উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ইংল্যান্ডে ১৬০১ সালে এলিজাবেথীয় দরিদ্র আইন প্রবর্তিত হয়েছিল।
প্রাক-শিল্প যুগে ইংল্যান্ড দারিদ্র্য ও নানা ধরনের আর্থ-সামাজিক সমস্যায় জর্জরিত ছিল। সে সময় ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য সমস্যা সমাধান, ভিক্ষা- বৃত্তি, ভবঘুরে সমস্যা, বেকারত্ব রোধ এবং দুস্থদের সহায়তায় বিভিন্ন আইন প্রণীত হয়। এ সকল আইনের মধ্যে ১৬০১ সালের এলিজাবেথীয় দরিদ্র আইনটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন হিসেবে স্বীকৃত।
উদ্দীপকে বাংলাদেশের একটি অন্যতম সামাজিক সমস্যা ভিক্ষাবৃত্তির নানা দিক উপস্থাপিত হেেছ। এই সমস্যা সমাধানে ১৯৪৩ সালের বঙ্গীয় ভবঘুরে আইনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে সুস্থ- সবল ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন, সংশোধন, ভিক্ষাবৃত্তি নিষিদ্ধকরণের ব্যবস্থা গৃহীত হয়। ইংল্যান্ডে সৃষ্ট অনুরূপ সমস্যার প্রেক্ষিতেই ১৬০১ সালের দরিদ্র আইন প্রবর্তিত হয়েছিল। উক্ত আইন ইংল্যান্ডের দরিদ্র জনগণের তাৎক্ষণিক অর্থনৈতিক ও আবাসন সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। বিশেষ করে ভিক্ষুকদের শ্রেণিকরণ করে তাদের পুনর্বাসন, সংশোধন এবং সার্বিক সহায়তায় ১৬০১ সালের দরিদ্র আইনের মাধ্যমে সরকারিভাবে দায়িত্ব গৃহীত হয়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, প্রকৃতি ও উদ্দেশ্যগত দিক থেকে উদ্দীপকে উল্লিখিত আইন এবং আলোচ্য ১৬০১ সালের দরিদ্র আইন পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ।