ মালিকানা লাভ করে তাকে হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল বলে।
খ
চেকের অনুমোদন বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কারো নিকট হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে চেকের পিঠে স্বাক্ষর করাকে সাধারণত চেকের অনুমোদন বলে। হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন অনুযায়ী চেক এক ধরনের হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল। যা বৈধ অনুমোদনের দ্বারা একজনের নিকট হতে অন্যজনের নিকট হস্তান্তর করা যায়। প্রাপক বা প্রাপকদের পক্ষে তাদের আইনানুগ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধিও স্বাক্ষর করে অনুমোদন করতে পারে।
গ
জনাব রাকিবের তৈরিকৃত স্ট্যাম্পযুক্ত দলিলটি কোন ধরনের দলিল? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে জনাব রাকিবের স্ট্যাম্পযুক্ত দলিলটি হলো একটি বিনিময় বিল। বিনিময় বিল হলো এমন একপ্রকার হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল যাতে কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদানের শর্তহীন নির্দেশ প্রদান করে। অপরপক্ষ বা ক্রেতা এতে স্বাক্ষর প্রদানপূর্বক স্বীকৃতি দিলে তা মূল্যবান দলিলে পরিণত হয়। উদ্দীপকের জনাব সাকিব পণ্য ক্রয় বাবদ ২৫,০০০ টাকা ১ মাস পর দিতে চাইলে বিক্রেতা বা পাওনাদার জনাব রাকিব স্ট্যাম্পযুক্ত একটি দলিলে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। এক্ষেত্রে স্ট্যাম্পযুক্ত দলিলটির প্রস্তুতকারক হলো পাওনাদার জনাব রাকিব। এই প্রস্তুতকৃত দলিলটিতে দেনাদার জনাব সাকিব স্বীকৃতি প্রদান করেন। এছাড়া দলিলটি নির্দিষ্ট মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত। এ ধরনের বৈশিষ্ট্য বিনিময় বিলে বিদ্যমান। তাই বলা যায়, জনাব রাকিবের তৈরিকৃত স্ট্যাম্পযুক্ত দলিলটি হলো বিনিময় বিল।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব রহিমের চেকের টাকা ব্যাংক সরাসরি দিতে অপারগতা প্রকাশ করার কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে জনাব রহিমের চেকটি দাগকাটা চেক বিধায় ব্যাংক সরাসরি নগদ অর্থ দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। বাহক বা হুকুম চেকের বামকোণের উপরিভাগে আড়াআড়ি দুটি সমান্তরাল রেখা অঙ্কন করা হলে তাকে দাঁগকাটা চেক বলে। এ ধরনের চেকের দুই দাগের মাঝখানে 'সাধারণত গ্রাহকের হিসাবে প্রদেয়', 'এন্ড কোং' প্রভৃতি শব্দদ্বয় লিখা থাকে। গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমেই এই চেকের টাকা সংগ্রহ করতে হয়। উদ্দীপকের জনাব রহিম তার একজন ক্রেতা থেকে একটি চেক পান। চেকটির দুই দাগের মধ্যে "গ্রাহকের হিসাবে প্রদেয়” কথাটি লিখা ছিল। তাই চেকটি তার ব্যাংকে উপস্থাপন করলে ব্যাংক সরাসরি নগদ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে কারণ চেকটি দাগকাটা চেক ছিল। দাগকাটা চেকের টাকা ব্যাংক কাউন্টার থেকে নগদে উত্তোলনের সুযোগ নেই। এ ধরনের চেকের টাকা গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে উত্তেলন করা যায়। ফলে দাগকাটা চেক যথাযথ নিয়মে। প্রাপকের ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে হয়। পরবর্তীতে নিকাশ ঘরের মাধ্যমে চেকের অর্থ তার হিসাবে জমা হলে চেক বা কার্ডের মাধ্যমে উক্ত অর্থ উত্তোলনের সুযোগ পাবেন। তাই বলা যায়, জনাব রহিমের চেকটি দাগকাটা চেক বিধায় উক্ত চেকের টাকা ব্যাংক সরাসরি দিতে অপারগতা প্রকাশ যৌক্তিক হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব সাকিব, জনাব রাকিবের কাছ থেকে ২৫,০০০ টাকার পণ্য কিনেছেন। জনাব সাকিব ১ মাস পর টাকা দিতে চাইলে জনাব রাকিব স্ট্যাম্পযুক্ত একটি দলিলে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। অন্যদিকে, জনাব রহিম একজন ব্যবসায়ী। তিনি তার পাওনাদারের নিকট থেকে একটি চেক পান। চেকটির বাম পাশে আড়াআড়িভাবে দুটি। দাগের মধ্যে 'গ্রাহকের হিসাবে প্রদেয়' কথাটি লেখা ছিল। চেকটি তার ব্যাংকে উপস্থাপন করলে ব্যাংক সরাসরি চেকের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। [নটর ডেম কলেজ, ঢাকা]
ক
হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল কী?

