শেয়ারFacebookWhatsApp

উক্ত আন্দোলনের গুরুত্ব আলোচনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে নির্দেশিত আন্দোলনটি হচ্ছে হিন্দু বিধবা বিবাহ আন্দোলন। নিম্নে এই আন্দোলনের গুরুত্ব আলোচনা করা হলো : বাল্যবিবাহের প্রথা থাকার কারণে মেয়েদের অনেক বয়স্ক লোকের সাথে বিবাহ হত, যার ফলে তারা অল্প বয়সে বিধবা হয়ে যেত। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন হিন্দু সমাজে অনেক বেশি বিধবার সংখ্যা বেড়ে যায়। কিন্তু হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহের প্রচলন না থাকায় তখন তারা পিতা বা ভাইদের সাথে বা শ্বশুরবাড়িতে শত কষ্টের মাঝেও বাধ্য হয়ে জীবন যাপন করতে হতো। এছাড়াও বিভিন্ন সময় জীবিকা অজৈবিক চাহিদার তাগিদে তারা বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়ে পড়তো। বিধবা বিবাহ আইন চালুর পর থেকে তারা এই দুর্দশা থেকে মুক্তি পায়। তখন তাদের আর বাধ্য হয়ে বাবার বাড়িতে কিংবা শ্বশুরবাড়িতে দূর্দশা কষ্ট জীবন কাটাতে হতো না। এতে করে তাদের সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। এছাড়াও স্বাভাবিক ও সামাজিক জীবন যাপনের সুযোগ নতুন করে সৃষ্টি হতো। অর্থাৎ বিধবা বিবাহ আইন-চালুর পর থেকে হিন্দু বিধবা নারীদের জীবনে পরিবর্তনের সূত্রপাত ঘটে। তাই বলা যায়, তৎকালীন হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহ আন্দোলনের গুরুত্ব অনেক।

HSC Social Work 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Social Work 1st Paper · সৃজনশীল

উক্ত আন্দোলনের গুরুত্ব আলোচনা কর।

উদ্দীপক

বিনোদ রায় একজন সচেতন ব্যক্তি। সমাজে তিনি দয়া সাগর নামে পরিচিত। তিনি সমাজের প্রচলিত বিধিকে সমালোচনা করে বিধবা সম্পা রায় কে তার ছেলের সাথে বিয়ে দেন।

Dhaka, jessore, comilla, chittagong, sylhet, dinajpur, mymensingh · 2022

উত্তর

সতীদাহ নিরোধ আইন ১৮২৯ সালে পাশ হয়।

উত্তর

রাজা রামমোহন রায় সতীদাহ প্রথা বিলোপ সাধনের জন্য বিখ্যাত। সতীদাহ একটি নিষ্ঠুর ও অমানবিক প্রথা। তৎকালীন হিন্দু সমাজের স্বামীর মৃত্যু হলে নরক বাসের ভয় দেখিয়ে বিধবা পত্নীকে জোর করে স্বামীর চিতায় জীবন্ত দাহ করা হতো, যা সতীদাহ প্রথা নামে পরিচিত। রাজা রামমোহন রায় এ প্রথার বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলে। তার একান্ত প্রচেষ্টায় ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক সতীদাহ প্রথা বিলোপ আইন পাস করেন। এজন্য রাজা রামমোহন রায় ইতিহাসে বিখ্যাত।

উত্তর

উদ্দীপকের সাথে হিন্দু বিধবা বিবাহ সমাজ সংস্কার আন্দোলনের মিল রয়েছে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হল: তৎকালীন হিন্দু সমাজে বিধবা মহিলাদের দ্বিতীয় বিবাহের নিয়ম ছিল না। একই সাথে সতীদাহ প্রথা ও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হিন্দু বিধবা মহিলাদের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছিল। কেননা তৎকালীন সময়ে বাল্যবিবাহের প্রচলন ছিল। বাল্যবিবাহের কারণে মহিলারা অল্প বয়সে স্বামী হারিয়ে বিধবা হতেন। ফলে বিধবা মহিলারা অত্যন্ত কষ্টে দিনাতিপাত করতেন। বিধবাদের এই করুণ অবস্থা দেখে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিধবা বিবাহ চালু করার জন্য আন্দোলন গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন প্রণয়ন হয়। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নিজে ও তার ছেলের সাথে একজন বিধবার বিয়ে দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। উদ্দীপকে বিনোদ রায় একজন সচেতন ব্যক্তি। তার সমাজে বিধবা বিবাহ নিয়ে প্রচলিত বিধিকে তিনি সমালোচনা করেন। তাই তিনি তার ছেলেকে একজন বিধবার সাথে বিয়ে দেন। যা সমাজের জন্য একটি দৃষ্টান্ত। তাই বলা যায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মতো বিনোদ রায় ও নিজের ছেলেকে একজন বিধবার সাথে বিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে সমাজের প্রচলিত বিধির বিরুদ্ধে আন্দোলন করার কারণে উদ্দীপকের সাথে হিন্দু বিধবা বিবাহ সমাজ সংস্কার আন্দোলনের মিল রয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে নির্দেশিত আন্দোলনটি হচ্ছে হিন্দু বিধবা বিবাহ আন্দোলন। নিম্নে এই আন্দোলনের গুরুত্ব আলোচনা করা হলো : বাল্যবিবাহের প্রথা থাকার কারণে মেয়েদের অনেক বয়স্ক লোকের সাথে বিবাহ হত, যার ফলে তারা অল্প বয়সে বিধবা হয়ে যেত। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন হিন্দু সমাজে অনেক বেশি বিধবার সংখ্যা বেড়ে যায়। কিন্তু হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহের প্রচলন না থাকায় তখন তারা পিতা বা ভাইদের সাথে বা শ্বশুরবাড়িতে শত কষ্টের মাঝেও বাধ্য হয়ে জীবন যাপন করতে হতো। এছাড়াও বিভিন্ন সময় জীবিকা অজৈবিক চাহিদার তাগিদে তারা বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়ে পড়তো। বিধবা বিবাহ আইন চালুর পর থেকে তারা এই দুর্দশা থেকে মুক্তি পায়। তখন তাদের আর বাধ্য হয়ে বাবার বাড়িতে কিংবা শ্বশুরবাড়িতে দূর্দশা কষ্ট জীবন কাটাতে হতো না। এতে করে তাদের সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। এছাড়াও স্বাভাবিক ও সামাজিক জীবন যাপনের সুযোগ নতুন করে সৃষ্টি হতো। অর্থাৎ বিধবা বিবাহ আইন-চালুর পর থেকে হিন্দু বিধবা নারীদের জীবনে পরিবর্তনের সূত্রপাত ঘটে। তাই বলা যায়, তৎকালীন হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহ আন্দোলনের গুরুত্ব অনেক।
HSCSocial Work 1st Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.সমাজসেবা হলো-
i. কতগুলো সংগঠিত কার্যাবলি
ii. একটি পেশা
iii. প্রত্যক্ষভাবে মানব সম্পদ সংরক্ষণ, প্রতিপালন ও উন্নয়ন করে নিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.শিল্পবিপ্লবের ধারণাটি নামকরণ করেছিলেন কে?

Combined · 2017

  • Arnold Toynbee
  • Lady Williams
  • Jarry and Jarry
  • S.P. Huntington

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উদ্দীপকে উল্লিখিত পদক্ষেপ কীভাবে যুগোপযোগী দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে? পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।

উদ্দীপকে উল্লিখিত পদক্ষেপ কীভাবে যুগোপযোগী দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে? পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ কোন সামাজিক নীতির অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ কোন সামাজিক নীতির অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.নগরমুখিতা নিরুৎসাহিত করা ও পরিকল্পিত নগরায়ণ বলতে কী বোঝ?

নগরমুখিতা নিরুৎসাহিত করা ও পরিকল্পিত নগরায়ণ বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি কত সালে প্রণীত হয়?

জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি কত সালে প্রণীত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.উক্ত পদ্ধতি সমস্যার পরিপূর্ণ সমাধানে কি যথেষ্ট? বিশ্লেষণ করো।

উক্ত পদ্ধতি সমস্যার পরিপূর্ণ সমাধানে কি যথেষ্ট? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে সমাজকর্মের যে ধরনের পদ্ধতির ইঙ্গিত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে সমাজকর্মের যে ধরনের পদ্ধতির ইঙ্গিত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.গ্রহণ নীতি বলতে কী বোঝ?

গ্রহণ নীতি বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সমষ্টি উন্নয়ন কী?

সমষ্টি উন্নয়ন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.গ্রামীণ দরিদ্র জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালিত ভূমিকার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

গ্রামীণ দরিদ্র জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালিত ভূমিকার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটিকে কেন জাতীয় স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান বলা যায়? ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটিকে কেন জাতীয় স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান বলা যায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

সমাজসেবা হলো-i. কতগুলো সংগঠিত কার্যাবলিii. একটি পেশাiii. প্রত্যক্ষভাবে মানব সম্পশিল্পবিপ্লবের ধারণাটি নামকরণ করেছিলেন কে?উদ্দীপকে উল্লিখিত পদক্ষেপ কীভাবে যুগোপযোগী দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ কোন সামাজিক নীতির অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখনগরমুখিতা নিরুৎসাহিত করা ও পরিকল্পিত নগরায়ণ বলতে কী বোঝ?জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি কত সালে প্রণীত হয়?উক্ত পদ্ধতি সমস্যার পরিপূর্ণ সমাধানে কি যথেষ্ট? বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে সমাজকর্মের যে ধরনের পদ্ধতির ইঙ্গিত করা হয়েছে তা ব্যাগ্রহণ নীতি বলতে কী বোঝ?সমষ্টি উন্নয়ন কী?গ্রামীণ দরিদ্র জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালিত ভূমিকার গুরুত্ব বিশ্লেউদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটিকে কেন জাতীয় স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান বলা যায়? ব্যাখ্যা করো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।