উদ্দীপকে ইউনূস সাহেবের উল্লিখিত শিল্পবিপ্লবোত্তর জটিল ও বহুমুখী সমস্যার সমাধানে সমাজকর্ম শিক্ষার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। সমাজের উন্নয়ন ও অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে হলে জনগণকে সংগঠিত করা আবশ্যক। সমাজকর্ম মানুষকে সংগঠিত করার শিক্ষা প্রদান করে। মানুষের চাহিদা ও সমস্যা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা জরুরি. বিষয়। কারণ সসীম সম্পদ দ্বারা মানুষের অসীম চাহিদা কখনোই মেটানো সম্ভব না। চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হলে সমস্যার উদ্ভব ঘটে। এছাড়াও সমস্যার বৈজ্ঞানিক সমাধান করতে সমাজকর্মের শিক্ষার বিকল্প নেই। এছাড়াও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ, সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি, স্বনির্ভরতা অর্জন মানবসম্পদ উন্নয়ন, স্থানীয় নেতৃত্বের বিকাশ, পারিবারিক পরিকল্পনা, গ্রামোন্নয়ন, খাপ খাওয়াতে সহায়তা, অবহেলিত জনগণের স্বার্থরক্ষা, সমন্বয় সাধনের জ্ঞান অর্জন, সমাজ সংস্কার, সামাজিক নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রে সমাজকর্ম পাঠের গুরুত্ব রয়েছে।মোটকথা, শিল্পবিপ্লব-উত্তর জটিল সমস্যা জর্জরিত সমাজের টিকে থাকার জন্য সমাজকর্ম পাঠের গুরুত্ব অপরিসীম।