উত্তর

হস্তান্তরের মাধ্যমে যে দলিলের হাস্তন্তরগ্রহীতা এর বৈধ মালিকানা লাভ করে তাকে হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল বলে।
খ
চেকের অনুমোদন বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কারো নিকট হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে চেকের পিঠে স্বাক্ষর করাকে সাধারণত চেকের অনুমোদন বলে। হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন অনুযায়ী চেক এক ধরনের হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল। যা বৈধ অনুমোদনের দ্বারা একজনের নিকট হতে অন্যজনের নিকট হস্তান্তর করা যায়। প্রাপক বা প্রাপকদের পক্ষে তাদের আইনানুগ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধিও স্বাক্ষর করে অনুমোদন করতে পারে।
গ
জনাব রাকিবের তৈরিকৃত স্ট্যাম্পযুক্ত দলিলটি কোন ধরনের দলিল? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে জনাব রাকিবের স্ট্যাম্পযুক্ত দলিলটি হলো একটি বিনিময় বিল। বিনিময় বিল হলো এমন একপ্রকার হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল যাতে কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদানের শর্তহীন নির্দেশ প্রদান করে। অপরপক্ষ বা ক্রেতা এতে স্বাক্ষর প্রদানপূর্বক স্বীকৃতি দিলে তা মূল্যবান দলিলে পরিণত হয়। উদ্দীপকের জনাব সাকিব পণ্য ক্রয় বাবদ ২৫,০০০ টাকা ১ মাস পর দিতে চাইলে বিক্রেতা বা পাওনাদার জনাব রাকিব স্ট্যাম্পযুক্ত একটি দলিলে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। এক্ষেত্রে স্ট্যাম্পযুক্ত দলিলটির প্রস্তুতকারক হলো পাওনাদার জনাব রাকিব। এই প্রস্তুতকৃত দলিলটিতে দেনাদার জনাব সাকিব স্বীকৃতি প্রদান করেন। এছাড়া দলিলটি নির্দিষ্ট মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত। এ ধরনের বৈশিষ্ট্য বিনিময় বিলে বিদ্যমান। তাই বলা যায়, জনাব রাকিবের তৈরিকৃত স্ট্যাম্পযুক্ত দলিলটি হলো বিনিময় বিল।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব রহিমের চেকের টাকা ব্যাংক সরাসরি দিতে অপারগতা প্রকাশ করার কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে জনাব রহিমের চেকটি দাগকাটা চেক বিধায় ব্যাংক সরাসরি নগদ অর্থ দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। বাহক বা হুকুম চেকের বামকোণের উপরিভাগে আড়াআড়ি দুটি সমান্তরাল রেখা অঙ্কন করা হলে তাকে দাঁগকাটা চেক বলে। এ ধরনের চেকের দুই দাগের মাঝখানে 'সাধারণত গ্রাহকের হিসাবে প্রদেয়', 'এন্ড কোং' প্রভৃতি শব্দদ্বয় লিখা থাকে। গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমেই এই চেকের টাকা সংগ্রহ করতে হয়। উদ্দীপকের জনাব রহিম তার একজন ক্রেতা থেকে একটি চেক পান। চেকটির দুই দাগের মধ্যে "গ্রাহকের হিসাবে প্রদেয়” কথাটি লিখা ছিল। তাই চেকটি তার ব্যাংকে উপস্থাপন করলে ব্যাংক সরাসরি নগদ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে কারণ চেকটি দাগকাটা চেক ছিল। দাগকাটা চেকের টাকা ব্যাংক কাউন্টার থেকে নগদে উত্তোলনের সুযোগ নেই। এ ধরনের চেকের টাকা গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে উত্তেলন করা যায়। ফলে দাগকাটা চেক যথাযথ নিয়মে। প্রাপকের ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে হয়। পরবর্তীতে নিকাশ ঘরের মাধ্যমে চেকের অর্থ তার হিসাবে জমা হলে চেক বা কার্ডের মাধ্যমে উক্ত অর্থ উত্তোলনের সুযোগ পাবেন। তাই বলা যায়, জনাব রহিমের চেকটি দাগকাটা চেক বিধায় উক্ত চেকের টাকা ব্যাংক সরাসরি দিতে অপারগতা প্রকাশ যৌক্তিক হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব ইকবাল তার দেনাদার মি. আবদাল বরাবর ২০,০০০ টাকার একটা দলিল তৈরি করতে গিয়ে লিখলেন- অদ্য থেকে ২ মাস পরে আপনার কাছে বিক্রীত পণ্যের মূল্য বাবদ, জনাব জাভেদকে অথবা তার আদেশানুসারে ২০,০০০ টাকা মাত্র প্রদান করুন। তৈরির পর তিনি মি. আবদালের নিকট দলিলটি পাঠিয়ে তাতে স্বীকৃতিসূচক স্বাক্ষর সংগ্রহ করলেন এবং জনাব জাভেদকে দিলেন। জনাব জাভেদ যথারীতি পেছনে স্বাক্ষর করে তা জনাব হাবিবকে প্রদান করলেন। জনাব হাবীব তা তার ব্যাংক থেকে বাট্টাকরণ করতে চাইছে। [বরিশাল বোর্ড ২০১৬]
ক
বাহক চেক কী?

