রীমা জীবিকা অর্জনের উপায় হিসেবে কসমেটিক্স এর ব্যবসা শুরু করেছেন, যা বৃত্তির অন্তর্ভুক্ত।
জীবিকা অর্জনের জন্য মানুষকে কোনো না কোনো কাজ করতে হয়। এ সকল কাজকে বৃত্তি ও পেশা এ দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। সাধারণভাবে বলা যায়, যেকোনো জীবিকা অর্জনের উপায়ই বৃত্তির অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ বৃত্তি হলো জীবন ধারণ ও নির্বাহের জন্য যেকোনো ধরনের অর্থনৈতিক কার্যাবলি।
উদ্দীপকে রীমার কাজটির প্রকৃতি বিশ্লেষণ করলে বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়। প্রথমত, কসমেটিক্স-এর ব্যবসার জন্য তাকে তত্ত্বনির্ভর সুশৃঙ্খল জ্ঞান বা প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান অর্জন করতে হয়নি। দ্বিতীয়ত, আলোচ্য কাজের জন্য রীমাকে তাত্ত্বিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আলাদা কোনো নৈপুণ্য বা দক্ষতা অর্জন করতে হয়নি। তৃতীয়ত, তার কাজটি এমন যেক্ষেত্রে কোনো সুনিদিষ্ট মূল্যবোধ ও নৈতিক মানদণ্ড প্রয়োজন হয় না। চতুর্থত, রীমা তার ব্যবসা স্বাধীনভাবে পরিচালনা করতে পারে। এক্ষেত্রে তাকে কারও কাছে জবাবদিহি করতে হয় না। পঞ্চমত, রীমার কাজটি জনকল্যাণমূলক নয়, বরং এটি কেবল তার জীবিকা অর্জনের উপায়। এ সকল বৈশিষ্ট্যের আলোকে বলা যায়, রীমা জীবিকা অর্জনের উপায় হিসেবে বৃত্তিকে বেছে নিয়েছে।