উদ্দীপকে উল্লিখিত কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজসেবা কর্মসূচির মধ্যে অন্যতম সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে।
আধুনিক সমাজে জীবনের সাধারণ ঝুঁকি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। জীবনযাপনের সাধারণ ঝুঁকির মধ্যে আকস্মিক দুর্ঘটনা, অসুস্থতা, বেকারত্ব, বার্ধক্য প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। সমাজের প্রত্যেক সদস্যেরই কোনো না কোনো সময়ে এসব ঝুঁকির সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব বিপর্যয় মোকাবিলা করে জীবন ধারণের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যেই সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি প্রবর্তিত হয়েছে।
উদ্দীপকে আমাদের সমাজের অসুস্থতা, দুর্ঘটনা, বেকারত্ব, অক্ষমতাজনিত নির্ভরশীলতা প্রভৃতি সমস্যার কথা বলা হয়েছে, এসব সমস্যা মোকাবিলায় সরকার বা রাষ্ট্র কর্তৃক আইন প্রণয়নের মাধ্যমে প্রতিরক্ষামূলক কর্মসূচি গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে। আর এ ধরনের কর্মসূচি মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তা প্রদানের জন্যই গৃহীত হয়। সামাজিক নিরাপত্তার সংজ্ঞার্থ বিশ্লেষণ করলেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সংজ্ঞার্থ অনুযায়ী, আধুনিক শিল্প সমাজের অসুস্থতা, বেকারত্ব বার্ধক্যজনিত নির্ভরশীলতা, পেশাগত দুর্ঘটনা প্রভৃতি মানুষের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার বহির্ভূত বিপর্যয় মোকাবিলায় সামাজিক প্রতিরক্ষামূলক কর্মসূচিই সামাজিক নিরাপত্তা। সুতরাং উদ্দীপকটিতে আলোচ্য কর্মসূচি সামাজিক নিরাপত্তার সাথেই সাদৃশ্যপূর্ণ।