উত্তর

যে চেকে প্রাপকের নামের স্থানের পরে 'কে অথবা বাহককে' শব্দগুলো লেখা থাকে তাকে বাহক চেক রলে।
খ
বিনিময় বিল বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

বিনিময় বিল একটি হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল। বিনিময় বিল হলো এমন এক প্রকার হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল যাতে কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদানের জন্য শর্তহীন নির্দেশ প্রদান করে এবং অপরপক্ষ এতে স্বীকৃতি প্রদান করলে তা মূল্যবান দলিল হিসেবে গণ্য হয়। বর্তমানে দেনা- পাওনা নিষ্পত্তির জন্য অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বাণিজ্যে বিনিময় বিল বহুলভাবে ব্যবহৃত হয় এবং নির্দিষ্ট মেয়াদের পূর্বে তা ব্যাংকে বাট্টাকরণ করা যায়।
গ
উদ্দীপকে জনাব জাভেদ হস্তান্তরযোগ্য দলিলের কোন পক্ষ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে জনাব জাভেদ হস্তান্তরযোগ্য দলিলের প্রাপক। চেকের বিভিন্ন পক্ষ রয়েছে। চেকের অন্যতম একটি পক্ষ হলো প্রাপক। আদেষ্টা যাকে চেক প্রদানের জন্যে আদিষ্ট ব্যাংককে নির্দেশ প্রদান করে, তাকে চেকের প্রাপক বা পাওনাদার বলে। উদ্দীপকে জনাব ইকবাল তার দেনাদার মি. আবদালের নিকট পাওনা ২০,০০০ টাকার বিপরীতে একটি দলিল প্রস্তুত করেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন যে, আজ থেকে দুই মাস পরে মি. আবদালের কাছে পাওনা বাবদ জনাব জাভেদকে অথবা তার আদেশানুসারে তিনি ২০,০০০ টাকা প্রদান করবেন। অর্থাৎ জনাব জাভেদ এ হস্তান্তরযোগ্য। দলিলের প্রাপক। কারণ জনাব জাভেদকে এ দলিলের অর্থ প্রদানের নির্দেশ রয়েছে। ফলে ২ মাস পর জনাব জাভেদ সেই অর্থ সংগ্রহ করতে পারবেন। সুতরাং, জনাব জাভেদ হস্তান্তরযোগ্য এ দলিলের তৃতীয় পক্ষ যা চেকের প্রাপক।
ঘ
জনাব হাবীবের নাম দলিলের উপরিভাগে না থাকার পরও ব্যাংক কি দলিলটি বাট্টাকরণ করবে? যুক্তি প্রদর্শন কর।

