উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়সমূহ জনসংখ্যা নীতি গ্রহণে কীভাবে প্রভাব ফেলে? মতামত দাও।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়সমূহের আলোকে দেশের জনসংখ্যা পরিস্থিতি বিচার-বিশ্লেষণ করে জনসংখ্যা নীতির নানা দিক নির্ধারণ করা হয়। একটি দেশের জনসংখ্যা নীতিতে ঐ দেশের জনসংখ্যার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়। এজন্য জনসংখ্যা নীতি প্রণয়নের পূর্বে দেশের জনসংখ্যা সংশ্লিষ্ট সকল তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও বিচার-বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। আর জনবিজ্ঞান আদমশুমারী কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে এ কাজটিই করে থাকে। আদমশুমারীর মাধ্যমে একটি দেশের মোট জনসংখ্যা, নারী-পুরুষের সংখ্যা, কর্মক্ষম ও নির্ভরশীল মানুষের সংখ্যা প্রভৃতি সম্পর্কে জানা যায়। এর ফলে দেশটির জনসংখ্যা সমস্যা না সম্পদ তা বিচার-বিশ্লেষণ করা সম্ভব হয়। আবার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত, শিশু জন্মহার ও মৃত্যুহার কত, শিক্ষার অবস্থা কেমন, আয়-ব্যয় ও সঞ্চয়ের প্রকৃতি কেমন প্রভৃতি বিষয়ও আদমশুমারী হতে জানা যায়। এর ফলে ভবিষ্যতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট নানা সমস্যা সম্পর্কে করণীয় নির্ধারণ করা সহজ হয়। এ সকল তথ্যের ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ লক্ষ্য, কর্মপন্থা ও পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। আর এ বিষয়গুলোই জনসংখ্যা নীতির নানা ধারায় সন্নিবেশিত হয়। প্রকৃতপক্ষে উক্ত তথ্যসমূহ ব্যতীত জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন এক প্রকার অসম্ভব। উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, জনসংখ্যা নীতি গ্রহণে জনসংখ্যা সংশ্লিষ্ট নানা তথ্য-উপাত্তের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
HSC Social Work 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Social Work 1st Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়সমূহ জনসংখ্যা নীতি গ্রহণে কীভাবে প্রভাব ফেলে?…
উদ্দীপক
Rajshahi, barisal · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর