'ক' রাষ্ট্রে উক্ত নীতি অর্থাৎ জনসংখ্যা নীতির সঠিক বাস্তবায়ন না ঘটলে তা ভয়াবহ বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে বলে আমি মনে করি।
জনসংখ্যা নীতির মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা হয়। এর ফলে প্রজনন হার অনেকাংশে হ্রাস পায়। এ কর্মসূচি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এ নীতির আওতায় কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা, প্রজনন স্বাস্থ্য, এইডস বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও কাউন্সেলিং সেবা দেওয়া হয়। এর ফলে তারা এ সব বিষয়ে সচেতন হয়ে ওঠে। কিন্তু 'ক' রাষ্ট্রে যদি এ কর্মসূচিটি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত না হয় তাহলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে না।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে 'ক' দেশটিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধিজনিত সমস্যা, দেখা দেবে। দেশটি মানুষের মৌল মানবিক চাহিদা যেমন খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা ইত্যাদি পূরণে ব্যর্থ হবে। দেশটিতে দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা, বেকারত্ব, পুষ্টিহীনতা, মাতৃ ও শিশু মৃত্যুহার এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে দেশটি ভয়াবহ অবস্থার সম্মুখীন হবে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, 'ক' দেশটিতে জনসংখ্যা নীতির বাস্তবায়ন না ঘটলে দেশটিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।