উত্তর

জনাব হাবিবের নাম দলিলের উপরিভাগে না থাকার পরও ব্যাংক থেকে দলিলটি বাট্টাকরণ করা যাবে। যথানিয়মে একহাত থেকে অন্যহাতে হস্তান্তরের মাধ্যমে যে দলিলের হস্তান্তরগ্রহীতা এর বৈধ মালিকানা বা স্বত্ব লাভ করে তাকে হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল বলে। হস্তান্তরযোগ্য দলিলের প্রাপক তার প্রয়োজন অনুসারে দলিলটি ব্যাংকের মাধ্যমে ভাঙাতে পারেন। উদ্দীপকে জনাব ইকবাল তার দেনাদার মি. আবদালের নিকট পাওনা ২০,০০০ টাকার বিপরীতে একটি দলিল প্রস্তুত করেন যার অর্থ ২ মাস পর জনাব জাভেদ পাবে। দলিলে মি. আবদালের স্বাক্ষর গ্রহণ করে জনাব ইকবাল তা জনাব জাভেদকে দিলেন। জনাব জাভেদ তা গ্রহণ করে জনাব হাবিবকে দিলেন। তখন জনাব হাবিব তা তার ব্যাংক হিসাব থেকে বাট্টাকরণ করতে চাইলে তিনি তা করতে পারেন। বিনিময় বিলের ধারক ব্যাংকে বিল বাট্টাকরণের মাধ্যমে নগদ অর্থ পেয়ে থাকেন। অর্থাৎ মেয়াদপূর্তির পূর্বে বিলের অনুমোদনগ্রহীতা বিলটি ব্যাংকে ভাঙাতে পারেন। উদ্দীপকে জনাব জাভেদ বিলটিতে স্বাক্ষর দিয়ে জনাব হাবীবকে অনুমোদনবলে প্রাপক করেন। অতএব, এ দলিলের অর্থ জনাব হাবিব তার ব্যাংক থেকে সংগ্রহ করতে পারেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCFinance 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব ইকবাল তার দেনাদার মি. আবদাল বরাবর ২০,০০০ টাকার একটা দলিল তৈরি করতে গিয়ে লিখলেন- অদ্য থেকে ২ মাস পরে আপনার কাছে বিক্রীত পণ্যের মূল্য বাবদ, জনাব জাভেদকে অথবা তার আদেশানুসারে ২০,০০০ টাকা মাত্র প্রদান করুন। তৈরির পর তিনি মি. আবদালের নিকট দলিলটি পাঠিয়ে তাতে স্বীকৃতিসূচক স্বাক্ষর সংগ্রহ করলেন এবং জনাব জাভেদকে দিলেন। জনাব জাভেদ যথারীতি পেছনে স্বাক্ষর করে তা জনাব হাবিবকে প্রদান করলেন। জনাব হাবীব তা তার ব্যাংক থেকে বাট্টাকরণ করতে চাইছে। [বরিশাল বোর্ড ২০১৬]
ক
বাহক চেক কী?

