সমাজকর্মের মাত্র চারটি বৈশিষ্ট্য উদ্দীপকের ছকে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই উদ্দীপকে সমাজকর্মের সকল বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় নাই।
সমাজকর্মের অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন- সমাজকর্ম একটি কল্যাণধর্মী পেশা হিসেবে জাতি-ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণি-লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল স্তরের মানুষের সামাজিক ভূমিকা পালনে তথা কল্যাণে কাজ করে, যা পেশাটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সমাজকর্ম একটি মূল্যবোধ নির্দেশিত পেশা। পেশাগত অনুশীলনের ক্ষেত্রে একজন সমাজকর্ম তার নিজস্ব বিশ্বাস যেমন- ধর্মীয়, জাতিগত ও রাজনৈতিক পরিচয় বা অন্য যেকোনো ব্যক্তিগত বিশ্বাসের ঊর্ধ্বে ওঠে শুধু সমাজকর্মের স্বীকৃত মূল্যবোধের আলোকে সেবাকার্যক্রম পরিচালনা ও প্রশিক্ষণ বা সমাজকর্ম শিক্ষায় নিয়োজিত থাকবেন। আবার, সমাজকর্মী তার কাছে সাহায্য নিতে আসা সাহায্যার্থীর সাথে পেশাগত সম্পর্ক (Rapport) স্থাপন করেন, যা অন্যান্য পেশার ক্ষেত্রে বিরল। আবার, সমাজকর্ম হচ্ছে সংযোগকারী কার্যক্রম, যার মাধ্যমে অসুবিধাগ্রস্ত ব্যক্তি ও দল তাদের প্রয়োজন পূরণে সমষ্টির সম্পদকে কাজে লাগাতে পারে। অন্যদিকে, সমাজকর্মের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে (Holistic out look) কাজ করে। ব্যক্তি, দল বা সমষ্টির নির্দিষ্ট একটি দিক নয়, বরং সকল দিকের উন্নয়ন ঘটিয়ে একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ সুষম পরিবেশ বা অবস্থা সৃষ্টি করতে কাজ করে।
এছাড়াও সমাজকর্মের বহু বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান, যা উদ্দীপকের ছকে পূর্ণভাবে প্রকাশ পায়নি।