সমাজকর্মের বিভিন্ন সহায়ক পদ্ধতি গুলোর মধ্যে সমাজকর্ম গবেষণা অন্যতম। সমাজকর্ম গবেষণা সমাজের বিভিন্ন বিরাজমান সমস্যা নিয়ে গবেষণা ও তার সমাধানে সঠিক পন্থা ঠিক করে। সমাজকর্ম গবেষণা পদ্ধতির ধাপগুলো হলো: সমস্যা নির্বাচন, তাত্ত্বিক জ্ঞানার্জন, অনুমিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, গবেষণা নকশা প্রণয়ন, তথ্য সংগ্রহ, তথ্য বিশ্লেষণ, ফলাফল প্রকাশ। সমাজকর্ম গবেষণা পদ্ধতির ক্ষেত্রে একজন গবেষক সর্বপ্রথম যে বিষয়ে গবেষণা করবেন সেটি নির্বাচন করেন নির্বাচন করেন। গবেষণার বিষয়টি নির্ধারণ পরবর্তীতে তিনি এই সম্পর্কিত বিভিন্ন বই, পুস্তক, প্রতিবেদন ইত্যাদি থেকে বিভিন্ন তথ্য ও জ্ঞান অর্জন করেন। এই জ্ঞান অর্জনকে সাহিত্য পর্যালোচনা বলা হয়ে থাকে। পরবর্তী ধাপে তিনি পুরো গবেষণার একটি সম্ভাব্য ফলাফলের বিষয়ে অনুমান করেন। যা একটি দিকনির্দেশনা হিসেবেও কাজ করে। তারপর শুরু হয় গবেষণা নকশা প্রণয়ন ধাপ। গবেষণাটি কখন শুরু হবে, কিভাবে শুরু হবে, কতজন কর্মী প্রয়োজন, তথ্য সংগ্রহসহ সর ধরনের কাজের বিষয়ে একটি নকশা প্রণয়ন করা হয় এই ধাপে। পরবর্তীতে শুরু হয় গবেষণার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ। এ সময় গবেষকরা সাধারণত সাক্ষাৎকার, পর্যবেক্ষণ, প্রশ্নোত্তর ইত্যাদি কৌশল অবলম্বন করে থাকেন। এরপর প্রাপ্ত তথ্যগুলো গবেষক পর্যালোচনা করেন এবং একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্তের আলোকে আলোকে তিনি ফলাফল প্রকাশ করেন। উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সমাজকর্ম গবেষণা পদ্ধতির ধাপসমূহের কার্যকরিতা অপরিসীম।