উদ্দীপকে উল্লেখিত পরিবর্তনটি শিল্প বিপ্লব নামে পরিচিত। নিচে তা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করা হলো :শিল্পয়ান শিল্প বিপ্লবের প্রধান বৈশিষ্ট্য। কৃষিভিত্তিক, হস্তশিল্পনির্ভর, ক্ষুদ্রায়তন, উৎপাদন ও অর্থনীতি থেকে শিল্প এবং যন্ত্রচালিত বৃহত্তায়তন উৎপাদন ব্যবস্থা পরিবর্তন হল শিল্প বিপ্লব এর একটি প্রক্রিয়া। এর ফলে সমাজের সকল স্তরে উন্নয়নের ক্ষেত্রে উৎকর্ষ ঘটে এবং এর প্রভাব মানবসভ্যতার ইতিহাসে সর্বাধিক গুরুত্ববহ। উদ্দীপকে শিল্প বিপ্লব প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে এবং এর ফলাফলও তুলে ধরা হয়েছে। ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৫০ সালের মধ্যে ইংল্যান্ড ও ইউরোপের অন্যান্য দেশে উৎপাদন, প্রযুক্তি, যাতায়াতের ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন সংঘটিত হয়। এ পরিবর্তনের সূত্রপাত হয়েছিল ইংল্যান্ডে। শিল্প বিপ্লব অর্থব্যবস্থা দ্রুত সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি নাগরিক সুযোগ সুবিধা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। এবং শিল্পয়ানের ফলে শহরায়ন প্রক্রিয়া গড়ে ওঠে, যায় ফসল আজকের শহরকেন্দ্রিক সভ্যতা। শিল্প বিপ্লবের ফলে মানব জীবনের কিছু নতুন সমস্যারও উদ্ভব ঘটে। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্প বিপ্লবের ফলে সৃষ্ট অমূল পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে।