উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রয়োজনীয়তা ছাড়া সমাজকর্ম শিক্ষার প্রয়োজনীয় আরও বহু ক্ষেত্র রয়েছে।প্রথমত, আমাদের পার্থিব জীবনের অসীম চাহিদা মেটানোর জন্য সসীম সম্পদের সদ্ব্যবহার শিক্ষার জন্য সমাজকর্ম শিক্ষা গ্রহণ করা আবশ্যক। কেননা সামাজিক সমস্যার মৌলিক কারণ হলো অভাব তথা প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণে সম্পদের ঘাটতি। আর সমস্যার সমাধানে সমাজকর্মের উদ্ভব।দ্বিতীয়ত, সমাজকর্ম সমাজের দরিদ্র, দুস্থ ও অসহায় মানুষকে এমনভাবে সহায়তা করে যাতে তারা আত্মনির্ভরশীল হয়। তাই আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে সমাজকর্মের শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তৃতীয়ত, সামাজিক সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ছাড়া সমাজের সার্বিক কল্যাণ সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে সমাজকর্ম সাম্য ও ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তাই সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সমাজকর্মের শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।চতুর্থত, সমাজে বিদ্যমান নানা কুসংস্কার, কুপ্রথা ও অবিশ্বাস পরিবর্তন করে সমাজকর্ম সমাজে সংস্কার ঘটায়। তাই সামাজিক সংস্কার আনয়নে সমাজকর্মের শিক্ষা প্রয়োজন।পঞ্চমত, সামাজিক সমস্যার সমাধান ও প্রতিরোধে সমাজকর্মের শিক্ষা প্রয়োজন। কেননা সমাজকর্ম সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তি, দল ও সমষ্টির সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং অবস্থার উন্নয়ন ঘটায়।ষষ্ঠত, আধুনিক জটিল সমাজব্যবস্থায় সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা প্রণয়ন আবশ্যকীয় বিষয়। আর এক্ষেত্রে সমাজকর্মের শিক্ষার কোনো ব্যতিক্রম হয় না।অতএব বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়গুলো ছাড়াও সমাজকর্ম শিক্ষার বহু প্রয়োজনীয় ক্ষেত্র রয়েছে।