উদ্দীপকের 'ক' নামক রাষ্ট্রে প্রণীত নীতির সাথে বাংলাদেশে প্রণীত বাংলাদেশ জনসংখ্যানীতি-২০১২ সামাজিক নীতির মিল রয়েছে। সাধারণত জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিবর্তন, উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত সরকারি সামাজিক নীতিই জনসংখ্যানীতি। জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে পরিকল্পিতভাবে দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে জনসংখ্যানীতি- ২০১২ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ নীতির প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ, প্রজনন স্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস, নারী পুরুষের সমতা, জনসম্পদ সৃষ্টি অন্যতম। উক্ত বিষয়গুলো উদ্দীপকে নির্দেশিত নীতির ক্ষেত্রেও দেখা যায়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ক' নামক রাষ্ট্রে ২০১২ সালে প্রণীত একটি নীতির উদ্দেশ্য পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ, নারী-পুরুষের সমতা, মানুষকে সম্পদে পরিণতকরণ ইত্যাদি। এ নীতিতে বাংলাদেশ জনসংখ্যানীতি-২০১২ এর প্রতিফলন ঘটেছে। বাংলাদেশে প্রণীত জনসংখ্যানীতিতে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির ব্যবস্থার ব্যবহার ৭২% এ উন্নীত করে মোট প্রজনন হার ২.১-এ নামিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে। এ নীতির অন্যতম উদ্দেশ্য মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস এবং নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিতকরণ, নারী-পুরুষের সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নকে জোরদার করা। জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দেয়ার বিষয় উল্লেখ রয়েছে। উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের প্রণীত নীতিতেও এ বিষয়গুলোই দেখা যায়। তাই বলা যায়, 'ক' রাষ্ট্রের প্রণীত নীতি এবং বাংলাদেশ জনসংখ্যানীতি-২০১২ সাদৃশ্যপূর্ণ।