উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয় অর্থাৎ সমাজকর্ম সামাজিক সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত কার্যকর সেবাকর্ম।সামাজিক সমস্যা সমাধানে সাময়িক বা অপরিকল্পিত কোনো পদক্ষেপ দীর্ঘস্থায়ী কোনো ভূমিকা রাখতে পারে না। তাই সমাজকর্ম সুশৃঙ্খল ও পরিকল্পনামাফিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। যা মূলত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিনির্ভর সমস্যা সমাধান ও সাহায্যকারী প্রক্রিয়া। দ্বিতীয়ত, সমাজকর্মের সেবাকর্মে জ্ঞান, দক্ষতা ও. নৈপুণ্যমণ্ডিত একজন পেশাদার কর্মী সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ গ্রহণ করে। ফলে তা হয়ে ওঠে বাস্তবসম্মত ও যথোপযুক্ত। তৃতীয়ত, সমাজকর্মের সমাধান প্রক্রিয়ায় সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তি বা সাহায্যার্থীর অংশগ্রহণকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করা হয়। ফলে, নিজের সমস্যায় সমাধানে ব্যক্তির মতামত বা সিদ্ধান্তে কার্যকর হয়ে ওঠে। চতুর্থত, সমাজকর্ম ব্যক্তি, দল বা সমষ্টির সমাধানে বিদ্যমান বস্তুগত ও. অবস্তুগত সম্পদের যথাযথ বা সদ্ব্যবহারকে সর্বোচ্চ প্রধান করে। সমাধান প্রক্রিয়াকে সহজতর করে। পঞ্চমত, সামাজিক সচেতনতা ছাড়া সামাজিক সমস্যার সমাধান কল্পনা করা যায় না বিধায় সমাজকর্ম সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। ষষ্ঠত, সমাজকর্ম সমস্যার সমাধানকে টেকসই ও স্থায়ী করার লক্ষ্যে প্রতিকার (বর্তমান সমস্যার সমাধান), প্রতিরোধ (সমস্যা ভবিষ্যতে যাতে আর হতে না পরে) এবং উন্নয়নমূলক (সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে সামাজিক ইতিবাচক পরিবর্তন) পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে। সপ্তমত, সমাজকর্মে সাহায্যার্থী ও সমাজকর্মীর মধ্যে একটি কার্যকর ও ফলপ্রসূ পেশাদার সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করে।মোটকথা এসব বিষয় বিবেচনা করলে সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, সামাজিক সমস্যার কার্যকর ও বাস্তবসম্মত সমাধানে সমাজকর্ম দৃঢ় প্রত্যয়ী।