উত্তর

যে চেকে প্রাপকের নামের স্থানের পরে 'কে অথবা বাহককে' শব্দগুলো লেখা থাকে তাকে বাহক চেক রলে।
খ
বিনিময় বিল বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

বিনিময় বিল একটি হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল। বিনিময় বিল হলো এমন এক প্রকার হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল যাতে কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদানের জন্য শর্তহীন নির্দেশ প্রদান করে এবং অপরপক্ষ এতে স্বীকৃতি প্রদান করলে তা মূল্যবান দলিল হিসেবে গণ্য হয়। বর্তমানে দেনা- পাওনা নিষ্পত্তির জন্য অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বাণিজ্যে বিনিময় বিল বহুলভাবে ব্যবহৃত হয় এবং নির্দিষ্ট মেয়াদের পূর্বে তা ব্যাংকে বাট্টাকরণ করা যায়।
গ
উদ্দীপকে জনাব জাভেদ হস্তান্তরযোগ্য দলিলের কোন পক্ষ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে জনাব জাভেদ হস্তান্তরযোগ্য দলিলের প্রাপক। চেকের বিভিন্ন পক্ষ রয়েছে। চেকের অন্যতম একটি পক্ষ হলো প্রাপক। আদেষ্টা যাকে চেক প্রদানের জন্যে আদিষ্ট ব্যাংককে নির্দেশ প্রদান করে, তাকে চেকের প্রাপক বা পাওনাদার বলে। উদ্দীপকে জনাব ইকবাল তার দেনাদার মি. আবদালের নিকট পাওনা ২০,০০০ টাকার বিপরীতে একটি দলিল প্রস্তুত করেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন যে, আজ থেকে দুই মাস পরে মি. আবদালের কাছে পাওনা বাবদ জনাব জাভেদকে অথবা তার আদেশানুসারে তিনি ২০,০০০ টাকা প্রদান করবেন। অর্থাৎ জনাব জাভেদ এ হস্তান্তরযোগ্য। দলিলের প্রাপক। কারণ জনাব জাভেদকে এ দলিলের অর্থ প্রদানের নির্দেশ রয়েছে। ফলে ২ মাস পর জনাব জাভেদ সেই অর্থ সংগ্রহ করতে পারবেন। সুতরাং, জনাব জাভেদ হস্তান্তরযোগ্য এ দলিলের তৃতীয় পক্ষ যা চেকের প্রাপক।
ঘ
জনাব হাবীবের নাম দলিলের উপরিভাগে না থাকার পরও ব্যাংক কি দলিলটি বাট্টাকরণ করবে? যুক্তি প্রদর্শন কর।

উত্তর

জনাব হাবিবের নাম দলিলের উপরিভাগে না থাকার পরও ব্যাংক থেকে দলিলটি বাট্টাকরণ করা যাবে। যথানিয়মে একহাত থেকে অন্যহাতে হস্তান্তরের মাধ্যমে যে দলিলের হস্তান্তরগ্রহীতা এর বৈধ মালিকানা বা স্বত্ব লাভ করে তাকে হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল বলে। হস্তান্তরযোগ্য দলিলের প্রাপক তার প্রয়োজন অনুসারে দলিলটি ব্যাংকের মাধ্যমে ভাঙাতে পারেন। উদ্দীপকে জনাব ইকবাল তার দেনাদার মি. আবদালের নিকট পাওনা ২০,০০০ টাকার বিপরীতে একটি দলিল প্রস্তুত করেন যার অর্থ ২ মাস পর জনাব জাভেদ পাবে। দলিলে মি. আবদালের স্বাক্ষর গ্রহণ করে জনাব ইকবাল তা জনাব জাভেদকে দিলেন। জনাব জাভেদ তা গ্রহণ করে জনাব হাবিবকে দিলেন। তখন জনাব হাবিব তা তার ব্যাংক হিসাব থেকে বাট্টাকরণ করতে চাইলে তিনি তা করতে পারেন। বিনিময় বিলের ধারক ব্যাংকে বিল বাট্টাকরণের মাধ্যমে নগদ অর্থ পেয়ে থাকেন। অর্থাৎ মেয়াদপূর্তির পূর্বে বিলের অনুমোদনগ্রহীতা বিলটি ব্যাংকে ভাঙাতে পারেন। উদ্দীপকে জনাব জাভেদ বিলটিতে স্বাক্ষর দিয়ে জনাব হাবীবকে অনুমোদনবলে প্রাপক করেন। অতএব, এ দলিলের অর্থ জনাব হাবিব তার ব্যাংক থেকে সংগ্রহ করতে পারেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো