উক্ত আইনে রনি ও কালু মিয়া যথাক্রমে অক্ষম ও সক্ষম শ্রেণির দরিদ্র মানুষ। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো :১৬০১ সালের আইন ছিল দরিদ্রদের কল্যাণ গৃহীত একটি পদক্ষেপ। এ আইনে তিনটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়। সবল ও কর্মক্ষম ভিক্ষুদের সক্ষম দারিদ্র বলা হত। আর কাজ করতে অক্ষম, দূর্ব, বৃদ্ধ, অসুস্থ, অন্ধ, বিকাল অঙ্গ এবং ছোট শিশুসহ বিধবাদের অক্ষম দরিদ্র শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত করা হতো। এবং এতিম, পরিত্যক্ত,ও অক্ষম পিতামাতা সন্তানদের নির্ভরশীল বালক বালিকা হিসেবে গণ্য করা হতো। উদ্দীপকে রনি ও কালু মিয়া ১৬০১ সালের দরিদ্র আইন অনুযায়ী যথাক্রমে অক্ষম ও সক্ষম দরিদ্র। দরিদ্র আইনে সক্ষম দরিদ্র ও অক্ষম দরিদ্রদের উন্নয়নের বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সরকার এদের উন্নয়নে আর্থিকভাবে সামর্থবান ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ধনী ব্যক্তিদের উপর তাদের দরিদ্র আত্মীয় স্বজনদের ভরণপোষণের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। এ আইনে সক্ষম দরিদ্রদের জন্য ভিক্ষাবৃত্তি নিষিদ্ধ করা হয়। এই আইনের মাধ্যমে সরকার দরিদ্রদের কাজের সুযোগ করে দেয় এবং পরিবার ও সচ্ছল আত্মীয় স্বজনদের উপর দরিদ্রদের বরণের দায়িত্ব অর্পণ করে। সুতরাং বলা যায় যে, ১৬০১ সালের দরিদ্র আইন ত্রুটিমুক্ত না হলেও দরিদ্রদের উন্নয়নের অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।