রীমা ও সীমার জীবিকা অর্জনের উপায় দু'টির বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করো।
উত্তর: রীমা ও সীমার জীবিকা অর্জনের উপায় দুটি যথাক্রমে বৃত্তি ও পেশা নামে পরিচিত। এ দুয়ের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান। অনেকেই বৃত্তি ও পেশাকে প্রায় একই অর্থে ব্যবহার করে থাকে। বৃত্তি মূলত জীবনধারণের জন্য যেকোনো ধরনের অর্থনৈতিক কাজকে বোঝায়। পক্ষান্তরে, বুদ্ধিবৃত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জনই পেশার মূল দিক। প্রতিটি পেশারই কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে যা পেশাকে বৃত্তি থেকে পৃথক সত্তা দান করে। রীমার কাজটির জন্য তাকে কোনো তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জন করতে হয়নি। কিন্তু সীমার ডাক্তারি পেশার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান অর্জন অপরিহার্য। শুধু তাই নয়, এজন্য সীমাকে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণও গ্রহণ করতে হয়েছে। রীমার ক্ষেত্রে ব্যবসার জন্য এরূপ কোনো প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয়নি। সীমার পেশার ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র কিছু মূল্যবোধ ও নৈতিক মানদণ্ড রয়েছে, যা তার আচার-আচরণ ও কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে। তার কাজের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো তাকে সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয় এবং এক্ষেত্রে তার জবাবদিহিতার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পক্ষান্তরে রীমার ব্যবসায় সুনির্দিষ্ট মূল্যবোধ, জবাবদিহিতা প্রভৃতি অনুপস্থিত। এক্ষেত্রে সে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে। সর্বশেষ বলা যায়, সীমার পেশাটি সমাজে উচ্চ মর্যাদার এবং এটি জনকল্যাণমূলক। কিন্তু রীমার কাজটি এরূপ নয়। উপর্যুক্ত আলোচনায় বৃত্তি ও পেশার মধ্যে পার্থক্যসমূহ সুস্পষ্টরূপে প্রতীয়মান হায়েছে।
HSC Social Work 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Social Work 1st Paper · সৃজনশীল
রীমা ও সীমার জীবিকা অর্জনের উপায় দু'টির বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করো।
উদ্দীপক
Dhaka, dinajpur, comilla, chittagong, sylhet, jessore · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর